ফুটবল খেলার ইতিহাস — ফুটবল খেলা দেখেননি অথবা অন্তত একবার হলেও ফুটবল খেলেননি এমন লোক বর্তমান সময়ে খুঁজে পাওয়াটা অনেক দুষ্কর ব্যাপার। একটি খেলা যে সারাবিশ্বের মানুষকে এভাবে এক ছাতার নিচে নিয়ে আসতে পারে, তা এই ফুটবল খেলা না দেখলে হয়তোবা অনুভব করা যাবেনা। কিন্তু সকলেই শুধুমাত্র ফুটবল খেলা দেখে থাকে না। কেউ কেউ আছেন যারা ফুটবলের উন্মাদনায় মাতোয়ারা হয়ে পাশাপাশি ফুটবল খেলার ইতিহাস সম্পর্কে জানতে চায়। ফুটবল খেলার ইতিহাস সম্পর্কে সে জ্ঞানের তৃষ্ণা মেটাতেই মূলত আমাদের আজকের এই আর্টিকেল।
মানবসভ্যতার নানা বাকে ফুটবল
ফুটবল নামটির সঙ্গে রয়েছে বেশ সার্থকতা। ফুট শব্দের অর্থ হচ্ছে পা। আর বল শব্দের প্রচলিত বাংলা অর্থ হচ্ছে ‘বল’। যাকে পূর্বে বলতো গোলক। মূলত পা দিয়ে বলকে লাথি মেরে খেলাকেই বলা হয় ফুটবল। আর এমন একটি খেলা অর্থাৎ ফুটবল খেলা পাওয়া গেছে মানব সভ্যতার নানান বাঁকে।
মেসোমেরিকান সভ্যতা
বলের সাহায্য খেলার প্রথম প্রমান দেখা যায় মেসোমেরিকান সভ্যতাতে। যা প্রায় গত ৩০০০ হাজার বছর পূর্বে হতো সেই খেলা। আর সেই বলটি ছিলো মূলত পাথরের। অ্যাজটেকদের সেই খেলাতে কিছু অনুষ্ঠানে বলকে মনে করতো সূর্যের প্রতীক। আর সূর্য দেবতার সম্মানেই তারা খেলায় বিজয়ী দলের দলপতিকে উৎসর্গ করতো অ্যাজটেকরা। তবে হা মেসোমেরিকান সভ্যতাই ছিলো রাবার ইউজারকারী প্রথম সভ্যতা। তাই তাদের খেলাতে এমনকি রাবারের বলের ব্যবহারের ও নজির আছে।
আরও পড়ুনঃ অলিম্পিক গেমের ইতিহাস | অলিম্পিক গেমসের সম্পূর্ণ ইতিহাস
এশীয় ও অস্ট্রেলীয় সভ্যতা
বলকে লাথি মেরে খেলতে হয় এমন ধরনের খেলার বিষয়ে প্রথমে জানা যায় চীনাদের হিস্ট্রি থেকে। হান রাজবংশের সময়ে ২য় এবং ৩য় খ্রিষ্টপূর্বাব্দে চীন দেশে একটি ধরনের খেলা প্রচলিত ছিলো। যার নাম ছিলো হচ্ছে ‘কুজু’। যাকে সরাসরি ইংরজিতে করলে হয় কিকবল ‘Kickball’। কুজু খেলাটি খেলতো একটি গোল বল ব্যবহার করে। পশম অথবা পালককে চামড়া ব্যবহার করে মুড়ে তৈরি করা হতো বল। তারপর চারকোণা একটি মাঠের মাঝে হতো সেই খেলা।
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে যা বিস্তার লাভ করছে মালয় উপদ্বীপে। পরবর্তীতে ধীরে ধীরে তা জাপান ও প্রশান্ত মহাসাগরের অন্যান্য দ্বীপ গুলোতে এবং অস্ট্রেলীয়াতে ও ছড়িয়ে পড়ছে কুজুর মতো এই খেলাটি। জাপানিজরা এই খেলাকে বলতো খেমারি। অন্যদিকে অস্ট্রেলীয়ায় এই খেলার নাম ছিলো মার্ন গুক। ১৮০০ শতকে অস্ট্রেলিয়ার আদিবাসীরা গাছের পাতা এবং মূলকে ব্যবহার করে বল বানিয়ে এই খেলা খেলতো।
তাছাড়াও বলকে লাথি মেরে খেলার প্রচলিত ছিলো প্রাচীন গ্রিক এবং রোমান সভ্যতাতে। তবে হ্যাঁ সেসব অঞ্চলে খুব বেশি বড় আকারে খেলা হতোনা। যদিওবা গ্রেট ব্রিটেনে এই খেলাটিকে পৌছে দেয় রোমানরাই। পরবর্তী সময়ে ব্রিটিশরাই এই খেলার প্রচলন ঘটায় সারাবিশ্বে। আর যার কারণে বর্তমান সময়ে সারাবিশ্বের প্রায় সব দেশের মানুষ কাছে পছন্দের দলের খেলা অনুষ্ঠিত হলেই ভাই-বোন, পরিবার, বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে লাইভ ফুটবল ম্যাচ খেলা দেখতে সবাই মেতে উঠে।
