গর্ভবতী মায়ের কিসমিস খাওয়ার উপকারিতা

খাবারের স্বাদ এবং সৌন্দর্য বাড়াতে কিসমিসের ব্যবহার হয়ে থাকে। এতে বিভিন্ন ভিটামিন ও মিনারেল থাকায় গর্ভাবস্থায় কিসমিস খাওয়ার উপকারিতা অনেক। …

Read more

উচ্চ রক্তচাপের লক্ষণ ও কারণ: হাই প্রেসার এর লক্ষণ ও প্রতিকার

বর্তমানে রক্তচাপ জনিত সমস্যায় অনেকেই ভুগছেন এবং দিন দিন ভুক্তভোগীদের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য মতে, প্রায় দেড়শো …

Read more

ডায়ালাইসিস কত দিন পর পর করতে হয়

দিন দিন পর্যায়ক্রমে দেশে কিডনির সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন হাজারো মানুষ। বিশেষ করে আমাদের শরীরে জ্বর হলে তেমন একটা গুরুত্ব দেই না বরং নাপা, প্যারাসিটামল খেয়ে নেই। কিন্তু এই জ্বর ঘন ঘন প্রস্রাব বা প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া তলপেটে হালকা হালকা ব্যাথা এসব থেকেই সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে কিডনিতে।

কিডনিতে সমস্যা হলে ডায়ালাইসিস এর মাধ্যম বেছে নিতে হয় এবং ডায়ালাইসিস গ্রহণ করলে অনেক কিছু থেকে সচেতন থাকতে হয় ও ডায়ালাইসিস কত দিন পর পর করতে হয় সেটা সম্বন্ধেও ধারনা রাখবেন।

ডায়ালাইসিস রোগীদের ক্ষেত্রে আয়রনের অভাব, র*ক্তস্বল্পতা ইত্যাদি ধরনের নানান সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। সেজন্য র*ক্ত তৈরির জন্য ইনজেকশন, আয়রন অথবা অন্য কোন প্রক্রিয়া ডাক্তারের পরামর্শে নিতে পারেন এবং জেনে নিবেন ডায়ালাইসিস কতদিন পর পর করতে হবে।

সাধারণত কিডনি সম্বন্ধে যারা জানতে চান তাদের কমন একটি প্রশ্ন থাকে ডায়ালাইসিস কতদিন পর পর করতে হয়? তো আসুন জেনে নেই, ডায়ালাইসিস কতদিন পর পর করতে হয় এবং ডায়ালাইসিস সম্বন্ধে অন্যান্য সব বিষয়গুলি।

{tocify} $title={Table of Contents}

ডায়ালাইসিস কত দিন পর পর করতে হয়

ডায়ালাইসিস কত দিন পর পর করতে হয়

ডায়ালাইসিস কতদিন পর পর করতে হয়, তা চিকিৎসকের মতে, নির্দিষ্ট কোন হাসপাতালে সপ্তাহে দুই থেকে তিন দিন ডায়ালাইসিস গ্রহণ করতে হবে এবং প্রতিদিন চার ঘন্টার মত র*ক্ত পরিশোধনের কাজ করা হয়।

এবং যাদের সাময়িকভাবে কিডনি বিকলের সমস্যা ঘটে তাদের ক্ষেত্রে মাত্র কয়েকটি ডায়ালাইসিস গ্রহণ করার পরই কিডনির সমস্যার সমাধান হয়ে যায়, পরে আর ডায়ালাইসিস নিতে হয় না। কিন্তু যাদের বেলায় কিডনি সমস্যায় খুব বেশি সম্মুখীন বা পঞ্চম ধাপের রোগী তাদের ক্ষেত্রে সারাজীবন চলতে হবে ডায়ালাইসিস প্রক্রিয়াটি।

(ads)

আরো পড়ুনঃ ডায়াবেটিস ও কিডনি রোগীর খাবার তালিকা

ডায়ালাইসিস টেকনিশিয়ান এর কাজ কি?

