ভিশন ফ্রিজ ৩৫০ লিটার দাম কত জেনে নিন

৩৫০ লিটারের ভিশন ফ্রিজের দাম ৪০ থেকে ৪৬ হাজার টাকার মধ্যে হয়ে থাকে। ৩৫০ লিটারের এই ভিশন ফ্রিজ গুলো বড় বা যৌথ পরিবারের জন্য অনেক চমৎকার হবে। উপরন্তু দামও অনেক কম। বিভিন্ন ডিজাইন এবং আকর্ষণীয় রং এর মাধ্যমে ফ্রিজ গুলো সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। তাই চলুন আর দেরি না করে জেনে নিই ভিশন ব্র্যান্ডের বিভিন্ন মডেলের ৩৫০ লিটারের ফ্রিজের ডিজাইন, বৈশিষ্ট্য ও দাম সম্পর্কে।

ভিশন ৩৫০ লিটার ফ্রিজের দাম

ভিশন ব্যান্ডের ৩৫০ লিটারে ফ্রিজ গুলো সাধারণত বক্স ফ্রিজ আকারে পাওয়া যায়। কিন্তু যদি আপনি বাসার জন্য বক্স ফ্রিজ না নিয়ে নরমাল এন্ড ডিপ কম্বিনেশন ফ্রিজ গুলো নিতে চান ৩৫০ লিটারের ফ্রিজ পাবেন না। সেক্ষেত্রে আপনাকে হয় ৩৩০ লিটার অথবা ৩৫৬ লিটারের ফ্রিজ গুলো কিনতে হবে 

1. VISION Glass Door Refrigerator RE-356 Liter Blue Flower Top Mount

ভিশন ফ্রিজ ৩৫০ লিটার দাম কত
ভিশন ফ্রিজ ৩৫০ লিটার দাম কত

এটার সর্বমোট ক্যাপাসিটি ৩৫৬ লিটার। এই ফ্রিজটিতে ডিপ অংশে তাপমাত্রা -১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে এবং নরমাল অংশের তাপমাত্রা শূন্য থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে রাখার ব্যবস্থা রয়েছে। নরমাল ফ্রিজের অংশটিতে অনেকগুলো তাক ও একটি ড্রয়ারের ব্যবস্থা রয়েছে।

আরও জানুন: মোবাইল ব্যাংকিং সুরক্ষার ৫টি সহজ টিপস: অর্থ বাঁচান ও ঝুঁকি কমান!

বিশেষত্ব 

  • Electrical Rating: Input Power: 120-125W,160-260V,50Hz
  • Direct Cool Refrigerator
  • Climate Type(SN,N,ST,T): N~T
  • Fabulous ultra-Modern Glass door Color
  • Very fast cooling speed
  • with lock and key
  • Defrosting: Manual
  • Temperature Control : Mechanical
  • Easy operation
  • Interior LED light
  • 100% copper condenser.
  • Refrigerator Cabinet:
  • Shelf (material/no.) : Wire/2
  • ৳ 46,710.00

কালো ব্যাকগ্রাউন্ড এর উপরে লাল রংয়ের থ্রিডি প্রিন্টের এই ফ্রিজ গুলো অসম্ভব সুন্দর। দুইটি সাইজ রয়েছে ৩৩০ লিটার এবং ৩৫৬ লিটার। এগুলো গ্লাস ডোর রেফ্রিজারেটর। তাছাড়া এই ফ্রিজ গুলোর উপরের অংশ ডিপ ফ্রিজ এবং নিচের অংশে নরমাল ফ্রিজের সুবিধা পাবেন।

VISION Glass Door Refrigerator RE-356 Liter Red Flower Top Mount: ৳ 46,710

ভিশন ফ্রিজ ৩৫০ লিটার দাম কত

VISION Glass Door Refrigerator RE-330 Liter Red Flower Bottom Mount: ৳ 45,810

ভিশন ফ্রিজ ৩৫০ লিটার দাম কত

৩৫০ লিটার ভিশন ডিপ ফ্রিজের দাম ২০২৪

৩৫০ লিটারের ভিশন বক্স ফ্রিজ গুলোর দাম ৪০,৪১০ টাকা। তবে ফ্রিজ গুলোর ডিজাইন রং এ কিছুটা ভিন্নতা রয়েছে।

Read more

AC কিভাবে কাজ করে? AC কেনার সময় কি কি জানা দরকার? এসি এর ব্যবহার

আজকের আর্টিকেলে আমরা জানার চেষ্টা করব যে এসি অর্থাৎ এয়ারকন্ডিশন কিভাবে কাজ করে। এবং যেহেতু গরমের সিজন আসছে। তাই এটাও আলোচনা করব যে এয়ারকন্ডিশন কেনার সময় কোন কোন জিনিসগুলো কে মাথায় রাখা দরকার।