ব্রিটেনঃ আধুনিক ফুটবলের জন্মভূমি
পূর্বকথা
ব্রিটেনকে বলা হয়ে থাকে মূলত আধুনিক ফুটবলের মাতৃভূমি বা জন্মভুমি। সেই ১২০০ শতাব্দীতে ইংল্যান্ড এর মাঠে-ঘাটে খেলতো ফুটবলের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ নানান ধরনের খেলা। তবে সেসকল খেলাতে নিয়ম-কানুনের কোনো বালাই ছিলো না বললেই হয়। এমনকি সেই সকল খেলাতে পায়ের পাশাপাশি হাতের ব্যবহার করা হতো অহরহ। অনেক সময় এসকল খেলাতে আবার অনেক বেশি মানুষেরা অংশগ্রহণ করতো। যার কারণে সেখানে হাতাহাতি, মারামারি এমনকি অনেকে মৃত্যুবরণ করছে।
খেলাকে কেন্দ্রবিন্দু করে বাড়িঘর ভাংচুর করা হতো প্রায় সময়। আর এসকল অনিয়মে রাজা বিরক্ত হয়ে দ্বিতীয় অ্যাডওয়ার্ড সকল শহর থেকে এই খেলাকে নিষিদ্ধ করে দেন। পরবর্তী ১৩৪৯ সালের দিকে আবার তার পুত্র তৃতীয় অ্যাডওয়ার্ড পুরো ব্রিটেন থেকেই এই খেলাকে নিষিদ্ধ করে দেন। কিন্তু হ্যাঁ রাজা সপ্তম হেনরির আবার ফুটবলের প্রতি অনুরাগ ছিলো বেশ। তার রাজকীয় জুতার ভান্ডারে ফুটবল খেলার জন্যে ১ জোড়া চামড়ার জুতো এবং ৪৫ জোড়া ভেলভেট দেখলেই সেটা বোঝা যায়।
তবে হ্যাঁ তার স্থুলতার কারনে এ খেলাতে তিনি তেমন বেশি পারদর্শী ছিলেন না। পরবর্তী সময়ে ১৫৪৮ সালে এই খেলাটি দাঙ্গার সৃষ্টি করে এই কারণ দেখে রাজা সপ্তম হেনরি আবার পুনরায় তৎকালীন ফুটবলকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।
তৎকালীন সময়ে ফুটবলের এই হিংস্রতার ইতিহাস বারবার ফুঁটে উঠেছে ষোড়শ এবং সপ্তদশ শতাব্দী জুড়ে। এই খেলাটি নিষিদ্ধ হলেও ফুটবলের মতোই আরো নানান ধরনের খেলার প্রচলন ছিলা ইংল্যান্ডের মাঠে ঘাটে। এমনকি লন্ডন শহরে চলতো সেসকল খেলা। সে সময় শুধুমাত্র ইংল্যান্ড না, ফুটবলের মতো খেলাটি বিস্তার লাভ করছিলো স্কটল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড এবং ওয়েলসতে।
তবে হ্যাঁ সেসকল খেলার হিংস্রতার জন্যে সেগুলো ১৮৩৫ সালে আবার পুনরায় নিষিদ্ধ করা যেতে পারতো। কিন্তু ততোদিনে সাধারণ মানুষের খেলার স্তর থেকে ফুটবল এর উন্নতি হয়েছিকো। সে সময়ে ইংল্যান্ডের পাবলিক স্কুল গুলোর মাঝে ফুটবলের মতো আরো নানান ধরনের খেলার ব্যবস্থা ছিলো। এমন ২টি প্রধান পাবলিক স্কুল ছিলো রাগবি এবং ইটন। রাগবি স্কুলে ফুটবল খেলাতে পায়ের পাশাপাশি ঠিক হাতেরও ব্যবহার প্রচলিত ছিলো। সেখান থেকেই মূলত জন্ম হয়েছে আজকের এই রাগবি খেলার। অন্যদিকে ইটন স্কুলে শুধুমাত্র পায়ের মাধ্যমেই ফুটবল খেলতো। অর্থাৎ এটাকে বলা চলে বর্তমান সময়ের ফুটবলের আদিপিতা।
আরও পড়ুনঃ কম্পিউটারের জন্য প্রয়োজনীয় ৫টি সফটওয়্যার
নিয়মাবলীর জন্ম
