জিমেইল আইডি কিভাবে খুলবো

জিমেইল আইডি কিভাবে খুলবো — গুগলের ই-মেইল বা ইলেকট্রনিক মেইলকে মূলত জিমেইল বলে। জিমেইল বা গুগল মেইল হচ্ছে গুগলের ইমেইল পরিষেবা। জিমেইল হচ্ছে গুগলের ইমেইল সার্ভিস। জিমেইল অ্যাকাউন্ট খোলার নিয়ম সম্পর্কে আজকের এই আর্টিকেলে আলোচনা করবো। গত ১ দশক ধরে যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে ইলেকট্রনিক মেইল অর্থাৎ ইমেইল ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। তথ্য যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম হিসেবে বিভিন্ন কোম্পানীসহ অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও বর্তমানে যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম হিসেবে ইমেইল ব্যবহার করছে। শুধুমাত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সীমাবদ্ধ না থেকে ব্যক্তি পর্যায়েও বর্তমানে অনেক জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ইমেইল বা ইলেক্ট্রনিক মেইল। দৈনন্দিন কাজে ব্যাক্তি জীবনে ই-মেইল ব্যবহার করা হচ্ছে ব্যাপক ভাবে।

কেন একটি ইমেইল প্রয়োজন

আপনি কি অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করার কথা ভাবছেন? একটি ফেসবুক একাউন্ট খুলতে চাচ্ছেন? জবের জন্যে অনলাইনে জীবন বৃত্তান্ত জমা দিতে চাচ্ছেন? এই সকল কাজ করতে আপনার একটি ইমেইল অর্থাৎ ইলেকট্রনিক মেইল আইডি প্রয়োজন হবে।

জিমেইল কি

বর্তমানে অনেকগুলো ফ্রি ইমেইল সার্ভিস প্রভাইডার আছে। যেমন- গুগল মেইল, ইয়াহু মেইল, জুহু মেইল, আউটলুক মেইল ইত্যাদি। গুগলের ইমেইল সার্ভিসকে মুলত জিমেইল বলা হয়। জিমেইলের ঠিকানা জানতে এখানে ক্লিক করুনঃ জিমেইল

জিমেইল দিয়ে কি করা যায়

গুগলের ইমেইল সেবা ব্যাবহার করে ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আদান প্রদান করা সহ সামাজিক যোগাযোগ রক্ষা করা যায়। বিভিন্ন টেক্স, ইমেজ, ভিডিও ও স্ক্যানিং ডুকুমের্ট যেমনল চাকুরির জন্যে জীবন বৃত্যান্ত জিমেইলের মাধ্যমে প্রেরণ করা যায়।

জিমেইল আইডি কিভাবে খুলবো

আমরা যারা এন্ড্রয়েড স্মার্টফোন ব্যবহার করি তাদের জন্যে একটা জিমেইল আইডি থাকা বাধ্যতামূলক। তা নাহলে এন্ড্রয়েড স্মার্টফোনের অনেক সেবাই গ্রহণ করা যায়না। যেমন- জিমেইল আইডি ব্যতীত গুগল প্লে স্টোর থেকে কোনো অ্যাপ ইন্সটল করা যায়না।

এছাড়াও যদি একটি ইমেইল একাউন্ট থাকে তাহলে ব্যাক্তিগত সকল ডকুমেন্ট স্ক্যানিং করে মেইলে রাখা যায়। প্রয়োজনে যেকোনো জায়গায় যেকোনো সময় ব্যাবহার করা যায়।

এখন আমরা জিমেইল আইডি কিভাবে খুলতে হয় সেটা দেখবো। চলুন তাহলে জেনে নেই জিমেইল আইডি খোলার নিয়ম –

সর্বপ্রথম আপনার কম্পিউটার অথবা মোবাইল ফোনের ব্রাউজার থেকে এই লিঙ্কে প্রবেশ করুন। নিচের মতো দেখতে পারবেন।

তারপর দাগ দেয়া বাটনে ক্লিক করুন। নিচের মতো চলে আসবে।

এখানে নামের ঘরে আপনার নামটি লিখুন, পদবির ঘরে আপনার পদবি টাইপ করুন তারপর ইউজার নাম দিন। প্রদত্ত ইউজার নামটি হবে আপনার জিমেইল আইডি।

