গরমে শরীর ঠান্ডা রাখার উপায় | গরমে শরীর ঠান্ডা রাখতে গ্রহণ করুন এই ১০টি খাবার

তাপমাত্রা দিন দিন বৃদ্ধি হতেই চলছে। তাই আমাদের সবাইকে গরম থেকে বাঁচার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করার সময় হয়ে গেছে। অতিরিক্ত গরম থেকে বাঁচতে ও শরীর সুস্থ রাখার জন্য আমাদের সর্বপ্রথমে খাবারের দিকে মনোযোগ দিতে হবে। কারণ সঠিক খাবার গ্রহণের অভ্যাসের পরিবর্তন কিছুটা হলেও অত্ত্যাধিক গরম থেকে আমাদের বাঁচাতে পারে। এই জন্য কিছু নির্দিষ্ট খাবার বর্তমানে আপনার ডায়েটে অবশ্যই অবশ্যই অন্তর্ভুক্ত করা জরুরি।

শাকসবজি এবং রসালো ফলের মতো খাবারগুলো গ্রহণ করার ফলে ডিহাইড্রেশন থেকে বাঁচা যায়। এর পাশাপাশি আমাদের শরীরের খনিজ ও পুষ্টির ঘাটতি দূর করা সম্ভব হয়। চলুন তাহলে জেনে নেই এই গ্রীষ্মকালে প্রচণ্ড গরম থেকে বাঁচার জন্য আপনার ডায়েটে কী কী খাবার অবশ্যই অন্তর্ভুক্ত করা উচিত।

পানি

শুধুমাত্র তৃষ্ণার্ত বোধ করলেই যে পানি পান করবেন এই ধরনের কাজ কিন্তু একেবারেই করা উচিত নয়। ডিহাইড্রেশন বা শরীরে বেশি ক্লান্তি থেকে বাঁচতে হলে সারাদিন পানি পান করে নিন। এতে করে আপনার শরীরটা সুস্থ্য ও ঠান্ডা থাকবে।

আরও পড়ুনঃ ঘুমানোর আগে যেই কাজ গুলো অবশ্যই করবেন নাহলে বিপদ

তরমুজ

গ্রীষ্মকাল আসা মানেই বাজারে তরমুজের অহরহ বিস্তার। গরমকালে অতিরিক্ত তাপ থেকে আরামদায় দেয় এই রসালো মিষ্টি তরমুজ। তরমুজ শরীরকে ঠান্ডা ও হাইড্রেট রাখতে সাহায্য করে। তরমুজের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে পানি বিদ্যমান থাকে। এছাড়াও তরমুজের মধ্যে রয়েছে লাইকোপিন যা শরীরের ত্বকের কোষকে সূর্য হতে ক্ষতিকর রশ্মির হাত থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে।

ফ্রেশ জুস গ্রহণ করুন

গ্রীষ্মকালে ছাড়াও অনন্য সময়ে ফলের রস খাওয়া শরীর স্বাস্থ্যের জন্য অনেক বেশি উপকারি। ফলের রস গ্রহণ করার ফলে গরমের তাপ থেকে শরীরকে স্বস্তি দিয়ে থাকে। তবে হ্যাঁ চিনিযুক্ত ফলের রস গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকুন।

লেবুর সাথে পুদিনা

এক গ্লাস পুদিনা পানিতে দুই ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে গ্রহণ করুন যা স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকার করে। এই খাবার গ্রহণ করার ফলে লিভার পরিষ্কার ও বিপাককে আরও শক্তিশালী করে তোলে।

টমেটো

টমেটোতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন সি। এছাড়াও টমেটোতে লাইকোপিনের মতো উপকারি ফাইটোকেমিক্যালও আছে। টমেটো গ্রহণ করার ফলে শরীরের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী রোগ যেমন ক্যান্সার ধ্বংস করতে সাহায্য করে।

আরও পড়ুনঃ কেন আপনি দাঁড়ি রাখবেন | দাঁড়ি রাখার উপকারিতা

জুকিনি

গরমে স্বস্তি পাওয়ার জন্য আপনি জুকিনি খাবার গ্রহণ করুন। জুকিনিতে রয়েছে পেকটিন নামক ফাইবার যা এটি গ্রহণ করার ফলে হৃৎপিণ্ডকে ভালো রাখে ও কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে।