তখন ছিলো ১৮৪৮ সাল। কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছায়ার নিচে ইংল্যান্ডের বড় বড় পাবলিক স্কুল গুলোর প্রতিনিধিরা জমা হতো। সে সময়ে কিছু কিছু নিয়মকানুন করা হয়। সেগুলোকে বলা হতো কেমব্রিজ রুলস। তৎকালীন সসময়ে বড় বড় স্কুলগুলি অর্থাৎ রাগবি, ইটন, শ্রুসবেরি ও হ্যারো, উইনচেস্টার এই সকল নিয়ম-কানুন মেনে নেয়। যদিওবা ১৮৫০ এর দশকে ইংল্যান্ডের অনেক স্কুলগুলো তাদের নিজেদের মতো করে নিয়ম-কানুন তৈরি করে এই খেলা চালিয়ে নিয়েছিলো। আবার কিছু কিছু স্কুল শেফার্ড রুলস নামের ভিন্ন কিছু নিয়ম-কানুন অনুসরণ করতো।
বেনিজার কব মর্লেই হচ্ছে ২২ বছরের এক উজ্জ্বল তরুণ। তিনি ছিলেন তৎকালীন বার্নস ক্লাবের দলনেতা। ২৬ অক্টোবর ১৮৬৩ সালে, লন্ডনের গ্রেট কুইন স্ট্রিটের ফ্রিম্যাসন ট্যাভার্নে এবেনিজার ডাক দেন একটি মিটিং। আর সেই মিটিংয়ের ফলস্বরুপই প্রতিষ্ঠিত হয়ে থাকে দ্যা ফুটবল এসোসিয়েশন। বর্তমান সময়ে যেটা পরিচিত FA নাম দিয়ে।
পরবর্তী সময়ে আরও ৫ মিটিং করার পরে অবশেষে ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন ফুটবলের বিশেষ কয়েকটি নিয়মকানুন বানাতে সমর্থ হয়। কিন্তু হ্যাঁ শেষ মিটিংয়ের দিনে ব্ল্যাকহিথ ক্লাবটি অ্যাসোসিয়েশন থেকে ত্যাগ করে। কেননা তাদের দাবি ছিলো মূলত ফুটবল খেলাতে হাতের ব্যবহার করতে হবে এবং প্রতিপক্ষকে ধরে রাখার জন্য প্রথা বজায় রাখতে হবে। ব্ল্যাকহিথ ক্লাবকে সাপোর্ট করে আরো কয়েকটি ক্লাব মিলে তারপর গঠন করে রাগবি ফুটবল ইউনিয়ন। যা বর্তমানে রাগবি খেলা নামে পরিচিত।
আন্তর্জাতিক ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন
বর্তমান সময়ে ফুটবল খেলার সকল নিয়ম-কানুন পরিচালিত হয়ে থাকে আন্তর্জাতিক ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের দাঁরা। আর হ্যাঁ এই আন্তর্জাতিক ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন এর জন্ম হয়েছিলো ১৮৮৬ সালে যা ম্যানচেস্টার শহরে। দি ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন, দি স্কটিশ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন, দি ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন অব ওয়েলস ও আইরিশ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন মিলে গঠন করা হয় আন্তর্জাতিক ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন। আর সর্বপ্রথম আন্তর্জাতিক ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছিলো ইংল্যান্ড এবং স্কটল্যান্ডের মধ্যে। যা অনুষ্ঠিত হয়েছিলো ৩০ নভেম্বর ১৮৭২ সালে।
দেশে দেশে ফুটবল
আধুনিক ফুটবল এর জনক হিসেবে পৃথিবীর অনেক দেশের মানুষদেরকে ফুটবল খেলার প্রতি আগ্রহী করা এবং উৎসাহিত করা এই দুটোর দায়ভার মূলত ব্রিটিশদের। দক্ষিণ আমেরিকা, মধ্য আমেরিকা, ইউরোপের দেশগুলোতে ব্রিটিশদের ব্যবসায়িক সম্পর্কের কারনে ফুটবল খেলাটাও অনেক বেশি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। এছাড়া দক্ষিণ আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড এবং ভারতবর্ষের মত দেশগুলো যেগুলোতে ব্রিটিশরা জোরপূর্বক কলোনি বানিয়ে ছিলো সেগুলোতে ফুটবল খেলার তেমন বেশি আগ্রহ তৈরী হয়নি।