পাসওয়ার্ডের ঘরে কমপক্ষে ৮টি সংখ্যার পাসওয়ার্ড টাইপ করুন। নিশ্চিত করুন পাসওয়ার্ডটি পুুনরায় দিয়ে পরবর্তী বাটনে ক্লিক করুন। আপনি নিচের মতো করে একটি চিত্র দেখতে পারবেন।

এরপর এখানে আপনার মোবাইল নাম্বার দিয়ে নেক্সট বাটনে ক্লিক করুন। যে নাম্বারটি দিবেন সেই নাম্বারে ৬ ডিজিটের কোড চলে যাবে এবং নিচের মতো একটি পেজ আসবে।

গুগল থেকে যে কোডটি মেসেজ পাঠিয়েছে সেটি এখানে দিয়ে যাচাই বাটনে ক্লিক করুন। যাচাই হয়ে গেলে নিচের মতো একটি পেজ চলে আসবে।

এখানে একাউন্ট ফিরিয়ে আনার জন্য ইমেইল ঠিকানার ঘরে আগে থেকে আপনার কোনো মেইল আইডি থাকলে সেটাকে দিতে পারেন। এটি না দিলেও কোনো সমস্যা নেই।

জম্ম তারিখ এবং লিঙ্গ সেট করে পরবর্তী বাটন প্রেস করুন। নিচের মত পেজ আসবে।

এখনে হ্যাঁ, আমি রাজি বাটন প্রেস করুন। নিচের মত আসবে।

আমি সম্মত বাটনটি ক্লিক করুন। বাস আপনার কাজ শেষ। নিচের মত আপনার মেইল কন্ট্রোল প্যানেল পেয়ে যাবেন।

Read more

মোবাইল রিপেয়ারিং করার পূর্বে যা করণীয়

মোবাইল রিপেয়ারিং করতে দেওয়ার আগে করণীয় — আমাদের মোবাইল ফোন রিপেয়ারিং করার জন্য আমরা মূলত দুইটি জায়গা থেকে মোবাইল ফোন রিপেয়ার করে থাকি। মোবাইল ফোন রিয়েপারিং করার জন্য হয়তোবা আমরা কোনো কাস্টমার কেয়ার কিংবা কোনো মোবাইল মেকানিকের কাছে নিয়ে যাই। 

কিন্তু ফোন রিপেয়ার করার পূর্বে আমাদের যে কিছু করণীয় আছে সে বিষয় নিয়ে আমরা অনেকেই আছি যে অবগত না! আজকের এই আর্টিকেলে আমরা মোবাইল রিপেয়ারিং করার পূর্বে যা করণীয় সেই বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো।

Mobile Repairing করতে দেয়ার পূর্বে আমাদের যেসকল বিষয়ে লক্ষ্য রাখা উচিত সেসকল বিষয় সমূহ নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো। প্রত্যেক ব্যক্তির প্রাইভেসির জন্যে এই বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ তাই মনোযোগ সহকারে এই মোবাইল রিপেয়ারিং করার পূর্বে যা করণীয় পোস্টটি ভালো করে শেষ পর্যন্ত পড়ে নিন।

কাস্টমার কেয়ার vs মেকানিক

আপনার মোবাইল ফোনটি যদি ওয়্যারেন্টির ডেটে থাকে তবে ফোনের যেকোনো কিছু নষ্ট হোক না কেন সর্বপ্রথম মোবাইল ফোনটি কাস্টমার কেয়ারে ঠিক করার জন্য নিয়ে যাবেন। যদি আপনার ফোনের ওয়্যারেন্টি ডেট না থাকে তবে ভালো কোনো মেকানিকের কাছে যাবেন। কেননা, আপনার মোবাইল ফোনের কি? 

কি কারনে ফোনের সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে কিভাবে আপনার ফোনটি রিপেয়ারিং করতে হবে তা কাস্টোমার কেয়ার এর দক্ষ কর্মীগণ ভালোভাবে জানে আপনার কাজটি সহজ ভাবে করে দিতে পারবে। কিন্তু যদি এই পদ্ধতি না থাকে তবে আপনাকে ভালো কোনো দোকানে অর্থাৎ ভালো মোবাইল সার্ভিসিং মেকানিক এর কাছে দিয়ে কাজ করে নিতে হবে।