আশা করি এই আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ পড়ার পর এসি কিনতে যাওয়ার সময় আপনাদের কোন সমস্যা হবে না। তো চলুন আজকে দেখে নেওয়া যাক স্প্লিট এসি কিভাবে কাজ করে।

এসি কেনার আগে এসির বর্তমান দাম জেনে নিতে পারবেন বিডিস্টল.কম
থেকে

এসি কিভাবে কাজ করে

(toc) #title=(সুচিপত্র)

How Split AC Works | স্প্লিট এসি কিভাবে কাজ করে

একদম ডিটেইলস এ না গিয়ে আমি বেসিক ব্যাপারটা বোঝানোর চেষ্টা করছি। একটা এসির মধ্যে একে অপরের সঙ্গে জুড়ে থাকা দুটো কয়েল (Two Connected Coil) থাকে।

যার মধ্য দিয়ে ক্রমাগত রেফ্রিজারেন্ট ফ্লুইড (Continuous Flow Of Refrigerant Fluid) প্রবাহিত হতে থাকে। ঘরের মধ্যে যে কয়েল টা লাগানো থাকে সেটাকে এভাপ্ররেটর Evaporator বলা হয় এবং ঘরের বাইরের দিকে যে কয়েলটা লাগানো থাকে সেটাকে কন্ডেনসার Condenser বলা হয়। 

আর এর বেসিক ওয়ার্কিং প্রিন্সিপাল টা একেবারে সিম্পল। একটা এয়ারকন্ডিশনারের কাজ হল ঘরের মধ্যে থাকা এভাপ্ররেটর কে ঠান্ডা রাখা। মানে রুম টেম্পারেচার থেকে বেশি ঠান্ডা রাখা এবং কন্ডেনসার কে গরম রাখা। অর্থাৎ বাইরের পরিবেশে এর টেম্পারেচার থেকে বেশি গরম রাখা।

আর এর সাহায্য আপনার ঘরের মধ্যে থাকা এভাপ্ররেটর আপনার রুমের হিট কে Absorbing Room Heat করবে এবং বাইরে থাকা কন্ডেনসার পরিবেশের মধ্যে ওই হিট টাকে রিলিজ করে দেবে। আর এই কাজগুলো আরও ইফেক্টটিভলি করার জন্য এর মধ্যে ফ্যান লাগানো থাকে। আর এই কাজটিকে করার জন্য আপনার এয়ারকন্ডিশন এর মধ্যে আরও দুইটি কম্পোনেন্ট এর দরকার হয়।

একটা কম্প্রেসার Compressor আরেকটা হল এক্সপেনশন ভাল্ব Expansion Valve। এই কম্প্রেসার এর মধ্যে রেফ্রিজারেন্ট এর প্রেসার কে বাড়িয়ে তার তাপটাকে বাড়িয়ে দেওয়া হয়।

তাই কম্প্রেসার এর আউটপুট যে রেফ্রিজারেন্ট বের হয় সেটা পরিবেশের টেম্পারেচার থেকে বেশি গরম হয়। এরপর যখন ওই গরম রেফ্রিজারেন্ট কন্ডেনসার এর কয়েল এর মধ্যে দিয়ে পাস করে তখন তার টা পরিবেশ এর মধ্যে বেড়িয়ে যায়।

আর এই কাজটাকে ইজি করার জন্য এই কনডেনসার এর মধ্যে ফ্যান লাগানো থাকে। আর যখন রেফ্রিজারেন্ট এর মধ্যে দিয়ে হিট টা বেরিয়ে যায় তখন সেটা গ্যাস থেকে লিকুইড এ পরিণত হয়। এরপর কনডেনসারের এক্সিটে একটা এক্সপেনশন ভাল্ব লাগানো থাকে।

আপনি হয়তো জানেন যে কোন লিকুইড এর প্রেসার কে যদি জোর করে কমানো যায় তবে সেটা গ্যাসে পরিণত হয়ে যায়। আর ঠিক এই কাজটাই এক্সপেনশন ভাল্বের মধ্যে হয়। যার সাহায্যে কন্ডেনসার এর মধ্যে থেকে আসা লিকুইড রেফ্রিজারেন্ট কে পুনরায় গ্যাসে পরিণত করে।

আপনার ঘরের মধ্যে থাকা ইভাপোরেটরের মধ্যে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। আর এই পরিস্থিতিতে ওই রেফ্রিজারেটর এর তাপমাত্রা আপনার রুম টেম্পারেচার থেকে অনেক কম হয়। যার সাহায্যে আপনার ঘরকে ঠান্ডা করা হয়। তো মোটামুটি আপনার বাড়ির এসি এরকম ভাবে কাজ করে।