দই

প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার দই গরমের সময় আমাদের শরীর স্বাস্থ্যর জন্য নানা দিক থেকে উপকার করে থাকে। দইে থাকা প্রোটিন আমাদের খিদে কমাতে সাহায্য করে যার কারনে নোনতা বা লবনযুক্ত এবং উচ্চ ক্যালোরিযুক্ত স্ন্যাকস খাওয়ার প্রবল ইচ্ছা কম হয়। যার ফলে পাচনতন্ত্রকে সুস্থ রাখার জন্য সহায়ক ব্যাকটেরিয়া প্রোবায়োটিকও মিলে থাকে।

শসা

গ্রীষ্মকালে শরীর ঠান্ডা রাখতে জনপ্রিয় ফলের তালিকায় শসা হচ্ছে অন্যতম খাবার। শসার মধ্যে আছে প্রচুর পরিমাণ পানি। শসা গ্রহণ করার ফলে আমাদের শরীরকে ঠান্ডা থাকে। শসায় রয়েছে ক্যালসিয়াম ফসফরাস ও জিঙ্ক এছাড়াও রয়েছে কয়েকটি খনিজ পদার্থের ভালো উৎস।

ফল ও শাকসবজি

গরম কালে শরীরে স্বস্তি পেতে হলে ফল ও শাকসবজি বেশি বেশি করে গ্রহণ করুন। ফল এবং শাকসবজি খাবার ফলে তা সহজে হজম হয় এবং সাধারণত ফল ও শাক-সবজিতে পানির পরিমাণ বেশি থাকে। টাটকা ফলমূল এবং ভেজিটেবল স্যালাড আপনাকে হাইড্রেট আপনাকে সুস্বাস্থ্য রাখতে সাহায্য করবে।

Read more

কেন আপনি দাঁড়ি রাখবেন | দাঁড়ি রাখার উপকারিতা | দাঁড়ি কেন রাখবো

দাড়ি ও পুরুষের সম্পর্ক নিরবিচ্ছিন্ন। সভ্যতার ছোঁয়া পাওয়ার আগে পাথর যুগে পুরুষ মানুষ মাত্রই দাড়ি রেখে দিত। আর মানুষ যখন …

Read more

ঘুমানোর আগে যেই কাজ গুলো অবশ্যই করবেন নাহলে বিপদ

আমি যদি আপনাকে প্রশ্ন করি যে, রাতে ঘুমানোর আগে আপনি কি কি করেন? তো আপনার উত্তর কি হবে? যদি আপনার উত্তর পার্মানেন্ট না হয় অর্থাৎ যদি আপনার কাছে কোনো fixed উত্তর না থাকে। তাহলে জেনে রাখুন যে রাতের র‍্যান্ডম হ্যাবিটস আপনার ব্রেনকে ধীরে ধীরে দুর্বল করে দিচ্ছে।

হ্যাঁ, আপনি ঠিকই শুনেছেন। ঘুমানোর আগের এই random habit গুলি আপনার ব্রেনের কার্যক্ষমতাকে ধীরে ধীরে কমিয়ে দিচ্ছে। 

তো প্রশ্ন হলো এই যে রাতে ঘুমানোর আগে এমন কি করা উচিত। specially রাতে ঘুমানোর দশ মিনিট আগে এমন কি করা উচিত যাতে আপনার ব্রেন এফিসিয়েন্সি এবং আপনার মেমোরি পাওয়ার ইম্প্রুভ হয়। এবং রাতে যেন আপনি একটি কোয়ালিটি স্লিপ কে এক্সপিরিয়েন্স করেন। 

ঘুমানোর আগে এমন কি করা উচিত যাতে নিজেকে স্ট্রেস ফ্রি ফিল করতে পারি এবং নিজের ব্রেনও যেন হেলদি থাকে। ঠিক তার জন্যই তো আজকে আমাদের এই আর্টিকেলটি। তো চলুন তাহলে জেনে নেই, 