সিম কার্ড এবং মেমরি কার্ড খুলে নিন

আপনার ফোনের মেমরি হচ্ছে একটি পার্সোনাল জিনিস তাই যখন মোবাইল ফোনটি রিপেয়ারিং করতে দিলে কয় এক দিন সময় দেরি করার প্রয়োজন হয় তবে মেমরি কার্ড খুলে রেখে দিবেন। মেমরি কার্ড হারিয়ে যাওয়া ব্যতীত হয়তোবা আপনার মেমরি কার্ডে থাকা আপনার বিভিন্ন ডকুমেন্ট এবং ছবি বা অন্যান্য প্রয়োজনীয় কিছু চুরি হতে পারে তাই নিজের সুরক্ষারর জন্য মেমরি কার্ড খুলে নেয়াটা উত্তম। সেই সঙ্গে আপনার সিম কার্ডটি মেরামতের দোকানে রেখে আসবেন না বর্তমান সময়ে নিজের সিম কার্ড অন্যজনের কাছে দেয়া মানে খাল কেটে কুমির ডেকে আনা।

ফোন মেমরি ব্যাকআপ এবং ফরম্যাট

আপনার মোবাইল ফোনটি যদি রিপেয়ারিং করতে কয়েক দিন সময় নেয় অর্থাৎ ফোনটি রেখে আসার প্রয়োজন হয় তবে অবশ্যই আপনি ফোন মেমরি ব্যাকআপ রেখে দিবেন।আর যদি আপনার মোবাইল ফোনে সফটওয়্যার দেয়ার প্রয়োজন হয় তবে সেক্ষেত্রে আপনার মোবাইলের কোনো ডাটা আর থাকবে না সবগুলো মুছে যাবে। 

ফোন মেমরিতে ডিফল্ট লোকেশন দেয়া থাকে তাই ক্যামেরা দিয়ে তোলা ছবি, ডাউনলোড দেয়ায় ফাইল অনেকে ফোন মেমরিতেই থেকে যায় তাই আপনার ছবি গুলো অবশ্যই মেমরিতে রেখে দিবেন। আর ফোনটি রিপেয়ারিং দেয়ার সময়ে ফোন মেমরি ফরম্যাট দিবেন যদি আপনার নিজের সুরক্ষা চান, কেননা হতে পারে আপনার ফটো বা অন্যান্য কোনো ডকুমেন্ট হাতিয়ে নিয়ে আপনাকে হয়রানির করতে পারে তাই এই বিষয়ে সাবধান থাকুন।

ফেসবুক লগ আউট করে রাখুন

বর্তমান সময়ে এমন অনেক মানুষ কম আছে যারা স্মার্টফোন ব্যবহার করে কিন্তু ফেসবুক অথবা অন্যান্য কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করেনা। প্রতিনিয়ত আমরা ফেসবুকে বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে মেসেজ, ছবি শেয়ারিং, প্রেমিক-প্রেমিকাদের আলাপ আলোচনা কতো কিছুই না হয়। এখন আপনি একটু চিন্তা করুন তোহ এই অবস্থায় যদি কোনো অসৎ ব্যক্তির হাতে ফোনটি পড়ে যায়?

তবে আপনি ক্ষতির মুখে স্বাভাবিক ভাবেই পড়ে যাবেন এমন অনেক দেখেছি যে, মোবাইল ফোন রিপেয়ারিং করতে দিয়েছেন আর মেকানিকরা তাদের পার্সোনাল সব জিনিস হাতিয়ে নিয়েছে। একটি ফেসবুক একাউন্ট অন্য ব্যক্তির হাতে যাওয়া মানেই বর্তমানে সময়ে নিজের বিপদ নিজেই ডেকে আনা তাই এই বিষয়ে সাবধান থাকুন।

নিজে দাঁড়িয়ে থেকে মোবাইল রিপেয়ার করুন

মোবাইল রিপেয়ার করার সময়ে অনেক মেকানিক আছে যারা ফোনের ভালো পার্টসগুলোকে খুলে খারাপ পার্টস গুলোকে লাগিয়ে দেয়। তাই যখন আপনি মোবাইল ফোন রিপেয়ার করতে দিবেন তখন আপনি স্বয়ং নিজে দাঁড়িয়ে থেকে মোবাইল ফোনটি মেকানিকের থেকে রিপেয়ার করে নিবেন। 