আরও পড়ুনঃ Realme Narzo 30A | Realme Narzo 30A Full Specifications

এসি কিনার সময় কি কি বিষয় মাথা রাখা দরকার

এবার জেনে নেয়া যাক যে এসি কিনতে যাওয়ার সময় কি কি জিনিস মাথায় রাখা দরকার। একটা এসি কিনতে যাওয়ার সময় নানান প্রশ্ন মাথার মধ্যে আসতে পারে। যেমন কোন এসি কিনবেন? স্প্লিট এসি নাকি উইন্ডো এসি।

তারপর কত টন এর এসি কিনবেন ১ টন নাকি দেড়টন নাকি ২ টন। তারপর এই সকল সমস্যা মিটে গেলে আরো একটা সমস্যা আছে সেটা হল ইনভার্টার এসি কিনবেন নাকি নরমাল এসি কিনবেন। এই সব কিছুর ডিটেইলস এ আজকে আমি আপনাদের বলবো।

তবে আমি একেবারে এক্সপার্ট নই আমি যতটুকু জানি ততটুকু বোঝানোর চেষ্টা করছি আপনাদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করছি। যদি কোন ভুল হয়ে থাকে তবে অবশ্যই কমেন্টে জানাবেন।

উইন্ডো এসি এবং স্প্লিট এসি কি | What is Window AC and Split Window AC ?

প্রথমে দেখা যাক উইন্ডো এসি কি আর স্প্লিট এসি কি। উইন্ডো এসির নাম দেখে আপনি বুঝতে পারছেন যে এটা কি রকম হতে পারে। এটা একটা বড় সাইজের ইউনিট হয়। যেটা আপনার কোন জানালাতে ফিট হয়ে যায়। তো এক্ষেত্রে আপনার জানালা টা ব্লক হয়ে যাবে আর ওই জায়গাতেই এসি টা ফিট হয়ে যাবে।

আর এর অর্ধেকটা আপনার ঘরের মধ্যে থাকবে এবং অর্ধেকটা বাইরের দিকে বেরিয়ে থাকবে। তবে সমস্যা হলো এরকম রুম আছে যেখানে কোনো জানালা থাকে না কিংবা হতে পারে যে আপনি আপনার জানালার টাকে ব্লক করতে চান না। তখন সে ক্ষেত্রে আপনাকে কিনতে হবে একটা স্প্লিট এসি।

এক্ষেত্রে একটা ইনডোর ইউনিট হয় আরেকটা আউটডোর ইউনিট হয়। ইনডোর ইউনিটে লাগানো থেকে ইভাপ্ররেটর এবং আউটডোরে লাগানো থাকে কন্ডেনসার। একটূ আগেই যেমন আমি বুঝিয়ে ছিলাম ওইটা একচুয়ালি স্প্লিট এসি কিভাবে কাজ করে সেটাই বোঝাচ্ছিলাম। 

তো এক্ষেত্রে এনডোর ইউনিট টা আপনার ঘরের মধ্যেই থাকবে এবং আউটডোর ইউনিট টাকে আপনি আপনার বাড়ির বাইরের দেয়ালের সঙ্গে কিংবা ছাদের মধ্যে ফিট করে দিতে পারেন। তবে একটা জিনিস খেয়াল রাখতে হবে যে যেন আউটডোর ইউনিট এর পাশে যেন অনেকটা ফাঁকা জায়গা থাকে।

একটু স্পেস এর দরকার হয় তা না হলে হিট টা তারাতারি রেডিয়েট হতে পারে না। এক্ষেত্রে ইনডোর ইউনিট এবং আউটডোর ইউনিট এর মধ্যে যে পাইপলাইন টা থাকে সেটাকে আপনার দেয়ালের মধ্যে একটা ছোট ফুটো করে নিয়ে যাওয়া হয়। তো এই কারনে আজকাল বেশিরভাগ মানুষ স্প্লিট এসি কেই কিনতে বেশি পছন্দ করে। তো আশা করি বুঝতে পারবেল যে উইন্ডো এসি কি এবং স্প্লিট এসি কি।

আরও পড়ুনঃ রমজান মাসের আমল | মাহে রমজানের গুরুত্বপূর্ণ আমল ও রমজানের ফজিলত

কত টন এর এসি কিনবেন | কন্ডেসার এর কাজ কি

আর এটা যখন আপনি ডিসাইড করে নেবেন যে আপনি কোনটা কিনবেন তারপর আপনার সামনে প্রশ্ন আসবে যে কত টনের এসি কিনবেন। প্রথমে জেনে নেয়া জাক এই টন কি জিনিস। যদি বলে ১ টন এর এসি তাহলে আপনাকে বুঝতে হবে যে আপনার ঘরের মধ্যে ১ টন বরফ রেখে দিলে সেটা আপনার রুম কে যত তাড়াতাড়ি ঠান্ডা করতে পারবে ওই এসি টার ক্ষমতা ততটা।

