ওয়েবসাইট তৈরি করতে কি কি লাগে

ওয়েবসাইট তৈরি করতে কি কি লাগে — আজকের এই আর্টিকেলে আমি যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করবো তা আপনাদের জন্য অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে আমি মনে করি। আজকের আর্টিকেলেের আলোচ্য বিষয় হচ্ছে নতুন ওয়েবসাইট তৈরি করতে কি কি লাগে বিস্তারিত বিষয় সমূহ নিয়ে। যদি আপনি একটি নতুন ওয়েবসাইট তৈরি করতে আগ্রহী হয়ে থাকেন তবে অবশ্যই এই আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে শেষ পর্যন্ত পড়ুন।

ওয়েবসাইট তৈরি করতে কী কী প্রয়োজন

আমি অবশ্যই আপনাকে জানাতে চাচ্ছি যে, যদি আপনি একটি নতুন ওয়েবসাইট তৈরি করতে চান তবে আপনার কি কি প্রয়োজন হবে এবং ওয়েবসাইট তৈরি করতে কি কি লাগতে পারে। আপনি যদি অবশ্যই এই বিষয়গুলো সম্পূর্ণ ভাবে জানতে আগ্রহী হোন তাহলে আর্টিকেলটি অবশ্যই শেষ পর্যন্ত দেখুন।

ওয়েবসাইট তৈরি করার ধাপসমূহ

একটি নতুন ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্যে যে স্টেপগুলো রয়েছে সেই স্টেপসমূহ অবশ্যই আমি আপনার বোঝার সুবিধার্থে নিচে তালিকা আকারে দিয়ে দিবো। অবশ্যই আপনি সেগুলো মার্ক করে নিবেন আর হ্যাঁ নিচে উল্লেখ করা এই সকল স্টেপ আপনার প্রয়োজন হবে।

১। ডোমেইন ও হোস্টিং ক্রয় হবে
২। একটি প্রিমিয়াম থিম ক্রয় করতে হবে
৩। প্রয়োজনীয় প্লাগিন গুলো ক্রয় করতে হবে

ওয়েবসাইট পাবলিশিং করার কারণ কি

এখন আপনাকে জানতে হবে আপনি যে ওয়েবসাইট তৈরি করবেন এবং ওয়েবসাইটটি পাবলিশিং করাটা আপনার প্রয়োজন টা কি। ওয়েবসাইট তো আমরা অবশ্যই বিভিন্ন বিষয়ের উপরে তৈরী করে থাকি। যেমন- অনলাইনে বিজনেস করার জন্য ওয়েবসাইট তৈরি করা হয়ে থাকে এবং নিজের জন্য অর্থাৎ পার্সোনাল একটি ওয়েবসাইট তৈরি করা হয়ে থাকে আবার কেউ কেউ আছেন যারা টাকা আয় করার জন্য ওয়েবসাইট তৈরি করে থাকে। একটি ওয়েবসাইট তৈরি করার পূর্বে অবশ্যই আপনার লক্ষ্যটাকে স্থির রাখতে হবে। আপনি মূলত কোন টাইপের ওয়েবসাইট তৈরি করতে চান বা কোন বিষয়টি নিয়ে আপনি ওয়েবসাইট তৈরি করবেন।

ওয়েবসাইটের কাজ কি

এখন আপনাকে অবশ্যই জানতে হবে যে একটি ওয়েবসাইটের মূলত কাজটি কি। আপনি চাইলে একটি ওয়েবসাইট দিয়ে বিভিন্ন প্রকার কাজগুলোকে করতে পারবেন। আপনি চাইলে এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইন থেকে সহজে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। এছাড়াও আপনি চাইলে আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে মানুষের কাছে পরিচিত করে তুলতে ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারেন। আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের প্রোডাক্টগুলো আপনি ওয়েবসাইটে যুক্ত করতে পারবেন। এছাড়াও অনলাইনে আরো বিভিন্ন ধরনের ওয়েবসাইট রয়েছে যেগুলো বিভিন্ন ধরনের বিষয়গুলো নিয়ে তৈরি করা থাকে।

