ফেসবুকে কিভাবে টাকা আয় করা যায়

ফেসবুকে কিভাবে টাকা আয় করা যায় – আপনি কি ফেসবুক থেকে আয় করার চিন্তা করছেন? ফেসবুক থেকে কিভাবে টাকা আয় করা যায় এই ব্যাপারে আপনারা অনেকেই জানতে চান। কিভাবে ফেসবুক থেকে আয় করা যায় এই ব্যাপারে সঠিক তথ্য না পাওয়ার কারণে আপনারা ফেসবুক থেকে টাকা আয় করতে পারছেন না।

ফেসবুকে কিভাবে টাকা আয় করা যায়

পেজ সূচিপত্রঃ ফেসবুকে কিভাবে টাকা আয় করা যায়

তবে আজকের এই পোস্টটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ুন তাহলে ফেসবুক থেকে ইনকামের সকল খুটিনাটি বিষয়গুলো জানতে পারবেন। চলুন তাহলে জেনে নেই ফেসবুক থেকে টাকা আয় করার উপায়গুলো। 

ফেসবুক থেকে টাকা আয় নিয়ে কিছু কথা 

বর্তমান বিশ্বের সর্ববৃহৎ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যেম হচ্ছে ফেসবুক। কয়েক দশক আগেও ফেসবুকের কোন অস্তিত্ব ছিল না। তবে বিশ্বের বহুল জনপ্রিয় সামাজিক সাইট হচ্ছে ফেসবুক। কয়েক বছর আগেও ফেসবুক শুধু যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হত। কিন্তু বর্তমানে ফেসবুক থেকে মাসের হাজার থেকে মাসে লাখ টাকা আয় করা সম্ভব হচ্ছে। ফেসবুকে কিভাবে টাকা আয় করা যায় এই বিষয়ে জানতে এই পোস্টটি সম্পূর্ণ পড়ুন।

আরো পড়ুনঃ ব্লগ সাইট খোলার নিয়ম

ফেসবুক থেকে টাকা আয় করার উপায়গুলো কি কি 

ইউটিউব থেকে বিভিন্ন উপায়ে টাকা আয় করা এটা আমরা প্রায় প্রত্যকেই জানি। কিন্তু ফেসবুক থেকে কি টাকা আয় করা সম্ভব? এই ব্যাপারে আমরা এখনো অনেকেই জানি না। জি! প্রিয় পাঠক বর্তমানে ফেসবুক থেকেও মাসে লাখ টাকা আয় করা সম্ভব। ফেসবুক থেকে আয় করার অনেক উপায় রয়েছে। নিচে ফেসবুক থেকে আয়ের উপায়গুলো উল্লেখ করা হলোঃ-

১। ফেসবুক পেজ থেকে টাকা আয়

২। ফেসবুক প্রফাইল থেকে টাকা আয় 

৩। ফেসবুক মার্কেটপ্লেস থেকে টাকা আয়

৪। ফেসবুক গ্রুপ থেকে টাকা আয়

৫। অ্যাফেলিয়েট মার্কেটিং করে টাকা আয়

৬। ফেসবুকে ভিডিও আপলোড করে আয়

৭। ফ্রিল্যান্সিং করে টাকা আয়

৮। ফেসবুক একাউন্ট বিক্রি করে টাকা আয়

৯। নিজের প্রডাক্ট বিক্রি করে আয়

ফেসবুক পেজ থেকে টাকা আয়

ফেসবুক থেকে টাকা আয় অন্যতম উপায় হচ্ছে ফেসবুক পেজ। কেননা বর্তমানে শুধু মাত্র একটি ফেসবুক পেজ থেকে লাখ টাকা আয় করা সম্ভব হচ্ছে। ফেসবুক পেজ থেকে বিভিন্ন উপায়ে টাকা আয় করা যেতে পারে। যেমনঃ নিজের প্রডাক্ট বিক্রি করে, ফেসবুক পেজ মনিটাইজশেন করে, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে, অন্যর পন্য বিক্রি করে সহ আরও অনেক উপায় আছে।

 যা শুধুমাত্র ফেসবুক পেজ থেকে আয় করা যায়। ফেসবুক থেকে টাকা আয় করার জন্য আপনাকে ফেসবুক পেইজ খুলে নিতে হবে এরপর থেকে নিয়মিত কাজ করলে টাকা আয় করতে পারবেন। 

ফেসবুক প্রফাইল থেকে টাকা আয় 

আপনার নিশ্চয়ই একটি ফেসবুক একাউন্ট আছে। আর আপনার যদি একটি ফেসবুক প্রফাইল থাকে তাহলে আপনার ফেসবুক প্রফাইল থেকে আয় করার চিন্তা করতে পারেন। কেননা কিছুদিন আগে ফেসবুক কতৃপক্ষ ফেসবুক প্রফাইল থেকে আয় করা যাবে ঘোষণা দিয়েছে। 