তার মানে বোঝা যাচ্ছে যে যত বেশি টন এর এসি আপনি নিবেন। আপনার রুম তত তাড়াতাড়ি ঠাণ্ডা হবে। কিন্তু যদি ছোট রুমের মধ্যে আপনি বেশি টনের এসি লাগান তবে সেই তত তাড়াতাড়ি ঠাণ্ডা হবে বটেই। কিন্তু আপনার ইলেকট্রিক খরচ অনেক বেশি হয়ে যাবে। এজন্য যখনি আপনি এসির টন কে সিলেক্ট করবেন তখন আপনাকে দেখতে হবে যে আপনার রুমের সাইজ কত বড়।

কারন ছোট রুম এর মধ্যে যদি আপনি বেশি টন এর এসি ব্যবহার করেন। তাহলে আপনার এনার্জিও লস হবে এবং তার সাথে ইলেকট্রিক বিল অনেক বেশি আসবে। তাছাড়াও বেশি টন এর এসির দাম ও বেশি হয়। 

রুম যদি আপনার 100 স্কয়ার ফিটের থেকে ছোট হয় তবে ১ টন বা ১ টন এর থেকে কম পরিমান এর এসি ব্যবহার করুন এতেই আপনার কাজ চলে যাবে। যদি 100 থেকে ১৫0 স্কয়ার ফুটের মধ্যে হয় তবেই আপনি ১ টন এসি আপনি কাজ চালিয়ে নিতে পারবেন ভালোভাবে। যদি ১৫০ থেকে ২০০ স্কয়ার ফিট এর মধ্যে আপনার রুম হয় তবে আপনাকে ১.৫ টন এর এসি আপনাকে লাগাতে হবে। 

Read more

মোবাইল ব্যাংকিং সুরক্ষার ৫টি সহজ টিপস: অর্থ বাঁচান ও ঝুঁকি কমান!

আমরা সবাই কমবেশি স্মার্টফোন, ল্যাপটপ, কম্পিউটারের মাধ্যমে ব্যাংকিং ট্রানজেকশন করি বা সুবিধা নিয়ে থাকি। আজকে আমরা কথা বলবো ইন্টারনেট ব্যাংকিং এর ব্যবহার সুরক্ষিত রাখতে স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের কি কি সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত। চলুন তাহলে জেনে নেই মোবাইল ব্যাংকিং সুরক্ষিত রাখতে কি কি বিষয় অবলম্বন করতে হবে।

মোবাইল ব্যাংকিং সুরক্ষার ৫টি সহজ টিপস

১. পাবলিক ওয়াইফাই বা ইন্টারনেট ব্যবহার

অনেকের মধ্যে পাবলিক ইন্টারনেট বা ওয়াইফাই ব্যবহারের প্রবণতা বেশি থাকে। কখনো কখনো এ ধরণের ওয়াইফাই ব্যবহার করলে ডিভাইসের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হতে পারে এবং সাইবার অ্যাটাকের সম্ভাবনা থেকে যায়। এক্ষেত্রে আপনার তথ্য চুরি বা গোপনীয়তা নষ্ট হতে পারে।

আরও জানুন- বাংলাদেশের সেরা ২০টি ই-কমার্স সাইট

পাবলিক ওয়াইফাই ব্যবহার করে যদি কোন সাইটে লগইন বা ট্রানজেকশন করা হয়। তাহলে সেসব তথ্য হ্যাকারদের দখলে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে বা সহজতর হয়। জানিয়ে রাখি এই প্রক্রিয়ায় হ্যাকাররা সুচতুর ভাবে ম্যান এন দা মিডল অ্যাটাক বা ম্যালওয়ার ডিস্ট্রিবিউশনের মাধ্যমে আপনার গুরুত্বপূর্ণ ক্রেডেনশিয়াল তথ্য হাতিয়ে নিতে পারে।

২. ক্লাউডস স্পেস ব্যবহার করুন

কথা বলা ছাড়াও আমরা স্মার্টফোনের মাধ্যমে আমরা দৈনন্দিন অনেক কাজ করে থাকি। জমতে থাকে আমাদের অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বা ডেটা। এই সকল তথ্য নিয়মিত ব্যাকআপ রাখা উচিত। ফোনের বা অন্যান্য কোন বিশ্বস্ত ক্লাউডস স্পেসে আমাদের ফোনের ডেটা আবার প্রয়োজনীয় তথ্যাদি নিয়মিত ব্যাকআপ করে রাখতে পারি।