মানুষের শরীরের র*ক্ত থেকে অতিরিক্ত বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশন করাই হচ্ছে ডায়ালাইসিস। যে সকল রোগীদের দেহে কিডনির সমস্যা জনিত এই প্রক্রিয়াটি সঠিকভাবে সম্পূর্ণ হয় না, তাই বাইরে থেকে তাদের মেশিনের সাহায্যে প্রক্রিয়াটিকে সম্পূর্ণ করানো হয়। এবং এই কাজের সাথে যারা সংযুক্ত থাকেন বা এই কাজ যারা সম্পন্ন করেন মূলত তারাই ডায়ালাইসিস টেকনিশিয়ান।

কিডনি রোগীরা যা যা খেতে পারবেন এবং যা যা খেতে পারবেন না

মানুষের জীবনযাপনে পরিবর্তন, খাদ্যে ভেজাল এই নানাবিধ কারণে দিনদিন কিডনি রোগী বা নানা ধরনের রোগের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। কিডনির সমস্যা দেখা দিলে শুরুর থেকেই পরিবর্তন আনতে হবে খাবারে, হিসেব করে খাবার খেতে হবে এবং তা হতে হবে পরিমান মতো সঠিক খাবার। কিডনি রোগীদের জন্য যে খাবারগুলো গ্রহণযোগ্য।

  • সবজির মধ্যে খেতে পারেন, লাউ, করলা, কচু শাক, ঝিংগা, পেঁপে, ডাঁটাশাক, হেলেঞ্চা শাক ইত্যাদি।
  • প্রাণিজ আমিষের ক্ষেত্রে, দুধ, ডিম, মাছ, মাংস রোগীদের ডায়েটিশিয়ানদের পরামর্শ অনুযায়ী পরিমাণ মতো।
  • ফলের মধ্যে, পেয়ারা, আপেল, পাকা পেঁপে, নাশপাতি ইত্যাদি। তাও খুব বেশি নয় পরিমাণমতো খাবেন।

শরীরে কিডনি রোগ শনাক্ত হওয়ার পর, আপনার প্রতি কেজি দৈহিক ওজনের জন্য ০.৫ থেকে ০.৮ গ্রাম প্রোটিনের প্রয়োজন পড়ে এবং গুরুতর রোগীর জন্য প্রয়োজন ০.৫ গ্রাম। তাই রোগীর খাদ্য তালিকায় প্রোটিনও রাখতে পারেন, তবে রোগীর শরীরের ওজন, র*ক্তের ক্রিয়েটিনিন, ডায়ালাইসিস চলছে কিনা, চললেও তা সপ্তাহে কয়টা চলে এইসব কিছুর উপর নির্ভর করে প্রোটিনের মাত্রা নির্ধারিত হবে।

আরো পড়ুনঃ ব্লাড সুগার কমানোর উপায়

কিডনি রোগীদের জন্য যে খাবারগুলো গ্রহণযোগ্য নয়

  • সবজির মধ্যে পালংশাক, বাঁধাকপি, ফুলকপি, মুলা, পুঁইশাক, আলু, ঢেরস, গাজর, শিমের বিচি, টমেটো, শসা, কাঁঠালের বিচি ইত্যাদি।
  • ফলের মধ্যে ডাব, কলা, আঙ্গুর, প্রক্রিয়াজাত খাদ্য।
  • আমিষের মধ্যে খাসী, গরু, চর্বি, ষাড়ের মাংস খুব প্রয়োজন না পড়লে পরিত্যাগ করাই ভালো। অবশ্যই খাবারে অতিরিক্ত লবণ পরিহার করবেন।
  • এবং অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে গমের পাউরুটি, গাড় রঙ্গের সোডা, আচার, টমেটো, ব্রাউন চাল, অ্যাভোকাডো, দুগ্ধজাত পণ্য, ফাস্টফুড ইত্যাদি।

খাবারের তালিকায় একটু সতর্ক থাকলেই, নিজের শরীরের রোগকে অনেকটা নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। খাবারের সঠিক চার্ট থেকে কিডনির সমস্যা অনেকটা নিয়ন্ত্রণে থাকে।

আরো পড়ুনঃ এলার্জি দূর করার উপায়

ডায়ালাইসিস মেশিনের দাম কত?