অনলাইনে ওয়েবসাইট

অনলাইনে বিনামূল্য অনেক ধরনের ওয়েবসাইট আছে। যেখান আপনি থেকে খুবই সহজে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারবেন। তবে নিজের ইচ্ছা মতো করে ওয়েবসাইট বানাতে পারবেন না। যদি আপনি প্রফেশনাল মানের একটি ওয়েবসাইট বানাতে চান তবে আপনাকে অবশ্যই ডোমেইন এবং হোষ্টিং এবং আরও যে যে বিষয়গুলো আছে সেগুলো অবশ্যই আপনাকে ক্রয় করতে হবে। অবশ্য তারপরেই আপনি একটি প্রফেশনাল মানের ওয়েবসাইট বানাতে পারবেন। তবে বিনামূল্য ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্যে অনলাইনে যেসকল সাইটগুলো আছে তারমধ্যে অবশ্য জনপ্রিয় দুটি ওয়েবসাইট হচ্ছে ব্লগস্পট এবং ওয়ার্ডপ্রেস। এই দুটি ওয়েবসাইট ব্যবহার করার মাধ্যমে আপনি এখান থেকে অনলাইনে ওয়েবসাইট তৈরী কররতে পারবেন সহজেই।

১। Blogspot.com
২। WordPress.com

ওয়েবসাইট মনিটাইজেশন

আপনি যদি ওয়েবসাইট মনিটাইজেশন করতে চান তবে আপনাকে কি কি বিষয়গুলো সম্পর্কে জানতে হবে এবং আপনি কিভাবে ওয়েবসাইটটি মনিটাইজেশন করতে পারবেন। অবশ্যই ওয়েবসাইট মনিটাইজেশন করার জন্যে যে ধাপগুলো আছে সেগুলো আমি নিচে তালিকা করে দিচ্ছি সেখানে আপনি দেখে নিন।

১। টপ লেভেল ডোমেইন কিনতে হবে
২। হোস্টিং কিনতে হবে 
৩। প্রিমিয়াম থিম কিনতে হবে/ফ্রি থিম ব্যবহার করে অ্যাডসেন্স পাওয়া যায়
৪। ওয়েবসাইট সুন্দরভাবে ডিজাইন করতে হবে
৫। গুরুত্বপূর্ণ পেজগুলোকে যুক্ত করতে হবে
৬। আপনার ওয়েবসাইটটি গুগলে ইনডেক্স করতে হবে
৭। একটি গুগল অ্যাডসেন্স একাউন্ট তৈরি করতে হবে
৮। আপনার ওয়েবসাইট গুগল অ্যাডসেন্সে জন্য আবেদন করতে হবে

ওয়েবসাইটে গুগল অ্যাডসেন্স পাওয়ার উপায়

যদি আপনি ওয়েবসাইটে গুগল অ্যাডসেন্স পেতে চান তবে আমি উপরোক্ত যে বিষয়গুলো তালিকা আকারে দিয়েছি এগুলো যদি আপনি মনোযোগ সহকারে খেয়াল করেন তবে আপনি খুবই সহজে আপনার ওয়েবসাইটে গুগল অ্যাডসেন্স পেয়ে যাবেন আর মনে রাখবেন গুগল অ্যাডসেন্স পাওয়ার জন্যে উপরোক্ত বিষয়গুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

মোবাইল দিয়ে ওয়েবসাইট তৈরি

উপরে যে বিষয়গুলো আপনাদের মধ্যে শেয়ার করেছি সেগুলো যদি আপনারা ভালোভাবে লক্ষ্য করেন তাহলে খুবই সহজে আপনি আপনার স্মার্টফোনের মাধ্যমে একটি সুন্দর ডিজাইনের ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারবেন। ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্যে যাবতীয় প্রয়োজনীয় যে যে বিষয়গুলো রয়েছে সেগুলো আমি আপনাদের সামনে উল্লেখ করেছি।

ওয়েবসাইট তৈরি কত টাকা খরচ লাগবে

একটি নতুন ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্যে আপনার কত টাকা খরচ হবে আমি আপনাকে তার একটি হিসাব করে দিচ্ছি। যদি আপনি ডোমেইন ও হোস্টিং কিনেন সেক্ষেত্রে আপনার ১৩০০ কিংবা ১৮০০ টাকার মতো খরচ পড়তে পারে। তারপর যে প্রিমিয়াম থিম ও প্লাগিনগুলো আছে সেগুলো আপনার কেনার জন্য মোটামুটি ১০০ ডলারের উপরে খরচ লাগতে পারে। তবে এই সকল প্লাগিন ও থিম কিন্তু অনেকের কাছেই কিনতে পাওয়া যায়। 