অনেক ক্লাউড সার্ভিস একটা নির্দিষ্ট পরিমাণে স্পেস ফ্রিতে ব্যবহার করা যায় বা প্রয়োজন অনুযায়ী আমি কিনে নিতে পারি। এতে করে যদি আমাদের ফোনটা হারিয়ে যায় বা নষ্ট হয়ে যায়। আমরা ক্লাউডস স্পেসে লগইন করে প্রয়োজনীয় সকল ডেটা সমূহ নিয়ে নিতে পারি। ফোনের প্রয়োজনীয় ডেটা প্রতিনিয়ত ব্যাকআপ করে রাখুন।

৩. IMEI নাম্বার সংরক্ষণ করুন

স্মার্টফোনের ইন্টারন্যাশনাল মোবাইল ইকুপমেন্ট আইডেন্টিটি বা আইএমইআই সংরক্ষণ করে রাখতে হবে। জানিয়ে রাখি আইএমইআই নম্বরটি প্রত্যেকটি ফোনের জন্য আলাদা হয় এবং প্রত্যেকটি ডিভাইসকে আলাদা আইডেন্টিটি প্রদান করে থাকে। এটি ফোনের বক্সে উল্লেখ করা থাকে আবার ফোন থেকে *#০৬# ডায়াল করলেও জানা যাবে। মনে রাখবেন আপনার ফোন চুরি যাওয়া ফোন খুঁজে পেতে এই নাম্বারটি প্রয়োজন।

আরও জানুন- মোবাইল রিপেয়ারিং করার পূর্বে যা করণীয়

৪. ফোন লক ব্যবহার করুন সবসময়

ফোনে সবসময় স্ক্রীন লক ব্যবহার করুন। ফোনে সব সময় আপনার সুবিধামতো অন্তত একটি হলেও স্ক্রীন লক ব্যবহার করুন। ফোনের পিন, পাসওয়ার্ড, প্যাটার্ন বা বায়োমেট্রিক অথেন্টিকেশন অন রাখুন। ফলে ফোনে আন অথরাইজড এক্সেস বন্ধ হয়ে যাবে। এক্ষেত্রে আপনার ফোনটি যদি হারিয়ে যায় বা চুরি হয়ে যায় আপনার ফোনে কেউ এক্সেস নিতে পারবে না। আর আপনার তথ্য থাকবেন নিরাপদ।

তাই ফোনের পিন, পাসওয়ার্ড, প্যাটার্ন বা বায়োমেট্রিক অথেন্টিকেশন এগুলোর অন্তত একটি বা অধিক যে কোন একটি অপশন অন রাখুন এবং নিরাপদ থাকুন।

Read more

বাইক কেনার আগে করনীয় – বাইক কেনার সময় করনীয়

বাইক কেনার আগে করনীয় – বাইক কেনার সময় করনীয় – বাইক কেনার পরে করনীয় — নতুন বাইক যারা কিনেছেন অথবা কিনবেন লেখাটি তাদের জন্য। বাইক কেনার আগে যে বিষয়গুলো বিবেচনায় আনা প্রয়োজন সেসব বিষয় সম্পর্কে এখানে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেওয়া হলোঃ

বাইক কেনার আগে করনীয়

১। মানুষের মতামতের ভিত্তিতে বাইক না কিনে নিজের যে বাইকটা ভালো লাগে বা পছন্দ হয় সেটা কেনার চেষ্টা করুন। আপনি যখন ১০ জন মানুষকে জিজ্ঞেস করবেন তারা ১০ রকম উত্তর দিবে। আপনার মন যেটা বলে সেটা কিনুন 

২। আপনি বাইক কেনার আগেই আপনার ড্রাইভিং লাইসেন্স যদি না থেকে থাকে সেটার জন্য আবেদন করুন। এতে করে বাইক কিনতে কিনতে আপনার লাইসেন্স চলে আসবে পরে আর ঝামেলা হবে না ৩।খোঁজ নিন বাইকের স্পেয়ার পার্টস এবং ভালো সার্ভিস সেন্টার আছে কিনা।

আরো পড়ুনঃ এসি ছাড়া ঘর ঠান্ডা রাখার উপায়

বাইক কেনার সময় করনীয়

একটি বিশ্বাসযোগ্য শো-রুম থেকে বাইক কিনুন। বাইক কেনার সময় বাইকের সব কিছু ঠিক আছে কিনা, সব পার্টস ঠিক আছে কি-না, কোন পার্টস ভাঙ্গা বা পুরাতন কিনা, টায়ার লিক আছে কিনা এগুলো চেক করে নিন। টেস্ট ড্রাইভ করে বুঝে নিন সব ঠিকঠাক চলছে কিনা। না হলে অভিযোগ করুন শো-রুম এর কাছে।