বাংলাদেশী টাকায় একটি ডায়ালাইসিস মেশিনের দাম পড়বে ১০ লক্ষ টাকা, এই বার্তাটি জানান, বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের কিডনি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক শহীদুল ইসলাম সেলিম। তাছাড়াও ডায়ালাইসিস মেশিনের কার্যক্রমে বা প্রয়োজনীয় অনেক কিছুই বিদেশ থেকে আনা হয়। বাংলাদেশে হাজারো মানুষের মধ্যে কিডনির সমস্যার সম্মুখীন যারা, তাদের মধ্যে ৪০ হাজার মানুষের কিডনি সম্পূর্ণ রুপে বিকল হয়ে পড়ছে।

(ads)

এই কিডনি বিকল হওয়া মানুষগুলোর বেঁচে থাকার একমাত্র উপায় কিডনি ডায়ালাইসিস অথবা কিডনি প্রতিস্থাপন করা। কিন্তু দেশে কিডনি ডায়ালাইসিস এর ব্যবস্থাও অপ্রতুল, ব্যয়বহুল হওয়ায় অনেক রোগী শেষ অবধি ডায়ালাইসিস ও করাতে পারেন না। ডায়ালাইসিসের খরচ এত বেশি হয়ে যায় যে, কিডনি বিকল রোগীর ৯০ শতাংশই এই ব্যায় বহন করতে পারে না।

তার একমাত্র কারণ হচ্ছে দেশে পর্যাপ্ত পরিমাণে ডায়ালাইসিস মেশিন নেই। ডায়ালাইসিস মেশিনের অনেক ঘাটতি যেখানে রোগী অনুযায়ী প্রয়োজন ৩০ হাজার ডায়ালাইসিস মেশিনের সেখানে আছে মাত্র ২ হাজারের মতো ডায়ালাইসিস মেশিন প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম।

আরো পড়ুনঃ প্রাকৃতিক ভাবে হজম শক্তি বৃদ্ধির উপায়

Read more

ডায়াবেটিস ও কিডনি রোগীর খাবার তালিকা

ডায়াবেটিস ও কিডনি রোগীর খাবার তালিকা – মানবদেহের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো কিডনি এবং সবচেয়ে প্রচলিত শারীরিক রোগ হচ্ছে ডায়াবেটিস। এক্ষেত্রে কিডনির সমস্যা ও ডায়াবেটিস হলে আমাদের খুব মেপে খাবার তালিকা তৈরি করতে হবে।

কারণ আমাদের খাবারের উপর নির্ভর করেই আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয় এবং আমরা যেই খাবারগুলো খেলে আমাদের শরীরের পক্ষে উপকার হবে এবং কিডনির সমস্যা ও ডায়াবেটিস সমস্যাগুলো দূর হবে সেই সকল খাবারের বাইরে অন্য সকল খাবার গ্রহনে আমাদের শারীরিক রোগ গুলো বৃদ্ধি পেতে পারে। কিডনী আমাদের শরীরের ছাকনি স্বরূপ কাজ করে। যা আমাদের দেহের প্রসাব তৈরিতে সাহায্য করে। কিডনী সমস্যা সাধারন সমস্যা নয় এটির সমস্যা হলে অন্য শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে থাকে। 

অপরদিকে ডায়বেটিস হয় আমাদের আমাদের শরীর নিজে নিজে যখন ইনসুলিন তৈরী করতে পারে না। যার ফলে রক্তে শর্করা ও গ্লুকোজের মাত্রা বেশি হতে থাকে। কারন প্রতিটি মানবদেহে ইনসুলিন মানুষের শরীরের কোষগুলিতে শর্করা প্রবেশ নিয়ন্ত্রন করে থাকে। তাই ডায়বেটিস ও কিডনী রোগ গুলোর ক্ষেত্রে খাবার খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

সেক্ষেত্রে খাদ্য তালিকা অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং খাদ্যতালিকা প্রস্তুতের সময় অবশ্যই ব্যাক্তির অন্যান্য শারীরিক সমস্যাগুলোকে আমলে রেখেই খাদ্যতালিকা প্রস্তুত করতে হয়। চলুন আজকের আর্টিকেলে আমরা ডায়াবেটিস ও কিডনী রোগীদের খাদ্য তালিকা সম্পর্কে জানিঃ