ফেসবুকে প্রফাইল থেকে আয় করতে চাইলে আপনার ফেসবুকের প্রফাইলের প্রফেশনাল মুডটি চালু করতে হবে এবং প্রফাইলে ফেসবুক রিলস ভিডিও অর্থাৎ শর্টস ভিডিও আপ্লোড করতে হবে। আপনার ফেসবুকের প্রফাইলে যখন লাস্ট ২ মাসের মধ্য পাঁচ হাজার ফলোয়ার হয়ে যাবে তখন থেকে আপনার ফেবুক প্রফাইল থেকে আয় করতে পারবেন।

আরো পড়ুনঃ ওয়েবসাইট তৈরি করতে কি কি লাগে

Read more

স্লো মোশন ভিডিও অ্যাপস

স্লো মোশন ভিডিও অ্যাপস – বর্তমানে ভিডিও বানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্লাটফর্মে আপলোড করা অনেক জনপ্রিয় হয়ে গেছে। টিকটক অ্যাপ আসার পর থেকে ভিডিও বানিয়ে আপলোড করা অনেক বেড়ে গেছে।

স্লো মোশন ভিডিও অ্যাপস

আপনি হয়তো এখন দেখেছেন টিকটক বা বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় প্লাটফর্মে স্লো মোশন ভিডিও পাওয়া যায়। স্লো মোশন ভিডিও এখন টিকটকে অনেক দেখা যায়। 

আপনি চাইলে স্লো মোশন ভিডিও তৈরি করতে পারেন আপনি হাতে থাকা স্মার্টফোন দিয়ে। আপনি যেকোনো ভিডিও স্লো মোশন ভিডিও বানাতে পারেন। 

স্লো মোশন ভিডিও তৈরি করা জন্য আপনার প্রয়োজন হবে স্লো মোশন ভিডিও অ্যাপস। আজকে আমি এই স্লো মোশন ভিডিও অ্যাপস নিয়ে আলোচনা করব। 

আপনি আমার এই আর্টিকেল পড়ে সবচেয়ে ভালো স্লো মোশন ভিডিও অ্যাপস সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন। আমার এই আর্টিকেলে ৫টি স্লো মোশন ভিডিও অ্যাপস উল্লেখ করা হলোঃ

Slow Motion Video Maker

প্রথমেই যে স্লো মোশন ভিডিও অ্যাপস রয়েছে সেটা হচ্ছে Slow Motion Video Maker. এই অ্যাপসটির সাহায্যে আপনি স্লো মোশন ভিডিও তৈরি করতে পারেন। অনেক সুন্দর স্লো মোশন ভিডিও তৈরি করা জন্য এখনি এই অ্যাপসটি আপনার ফোনে ইন্সটল করুন। ইন্সটল করুন এখানে ক্লিক করে

এই অ্যাপসটির সাইজ হচ্ছে ২৬ MB. অ্যাপসটি গুগল প্লেস্টোরে ১০+ মিলিয়ন ইন্সটল করা হয়েছে। গুগল প্লেস্টোরে ৪.০ ইউজার রেটিং রয়েছে।

স্লো মোশন ভিডিও তৈরি করার জন্য অসাধারণ একটি অ্যাপস। ভিডিও স্লো মোশন করার সময় আপনি বিভিন্ন ইফেক্ট এবং মিউজিক সেট করতে পারবেন।

এই অ্যাপসের মাধ্যমে আপনি অনেক সুন্দর স্লো মোশন ভিডিও তৈরি করতে পারবেন। যা অরিজিনাল ভিডিওর চেয়ে ৪ গুণ স্লো হবে।

এই অ্যাপসের মাধ্যমে আপনি যদি ফানি ভিডিও তৈরি করেন তাহলে আপনি ভিডিওতে স্লো মোশন x২, x৩, x৪ দিতে পারবেন। 

আপনি যদি কপিরাইট ফ্রি ভিডিও তৈরি করা জন্য মিউজিক সেট করতে চান তাহলে আপনি অ্যাপসের মধ্যে মিউজিক পেয়ে যাবেন।

আপনি চাইলে স্লাইড এবং জুম ইন মাধ্যমে স্লো মোশন ভিডিও তৈরি করতে পারবেন। আপনি চাইলে এই অ্যাপসে ইচ্ছে মতো কাস্টমাইজ করে ভিডিও তৈরি করতে পারবেন।

আপনি এই অ্যাপস দিয়ে️ নতুন ভিডিও তৈরি করতে পারবেন এবং আপনি অ্যাপসের ভিতরে ভালো ভিডিও পাবেন। আপনি চাইলে আপনার তৈরি করা ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় প্লাটফর্মে ভিডিওগুলি শেয়ার করতে পারবেন।

আরো পড়ুনঃ মোবাইল রিপেয়ারিং করার পূর্বে যা করণীয়

Slow Motion Video Editor

দ্বিতীয় স্লো মোশন ভিডিও অ্যাপস হচ্ছে Slow Motion Video Editor. এই অ্যাপসের মাধ্যমে আপনি স্লো মোশন ভিডিও রেকর্ড, এডিটিং এবং মিউজিক সেট করতে পারবেন। স্লো মোশন ভিডিও রেকর্ড করা জন্য এখনি অ্যাপসটি ইন্সটল করুন। ইন্সটল করুন এখানে ক্লিক করে