অনেক সময়ে দেখা যায় যে, মোবাইল ফোনের পার্টস পাওয়া যায় নাহ বা মেকানিক আরও কাজ থাকে বলে মেকানিক একটা সময় বলে যে ১-২ দিন পর মোবাইলটি নিতে আসবেন। যদি আপনি এরকম পরিস্থিতিতে পড়েন তবে অবশ্যই উপরোক্ত কথাগুলো অনুসরণ করে চলা উচিত।

শেষ কথা

এখন হয়তোবা অনেকেই চিন্তা করছেন যে একটা মোবাইল ফোন ঠিক করার জন্য এতো কিছু অনুসরণ করবাে? এতো কিছুর মানে টা কি? আপনার যদি ধারণা এমন হয়ে থাকে তবে তা সম্পূর্ণ আপনার একান্ত ব্যাপার। হ্যাঁ মনে রাখবেন আপনার এন্ড্রয়েড স্মার্টফোন কিংবা অন্য মোবাইল ফোন হোক না খুবি গুরুত্বপূর্ণ জিনিস যদি কোনো অসাধু ব্যক্তির হাতে পারে তবে আপনার অনেক ভাবেই ক্ষতি হওয়ার আশংকা থাকে। 

একটি মেয়ে বা মহিলার মোবাইল ফোন রিপেয়ার করতে দেয়ার পূর্বে এ বিষয়ে খুবই গুরুত্ব দেয়া উচিত। কেননা চাইলে মেয়ের পার্সোনাল ছবিগুলো মেকানিক হাতিয়ে নিয়ে তাকে বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করতে পারে! মেকানিক যে হয়রানি করবে ঠিক তাও নাহ। কিন্তু মনে রাখবেন সাবধানতার মার নেই তাই সব সময় সাবধানতা অবলম্বন করে কাজ করবেন।

ফেসবুক একাউন্ট, গুগল একাউন্ট সহ আরও অনেক ডকুমেনট আমাদের মোবাইল ফোনে রয়েছে যে গুলো আমাদেরকে অনেক প্রাইভেসিতে রাখা প্রয়োজন সেগুলো যদি কোনো ভাবে অসৎ ব্যক্তির হাতে পড়ে যায় তবে মারাত্মক কাহিনীর সৃষ্টি হতে পারে। 

যারা আমরা প্রযুক্তি প্রেমী এবং এই রিলেটেড বিভিন্ন মুভিগুলো দেখে থাকি তারা মোবাইল ফোন থেকে বিভিন্ন ডাটা চুরি করা অথবা ছবি নিয়ে বিভিন্ন হয়রানি মূলক ঘটনা দেখে থাকবেন। এই ব্যাপারটি শুধুমাত্র মুভির মাঝেই সীমাবন্ধ নহে আমাদের বাস্তব সমাজে এমন ধরনের ঘটনা ঘটে থাকে। এজন্য আপনি সাবধান থাকবেন আর যদি সাবধান না থাকেন তবে আপনার মান ইজ্জত সব শেষ😀।

আমি মনে করি, মোবাইল রিপেয়ারিং করতে দেওয়ার আগে করণীয় বা আমাদের যেসকল বিষয়গুলো করা উচিত সেই গুলো সঠিক সুন্দরভাবে বুঝতে ও জানতে পারছেন। এছাড়াও আপনার কোনো জিনিসটা মোবাইল ফোনে থাকলে সেটা ক্ষতি হওয়ার আশংকা থাকে সেই বিষয় নিয়ে বিবেচনা করবেন।

Read more

২০২১ সালের সেরা এন্ড্রয়েড এন্টিভাইরাস

সেরা এন্ড্রয়েড এন্টিভাইরাস — গুগল প্লে স্টোর এর রিপোর্ট অনুযায়ী প্রতিদিন যে হারে এন্ড্রয়েড স্মার্টফোনে ভাইরাসের আক্রমণ বাড়ছে, তা বিবেচনা করেই আমরা আজকের এই আর্টিকেলে কিছু সেরা এন্ড্রয়েড এন্টিভাইরাস অ্যাপ তালিকাভুক্ত করেছি যা আপনার স্মার্টফোনকে রাখবে নিরাপদ ও সুরক্ষিত। 