সারাদিনের কাজের পর সকলেই চায় যে রাতে যেন তার একটি কোয়ালিটির বা পরিপূর্ণ ঘুম হয়। কিন্ত unfortunately এটা সবার সাথেই অর্থাৎ প্রায় ninety four পার্সেন্ট ব্যক্তির সাথেই হয় না। 

অর্থাৎ সারা দিনের পরিশ্রমের পর যখন আমরা বিছানায় ঘুমোতে যাই। তখন কোনো মতেই আর ঘুম আসতে চায় না। ঘুম সময় আমরা একটি কমফোর্টেবল পোস্ট কে খুঁজতে থাকি। যে কিভাবে শুলে আমার ঘুম ভালো আসবে, আর এই comfortable পোস কে খুঁজতে গিয়েই আমাদের অনেক সময় পার হয়ে যায়।

আর এই ধরনের ঘটনা ঘটার পেছনের আসল কারণ হলো আপনার daily habits। তো চলুন আমরা জেনে নেই এমন কিছু habits কে যা আপনার daily follow করা উচিত। 

Right Down Your Day 

আজকের দিনটিকে আপনি কিভাবে ব্যবহার করলেন? কি কি করলেন? কি ভুল করলেন? কি ঠিক করলেন, কি কি করতে পারতেন? কি করা উচিত হয়নি? কি করা উচিত ছিল? এই সকল জিনিসগুলিকে আপনি একটি ডায়েরিতে লিখে নিন। এছাড়াও আপনি আগামী দিন কি কি করতে চলেছেন? কিভাবে আপনি আগামীকালকে utilize করবেন, কোথায় যাবেন এগুলো কেও আপনি লিখতে পারেন। 

এবার প্রশ্ন হলো এই যে এগুলা করে কি হবে? সত্যি তাইতো, ঠিক এটা করার ফলে দুটি বেনিফিটস রয়েছে। এক আপনি আগামীকালকে খুব ভালোভাবে ইউটিলাইজ করতে পারবেন। আপনি অযথা টাইম পাস করা থেকে বেঁচে যাবেন। এবং দ্বিতীয় আপনি self awareness হয়ে যাবেন। যখন আপনি আপনার দিনটির ব্যাপারে ভাবতে শুরু করেন। তখন আপনি জানতে পারেন, 

যে আপনি কি কি ভুল করলেন, কি কি ঠিক করলেন, কোন কাজকে আপনি অন্যভাবে কিভাবে করতে পারতেন এই সকল বিষয়গুলি আপনার self awareness কে কয়েকশো গুণ বাড়িয়ে দেবে। আর এর ফলে আপনি নিজেকে অনেকটা relaxed feel করতে পারবেন।

এবং আপনি নিজেকে আগামীকালের জন্য প্রস্তুতি করে নিতে পারবেন। আর যেহেতু আপনি সম্পূর্ণ দিনটিকে ভালোভাবে utilize করে নেবেন। তাই আপনার ঘুমও অনেকটা শান্তিপূর্ণ হবে।

আরও পড়ুনঃ প্রবীণদের মানসিক সুস্থতার ৫টি উপায়

Your Favorite Activity 

এই তিন মিনিটকে আপনি আপনার মতো করে use করতে পারেন। আপনাকে যে কাজটি করতে ভালো লাগে সেই কাজ আপনি পড়তে পারেন। যদি আপনাকে reading ভালো লাগে তাহলে কিছু সময়ের জন্য আপনি বই পড়ুন। যদি আপনাকে yoga বা exercise করতে ভালো লাগে তো এক্ষেত্রে আপনি কয়েক মিনিট stretching করতে পারেন। যদি আপনি লিখতে ভালোবাসেন তো এক্ষেত্রে আপনি কিছু লিখতে পারেন যেমন কবিতা গল্প, এক্সেট্রা। 

যে টপিক আপনাকে লিখতে ভালো লাগে আপনি লিখতে পারেন। তবে হ্যাঁ মনে রাখবেন যে এই সময়টিতে আপনি আপনার মোবাইল, পিসি ল্যাপটপ বা টিভি থেকে দূরে থাকবেন। অর্থাৎ এগুলিকে নিজের কাছে রাখবেন না। ফোন কখনো ইউজ করবেন শুনুন।