এই অ্যাপসটি গুগল প্লেস্টোরে সাইজ হচ্ছে ৪৫ MB এই অ্যাপসটি গুগল প্লেস্টোর থেকে ৫+ মিলিয়ন ইন্সটল হয়েছে। গুগল প্লেস্টোরে ৪.০ রেটিং রয়েছে। 

তাহলে আপনি বুঝতেই পারছেন অ্যাপসটি কতটা জনপ্রিয় একটি স্লো মোশন ভিডিও এডিটিং অ্যাপস। আপনি এই অ্যাপস দিয়ে ভিডিও তৈরি করতে পারবেন। ভিডিও তৈরি করার সময় ফিল্টার এবং মিউজিক সেট করতে পারবেন। 

স্লো মোশন ভিডিও তৈরি জন্য এই অ্যাপস অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আপনি এটার মাধ্যমে ভিডিও এর গতি কাস্টমাইজ করে ইচ্ছে মতো দিতে পারবেন। 

আপনার ভিডিও এর কোয়ালিটি ভালো করার জন্য আপনি বিভিন্ন ইফেক্ট এবং ফিল্টার ব্যবহার করতে পারবেন। আপনি চাইলে মিউজিক সেট করতে পারবেন।

আপনি অ্যাপসের নিজস্ব মিউজিক অথবা আপনার তৈরি করা মিউজিক দিয়ে স্লো মোশন ভিডিও বানাতে পারেন। এই অ্যাপস দিয়ে আপনি কাটুনের মতো ভিডিও তৈরি করতে পারবেন। ইচ্ছে মতো কাস্টমাইজ করে ভিডিও তৈরি করতে পারবেন।

আপনার তৈরি করা স্লো মোশন ভিডিও আপনি যেকোনো সোশ্যাল মিডিয়ায় প্লাটফর্মে আপলোড করতে পারবেন কোন ধরনের কপিরাইট স্ট্রাইক আসবে না। 

Slow Motion Video Fast & Slow Motion

তৃতীয় স্লো মোশন ভিডিও অ্যাপস হচ্ছে Slow Motion Video Fast & Slow Motion. এই স্লো মোশন অ্যাপস দিয়ে সাধারণ ক্লিপ থেকে স্লো মোশন ভিডিও তৈরি করতে পারবেন। আপনি চাইলে দ্রুত গতি ভিডিও তৈরি করতে পারবেন। আপনি আপনার ভিডিও কাস্টমাইজ করতে পারেন এবং এটির গতি কাস্টমাইজ করতে পারেন। এই অ্যাপসটি ইন্সটল করুন এখানে ক্লিক করে। 

এই অ্যাপসটি সাইজ হচ্ছে ২৮ MB এই অ্যাপসটি ৩.৮ + রেটিং রয়েছে গুগল প্লেস্টোরে। এই স্লো মোশন ভিডিও এডিটিং অ্যাপসটি ১০+ মিলিয়ন ইন্সটল হয়েছে। 

আপনি এই অ্যাপসটির মাধ্যমে ভিডিও তৈরি করতে পারবেন এবং ভিডিওটি স্লো মোশন করতে পারবেন। এই অ্যাপসের মাধ্যমে আপনি ভিডিও এর ভিতরে কথা বা গান দ্রুত করে দিতে পারবেন। 

ধরুন আপনি উপরে থেকে নিচে পড়া কোন জিনিস ভিডিও করলেন। এখন সেই ভিডিও আপনি স্লো মোশন করতে পারবেন। আপনি হেঁটে যাচ্ছেন এমন ভিডিও আপনি ভালো স্লো মোশন ভিডিও তৈরি করতে পারবেন।

আপনি এই অ্যাপসের মাধ্যমে ভিডিও এর গতি কাস্টমাইজ করে নিজের ইচ্ছে মতো ভিডিও তৈরি করতে পারবেন। আপনি যদি আপনার ভিডিও খুব তাড়াতাড়ি করতে চান তাহলে আপনি 1/2x, 1/3x 1/5x এগুলো ব্যবহার করতে পারেন।

আপনার তৈরি করা স্লো মোশন ভিডিও আপনি ইচ্ছে মতো যেকোনো সোশ্যাল মিডিয়ায় প্লাটফর্মে আপলোড করতে পারবেন। কোন কপিরাইট স্টাইক আসবে না।

আরো পড়ুনঃ সেরা এন্ড্রয়েড এন্টিভাইরাস

Read more

মোবাইলে পানি ঢুকলে করণীয়

মোবাইলে পানি ঢুকলে করণীয় — মোবাইলে পানি ঢুকলে করণীয় — যদি আপনার মোবাইল ফোনটি পানিরোধী না হয়ে থাকে তাহলে ফোনটি পানিতে ভিজে গেলে আপনি ঝামেলায় পড়তে পারেন। বৃষ্টির পানিতে ভিজতে পারে আপনার মোবাইল ফোন। মোবাইল ফোন সাথে রেখে মনের ভুলে গোসল শুরু করতে পারেন। 