{tocify} $title={Table of Contents}

ডায়াবেটিস ও কিডনি রোগীর খাবার তালিকা

ডায়াবেটিস হলে যে সকল খাবার খাবেন

গবেষনা অনুযায়ী ডায়াবেটিস অসংক্রামক রোগ যা মহামারি রোগের মত ছড়িয়ে পড়ছে। বর্তমানে এমন পরিবার পাওয়া যাবে না যেখানে কোন ডায়বেটিস রোগী নেই। ডায়বেটিস মূলত শরীরবৃত্তীয় কার্যক্রমের সমস্যা তৈরি করে এমন একটি রোগ।

যার ফলে দেহ ইনসুলিন তৈরীতে ব্যার্থ হয়। আমাদের অগ্ন্যাশয় থেকে ইনসুলিন নামের যে হরমোন নিসৃত হয়, তা শরীরের কোষগুলোকে নির্দেশ দেয় সুগারকে গ্রহণ করার জন্যে। এই সুগার শরীরের শক্তি হিসেবে কাজ করে। ডায়াবেটিস হলে এজন্যই ঘন ঘন প্রসাব হয়, গলা শুকিয়ে যায়, ওজনে পরিবর্তন হয়, শরীরে দূর্বলতা আসে, কোন ঘা সহজে শুকায় না, রক্তনালী ধংস হয়, স্নায়ু তন্ত্রে সমস্যা হয়।

ডায়াবেটিস ৪ ধরনের হয়ে থাকেঃ টাইপ-১, টাইপ-২, গেস্টেশনাল ও অন্যান্য (রক্তে শর্করার কোন বৃদ্ধি পায় না)। ডায়াবেটিস হলে খাওয়া দাওয়া অনেক বেশি নিয়ন্ত্রণে আনতে হয়। চলুন জেনে ডায়াবেটিস রোগী কোন খাবার খেতে পারবেনঃ

(ads)

১) সকল ফলই ডায়াবেটিস রোগীরা খেতে পারবেন। কারন ফাইবার বা আঁশ জাতীয় খাবার ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য অত্যান্ত ঊপকারী। যেমনঃ পেপে, তরমুজ, ডালিম, লিচু, মালটা ইত্যাদি।

২) শাক-সবজি ডায়াবেটিস হলে নিয়মিত গ্রহন করতে হবে। যেমনঃ বাধাকপি, ফুলকপি, পালং শাক, লেটুস পাতা, গাজর, করলা ইত্যাদিতে কার্বোহাইড্রেট ও ক্যালোর এর পরিমাণ কম থাকে। গবেষণায় দেখা গেছে সবুজ শাকসবজি জাতীয় খাবার খেলে ডায়াবেটিস রোগের হার ১৪ শতাংশ কমে যায়।

আরো পড়ুনঃ এলার্জি দূর করার উপায়

ডায়বেটিস থেকে বাঁচতে যে সকল খাবার পরিহার করতে হবে

কারো যদি প্রি ডাইবেটিস থাকে অর্থাৎ ডায়াবেটিস হওয়ার আগ মুহূর্ত সে ক্ষেত্রে যদি আপনি কিছু খাবার গ্রহণ করে থাকেন তাহলে আপনার ডায়াবেটিস হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যেতে পারে। তাই কিছু কিছু খাবার আমাদের পরিহার করতে হবে ডায়াবেটিস হওয়ার থেকে মুক্ত পেতে কারন এ সকল খাবার গুলো আমাদের দেহে গ্লুকোজের মাত্রা ক্রমানয়ে বাড়াতে থাকে।

১) আলুঃ আলুতে প্রচুর পরিমান শর্করা থাকে। তাই দীর্ঘদিন প্রচুর পরিমাণে নিয়মিত খাবারের সঙ্গে আলু খেলে আমাদের শরীরে আস্তে আস্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে গিয়ে এক পর্যায়ে ডায়াবেটিস হতে পারে। তাই আলুটা একটু কম খাওয়ায়ই শ্রেয়।

(ads)

২) এনার্জি ড্রিঙ্কঃ এনার্জি ড্রিংকসে প্রচুর পরিমাণে সুগার দেওয়া হয়ে থাকে। যার ফলে প্রচুর পরিমাণে শর্করা থাকে তাই এনার্জি ড্রিঙ্ক আমাদের ডাইবেটিস হওয়ার একটি কারণ হতে পারে।