Listen to Ambient Music

এবার আপনি নিজের ফোনকে কিছু সময়ের জন্য ব্যবহার করতে পারেন। মিউজিক কাকেই না ভালো লাগে না? আমাদের ব্রেনে মিউজিক একটি বড় পজিটিভ এফেক্ট হিসেবে কাজ করে। শুধু এটা ডিপেন্ড করে আপনার মিউজিক এর চয়েসের ওপর। অর্থাৎ আপনি কেমন ধরনের মিউজিক পছন্দ করেন? 

যাই হোক, ঘুমানোর আগে কয়েক মিনিট মিউজিক শুনলে, আপনার ব্রেন অনেকটা কাম এবং রিলাক্স হয়ে যায়। সবার আগে নিজের ফেভারিট মিউজিক কে শুনলেও আপনার ঘুম অনেকটা ভালো হয়।

ফেভারিট মিউজিক মানে এ নয় যে হিপ হপ, রক, এলেক্ট্র, বা sad মিউজিক গুলিকে শুনবেন এমনটা নয়। বরং এতে আপনার brain এ আরো opposite effect পড়বে। ছোয়ার আগে slow মিউজিক classical মিউজিক বা motivation মিউজিক গুলিকে শুনতে পারেন। এতে আপনার ব্রেন অনেকটা শান্ত হয়ে যাবে। আর যা obviously quality slip জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। 

Thing What You’re Great Full For 

একটি quality slip এবং healthy brain এর জন্যে সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ জিনিস হলো এই যে আপনি যেন সবসময় স্ট্রেস ফ্রি থাকেন। ঘুমানোর আগে দু মিনিটের জন্য আপনি নিজের চোখ বন্ধ করুন এবং ভাবুন যে আপনার কাছে এমন বহু জিনিস রয়েছে যা এই পৃথিবীর বহু লোকের কাছে নেই। আপনাকে আল্লাহ এমন কিছু দিয়েছে যা পৃথিবীর বহু লোকের কাছে নেই। এতে কি হবে এতে আপনার mind আপনার লাইফ এর positive সাইড গুলিকে ভালোভাবে focus করতে পারবে।

এবং সকল negative thought গুলিকে আপনার মধ্যে থেকে দূর করে দেবে। কিন্তু mostly আমরা কি করি আমরা রাতে ঘুমানোর আগে ঘটে যাওয়া সকল negative কথা বা event গুলোকে ভাবতে থাকি। যার কারণে আমাদের mind চঞ্চল হয়ে যায়। 

আর এর ফলে আমাদের ঘুম আসতে চায় না। আর যদিও বা ঘুম আসে তো তা অতটা quality ঘুম হয় না। কিন্তু এর অপরদিকে যখন আমরা ঘুমানোর আগে আমাদের লাইফের সকল পজিটিভ বিষয়গুলিকে ভিসুয়ালাইস করি তখন আমাদের মাইন্ড পজিটিভ সাইট কে ফোকাস করে। আর এই পজিটিভিটি কোয়ালিটি ঘুমের জন্য একটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

বহু studies দের পাওয়া গেছে যে gratitude আমাদেরকে অনেকটা optimistic feel করায়। আমাদের মধ্যে positivity কে অনেকটা বাড়িয়ে দেয় এবং আমাদের মধ্যে থেকে স্ট্রেস এবং অ্যানজাইটির পরিমাণকেও অনেকটা কমিয়ে দেয়। তো সিম্পলি ঘুমানোর আগে, 

নিজের চোখ বন্ধ করুন এবং সেই সকল জিনিস, ব্যক্তি সম্পর্ক health, power, knowledge, friend সেই সকল জিনিস গুলির ব্যাপারে আপনি ভাবুন যা আপনার কাছে আছে। এবং যা বহু লোকের কাছে নেই, বিশ্বাস করুন এই ট্রিকটি আপনাকে অনেকটা পজিটিভ ফিল করাতে সাহায্য করবে।আর শুধু তাই নয় আপনি নেক্সট মর্নিং অনেকটা রিফ্রেশড এবং ইনারজাইড feel করতে পারবেন নিজেকে। 