এছাড়াও মোবাইলের উপরে চা ও কফি দুর্ঘটনাবশত পড়তে পারে। যার ফলে মোবাইল ফোনটি বন্ধ হয়ে যেতে পারে। চিন্তার কোনো কারণ নেই। যদি এই রকম কোনো সমস্যা হয় তাহলে আমরা আপনাকে কিছু পরামর্শ দিবো যেগুলো মেনে চললে আপনার মোবাইল ফোনটি পুনরায় চালু করতে পারবেন। মোবাইলে পানি ঢুকলে করণীয় বিষয়গুলো নিম্নে দেওয়া হলো।

দ্রুত ফোন বন্ধ করে ফেলুন

মোবাইল ফোন পানির সংস্পর্শে আসলে দ্রুত ফোনটিকে বন্ধ করে নিন। এরপর দ্রুত ফোনটিকে কাগজ কিংবা নরম কোনো তোয়ালে দিয়ে মুছে নিন। তারপর দ্রুত সিম এবং ব্যাটারিকে খুলে ফেলুন। সাবধানতার সাথে এগুলোকে রোদে শুকােতে দিন। মনে রাখবেন সরাসরি রোদে শুকানো যাবেনা। মোবাইল ফোনে থাকা অন্যান্য ডিভাইসগুলোকে আলাদা করে রাখুন। যেমনঃ ফোনের কভার, হেডফোন ইত্যাদি। মোবাইল ফোনটিকে ভালোভাবে শুকিয়ে নিন। অবশ্যই আপনাকে দ্রুত এবং সতর্কতার সঙ্গে পানি মুছে নিতে হবে।

আরো পড়ুনঃ সকল বীমা কোম্পানির তালিকা

ব্যাটারি পরীক্ষা করুন

মোবাইল ফোন পানিতে ভিজে নষ্ট হয়ে গেলে সেই ফোনের ওয়ারেন্টি আর কাজে আসবে না। পানিতে মোবাইলের কোনো ক্ষতি হয়েছে কি-না তা পরীক্ষা করার জন্যে ব্যাটারি পরীক্ষা খুলে পরীক্ষা করে নিন। ব্যাটারিতে সাদা রংয়ের ক্ষুদ্র স্টিকার যুক্ত থাকে আর্দ্রতা পেলে সেই স্টিকার লাল কিংবা গোলাপি রঙ ধারণ করবে।

মুছে ফেলুন ফোনে লেগে থাকা পানি

মোবাইলের বাইরে লেগে থাকা পানি মুছতে আপনি ইউজ করুন নরম শুকনা কাপড় বা পেপার টাওয়েল। এছাড়াও আপনি ভ্যাকুয়াম ক্লিনারের সাহায্যে শুকাতে পারেন ফোন। তবে হ্যাঁ ভ্যাকুয়াম ক্লিনার ব্যবহার করে ফোনটিকে শুকানোর পূর্বে সতর্ক থাকুন। এই যন্ত্র ভেজা ফোনের খুব বেশি কাছে ধরবেন না। মোবাইল ফোন শুকানোর জন্য হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার না করাই উত্তম। মোবাইল ফোনের পানি মুছতে ব্যবহার করুন নরম শুকনা কাপড় বা পেপার টাওয়েল।

আরো পড়ুনঃ নতুন মোবাইল কেনার পর করণীয়

চালের মধ্যে ফোনটি রাখুন

আপনার ভেজা মোবাইল ফোনটিকে একটি শুকনো প্লাস্টিকের ব্যাগ কিংবা বাতাস চলাচল করেনা এমন কন্টেইনারের মাঝে রেখে দিন। এছাড়াও ব্যাগভর্তি কিংবা পাত্র ভর্তি চালের মাঝে রাখতে পারেন। এ সময়ে ফোন ওপেন করবেন না কিংবা ব্যাটারিও লাগাবেন না। কেননা ভেজা কোনো জিনিসের পানি শুষে নেয়ার ক্ষমতা রাখে হচ্ছে চাল। মোবাইল রিস্টার্ট দেয়ার পূর্বে ২৪ ঘণ্টা এইভাবে রাখতে পারেন।

আবার মোবাইল চালু করার পূর্বে ফোনের পোর্টগুলোতে পানি জমে রয়েছে কি-না সেটা পরীক্ষা করে নিন। এছাড়াও মোবাইলের কোথাও ভেজা থাকলে সেটা ভালোভাবে মুছে নিন ও শুকিয়ে নিন। আপনার মোবাইলটি যদি চালু না হয় তাহলে ব্যাটারি খুলে রেখে দিন ও সার্ভিস সেন্টারে মোবাইলটিকে নিয়ে যান।

ফ্যানের বাতাসে মোবাইল শুকাবেন না

মোবাইল ফোন পানিতে ভিজে গেলে ব্যাটারি খুলে ফোনটিকে সরাসরি খোলা ঘরের মাঝে ফ্যানের বাতাসে কখনও শুকাবেন না। এতে হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার না করাই উত্তম। মোবাইল ফোনে কোনো গরম বাতাস ব্যবহার করবেন না। আপনার মোবাইলটিকে শুকানোর জন্যে এয়ার কন্ডিশন ভেন্টের সম্মুখে কিছুক্ষণ ধরে রাখতে পারেন।