৩) আইসক্রিম ও চিজঃ ফুল ফ্যাট জাতীয় খাবার আমাদের রক্তে শুগারের পরিমান বাড়িতে দেয়।

৪) সাদা চিনিঃ যাঁদের ডায়বেটিস রয়েছে তাদের ক্ষেত্র সাদা চিনিকে বিষ বললেও ভুল হবে না। কারন চিনিতে অতিরিক্ত মাত্রায় ক্যালরি থাকে।

আরো পড়ুনঃ কিটো ডায়েট চার্ট

ডায়বেটিস হলে খাবার তালিকা – ডায়াবেটিস রোগীর খাবার তালিকা

সকালের নাস্তাঃ ১টি গমের রুটি ও ১ গ্লাস দুধ বা স্কিন মিল্ক। এগুলো না হলে ১ টি মুরগির সিদ্ধ ডিম এবং কিছু সিদ্ধ সবজি।

দুপুরের খাবারঃ ডায়বেটিস রোগীদের জন্য দুপুরের খাবার বেশ গুরুত্বপূর্ণ।দেড় কাপ ভাত সাথে মাছ বা মাংস ফ্যাট ছাড়া ৬০ গ্রামের মতো অথবা ১ কাপ পাতা যুক্ত শাক খাকবে অবশ্যই, বাকী দেড় কাপ অন্যান্য সবজি সাথে খেতে হবে। এছাড়া ১ কাপ মাঝারি ঘন ডাল।

বিকেলের নাস্তাঃ বিকাল ৫/৬ টার মধ্যে কিছু সিজনাল ফল খেতে হবে। কিন্তু আম, কলা, কাঁঠাল কম খেতে হবে। সাথে বাদাম খাতে হবে।

রাতের খাবারঃ রাতে রুটি অথবা ভাত, ১/২ কাপ ভাত অথবা ১ টা আটার রুটি সাথে মাছ বা মাংস ফ্যাট ছাড়া।

Read more

বন্ধুদের সাথে ঘুরাঘুরি স্ট্যাটাস এবং বন্ধুদের সাথে ভ্রমণ নিয়ে ক্যাপশন

বন্ধুদের সাথে ঘুরাঘুরি স্ট্যাটাস – বন্ধু শব্দ টা ছোট হলে ও এর মধ্যে রয়েছে গভির ভালবাসার সব বন্ধন গুলো। মানুষ কখনো একা বাস করতে পারে না। ছোট থেকে আমাদের বড় হওয়া পর্যন্ত যাদের সাথে কাধে কাধ মিলিয়ে বড় হয়ে উঠি বুঝ হওয়ার পর থেকে বুঝতে পারি এরাই হলো আমার বন্ধু।

{tocify} $title={Table of Contents}

বন্ধুদের সাথে ঘুরাঘুরি স্ট্যাটাস

জীবনে নানা সময়ে বন্ধুরা আগমন হতে পারে। বন্ধুদের সাথে ঘুরাঘুরির করার মতো আনন্দ বোধহয় আর কিছুতে পাওয়া যায় না। আপনি যদি বন্ধুদের সাথে ঘুরাঘুরি নিয়ে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিতে চান তাহলে আজকের আর্টিকেল টি আপনার জন্য।

আমাদের আজকের আর্টিকেলে অনেক গুলো বন্ধুদের সাথে ঘুরাঘুরি নিয়ে স্ট্যাটাস লিখতে চলেছি। এখান থেকে আপনার পছন্দ মতো যে কোনো একটি নিয়ে আপনার বন্ধুদের সাথে ঘুরাঘুরির ছবির সাথে ক্যাপসন দিয়ে পোস্ট দিতে পারেন।