আশা করছি যে এবার আপনি জানতে পারলেন, যে ছোয়ার ঠিক বা ঘুমানোর ঠিক দশ মিনিট আগের সময়টিকে কিভাবে ব্যবহার করতে হয়। এবং কি কি করতে হয়? এই method গুলোকে ব্যবহার করলে আপনি আপনার ব্রেইন এর কার্যক্ষমতাকে বাড়িয়ে তুলতে পারবেন ঠিকই তার সাথে সাথে আপনি রাতে শান্তি মতো ঘুমাতে পারবেন। পোষ্ট টি ভালো লাগলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করে দিতে পারেন।

আরও পড়ুনঃ প্রতিদিন সকালে ডিম খাবেন কেন | প্রতিদিন সকালে ডিম খাওয়ার উপকারিতা

Read more

রমজান মাসের আমল | মাহে রমজানের গুরুত্বপূর্ণ আমল ও রমজানের ফজিলত

পবিত্র রমজান মাস হচ্ছে সিয়াম সাধনার মাস। রমজান মাস হচ্ছে অন্য যে কোন মাসের চেয়ে বেশি ইবাদত এর সওয়াব ও এই মাসে অনেক বেশি। প্রতি বছর একবার এই রমজান মাস ফিরে আসে। তাই ধর্মপ্রাণ মুসলিম ভাই এবং বোনদের জন্য আমরা আমাদের এই ওয়েবসাইট এর মাধ্যমে রমজান মাসে ভালো কিছু আমল ও ফজিলত নিয়ে আপনাদের সাথে কিছু কথা শেয়ার করবো। 

রমজান মাস প্রতিটি মুসলিম নর-নারীর জন্য অত্যন্ত পবিত্রও আমলের একটি মাস। এই রমজানের ফজিলত বিভিন্ন কারনে অপরিসীম। রমজান মাসের (romjan mas) ফজিলত এর একটি অন্যতম কারন হল এই রমজানে আমাদের পবিত্র গ্রন্থ কোরআন নাজিল হয়েছে আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সঃ এর উপর। তাই এই রমজান মাস আমাদের মুক্তির মাস। তাই রমজান মাসের আমল এর ফজিলত বেশি পাওয়া যায়।

রমজান মাসের আমল ও ফজিলত গুলো কি কি ও এছাড়াও কিভাবে রমজান মাসে আমল করলে খুব সহজে অনেক বেশি ফজিলত লাভ করতে পারবেন। তা নিয়েই আমাদের এই ওয়েবসাইটে আলোচনা করা হয়েছে। আর এই রমজান মাসের দোয়া ramzan dua আমল করার ফলে আপনি প্রতিদিন হাজার হাজার লক্ষ্য লক্ষ্য নেকি লাভ করতে পারবেন সেই সাথে আপনার জীবন এর গুনাহ কমতে থাকবে। প্রথম রোজা থেকে শুরু করে ৩০ রমজানের আমল হিসেবে প্রতিদিন এর রমজানের দোয়া আমাদের এই ওয়েবসাইটে পাবেন।

আরও পড়ুনঃ মোবাইল ব্যাংকিং সুরক্ষায় করণীয়

এছাড়াও আমরা এই আর্টিকেলে ২০ টি রমজান মাসের গুরুত্বপূর্ণ আমল (২০ amol of Ramadan) উল্লেখ করেছি। আমাদের এই ওয়েবসাইটে এই ২০টি আমল গুলো যা আপনি নিয়মিত আমল করলে রমজানের ফজিলত পরিপূর্ণ ভাবে পালন করতে পাবেন ইনশাআল্লাহ্‌। রমাজান মাসে এমন কিছু আমল যেগুলো হচ্ছেঃ 