আরো পড়ুনঃ এসি ছাড়া ঘর ঠান্ডা রাখার উপায়

Read more

মোবাইল ব্যবহারের সতর্কতা

মোবাইল ব্যবহারের সতর্কতা — মোবাইল ফোন বর্তমান সময়ে অতিব প্রয়োজনীয় একটি ডিভাইস। মোবাইল ফোন ছাড়া যেন বর্তমান সময়ে একটি মুহূর্তও আমাদের চলে না। মোবাইল ফোন দিয়ে আমরা গেমিং করা, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম চালানো, সময় দেখা, কথা বলা, রেডিও শোনা, অডিও এবং ভিডিও গান শোনা, ফটো তোলা, ভিডিও রেকর্ডিং করা, মুভি-সিনেমা দেখা, ইন্টারনেট ব্রাউজ করা থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের কাজগুলো প্রতিনিয়ত করে থাকি।

সহজ ভাষায় দিনের সারাটা দিন প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে আমাদের সবাইকে মোবাইল ফোন সাথে নিয়েই থাকার প্রয়োজন হয়। প্রত্যেকটি জিনিস আমাদের সকলের সতর্কতার সাথে ব্যবহার করা উচিত। যেমন একটি জিনিসের যেমন হাজার হাজার ধরনের উপকার আছে ঠিক তেমনি ভাবে একই জিনিষের অসতর্কতার সাথে ব্যবহার করার কারণে রয়েছে বিভিন্ন অপকারিতা। ঠিক মোবাইল ফোনও কিন্ত এটার বিপরীত না। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক মোবাইল ফোন ব্যবহারের সর্তকতা সর্ম্পকে বিস্তারিতঃ

একটানা ২০ মিনিটের বেশি মোবাইলের ডিসপ্লেতে তাকিয়ে থাকবেন না

আমরা যারা মোবাইল ফোন ব্যবহার করি তখন আমরা বেশিরভাগ সময় মোবাইল ফোনের ডিসপ্লের খুবই কাছ থেকে দেখে থাকি। যার কারণে আমাদের চোখের উপরে এক প্রকার ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে। পাশাপাশি বেশিসময় ধরে মোবাইল ব্যবহার করার কারণে চোখে সেই একই সমস্যা হতে পারে। বিশেজ্ঞদের মতে, মোবাইল ব্যবহার সময় মিনিমাম ১৬ ইঞ্চি দূরে থেকে মোবাইল ফোন ব্যবহার করার চেষ্টা করুন এবং প্রতি (২০) বিশ মিনিট পর পর মোবাইলের ডিসপ্লেতে একটানা তাকিয়ে থাকা হতে বিরতি দিন।

অপ্রয়োজনে মোবাইল ব্যবহার করবেন না

আমাদের মাঝে অনেকেই আছি যারা প্রয়োজন ছাড়াও মোবাইল ফোন ইউজ করেন। প্রয়োজন ছাড়া মোবাইল ফোন ব্যবহার করাকে এক ধরনের বদ অভ্যাসও বলা চলে। যতটা সম্ভব মোবাইল ফোনকে অপ্রয়োজনে ব্যবহার না করার চেষ্টা করুন। তাই যতদূর সম্ভব মোবাইল ফোনটিকে আপনার হাতের নাগাল হতে দূরে রাখার চেষ্টা করুন।

রাত্রি বেলা মোবাইল ব্যবহার করবেন না

রাত্রি বেলাতে মোবাইল ফোন ব্যবহার করা থেকে নিজেকে বিরত রাখুন। দেখা যায়, আমাদের অনেকেই আছেন যারা রাত্রি বেলায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো চালানো জন্য ব্যস্ত হয় থাকে। যার কারণে আমাদের সঠিক ভাবে ঘুমানোর সময়গুলো বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো ব্যবহার করেই ঘুমানোর সময় পার হয়ে যাচ্ছে। আর এই কাজ করার কারণে আমাদের পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব পূরণ হতে দিচ্ছে না। আর এই কাজটি করার কারণে আমাদের শারীরিক সমস্যা নানান ধরনের সমস্যা এবং স্বাস্থ্য ঝুঁকি দেখা দিচ্ছে বা দেখতে পাওয়া যায়।

মোবাইল চার্জ করার সময় বন্ধ রাখুন

আপনার মোবাইল ফোন যখন চার্জে লাগাবেন তখন মোবাইল ফোনটি যথা সম্ভব বন্ধ করতে পারেন। ফোন বন্ধ রাখা বন্ধ অবস্থায় চার্জ করলে মোবাইল ফোনটি ভালো থাকবে। এছাড়াও মোবাইলের ব্যাটারি যখন লো হয়ে যায়, তখন উক্ত মোবাইল ফোন দিয়ে কথাবার্তা বলা থেকে বিরত থাকার চেষ্টা করুন। জেনে রাখা ভালো, ভূল করেও কখনো মোবাইল চার্জে লাগিয়ে মোবাইলে কথা বলা অথবা অন্যান্য কাজ খুবই বেশি জরুরি ছাড়া করবেন না।