বাইকের নাম্বার করার জন্য যে চালানের কাগজ দরকার পরে সেটা একটা নির্দিষ্ট অংকের টাকা দিয়ে বুঝে নিন। সাধারণত একেক শোরুমে একেক অংকের টাকা চায়। তবে এইটা ১০০০-২০০০ এর মধ্যেই হয়ে যাবে। যদি শোরুম থেকে নাম্বার করান তাহলে তারা আপনার নাম্বার করার রশিদ এর সাথেই এই টাকা যোগ করে দিবে। নিজে নিজে নাম্বার করতে চাইলে এই কাগজ আপনাকে বিআরটিএতে জমা দিতে হবে (অবশ্যই একটা ফটোকপি রাখবেন)।

শোরুম থেকে সার্ভিস ম্যানুয়াল, বাইক এর ম্যানুয়াল এবং সার্ভিস টোকেন বুঝে নিন। সার্ভিস টোকেন ছাড়া আপনাকে ফ্রি সার্ভিস তারা দিবেনা। আপনি আপনার বাইকের জন্য ৩-৪ টা ফ্রি সার্ভিসিং পাবেন। 

বাইক কেনার পরে করনীয়

নতুন বাইক কিনে ঘরে ফিরেছেন। একটু অসাবধানতা আপনার জন্য আর আপনার বাইক এর জন্য কাল হয়ে দাড়াতে পারে। যদি ঢাকা বা অন্য কোন মেট্রো শহরে থাকেন নাম্বার না পাওয়া পর্যন্ত বাইক কোনভাবেই মেইন রাস্তায় চালাবেন না। নাম্বার বিহীন গাড়ি রাস্তায় চালানো আইনত নিষেধ। পুলিশি ভেজাল এ পড়লে সোজা ডাম্পিং এ দিয়ে দিবে এবং রেকার চার্জ দিয়ে বাইক ছাড়াতে হবে। 

কাগজ পত্র না থাকার মামলা তো আছেই। কপাল খারাপ হলে শখের বাইক আর ফিরে নাও পেতে পারেন। কাজেই অপেক্ষা করুন নাম্বার পাওয়ার আগ পর্যন্ত। সাধারণত টাকা জমা দেবার সর্বচ্চ ১ মাসের মধ্যেই নাম্বার চলে আসবে।

ইনস্যুরেন্স করিয়ে ফেলুনঃ ২৫০-৩০০ টাকা লাগবে ইনস্যুরেন্স করাতে। ইঞ্জিন নাম্বার এবং চেসিস নাম্বার দিয়েই করাতে পারবেন। ইনস্যুরেন্স না থাকলে মামলা গুনতে হবে ২০০০ টাকার।

আরো পড়ুনঃ ওয়েবসাইট তৈরি করতে কি কি লাগে

Read more

ইন্টারনেট কি | ইন্টারনেট কি ভাবে কাজ করে

ইন্টারনেট কি? ইন্টারনেট কি ভাবে কাজ করেঃ আধুনিক বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং ব্যবহৃত শব্দ হচ্ছে ইন্টারনেট। আজকের দিনে ইন্টারনেট কোথায় নেই? জনসাধারণের ঘরে ঘরে, অফিসে এবং বিভিন্ন কার্যালয়ে ও মোবাইলের মাধ্যমে আমাদের সকলের হাতে হাতে ইন্টারনেট আছে। 

মানুষ এখন অনলাইনের মাধ্যমে ভিডিও, গান, মুভি ইত্যাদি দেখছে। ইন্টারনেট ব্যবহার করে অনলাইনে গেম খেলছে, একজন অপরের সঙ্গে কথা বলছে, ভিডিও কল করছে। আবার অনেকেই হয়তোবা বিভিন্ন বিষয়ে জানা ও জ্ঞান অর্জন করার জন্য ইন্টারনেট ব্যবহার করছেন। সহজ ভাষায় বলতে গেলে ইন্টারনেট পুরো ২৪ ঘন্টায় আপনাকে ব্যস্ত করে রাখতে পারবে।

বর্তমানে মানুষ না খেয়ে থাকতে পারবে না ঘুমিয়ে এবং বিনা বিদ্যুৎ সেবাতে থাকতে পারবে। কিন্তু এই ইন্টারনেট ব্যতীত তো কখনোই থাকতে পারবে না। ইন্টারনেটের এই সুবিধা আমাদের জন্যে একটি অবদান ও ইন্টারনেটের ব্যবহার না করে থাকাটা বর্তমানে আমাদের জন্যে একেবারে প্রায় অসম্ভব। 

এখন প্রশ্ন হচ্ছে যে – ইন্টারনেট কি? ইন্টারনেট মানে কি? কিভাবে ইন্টারনেট কাজ করে? ইন্টারনেট ব্যবহার করার লাভ এবং ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধা এবং ইন্টারনেট সম্পর্কে আমাদের জানা জরুরি কেন? চলুন তাহলে আজকে এই সকল প্রশ্নের উত্তর বিস্তারিত সম্পর্কে জেনে নেইঃ