আমরা ২০২১ সালের জন্য সেরা এন্টিভাইরাস অ্যাপগুলোর লিস্ট হালনাগাদ করেছি এবং অকেজো সব অ্যাপগুলোকে বাদ দিয়েছি। যদি আপনি আপনার স্মার্টফোনকে চুরি অথবা ভাইরাসের হাত থেকে রক্ষা করতে চান, তবে দেখে নিন ২০২১ সালের জন্য বাছাই করা সেরা এন্ড্রয়েড এন্টিভাইরাস অ্যাপ যেগুলো আপনার মোবাইল ফোনকে রাখবে নিরাপদ ও সুরক্ষিত। চলুন জেনে নেই সেরা ১০ টি এন্টিভাইরাসের নাম।

CM Security | সেরা এন্ড্রয়েড এন্টিভাইরাস

CM security (Clean Master) হচ্ছে একটি পুরস্কার প্রাপ্ত সেরা এন্ড্রয়েড সিকিউরিটি অ্যাপ যা আপনাকে ম্যালওয়্যার থেকে প্রদান করবে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা বা সুরক্ষা। এই এন্ড্রয়েড সিকিউরিটি অ্যাপটি ডেভেলপ করছে গবেষণাকারী প্রতিষ্ঠান Cheetah Mobile। এই Clean Master অ্যাপটি খুবি দ্রুততার সাথে এবং আস্থার সঙ্গে কাজ করে। আমি আমার স্মার্টফোনের সুরক্ষার জন্য আমি নিজেই এই এন্ড্রয়েড সিকিউরিটি অ্যাপটি ব্যবহার করেছি।

360 Security | এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার

360 সিকিউরিটি (পূর্বে এই অ্যাপটির নাম ছিলো Qihoo) এটি একটি দীর্ঘকালস্থায়ী ও জনপ্রিয় সেরা এন্ড্রয়েড অ্যান্টিভাইরাস অ্যাপ। এই সেরা এন্ড্রয়েড এন্টিভাইরাস অ্যাপের মাঝে যে সকল ফিচার আছে যেগুলো ব্যবহার করে আপনার স্মার্টফোনকে সুরক্ষিত রাখা সম্ভব। স্বাভাবিকভাবেই, এই অ্যাপ একটি এন্টিভাইরাস ইঞ্জিন, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনার ডিভাইসে থাকা ফাইলগুলোকে স্ক্যান করবে ও নিজের ভাইরাস ডেফিনেশন আপডেট করবে।

প্রতিটি অ্যাপ মোবাইলে ইনস্টল করার সময়, হোক সেটা গুগল প্লে স্টোর থেকে অথবা লোকাল  ভাবে, এটি আপনার স্মার্টফোনে 360 Real Time Protection এর মাধ্যমে চেক করে আপনার ডিভাইসকে রাখবে সুরক্ষিত এবং আপনাকে রাখবে নিশ্চিন্ত। তাছাড়াও এই সেরা এন্টিভাইরাসটি একটি সিস্টেম ক্লিনার যেটা জাঙ্ক ফাইল ক্লিন করে, র‍্যাম স্পেস ফাঁকা রাখে এবং ব্যাটারির চার্জ বেশি সময় ধরে রাখতে সাহায্য করে।

আরও পড়ুনঃ কম্পিউটারের জন্য প্রয়োজনীয় ৫টি সফটওয়্যার

Kaspersky Internet Security | এন্টিভাইরাস অ্যাপ

ক্যাসপারস্কি এন্টিভাইরাস কম্পিউটার সংস্করণ নিয়মিত সুনামের সাথে সেরা অ্যান্টিভাইরাস হিসাবে নির্বাচিত হয়ে থাকে। ফ্রিতে এর মোবাইল ভার্সনটি আপনাকে দিবে প্রয়োজনীয় সব পরিষেবা ও এন্টি থেফট ফিচার। অ্যাপটির প্রিমিয়াম ভার্সনে ১ বছরের জন্য আপনাকে পেমেন্ট কর‍তে হবে $১৪.৯৫ ডলার। এই আপগ্রেড করলে আপনি আরও পেয়ে যাবেন আপনার টেক্সট মেসেজিং সুরক্ষা, এন্টি ফিশিং,  ক্লাউড প্রোটেকশন ও ফোনের প্রাইভেসি সুরক্ষা আপনি যখন ওয়েব সার্ফ করবেন।