Read more

নতুন মোবাইল কেনার পর করণীয়

নতুন মোবাইল কেনার পর করণীয় — নতুন মোবাইল কেনার পরবর্তী মূহুর্তটা সবার কাছেই অনেক আনন্দের। আপনি হয়তোবা প্রথমবারের মতো মোবাইল ক্রয় করলেন, তাই হয়তো আপনি ঠিক জানেন না যে, এখন মোবাইল ফোনে কি কি করতে হবে। অথবা পূর্বে মোবাইল ব্যবহার করলেও পূর্বের মোবাইলের মতো করে কিভাবে আপনার নতুন মোবাইল ফোনটিকে সাজাবেন তা বুঝে পারছেন না। এছাড়াও আপনি নতুন মোবাইল ফোন কেনার পরে আরও বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন। তাই আপনাদের জন্যে আজকের এই আর্টিকেলে নতুন মোবাইল কেনার পর করণীয় সম্পর্কে আলোচনা করা হলো।

আমরা অনেকেই নতুন মোবাইল কেনার পর কি করতে হবে তা বুঝে উঠতে পারিনা। এর জন্য অন্যের নিকট মোবাইল নিয়ে যাই। স্মার্টফোন কেনার পরে খুব জরুরি একটা বিষয় যা আমরা অনেকেই জানিনা সেটা হল আপনার স্মার্টফোনটি যেই কোম্পানির বা ব্রান্ডের কিনেছেন সেই কোম্পানির একাউন্টে আপনার একটি নিজস্ব একাউন্ট খুলতে পারেন। উদাহরণ হিসেবে বলা যায় যেমনঃ প্রতিটি শাওমি সেটে রয়েছে তাদের কোম্পানির সাথে আন্ত ইন্টারনেট কানেকশন।

যদি আপনি শাওমি সেট কিনেন এক্ষেত্রে আপনি আপনার মোবাইলে নিজস্ব একাউন্ট খুলতে পারবেন। আর এই অ্যাকাউন্টটি শাওমি কোম্পানির কম্পিউটার অপারেটরের হেড অফিস আপনার ডিভাইসটি সেভ থাকবে। এক্ষেত্রে অ্যাকাউন্ট খুললে আপনি দুটি সুবিধা পেতে পারেন। প্রথমত হল যদি কোন কারনে আপনার ডিভাইস হারিয়ে যায় বা চুরি হয়ে যায় খুব সহজেই আপনি আপনার সেটটি কোথায় আছে তার লোকেশন জানতে পারবেন। দ্বিতীয়টি হল অনেক সময় আপনার এই একাউন্ট করার কারণে কোম্পানি আপনাকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে ফ্রি স্পেস দিতে পারে। এটি সম্পূর্ণ কোম্পানির ব্যক্তিগত বিষয়। 

নতুন মোবাইলের বক্সটি ভালোভাবে দেখে নিন

আপনার পছন্দের মোবাইল ফোনটি যদি অনলাইনে অর্ডার করে কিনে থাকেন তাহলে সেক্ষেত্রে ডেলিভারি পাওয়ার পরে অবশ্যই মোবাইলের বক্সটির ভেতরের অংশগুলোকে ভালোভাবে যাচাই বাছাই করুন। ভালোভাবে দেখে নিন ফোনটির ডেলিভারির সময়ে বক্সটির কোনো ধরনের ক্ষতি হয়েছে কি-না এসকল বিষয় খুঁটিয়ে দেখুন। ই-কমার্স ওয়েবসাইটগুলোতে এই ধরনের কোনো ত্রুটি হয়ে থাকলে তবে উক্ত প্রোডাক্ট ফেরত দেয়ার সুবিধে রয়েছে। তাই নতুন মোবাইল ব্যবহারের শুরুর আগেই এই সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে নেওয়া ভালো। 

আর যদি আপনি অনলাইন থেকে মোবাইল ফোন না কিনেন, তাহলে মোবাইল ফোনের বক্সটিতে অন্যান্য সকল প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র যেমনঃ ইয়ারফোন, চার্জার ইত্যাদি এসকল রয়েছে কি-না সেগুলো চেক করে নিবেন। এবং মোবাইল ফোনের ওয়ারেন্টি কার্ড ও অন্যান্য সকল কাগজপত্র ঠিকঠাক রয়েছে কি-না সেটা ভালোভাবে যাচাই করে নিন। 

এছাড়াও মোবাইল ফোনটি অফিশিয়াল শো-রুম থেকে না কেনা হলে অনেক সময় দেখা যায় দোকানদাররা চার্জার, ইয়ারফোন এই সকল জিনিস পত্র আলাদাভাবে বিক্রি করার জন্যে রেখে দেয়। এজন্য এই সকল জিনিসপত্র আসে কিনা তা সম্পর্কে অবশ্যই নিশ্চিত হয়ে নেওয়া প্রয়োজন।