সেক্ষেত্রে আপনি তাদের কাছে থেকে কম খরচে কিনতে পারবেন। বিশেষ করে যদি আপনি আমাদের থেকে ওয়েবসাইট তৈরি করে নিতে চান তবে ডোমেইন এবং হোস্টিং প্রিমিয়াম থিম সকল কিছু মিলে আপনার ৬ হাজার টাকার মত করে খরচ হতে পারে। আপনি যদি যেকোন ধরনের প্রফেশনালমানের ওয়েবসাইট তৈরী করাতে চান তবে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন।

সবচেয়ে ভালো ওয়েবসাইট

আপনি যদি সবচেয়ে ভালো একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে চান তাহলে অবশ্যই আমি উপরোক্ত যে বিষয়গুলো আপনাদের মাঝে শেয়ার করেছি সেগুলো যদি আপনি ভালোভাবে খেয়াল করেন তাহলে খুবই সহজে একটি সবচেয়ে ভালো ওয়েবসাইট তৈরী করতে পারবেন এবং অনলাইন থেকে ভালো পরিমাণ টাকা আয় করতে পারবেন। 

অবশ্যই যদি আপনার এই ওয়েবসাইট তৈরি করতে কি কি লাগে আর্টিকেলটি ভালো লেগে থাকে তবে অবশ্যই কমেন্ট বক্সে আপনার মতামত জানিয়ে দিবেন। এছাড়াও আপনি এ ধরনের আর্টিকেল সম্পর্কে জানার আগ্রহী হয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই আমাদের কমেন্ট বক্সে তা লিখে জানিয়ে দিবেন। আজ এই পর্যন্ত সবাই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন। ধন্যবাদ

Read more

ব্লগ সাইট খোলার নিয়ম | ফ্রী ব্লগ সাইট তৈরি করে লাখ টাকা ইনকাম করুন

ব্লগ সাইট খোলার নিয়ম — অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করার কথাটা মোটামোটি আমরা প্রায় সকলেই শুনি। এখন যদি আমি বলি আপনিও পারবেন অনলাইনে টাকা ইনকাম করতে একটি ব্লগ সাইট খুলে বা ব্লগ সাইট তৈরি করার মাধ্যমে! কি আপনার বিশ্বাস হয়?

যদি আপনি লেখালেখি করতে ভালোবাসেন এবং এটাকে যদি খাতা থেকে ওয়েবসাইটের মধ্যে সংরক্ষণ করে জনগনের জন্য পাবলিশ করে দেন তবেই অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করা সম্ভব। আর তার জন্য প্রয়োজন ব্লগ সাইট ওপেন নিয়ম সম্পর্কে সঠিকভাবে জানা। আমাদের মাঝে অনেকেই আছে যারা প্রতিনিয়ত খাতায় লেখালেখি করেন অথবা আমাদের মাথায় নানা ধরনের আইডিয়া ঘুরপাক খায়, কিন্তু উপযোক্ত কারও কাছে সেই আইডিয়া অথবা লেখাগুলোকে পৌঁছে দিতে পারিনা। আর সেই সুযোগটি দিচ্ছে ফ্রী ব্লগ ওয়েবসাইটগুলো। তারমধ্যে আছে গুগলের ফ্রী ব্লগস্পট সাইট। হ্যাঁ একেই বলে একটি ঢিলে দুই পাখি মারা।

প্রথমত আপনার লেখা অথবা আইডিয়াগুলোকে সঠিকভাবে মানুষের মধ্যে পৌঁছে দিলেন, দ্বিতীয়ত এই কাজ করার মাধ্যমে কিছু টাকা আয় করতে পারবেন। পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ করার জন্যে একজন ব্লগারের বেশ কয়েকটি বিষয় সম্বন্ধে জানা দরকার। তারমধ্যে প্রথম হচ্ছে কীভাবে একটি গুগল ব্লগস্পট অর্থাৎ ব্লগ ওয়েবসাইট বানানো যায়? গুগল ব্লগ সাইট খোলার নিয়ম কি?