ইন্টারনেট কি

ইন্টারনেট কানেক্টেড নেটওয়ার্কের সংক্ষিপ্ত রূপ হচ্ছে ইন্টারনেট। এটা বিশেষ গেটওয়ে অর্থাৎ রাউটারের মাধ্যমে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক গুলো একে অপরের সঙ্গে সংযোগ করার মাধ্যমে গঠিত হয়ে থাকে। ইন্টারনেটকে প্রায়সই নেট বলা হয়। 

ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের এমন একটি বিশাল জাল যেটা সারা বিশ্বের কম্পিউটার নেটওয়ার্কের সাথে পরস্পরে ইন্টার কানেক্টেড হয়ে আছে এবং এই কম্পিউটার নেটওয়ার্ক পরস্পর একে আরেকটি ডিভাইসের সাথে বিশ্বব্যাপী (ওয়ার্ল্ড ওয়াইড) ভাবে লিংক করা বা কানেক্ট করার জন্যে ইন্টারনেট প্রোটোকল সুট (TCP/IP) ব্যবহার করেন।

ইন্টারনেট কাকে বলে

ইন্টারনেট হচ্ছে বিশ্বের অফুরন্ত জ্ঞান ভান্ডারকে কম্পিউটারের পর্দাতে তুলে ধরার পদ্ধতি। পরস্পর সম্পর্কযুক্ত অনেকগুলি কম্পিউটার কেন্দ্রিক নিরবিচ্ছিন্নভাবে নেটওয়ার্কের সমষ্টিই হলো ইন্টারনেট।ইন্টারনেট হচ্ছে সারা বিশ্বজুড়ে বিস্তৃত পরস্পরের সঙ্গে সংযুক্ত অনেকগুলো কম্পিউটার নেটওয়ার্কের সমষ্টি। 

যা জনসাধারণের জন্যে উন্মুক্ত এবং যেখানে ইন্টারনেট প্রোটোকল নামের এক প্রামাণ্য ব্যবস্থার মাধ্যমে ডাটা আদান প্রদান করা হয়। তবে অনেকেই ইন্টারনেট এবং World Wide Web কে সমার্থক শব্দ হিসাবে গণ্য করলেও প্রকৃত পক্ষ্যে শব্দদ্বয় ভিন্ন ভিন্ন বিষয় নির্দেশ করে। ইন্টারনেটের বাংলা অর্থ কি? ইন্টারনেটের বাংলা অর্থ হচ্ছে অন্তর্জাল।

ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব কি

আমাদের অনেকেই ইন্টারনেট বলতে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব বলেন। এ দুটি শব্দের বিষয় কিন্তু সম্পূর্ণ আলাদা। আধুনিক টেলি কমিউনিকেশনের একটি নেটওয়ার্ক কিংবা মাধ্যম হচ্ছে টেলিফোন লাইন, স্যাটেলাইট, কেবল, ওয়্যারলেস কানেকশন যেগুলোকে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব ব্যবহার করে কম্পিউটার কিংবা অন্যান্য স্মার্ট ডিভাইস গুলোকে এর সঙ্গে আমাদেরকে কানেক্ট করে।

ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব হচ্ছে ইন্টারনেটের তথ্য গ্রহণের পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে হাইপার টেক্সট লিঙ্কের মাধ্যমে ইন্টারনেটে থাকা বিভিন্ন ডকুমেন্ট কিংবা ফাইলকে একে অপরের সঙ্গে কানেক্ট হয়ে থাকে। এই হাইপার টেক্সট লিঙ্কের ব্যবহার করে ইন্টারনেট ইউজাররা তাদের প্রয়োজন হিসাবে একটি ডকুমেন্ট বা তথ্যের থেকে আরেকটি ডকুমেন্ট বা তথ্যের দিকে এগিয়ে যেতে পারেন এবং প্রয়োজন হিসেবে নিজের কম্পিউটার থেকে সেই তথ্য বা ডকুমেন্ট গুলো প্রাপ্ত করতে পারেন। বর্তমানে সব ধরনের কম্পিউটার ডিভাইস যেমন- মডেম, কম্পিউটার, ল্যাপটপ, স্মার্টফোন, স্মার্ট টেলিভিশন এবং আরঅ অন্যান্য ডিভাইস ইন্টারনেটের সঙ্গে কানেক্ট হতে পারে।