আরও পড়ুনঃ অন্যের ইমু নাম্বার জানার উপায় | অন্যের ইমু নাম্বার দেখার উপায়

নতুন ফোনে গুগল একাউন্ট লগিন করুন

এন্ড্রয়েড স্মার্টফোন ব্যবহার করার ক্ষেত্রে মোবাইল ফোনটি চালু করলেই গুগল একাউন্ট লগ ইন করার অপশন চলে আসে। এই অপশনটিকে বাদ না দিয়ে গুগল একাউন্টে অর্থাৎ জিমেইল একাউন্টে আপনার ইমেইল অ্যাড্রেস ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করে নিন। কেননা এই অপশন স্কিপ করলেও আপনারা পরবর্তীতে ফোনের গুগল প্লে স্টোর ব্যবহার করে বিভিন্ন অ্যাপ ইন্সটল করার জন্য এবং অন্যান্য সকল কাজের জন্য গুগল একাউন্টে একসময় লগইন করতেই হবে। গুগল অ্যাকাউন্টে লগইন করলেই আপনারা গুগল ড্রাইভে এবং গুগল ফটোসে আগের স্মার্টফোন থেকে যা যা প্রয়োজনীয় ফাইল আপলোড করেছিলেন সে সকল ফাইলের এক্সেস পেয়ে যাবেন।

অপ্রয়োজনীয় ফাইল ডিলিট করুন

নতুন মোবাইল ক্রয় করার পর ফোনে কোম্পানী কর্তৃক পূর্বে থেকেই কিছু অ্যাপ কিংবা ফাইল দেয়া থাকে। ফোনে দেওয়া ডিফল্ট অ্যাপগুলোর মাঝে কিছু কিছু অ্যাপ বা ফাইল আপনার দরকার হতে পারে, তবে আমার জানা মতে বেশিরভাগ অ্যাপ বা ফাইল আপনার কোনো কাজে আসবেনা। যেমনঃ ফোনে গুগল ড্রাইভ/গুগল ফটোস এই অ্যাপগুলো ফোন আগে থেকেই দেওয়া থাকে। 

কেউ সাধারণত মোবাইল ফোনের কোম্পানির আলাদা অ্যাপ স্টোরেজ হিসাবে ব্যবহার করেনা। কেননা সেগুলো গুগল অ্যাপ গুলোর সমমানের না। যেহেতু এই সকল অ্যাপ গুলো ব্যবহার করার প্রয়োজন হয়না তাই আপনার ফোনের মেমোরি অযথা ব্যবহার করবে। তাই অপ্রয়োজনীয় এসকল অ্যাপ রিমুভ করুন।

Read more

অন্যের ইমু নাম্বার জানার উপায় | অন্যের ইমু নাম্বার দেখার উপায়

অন্যের ইমু নাম্বার জানার উপায় — প্রিয় পাঠক আশাকরি আপনারা সকলেই অনেক অনেক ভালো আছেন। আজকের এই আর্টিকেলে আমরা অন্যের …

Read more

মোবাইল ভাইরাস মুক্ত রাখার উপায়

মোবাইল ভাইরাস মুক্ত রাখার উপায় — কম্পিউটারের মতোই আপনার হাতে থাকা এন্ড্রয়েড স্মার্টফোনটিও কিন্ত ম্যালওয়্যারের শিকার হতে পারে। ম্যালওয়ার বা ভাইরাস আপনার সিস্টেমটিকে স্লো বা ধীরগতির করে দেয়। ভাইরাস বা ম্যালওয়্যার সিস্টেমে এমন গ্লিটস তৈরি করে যা এমনকি আপনার স্মার্টফোন বা কম্পিউটার ব্যবহার করাটাকে অনেক বেশি কঠিন করে তোলে। আপনার হাতে থাকা গুরুত্বপূর্ণ স্মার্টফোন এবং অনলাইনের জগতে নিজেকে রক্ষা করার জন্য আপনাকে এই সিস্টেমটিকে দ্রুততার সাথে থামাতে হবে। 

মোবাইল ভাইরাস মুক্ত রাখার জন্য সর্বপ্রথম পদক্ষেপটি হচ্ছে এটি আপনার স্মার্টফোনের মধ্যে ভাইরাস সার্চ করা। আপনার হাতে থাকা প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ স্মার্টফোনটি বা মোবাইল ভাইরাস মুক্ত রাখার উপায় সম্বন্ধে পদক্ষেপগুলো এখানে শিখুন। এরপরে আমরা আপনাকে ম্যালওয়্যার ডিলিট সরঞ্জামগুলোতে কিছু বিকল্প পদ্ধতি দেখাবো যা ব্যবহার করে আপনি নিজের স্মার্টফোনটি আবার সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারবেন। তো চলুন আর দেরি না করে জেনে নেই মোবাইল ভাইরাস মুক্ত রাখার উপায় সম্পর্কেঃ

সুনির্দিষ্ট সমাধান না পাওয়া পর্যন্ত মোবাইল বন্ধ করুন

আপনি নিশ্চিত হয়ে নিন যে, আপনার মোবাইল ফোনটি ম্যালওয়্যার দ্বারা আক্রান্ত হয়েছে এরপর ফোনের পাওয়ার বাটনটি চেপে ধরে রাখুন এবং মোবাইল ফোনটি সম্পূর্ণ অফ করে নিন। যদি আপনি এই কাজটি করেন তাহলে ম্যালওয়্যারটিকে ক্ষতির কারন হতে বাধা দিতে পারেনা, তবে আপনার ফোনের সমস্যাটি আরো বেশি খারাপ হওয়া থেকে থামিয়ে দিতে পারে এবং নিকটস্থ নেটওয়ার্কগুলোতে অ্যাক্সেসের চলমান ম্যালওয়্যার প্রচেষ্টা অফ করতে পারে। ম্যালওয়্যার প্রচেষ্টা অফ করে দেওয়া আপনাকে চিন্তাভাবনা ও গবেষণার জন্যে সময় দেয়। 