আজকের আর্টিকেলে মূলত আমরা এই বিষয়টি নিয়ে জানবো। প্রথমেই জেনে নেই ব্লগস্পট সাইট কীভাবে খুলবো সেই সম্পর্কে।

গুগল ফ্রি ব্লগস্পট সাইট তৈরি করতে বা খোলার জন্য কি কি প্রয়োজন

১। একটি আসল গুগল জিমেইল আইডি
২। ওয়েবসাইটের ডোমেইন নেইম সিলেক্ট
৩। সাইট কাস্টমাইজেশন
৪। সাইটের লোগো
৫। সাইটের ফেবআইকন/আইকন

কীভাবে ব্লগ সাইট তৈরি করা যায় বা ব্লগস্পট সাইট খোলার ধাপসমূহ

১। প্রথমে আপনার কম্পিউটার বা ল্যাপটপের যেকোন একটি ব্রাউজারে চলে যান। এক্ষেত্রে আমি আপনাকে সাজেস্ট করব গুগল ক্রোম ব্রাউজারকে ব্যবহার করার। আপনি চাইলে এই কাজটি মোবাইল ফোনের মাধ্যমে করতে পারবেন।
২। তারপর গুগল ক্রোম ব্রাউজারে আপনার অরজিনাল জিমেইলটি দিয়ে লগ ইন করে নিন। 
৩। জিমেইল একাউন্ট লগিন সম্পন্ন করার পরে ক্রোম ব্রাউজারের ডানসাইটে উপরের দিকে দেখতে পারবেন থ্রিডট মেনু রয়েছে। এবার আপনি সেই থ্রি-ডট মেনুতে ক্লিক করুন।
৪। এবার আপনি দেখুন সেখানে অনেকগুলো মেনু অর্থাৎ অ্যাপস রয়েছে। একটু স্ক্রল করে নিচে দিকে আসুন। দেখতে পারবেন সেখানে Blogger ব্লগার নামে একটি অ্যাপস এর মতো আইকন রয়েছে। সেটাতে ক্লিক করুন।
৫। ক্লিক করার পরে একটি সাইট ওপেন হবে আর সেখানে দেখতে পারবেন লেখা আছে “Create Your Blog”. আপনি এই লেখার উপরে ক্লিক করুন।
৬। ক্লিক করার পরে আপনি দেখতে পারবেন আরেকটি নতুন ট্যাব ওপেন হবে এবং আপনার ব্রাউজারে সাইন ইন অথবা লগিন করা সকল জিমেইল গুলোকে শো করছে। সেখান থেকে আপনি লগিন কৃত জিমেইল টিকে সিলেক্ট করুন।
৭। সিলেক্ট করার পরে কিছুক্ষণ কিছুক্ষণ লোড হয়ে আপনার মেইলের পাসওয়ার্ড চাইবে। যদি আপনি লগিন অবস্থায় থাকেন, তবে অটোমেটিক পাসওয়ার্ডটি সেভ করা থাকবে। আর যদি না হয় তবে নতুন করে পাসওয়ার্ডটি সেখানে দিতে হবে।
৮। পাসওয়ার্ড প্রবেশ করার পরে অথবা পূর্বে থেকে পাসওয়ার্ড প্রবেশ করা থাকলে Next লেখাতে ক্লিক করুন।
৯। তারপর দেখুন আরো একটি নতুন ট্যাব ওপেন হয়েছে এবং সেখানে লেখা আছে “Choose a name for your blog” সেখানে আপনার ব্লগের নামের একটি টাইটেল দিয়ে ‍দিন এবং next অপশনে ক্লিক করুন।
১০। এবার আরেকটি নতুন ট্যাব ওপেন হবে এবং সেখানে লেখা আছে “Choose a URL for your blog” এটি হচ্ছে আপনার ব্লগ ওয়েবসাইটের ডোমেইন নেম। এই নামটি ‍খুবই ভেবে চিন্তে দিবেন। ব্লগ সাইটের নাম লেখা শেষে next করুন।
১১। তারপর আপনাকে আপনার ওয়েবসাইটের ডিসপ্লে নাম দিতে হবে। যা পরবর্তীতে আপনার সাইটে দেখাবে। “Choose your display name” দেওয়ার পরে এইবার Finish করুন।
১২। ব্যাস আপনার ব্লগ ওয়েবসাইট তৈরি করার অথবা ব্লগ সাইট খোলার প্রাথমিক কাজ সম্পূর্ণ।
১৩। তারপর আপনাকে মেইন অথবা গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো করার প্রয়োজন হবে।