Malwarebytes Anti-Malware | মোবাইলের জন্য ভালো এন্টিভাইরাস

Malwarebytes প্রায় বেশিরভাগ লাইটওয়েট কম্পিউটারের সুরক্ষা সরঞ্জাম হিসাবে অনেক বেশি জনপ্রিয়। ফ্রিতে আপনি এই Malwarebytes Anti-Malware ডাউনলোড করতে পারবেন। এতে রয়েছে অনেক ফিচারস যেমন- অ্যান্টিভাইরাস, বাক্তিগত প্রাইভেসি রক্ষা, এন্ড্রয়েড ডিভাইস ম্যানেজার, এন্টি থেফট ইত্যাদি।

AVL | সেরা এন্টিভাইরাস

AVL অ্যান্টিভাইরাসে আছে খুব সুন্দর ইউজার ইন্টারফেস ও একটি নির্ভরযোগ্য এন্ড্রয়েড নিরাপত্তা ব্যবস্থা। যদিওবা এই অ্যাপ্লিকেশানে অ্যান্টি থেফট ফিচারটি নাই যা অন্যান্য অ্যাপগুলোতে রয়েছে। তবুও এই অ্যাপের অ্যান্টিভাইরাস ফিচারসটি খুবি ভালো এবং এটা আপনার স্মার্টফোনের ব্যাটারি চার্জ বেশি খাবেনা অথবা ফোনকে ধীরগতির করবেনা। এই অ্যাপটি খুবই বিশ্বস্ত ও নির্ভরযোগ্য।

আরও পড়ুনঃ ১২০০০ টাকার মধ্যে Realme/Redmi কোন ফোন ভালো হবে?

Read more

এন্ড্রয়েড মোবাইল টিপস এন্ড ট্রিকস

এন্ড্রয়েড মোবাইল টিপস – আমি আপনি ও মোবাইল ফোন ব্যবহার করা মানুষদের মধ্যে প্রায় ৮০ শতাংশ লোকেরা একটি স্মার্টফোন ব্যবহার করেছেন। আর সেই মোবাইল ব্যবহার করা লোকদের মাঝে বেশিরভাগই এন্ড্রয়েড স্মার্টফোন ব্যবহার করেন। আন্ড্রয়েড স্মার্টফোন সবাইর মধ্যে খুবই প্রচলিত এবং লোকেরা কিছু অসধারণ এবং কাজের এন্ড্রয়েড টিপস জানার জন্য অবশ্যই আগ্রহ রাখেন।

তাই আজকের এই আর্টিকেলে আমি আপনাদের সঙ্গে সেরা কয়েকটি এবং প্রয়োজনীয় এন্ড্রয়েড মোবাইল ফোনের কিছু টিপস অ ট্রিকস শেয়ার করবো। আমি নিচে দেয়া Android মোবাইল টিপস গুলি অনেক কাজের এবং আপনাদের অবশই ভালো লাগবে।

এন্ড্রয়েড মোবাইলের সেরা ১৫ টি টিপস এন্ড ট্রিকস

এখন, আমি নিচে বলা মোবাইলের টিপস বা ট্রিকস গুলির মধ্যে হয়তো কিছু আপনার আগেও জানা থাকতেই পারে। কিন্তু, অনেকেই হয়তো সেই সাধারণ জিনিস গুলিও জানেনা যেগুলি আমাদের জন্য জল ভাত। তাই, আমি যে ১৫ টি android মোবাইল টিপস এর ব্যাপারে বলবো, সেগুলি আমার মতে অনেক কাজের এবং কিছু টিপস (tips) সাধারণ হলেও, এন্ড্রয়েড মোবাইল (android mobile) ব্যবহার করা সব ধরণের লোকেরা সেগুলি জানাটা জরুরি।

মোবাইলের ব্যাটারির আয়ু বাড়ান

মোবাইল চার্জে (charge) দিয়ে ব্যবহার করবেননা। এতে, মোবাইলের ব্যাটারিতে খারাপ প্রভাব পরে এবং অনেক জলদি ব্যাটারি খারাপ হয়ে যেতে পারে। তাছাড়া, আপনার android mobile সব সময় ৯২% বা তার থেকে কম চার্জ দিবেন এবং ২০% এর নিচে চার্জ থাকলে ব্যবহার করবেননা। সম্পূর্ণ ১০০% চার্জ হয়ে গেলে, ধ্যান দিয়ে চার্জার টা মোবাইল থেকে খুলে দিবেন। নাহলে, ব্যাটারিতে চাপ পরে। মোবাইলের ব্যাটারির সাথে জড়িত এই টিপস গুলি মেনে চললে, আপনার এন্ড্রয়েড মোবাইলের ব্যাটারী অনেক বছর ভালো ভাবে কাজ করবে।