বন্ধুদের সাথে ঘুরাঘুরি স্ট্যাটাস

বন্ধুদের সাথে ঘুরাঘুরি স্ট্যাটাস গুলো নিচে থেকে দেখে নিন –

১। “মানুষের জীবনে আসা শ্রেষ্ঠ জিনিস হলো বন্ধুত্ব“

২। “একাকি আলোয় থাকার চেয়ে একজন বন্ধুর সাথে অন্ধকারে হেটে যাওয়া উত্তম।

৩। “বন্ধু অনেক তাড়াতাড়ি হওয়া যায় কিন্তু বন্ধুত্ব একটি ধীররে পাকা ফল”।

৪। “একজন ভালো বন্ধু আত্বীক ভাবে সবসময় পাশে থাকে”।

৫। একটি জীবনে ভালবাসার চেয়ে গভীরভাবে ছাপ ফেলে যায় বন্ধুত্ব।

৬। বন্ধুত্ব দর্শন ও শিল্পের মতো অপ্রয়োজনীয়। বেচে থাকতে এর কোনো মূল্য নেই বরং এটিই মানুষ কে বাচিয়ে রাখতে সাহায্য করে।

৭। সম্মান ও বিশ্বাসের সমন্বয়ই বন্ধুত্ব।

৮। একজন পুরানো বন্ধু হলো একজন মানুষের সেরা আয়না।

৯। জীবনের শ্রেষ্ঠ উপহার হলো বন্ধুত্ব।

১০। বন্ধুত্ব কি তা বোঝানো সবচেয়ে কঠিন। তবে তুমি যদি না জানো এটা কি তাহলে তুমি কিছুই জানো না।

১১। বন্ধুত্ব হলো এক ধরণের সোনালী সুতো যা পৃথিবীর সব মানুষের রিদয় গেথে রেখে দেয়।

১২। বন্ধু হলো তোমার তৈরিকৃত আত্নীয়।

১৩। বন্ধুত্বই এক মাত্র বন্ধন যা পুরো পৃথিবীকে এক সাথে রাখবে।

১৪। আমার কাছে তারা শুধু বন্ধু নয়, বরং তারা সব গুলো কলিজার টুকরো।

১৫। আমি সময় কাটানোর জন্য বন্ধুদের রাখি না বরং বন্ধুদের সাথে থাকার জন্যই সময় কাটাই।

১৬। প্রেম একদিন হারিয়ে যায় কিন্তু সত্যিকারের বন্ধুত্ব কখনোই হারায় না।

১৭। যার জীবনে একটি বিশ্বস্ত বন্ধু আছে, সে আসলে গুপ্তধন পেয়েছে।

১৮। বন্ধু হলো এক মাত্র কংক্রিট যা পুরো পৃথিবীকে এক সাথে ধরে রাখতে পারবে।

১৯। কোনো মানুষ অপ্রয়োজনীয় নয় যতক্ষন পর্যন্ত তার একটি বন্ধু আছে।

২০। বন্ধুত্ব তোমাকে জীবনের এমন পর্যায় নিয়ে যাবে যেখানে তুমি টাকা নিয়ে ও যেতে পারবে না।

আরো পড়ুনঃ ইসলামে চুল কাটার নিয়ম

বন্ধুদের সাথে ভ্রমণ নিয়ে ক্যাপশন

২১। বন্ধু এক মাত্র সেই, যে আপনাকে সেই রুপেই দেখতে চায় যেমন টা আপনি নিজে।

২২। একটা জিনিস মনে রাখবে, যে ব্যাক্তির কাছে বন্ধু আছে সে কখনোই অসফল নয়।

২৩। একটা একটা গোলাপ আমার ফুলের বাগিচা হতে পারে আর একটা বন্ধু আমার কাছে পুরো পৃথিবী।

২৪। সত্যিকারের বন্ধুত্বের চেয়ে মূল্যবান আর কিছুই এই পৃথিবীতে হতে পারে না।

২৫। বন্ধুত্ব আর গোলাপ এর মধ্যে পার্থক্য কি জানো? গোলাপ কিছুক্ষনের জন্য টিকে থাকে কিন্তু বন্ধুত্ব হলো চিরন্তন।

২৬। সত্যিকারের বন্ধু আর ছায়ার মধ্যে অনেক টা মিল আছে। এর কারণ হলো, একজন সত্যিকারের বন্ধু সারাজীবন সুখে দুখে ছায়ার মতো পাসে থাকে।

২৭। সূর্যের বন্ধুত্ব সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত, চাদের বন্ধুত্ব সন্ধ্যা থেকে সকাল পর্যন্ত কিন্তু আমার বন্ধুত্ব শুরু থেকে শেষ নিশ্বাস পর্যন্ত।