উপরোক্ত ধাপগুলো সঠিকভাবে মেনে কাজ করলে আপনি নিজেই একটি ব্লগ ওয়েবসাইটের প্রাথমিক কাজগুলো ২ থেকে ৫ মিনিটের মধ্যে করে ফেলতে পারেন। তবে এটি শুধুমাত্র ব্লগসাইট ওপেন করা হবে মাত্র। এইবার ওয়েবসাইটের কাস্টমাজেশন, ওয়েব সাইটের ডোমেইন নাম, ওয়েব সাইটের টাইটেল, সাইটের ডেসক্রিপসন, ওয়েবসাইটের ডিজাইন এবং ভালোভাবে এসইও করতে হবে। এই সকল কাজ করার জন্য আমি আপনাদের জন্য পার্ট বাই পার্ট আর্টিকেল তৈরি বানাবো। আজকে শুধুমাত্র ব্লগ সাইট খোলা বা ব্লগ সাইট তৈরি করার পদ্ধতি এবং সাইটের ডোমেইন নেম সিলেক্ট, টাইটেল ও ডেসক্রিপশন সম্বন্ধে দেখাবো। পাশাপাশি আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ সেটিংস দেখানোর চেষ্টা করব।

বিশেষ দ্রষ্টব্য

ব্লগ ওয়েবসাইটের এই ধাপগুলোতে যদি Choose a name for your blog — Choose a URL for your blog — Choose your display name এই অপশনগুলো না আসে তবে নিচের ধাপগুলো ফলো করতে পারেন।

গুগল ব্লগস্পট সাইটের কাস্টমাইজেশন করার ধাপগুলো

১। ব্লগ ওয়েবসাইটের অন্যান্য কাজগুলো করার জন্য আপনাকে আপনার সাইটের সেটিংস অপশনে চলে যেতে হবে। তার জন্য আপনাকে সাইটের ড্যাসবোর্ডের বাম দিকে দেখুন অনেকগুলো অপশন রয়েছে। একটু নিচে স্ক্রল করে সেটিংসে ক্লিক করুন।
২। সেটিংসে ক্লিক করার পরে প্রথম অপশনটাতে অর্থাৎ “Title” লেখাটি। এখানে আপনার ওয়েবসাইট কি সম্পর্কিত অথবা ওয়েব সাইটের নিশের উপরে একটা ছোট স্লোগন অর্থাৎ এক বাক্যে এমন কিছু একটা লিখুন যেটা আপনার সাইটের মূলভাবকে তুলে ধরবে।
৩। টাইটেলের পরের অপশনটাই হচ্ছে ”Description” এখানে আপনি আপনার ওয়েবসাইট সম্পর্কে 500 ওয়ার্ডের মধ্যে কিছু লিখে নিন। এক্ষেত্রে আমি আপনাকে সাজেস্ট করব আগে থেকে সাইট সম্পর্কিত কিছু লিখে রাখুন। যাতে করে ওয়েবসাইট কাস্টোমাইজড করার সময় হিমশিম খেতে না হয়।
৪। তারপর একটু নিচের দিকে স্ক্রল করুন এবং দেখুন Favicon ফেবআইকন নামে একটি অপশন। সেখানে ক্লিক করে ওয়েব সাইটের ফেবিকন অর্থাৎ আইকনটি বসিয়ে দিন।
৫। তারপর আরেকটু নিচের দিকে স্ক্রল করুন। তারপর দেখতে পারবেন
৬। Publishing নামের একটি অপশন রয়েছে এবং তার নিচেই Blog Address নামে একটি অপশন আছে। সেখানে ক্লিক করুন।
৭। এখানে আপনার ব্লগ ওয়েবসাইটের নাম দিন।
৮। তার নিচে দেখুন Customs Domain নামের একটি লেখা রয়েছে। সেখানে ক্লিক করে আপনার অরজিনাল ডোমেইন নামটিকে দিন।
৯। ব্যাস মোটামোটি সাইটের নাম, টাইটেল বা কাস্টমাইজেশনের প্রাথমিক কাজগুলো শেষ।

উপরোক্ত ধাপগুলো অনুসরণ করে যেকেউ ইচ্ছা করলে খুবই সহজে কয়েক মিনিটের মাঝে একটি গুগল ব্লগস্পট ওয়েবসাইট বানানো সম্ভব। তবে হ্যাঁ এই আর্টিকেলে শুধুমাত্র সাইট তৈরি করা এবং প্রাথমিক কিছু কাস্টমাইজেসন বিষয়ে দেখানো হয়েছে। একটি সুন্দর এবং আকর্ষণীয় সাইটের জন্য একটি থিম বা টেমপ্লেট ব্যবহার করা লাগবে এবং তার জন্য লাগবে প্রোপার কাস্টমাইজেশন।

এই বিষয়গুলো আমরা পরবর্তীতে ধাপে ধাপে আলোচনা করবো। আজকের ফ্রী ব্লগসাইট বানানো বা ফ্রি ব্লগ সাইট খোলার এই পর্বে এতোটুকুই।

Read more