আরও পড়ুনঃ ২০২১ সালের সেরা এন্ড্রয়েড এন্টিভাইরাস

মোবাইলের স্ক্রিন রেকর্ড করুন

আপনারা যদি YouTube tutorial videos বানান তাহলে এন্ড্রয়েড মোবাইল ব্যবহার করে স্ক্রিন রেকর্ড করে স্ক্রিনের ভিডিও বানানোর প্রক্রিয়া আপনাদের অনেক কাজে আসবে। গুগল প্লে স্টোরে গিয়ে, AZ screen recorder বা Mobizen screen recorder app এর মধ্যে যেকোনো একটি নিজের মোবাইলে ডাউনলোড এবং ইনস্টল কোরে, আপনারা android মোবাইলের স্ক্রিন ভিডিও হিসেবে রেকর্ড করতে পারবেন।

মোবাইলে antivirus apps ব্যবহার

একটি android mobile কেনার পর আমরা তাতে অনেক রকমের apps বা files ব্যবহার করি এবং ইন্টারনেট ব্যবহার করে বিভিন্য ওয়েবসাইটে visit করাটাতো সাধারণ কথা। কিন্তু, আপনারা জানেন, ইন্টারনেটের বিভিন্য ওয়েবসাইট, apps বা files এর অবিশ্বস্ত জায়গার থেকে নিজের মোবাইলে ডাউনলোড করা বা ব্যবহার করায় আপনার মোবাইলে অনেক ধরণের malware, spyware, adware বা Trojan ভাইরাস ঢুকে জায়গা কোরে নিতে পারে। তাই, অবশই নিজের এন্ড্রয়েড মোবাইলে একটি ভালো এন্টিভাইরাস app ব্যবহার করবেন। যাতে, বাইরের থেকে আপনার মোবাইলে কোনো রকমের ক্ষতিকারক ভাইরাস না ঢুকতে পারে। 

Disable unnecessary pre-installed apps

আমরা যখন একটি এন্ড্রোয়েড স্মার্টফোন (android smartphone) কিনি, তখন তাতে আগের থেকেই কিছু apps install করা থাকে যেগুলি আমরা ব্যবহার করিনা। এবং, এই এপ্লিকেশন (application) গুলি আমাদের মোবাইলের ইন্টারনাল স্টোরেজ স্পেস নিয়ে রাখে এবং background update বা background এ চলতে থাকার ফলে মোবাইলের ব্যাটারী, storage এবং processor ব্যবহার হোতে থাকে।

তাই, অকারণে নিজের মোবাইলের ব্যাটারী এবং স্পিড ক্ষয় হতে না দেয়ার জন্য, আপনি সেই pre-installed apps গুলি Disable কোরে রাখতে পারেন। Apps disable করলে, আপনার প্রয়োজন না হওয়া apps গুলি মোবাইল ফোনে থাকা সত্ত্বেও কোনো রকমের কাজ করবেন। Background এ চলতে থাকা বা ব্যাটারী ব্যবহার করা, এধরণের কাজ apps গুলি করতে পারবেনা। Android apps disable করার জন্য আপনারা >> settings >> app manager বা apps এ গিয়ে app বেঁচে তারপর তাকে enable বা disable করতে পারবেন।

আরও পড়ুনঃ ঈদের শুভেচ্ছা এসএমএস

Restrict background data of apps

আমাদের মোবাইলের অনেক রকমের apps কম বেশি পরিমানে background এ data বা ইন্টারনেট ব্যবহার করতে থাকে। সেবেপারে আমরা বুঝিনা কিন্তু background এ ইন্টারনেট ব্যবহারের ফলে আপনার ইন্টারনেট প্যাক (internet pack) অনেক জলদি শেষ হয়ে আসে এবং আপনি তার কারণ বুঝে পাননা।