আপনি যদি নির্দিষ্ট সংক্রমিত অ্যাপসটি সম্পর্কে জানেন যা আপনার মোবাইল ফোনের মধ্যে ম্যালওয়্যার নিয়ে চলে আসছে? আপনার সম্মতি ব্যাতীত এটি অন্যান্য কোনো ধরনের সফটওয়্যার ডাউনলোড করেছে সেটা আপনি জানেন? যদি সেটা না হয় তাহলে সমস্যাটি সঙ্কুচিত করার জন্যে অন্য কম্পিউটারে যান এবং আপনার লক্ষণগুলোকে দেখুন। যদি আপনি সমস্যার মূল খুঁজে না পান তাহলে আপনি এটিকে ডিলিট করতে পারবেন না।

আরও পড়ুনঃ অন্যের ইমু নাম্বার জানার উপায় | অন্যের ইমু নাম্বার দেখার উপায়

সেভ মুডে রাখুন

যখন আপনি আপনার নিজের মোবাইল ফোনটি চালু করেন এবং সমস্যাযুক্ত অ্যাপসটিকে আলাদা করতে শুরু করেন তবে প্রথমে সেভ মুডে সুইচ করুন। এই অপশনটি ম্যালওয়্যার দারা সংক্রামিত অ্যাপ্লিকেশনটিকে খুঁজে বের করতে পারে এবং ক্ষতির সীমাবদ্ধ করতে সাহায্য করবে। বেশিরভাগ এন্ড্রয়েড স্মার্টফোন ডিভাইসের জন্য আপনার ডিভাইস চালু থাকা অবস্থাতে আপনি কয়েক সেকেন্ডের জন্য পাওয়ার বাটনটি ধরে রেখে সেভ মুডে সুইচ করতে পারেন। তারপর আলতো করে চাপ দিয়ে পাওয়ার অফ বিকল্প বাটনটি ধরে রেখে। 

এটি সেভ মুডে রিবুট করার বিকল্প সহ কয়েকটি পাওয়ার বিকল্প আনতে হবে। এই মুডটি সিলেক্ট করুন এবং আপনি চালিয়ে যাওয়ার পূর্বে আপনার মোবাইলফোনটি রিবুট হওয়ার জন্যে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। আপনি যদি কোনো সেভ মুড না খুঁজে পান, তাহলে কোনো ডিভাইস থেকে আপনার ডিভাইস ডিলিট করে ফেলার জন্যে পরিবর্তে এয়ার প্লেন মোড চালু করুন। আপনি সাধারণত এই অপশনটি আপনার ফোনের নোটিফিকেশন অপশনে এই ইয়ারপ্লেন মুড অপশনটি সন্ধান করতে পারেন।

অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ আনইনস্টল করুন

মোবাইল ভাইরাস মুক্ত রাখার জন্য কেবলম আনইনস্টল করার পথটিকে বেছে নিন এবং আপনার এন্ড্রয়েড স্মার্টফোনটি থেকে প্রশ্নবোধক অ্যাপটিকে ডিলিট করে ফেলতে হবে। আপনার ফোনে অ্যাপের তালিকাটি পর্যালোচনা করা এবং অন্যান্য সন্দেহজনক ডাউনলোড করা ফাইলগুলোকে আনইনস্টল করাটাও ভালো ধারণা। যদি আপনি এই তালিকাতে পূর্বে কোনো অ্যাপ না দেখে থাকেন তাহলে আপনার ডিভাইসটিতে এটির কিছু অদ্ভুত জিনিস আছে বলে আপনি অবাক হয়ে যেতে পারেন।

ম্যালওয়ার সুরক্ষা অ্যাপ ডাউনলোড করুন 

একটি দুর্বল এন্ড্রয়েড স্মার্টফোন কিন্ত সুরক্ষার দাবি রাখে। আপনার মোবাইল ফোন সুরক্ষা, ভাইরাসগুলোর জন্য স্ক্যান করতে এবং জাঙ্ক ফাইলগুলো এবং কোনো সম্ভাব্য সংক্রামিত সফটওয়্যার থেকে মুক্তি পেতে আপনি ডাউনলোড করতে পারেন এমন বেশ কয়েকটি সুরক্ষা অ্যাপ্লিকেশন আছে। আপনি আপনার ফোনের ভবিষ্যতের যেকোনো সমস্যার যত্ন নিতে সাহায্য করার জন্যে একটি এন্টিভাইরাস অ্যাপ্লিকেশান ডাউনলোড করুন। এক্ষেত্রে অনেকের পছন্দ আছেঃ গুগল প্লে স্টোর থেকে 360 এন্টিভাইরাস, অ্যাভাস্ট অ্যান্টিভাইরাস বা এভিজি অ্যান্টিভাইরাসের মতো সফটওয়্যার ব্যবহার করে দেখুন।

Read more