২৮। পৃথিবীতে একমাত্র খাটি হলো বন্ধুত্ব যেখানে অশ্রুর কোনো স্থান নেই।

২৯। সকাল হলে এসো তুমি শিশির কণা হয়ে, সন্ধ্যা হলে এসো তুমি রক্ত জবা হয়ে, রাত হলে এসো তুমি জোনাকি হয়ে, সারাজীবন থেকো তুমি আমার বন্ধু হয়ে।

৩০। বছরের পর বছর চলে যাবে, সমুদ্রের ঢেউ শুকিয়ে যাবে কিন্তু আমাদের বন্ধুত্ব শেষ হবে না।

৩১। মানুষের জীবনে এমন কিছু সময় আসে যখন নিজেকে অসহায় মনে হয়, তখন কোনো স্বার্থ ছাড়াই যে পাশে দাঁড়ায় সেই হলো সত্যিকারের বন্ধু।

৩২। পৃথিবীর সবচেয়ে মধুর ও কাছের একমাত্র বন্ধন হলো বন্ধুত্ব।

৩৩। জীবনে অনেক মানুষ আসবে যাবে কিন্তু সত্যিকারের বন্ধু গুলো সবসময় পাশে থাকবে।

৩৪। বন্ধুত্ব হলো এমন একটা অনুভুতি যা শিশুদের মধ্যে তৈরি হয় সেই সময় থেকে যখন তারা ভালোভাবে নিজেকে প্রকাশ করতেও শেখে না।

৩৫। জীবনে যদি এমন একজন বন্ধু না থাকে যার কাছে সমস্ত কথা বলা যায়, তাহলে সেটা নেসার মতো ক্ষতিকর।

৩৬। বেশিরভাগ মানুষের জীবনে দুজন প্রিয় বন্ধু থাকে।

৩৭। বন্ধুত্বে যদি প্রানের টান থাকে তাহলে ৫০ বছর পর দেখা হলেও একে অপরকে ঠিক আগের মতো জড়িয়ে ধরে।

৩৮। কাউকে সারাজীবন যদি কাছে পেতে চাও তাহলে প্রেম দিয়ে নয় বন্ধুত্ব দিয়ে আগলিয়ে রেখো।

৩৯। বন্ধু কথা টি ছোট হলেও এর গভীরতা আকাস সমান।

৪০। বন্ধু তুমি আমার রিদয়ের বাধন। তুমি থাকবে আমার প্রান জুড়ে সারা জীবন ধরে।

৪১। সেই হলো প্রকৃত বন্ধু যে বন্ধুরা চোখের প্রথম ফোটা পানি দেখে দ্বিতীয় ফোটা পরার আগে ধরে ফেলে।

৪২। চোখের আড়াল মানে হারিয়ে যাওয়া নয়, হারিয়ে গেলে খুজে নিতে হয়, খুজে না পেলে হার বাড়াতে হয়, হাত ধরে বুঝে নিতে হয়, আসল বন্ধু কয়জন এ বা হয়।

৪৩। রাত সুন্দর হয় যদি চাঁদ উঠে আর জীবন সুন্দর হয় বন্ধুরা পাসে থাকলে।

৪৪। বন্ধুত্ব এমন এক ধরণের সম্পর্কে একজন দূরে চলে গেলে অপরজন কস্টে থাকে।

আরো পড়ুনঃ ফেসবুকে কিভাবে টাকা আয় করা যায়

Read more

পিরিয়ডের ব্যথা কমানোর উপায়

পিরিয়ডের ব্যথা কমানোর উপায় – পিরিয়ডের ব্যথা কমানোর উপায় সম্পর্কে খোঁজ করছেন? তাহলে সঠিক জায়গায় এসেছেন। কেননা আজকের এই আর্টিকেলে আমরা আলোচনা করব পিরিয়ডের ব্যথা কমানোর উপায় সম্পর্কে। চলুন তাহলে আর দেরি না করে পিরিয়ডের ব্যথা কমানোর উপায় সম্পর্কে জেনে নিন।