তাই, android mobile এর settings অপশনে গিয়ে তার পর Data usage অপশনে গেলে, আপনারা সেই apps এর তালিকা দেখবেন যেগুলি মোবাইলে সব থেকে বেশি ইন্টারনেট ডাটা (internet data) ব্যাকগ্রাউন্ডে (background) ব্যবহার করছেন। এবং, apps এর তালিকার থেকে, যেই app সব থেকে বেশি background data ব্যবহার করছে তাকে select বা ক্লিক কোরে তাতে থাকা “data” অপশনটি disable কোরে দিলেই সেই app ব্যাকগ্রাউন্ডে আর ডাটা বা ইন্টারনেট ব্যবহার করবেন।

ইন্টারনাল স্টোরেজ ফ্রি করুন

আমাদের মোবাইলের ইন্টারনাল স্টোরেজ (internal storage) যখন সম্পূর্ণ ভাবে শেষের দিকে এসে পরে, তখন কিছু এপস ইনস্টল (apps install) করতে গেলেই, “Low internal storage” এর একটি মেসেজ চোলে আসে। ফলে, নতুন এপস মোবাইলে ইনস্টল করাটা অসম্ভব হয়ে পরে। তাছাড়া, মোবাইলের ইন্টারনাল স্টোরেজ লো হয়ে গেলে বা অনেক কোমে গেলে, মোবাইল স্লো কাজ করে এবং কিছু ক্ষেত্রে হ্যাং (hang) হওয়া শুরু করে। তাই, কিছু সাধারণ টিপস ব্যবহার কোরে আপনারা নিজের মোবাইলের ইন্টারনাল স্টোরেজ স্পেস (internal storage space) বাড়িয়ে নিতে পারবেন। 

Delete unnecessary apps – সবচে আগেই, আপনার মোবাইলের ইন্টারনাল স্টোরেজ থেকে অপ্রয়োজনীয় এপস ডিলিট করুন। যেসব, এপস আপনি ব্যবহার করেন কেবল সেগুলি মোবাইল ফোনে রাখুন।

Shift media to memory card – যদি আপনার মোবাইল অনেক videos বা music file আছে, তাহলে সেগুলি একটি external memory card এ transfer করুন। কেবল, Rs.৩০০ এর ভেতরেই আপনারা একটি ১৬ জিবি memory card বাজারে পেয়েযাবেন।

Clean apps cache data – প্রত্যেকটি apps আপনার মোবাইলের কিছু জায়গা ক্যাশে ডাটা (cache data) হিসেবে নিয়ে রাখে। তাই, সময়ে সময়ে এই ক্যাশে ডাটা ডিলিট কোরে আপনারা মোবাইলের ইন্টারনাল স্টোরেজ বাড়িয়ে নিতে পারবেন। আপনারা, settings >> manage apps বা installed apps এ গিয়ে এক এক কোরে apps বেঁচে নিয়ে তারপর cache delete বা delete data অপশনে গিয়ে মোবাইলে ক্যাশে ডিলিট করতে পারবেন।

আরও পড়ুনঃ কি কারণে কিডনিতে পাথর হয়

Make smartphone stylish

আপনারা launcher apps এর ব্যাপারে জানেন কি না ? বিভিন্য Launcher aaps যেমন Nova launcher বা Go launcher বা আরো অনেক রকমের ফ্রি launcher apps এন্ড্রয়েড মোবাইলে ইনস্টল কোরে বিভিন্য themes এর দ্বারা নিজের স্মার্টফোনের LOOKS CUSTOMIZE, icon, home screen customize করে বদলে দিয়ে আরো আকর্ষণীয় বানিয়ে নিতে পারবেন। আপনারা হাজার হাজার সুন্দর এবং আকর্ষণীয় থেমিস (themes) পেয়েযাবেন।

Reboot your smartphone

যেভাবে, আমাদের শরীরে ঘুমের প্রয়োজন এবং ঘুমোলে আমরা fresh এবং সক্রিয় মনে করি ঠিক সেভাবেই একটি স্মার্টফোন ও মাঝে মাঝে রিস্টার্ট (restart) বা রিবুট (reboot) করলে, সে fresh এবং আবার সক্রিয় (active) হয়ে উঠে। আপনি, নিজেই দেখবেন, যখন আপনার মোবাইল বেশি হ্যাং (hang) হবে বা স্লো (slow) কাজ করবে, তখন তাকে একবার restart বা reboot করে দিলেই সে আবার দ্রুত কাজ করা শুরু করে। তাই, আপনার android smartphone দিনে একবার হলেও reboot বা restart করবেন। এতে, মোবাইলের কর্মক্ষমতা হটাৎ ভালো হয়ে উঠে।

Read more