Read more

ওয়্যারলেস চার্জিং যেভাবে কাজ করে

ওয়্যারলেস চার্জিং যেভাবে কাজ করে — বিদ্যুৎপ্রবাহের ক্ষেত্রে ম্যাগনেটিক বা চৌম্বক অপরিহার্য বস্তু। ইলেকট্রিসিটি ও ম্যাগনেটিককে তাই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ বলা হয়। যখন ইলেকট্রিসিটি প্রবাহিত হয়, তখন ইলেকট্রিক ম্যাগনেটিক অনূভূতি হয়।  ১৯ শতকের শেষের দিকে ইঞ্জিনিয়ারিং মাস্টারমাইন্ড নিকোলা টেসলা প্রথমবার দেখান, যখন ২টি পাওয়ারফুল চৌম্বক একে অপরকে স্পর্শ করে ঠিক তখন উৎস থেকে তাদের মাঝে একটি শক্তি স্থানান্তর হয়ে থাকে।

টেসলারের সেই আবিষ্কার সে সময় খুব সাড়া ফেলে। তবে সবচেয়ে বেশি মাতামাতি হয় তার ১০০ বছর পর এসে। টেসলারের সূত্র ধরে এখন তৈরি হচ্ছে স্মার্টফোনের ওয়্যারলেস চার্জিং প্রযুক্তি। তারের ঝামেলা এড়িয়ে ফোনটিকে চার্জ করতে নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো এনেছে ওয়্যারলেস চার্জিং প্রযুক্তির ফোন। ওয়্যারেলেস চার্জিং প্রযুক্তি ব্যবহার করলেও এটি কীভাবে কাজ করে সে প্রক্রিয়াটি আমরা জানি কি? না জানলে চলুন জেনে নিই।

বিদ্যুৎপ্রবাহের ক্ষেত্রে ম্যাগনেটিক বা চৌম্বক অপরিহার্য বস্তু। ইলেকট্রিসিটি ও ম্যাগনেটিককে তাই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ বলা হয়। যখন ইলেকট্রিসিটি প্রবাহিত হয় তখন ইলেকট্রিক ম্যাগনেটিক অনূভূতি হয়। ওয়্যারেলস চার্জিং প্রযুক্তির ফোনের হার্ডওয়্যারে একটি ইলেকট্রোম্যাগনেটিক কয়েল থাকে; যা কপারের তৈরি। এটি থাকে ফোনটির পিছনের দিকে। একই ধরনের আরেকটি শক্তিশালী কয়েল থাকে ওয়্যারলেস চার্জারের ভেতরে। যেটি ইলেকট্রিসিটির সঙ্গে প্লাগ দিয়ে সংযোগ ঘটানো হয়।

এবার সেই ইলেট্রিক সকেট থেকে কেব্‌লের মাধ্যমে ইলেকট্রিসিটি চার্জারের কয়েলে আসে। চার্জারের কয়েলে তখন ইলেকট্রোম্যাগনেটিক একটা অনূভূতি হতে থাকে। এখন স্মার্টফোনটি অর্থাৎ হার্ডওয়্যারের যে পাশে কয়েলটি থাকে, সেটি যখন চার্জারের সংস্পর্শে আসে তখনি মোবাইল ফোনে চার্জ শুরু হতে থাকে।

ওয়্যারলেস চার্জিং যেভাবে কাজ করে

একটা নিরাপদ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এইভাবে একটি কয়েল থেকে আরেকটি কয়েলে ইলেকট্রিক শক্তি স্থানান্তর হয়। যেখানে স্মার্টফোন চার্জ হওয়ার ক্ষেত্রে কয়েল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। অনেকেই মনে করেন, তাহলে তো ওয়্যারলেস চার্জারের কাছাকাছি থাকলেও স্মার্টফোনে ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ওয়েভ পৌঁছাবে, আর চার্জ হতে থাকবে! না, সেক্ষেত্রে ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ওয়েভ পৌঁছে গেলেও যতক্ষণ পর্যন্ত দুটি কয়েল সংস্পর্শে না আসবে ততক্ষণ পর্যন্ত চার্জ শুরু হবে না।

কেব্‌ল দিয়ে চার্জ হতে যে পরিমাণ সময় প্রয়োজন হয়, ওয়্যারলেস চার্জারে তার অন্তত দ্বিগুণ সময় প্রয়োজন হয়। তাই প্রক্রিয়াটিকে আরও সহজ ও খরচ কমাতে কাজ করছেন বিজ্ঞানীরা। এমনকি ওয়্যারলেস বললেও কিন্তু এখানে কেব্‌লের প্রয়োজন হচ্ছে। চার্জার কিন্তু ইলেকট্রিসিটির সঙ্গে সংযুক্ত হচ্ছে।

অনেকেই এই প্রক্রিয়ায় চার্জিংকে ঝুঁকিপূর্ণ মনে করেন এবং তা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর মানেন। কিন্তু সহজ কিছুর জন্য নতুন প্রযুক্তিতে কোনো না কোনো বিষয়ে তো ছাড় দিতেই হবে।

Read more