ঐসকল দেশে ক্রিকেট, রাগবির মতো ইত্যাদি খেলা প্রচলিত ছিলো। তাছাড়াও ইংল্যান্ড এবং অন্যান্য অনেক দেশেই ফুটবল খেলোয়াড়দের মাঝে শ্রেণীর পার্থক্য ছিলো চোখে পড়ার মতোই। যেমন ধরুন ইংল্যান্ডের ফুটবল দলের সকল শ্রেণীর খেলোয়াড় কিছু কিছু করে থাকলেও বেশিরভাগ খেলোয়াড়রা ছিলো নিচু শ্রেণী থেকে উঠে আসছিল।
আবার ডাচদের ক্ষেত্রে ফুটবল খেলোয়াড় হিসাবে উঁচু শ্রেণীর লোকেরাই খেলাতে বেশি অংশগ্রহণ করতে পারতো। ফুটবল খেলায় সেসময়ে জাতীয় দলের খেলার তুলনায় ক্লাবের খেলাগুলো বেশী পরিমাণে গুরুত্ব পেতো। প্রথম দিকে শুধুমাত্র ব্রিটিশ ক্লাব গঠন শুরু করলেও পরবর্তীতে একে একে বিভিন্ন দেশে ফুটবল ক্লাব গঠন করা হয়। যা খুবি দ্রুততার সাথে ফুটবলকে মানুষের কাছে পরিচিত করে তুলে।
আরও পড়ুনঃ ব্লগ সাইট খোলার নিয়ম | ফ্রী ব্লগ সাইট তৈরি করে লাখ টাকা ইনকাম করুন
ড্যনিশ ফুটবল ও ফুটবল ক্লাব
ইংল্যান্ড এবং আয়ারল্যান্ডের পরে ইউরোপের প্রথম ফুটবল ক্লাব গঠন করে ড্যানিশরা ১৮৭৬ সনে। ক্লাবের নাম ছিলো কোপেন হেগেন বোল্ডক্লাব। ইউরোপের প্রথম ফুটবল ক্লাবটিও গঠিন করা হয় এই ডেনমার্কে ১৮৮৯ সালে। এই সকল বিষয় মিলিয়ে ইউরোপীয়রা অন্যান্য অনেক দেশের তুলনায় প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পূর্বে পর্যন্ত ড্যানিশরা অনেক শক্তিশালী ছিল। যার ফলস্বরুপ ১৯০৮ এবং ১৯১২ সালের অলিম্পিকে তারা পর পর দুবার রৌপ্য পদক লাভ করে।
স্প্যানিশ ফুটবল
স্পেনে ফুটবলের প্রচলন তৈরী হয় মূলত স্পেন দেশে কাজ করতে আসা ব্রিটিশ অভিবাসীদের সাহায্যে। উনিশ শতকের শেষ দিকে ধীরে ধীরে ফুটবল খেলা অভিবাসীদের মাধ্যমে স্পেনের সাধারণ মানুষের মাঝে ছড়িয়ে পড়ে। ফুটবল খেলাটিকে স্পেনে জনপ্রিয় করার জন্যে তৎকালীন সময়ের স্পেনের রাজা ত্রিয়োদশতম আলফোনসের ভূমিকা অনেকটাই। তিনি ১৯০২ সালের স্পেনে বাস্ক, ক্যাটালনিয়া এবং মাদ্রিদের অঞ্চল গুলোতে বেশ কিছু দলের মাঝে একটি ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করে থাকেন। কিন্তু এতো কিছুর পরে আঞ্চলিক বিভক্তির কারনে স্প্যানিশ জাতীয় দল গঠন করাটা ছিলো বেশ কঠিন ব্যাপার। একারণেই তারা মূলত ১৯০৪ সালে ফিফার (ফুটবল ফেডারেশন) প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হওয়া সত্ত্বেও প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পূর্বে কোনো জাতীয় টিম তৈরী করতে পারেনি।
ইতালীয় ফুটবল
ইতালিতে ফুটবল খেলার সূচনাটা হয়েছিলো মূলত সুইস, ব্রিটিশ এবং ইতালির উচু শ্রেণীর জনগনের মাধ্যমে। যার কারনে বর্তমানে ইতালির ফুটবলে সেখানকার উচু শ্রেণীর মানুষের প্রভাব দেখা যায়। ইতালির ফুটবল খেলার উত্থান স্পেনের সমসাময়িক। উনিশ শতকের শেষ দিকে ইতালির প্রথম ফুটবল ক্লাব গঠন করা হয়। আর ১৮৯৮ সালে ইতালিতে প্রথমবারের মতো জাতীয় পর্যায়ে ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন হয়।
Read more