আল্লাহর যিকর করা, অপরকে কুরআন শিক্ষা দেয়া, হিফয করা, সহীহভাবে কুরআন পড়া, ফিতরাহ দেওয়া, তওবা ও ইস্তেগফার করা, বেশি বেশি দোআ ও কান্নাকাটি করা, সাহরী খাওয়া, বেশি বেশি দান-সদাকাহ করা, সালাতুত তাহাজ্জুদ পড়া, বেশি বেশি কুরআন তিলাওয়াত করা, সহীহভাবে কুরআন শেখা, তাকওয়া অর্জন করা, সময় মত সালাত আদায় করা, তাওবাহ ও ইস্তেগফার করা ইত্যাদি।
রমাজান মাসের গুরুত্বপূর্ণ আমলগুলো হলো
১. সিয়াম পালন করা

ইসলামের পাঁচটি রুকনের মধ্যে একটি রুকন হলো সিয়াম বা রোযা। আর রমাজান মাসে সিয়াম পালন করা প্রত্যেক মুসলমান নর এবং নারীর ফরজ। সেজন্য রমজান মাসের প্রধান আমল হলো সুন্নাহ মোতাবেক বা সুন্নাহ অনুযায়ী সিয়াম পালন করা।

২. সময় মত সালাত আদায় করা 

রমজান মাসে সিয়াম পালনের সঙ্গে সঙ্গে সময় মত নামায বা সালাত আদায় করার মাধ্যমে জান্নাতে যাওয়ার পথ আরও সুগম হয়। আর আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি লাভ করা যায়। যার ফলে আমরা ইনশাআল্লাহ পরবর্তী জীবনে সুখ লাভ করতে পারবো। 

৩. সহীহভাবে কুরআন শেখা 

রমাজান মাসে পবিত্র কুরআন মাজিদ অবতীর্ণ করা হয়েছে। আর রমজান মাসের অন্যতম আমল বা ইবাদত হলো সহীহভাবে কুরআন মাজিদ শেখা। আর প্রত্যেক মুসলমান নর এবং নারীর উপর কুরআন শিক্ষা করা ফরয করা হয়েছে।

৪. অপরকে কুরআন পড়া শেখানো 

অন্য সকল মাসের চেয়ে রমজান মাসে অপরকে কুরআন মাজিদ শেখানোর উত্তম সময়। রমজান মাসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজে সাহাবীদেরকে কুরআন শিক্ষা দিতেন।

আরও পড়ুনঃ ঘুমানোর আগে যেই কাজ গুলো অবশ্যই করবেন নাহলে বিপদ

৫. সাহরী খাওয়া

রমজান মাসে সাহরী খাওয়া হচ্ছে গুরুপ্তপূর্ণ বিষয়। সাহরী খাওয়ার মধ্যে রয়েছে বরকত এবং সিয়াম পালনে সাহরী খাওয়া এটি অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

৬. সালাতুত তারাবীহ পড়া 

সালাতুত তারাবীহ পড়া এই রমজান মাসের অন্যতম একটি আমল। রমাজান মাসে তারাবীহ সালাত পড়ার সময় তার হক আদায় করতে হয়। তারাবীহ এর সালাত তার হক আদায় করে থাকে অর্থাৎ ধীর স্থীর ভাবে আদায় করতে হবে। তারাবীহ জামায়াতের সাথে আদায় করা ইসলামে সুন্নাহ এর অন্তর্ভুক্ত। 

৭. তাকওয়া অর্জন করা 

তাকওয়া হচ্ছে এমন একটি গুণ যা বান্দাহকে আল্লাহর ভয়ে যাবতীয় পাপ কাজ বা খারাপ ও অশ্লীল কাজ কর্ম থেকে বিরত রাখে এবং আল্লাহ তায়ালার আদেশ মানতে বাধ্য করে। আর রমাদান মাস বা রমজান মাসে এই বিশেষ মৌসুমে তাকওয়া নামক এই গুণটি অর্জন করার এক বিশেষ সময়।

৮. ইফতার করানো

রমজান মাসে একজন রোজাদার ব্যক্তিকে ইফতার করানো বিশাল বা বিরাট সাওয়াব বা নেকির কাজ। রমজান মাসে প্রতিদিন কম পক্ষে একজন কে হলেও ইফতার করানোর দরকার বা একজন রোজাদার ব্যক্তি কে ইফতার করানোর চেষ্টা করা।

Read more