পিরিয়ডের ব্যথা কমানোর উপায়

পিরিয়ডের ব্যথা কমানোর উপায় সম্পর্কে আপনাদের জন্য নিচে ধাপে ধাপে আলোচনা করা হয়েছে। যেগুলো পড়ে আপনারা খুব সহজেই পিরিয়ডের ব্যথা কমানোর উপায় সম্পর্কে জানতে পারবেন। তাই আর বিলম্ব না করে চলুন পিরিয়ডের ব্যথা কমানোর উপায় সম্পর্কে আলোচনা করা যাক।

{tocify} $title={Table of Contents}

ভূমিকাঃ পিরিয়ডের ব্যথা কমানোর উপায়

আপনাদের মধ্যে অনেকে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ করে থাকেন পিরিয়ডের ব্যথা কমানোর উপায় সম্পর্কে। প্রতিটা মেয়ের ক্ষেত্রেই পিরিয়ড হওয়া এবং পিরিয়ডের সময় ব্যথা হওয়া কমন বিষয়। তবে সবার ক্ষেত্রে এক রকম ব্যথা হয় না। কারো কারো ক্ষেত্রে বেশি এবং কারো কারো ক্ষেত্রে কম হয়ে থাকে।

তাই আপনাদের মধ্যে অনেকেই জানার আগ্রহ প্রকাশ করে থাকেন পিরিয়ডের ব্যথা কমানোর উপায় সম্পর্কে। পিরিয়ডের সময় বিভিন্ন কারণে ব্যথা হতে পারে। আর এই কারণগুলো সম্পর্কে আপনাদের জেনে থাকা অত্যন্ত জরুরী। পিরিয়ডের ব্যথা কমানোর উপায় সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে জানতে আর্টিকেলটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মনোযোগ সহকারে পড়ুন।

আরো পড়ুনঃ কালোজিরার ঔষধি গুন

পিরিয়ডের ব্যথা কমানোর উপায়

নারীদের পিরিয়ড বা ঋতুস্রাব একটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া। মাসের বিশেষ এ দিনগুলোতে হরমোনের পরিবর্তন হয়। ওই সময় পেটে ব্যথা হয় অনেকের। এমনকি শরীরেও ব্যথা হতে পারে। এছাড়া মুড সুইং বা মেজাজ ওঠানামা, ক্লান্তিতো রয়েছেই। তবে কিছু কিছু উপায় আছে যেগুলো অবলম্বন করার মাধ্যমে পিরিয়ডের ব্যথা কমানো যায়।

সাধারণত ব্যথা হলে পেনকিলার খাওয়ার মাধ্যমে অনেক সময় ব্যথা কমানো যায়। তবে এছাড়াও আরো বিভিন্ন রকম উপায় রয়েছে যেগুলো আপনারা অবলম্বন করে পিরিয়ডের ব্যথা কমাতে পারবেন। আর এই উপায় গুলো সম্পর্কে আপনাদের জেনে থাকা অত্যন্ত জরুরী। পিরিয়ডের ব্যথা কমানোর উপায় গুলো হলোঃ

১। অ্যারোমাথেরাপি তেল দিয়ে গরম গোসল করা।

২। সব সময় আপনার সাথে একটি উষ্ণ পানির বোতল রাখুন।

৩। পিঠ ও পেটে ম্যাসাজ করুন। এটি কিছু মহিলাদের জন্য অত্যন্ত কার্যকর।

৪। আপনার মাসিকের আগে এবং চলাকালীন কয়েকদিন ঢিলেঢালা পোশাক পরুন।

৫। যোগব্যায়ামের মতো মৃদু ব্যায়াম করুন। মাসিকের আগে নিয়মিত বিশ্রাম নিন। এটি প্রথম কয়েক দিন পেশীগুলিকে শিথিল করতে সাহায্য করে এবং নিঃসৃত অঞ্চলে রক্ত প্রবাহ উন্নত করে।

৬। নিয়মিত ঘুমানোর আগে একটি ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্ট খেয়ে নিন।

৭। পিরিয়ডের সময় আয়রন সাপ্লিমেন্ট খেতে পারেন।

৮। পিরিয়ডের এক সপ্তাহ আগে প্রতিদিন সকালে জাফরান ও কিসমিস ভেজানো পানি পান করুন।

Read more