রাউটার কেনার আগে যে ৪টি বিষয় মাথায় রাখবেন

বাসা-বাড়ির জন্য হোক অথবা অফিসের জন্যেই হোক ওয়াইফাই রাউটার কেনার আগে আমরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সঠিক কোন ওয়াইফাই রাউটারটি আমাদের জন্য কেনা সঠিক হবে তা বিবেচনা করতে ভুলে যাই। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় যে দোকানদার আমাদের হয়ে ওয়াইফাই রাউটার নির্বাচন করে দেয়। আর আমরাও চোখ কান বন্ধ করে সেটি কিনে নিয়ে বাসায় চলে আসি যা একদম ঠিক নয়।

রাউটার কেনার আগে যে ৪টি বিষয় মাথায় রাখবেন

অনেকের ক্ষেত্রে আবার ব্র্যান্ড ভিত্তিক দূর্বলতাও কাজ করে। সেটি হতেই পারে কোন একটি নির্দিষ্ট ব্র্যান্ডের প্রতি বিশ্বাস রাখাটা খারাপ কিছু না। কিন্তু একই ব্র্যান্ডের মধ্যেও আবার যে বিভিন্ন মডেল আছে তা কিন্তু ভুলে গেলে হবে না। সবগুলি ওয়াইফাই রাউটারের মডেলের স্পেসিফিকেশন এবং আমারদের প্রয়োজনের জন্য তার গুরুত্ব কতটুকু তা বুঝে শুনে সঠিক ওয়াইফাই রাউটারটি কিনতে হবে।

রাউটার কেনার আগে যা বিবেচনায় রাখবেন

আপনি নতুন নেটওয়ার্ক সেটআপ করেন অথবা পুরাতন নেটওয়ার্ক আপডেট করুন, উভয় ক্ষেত্রেই রাউটার কেনা অনিবার্য। ওয়াইফাই রাউটার ক্রয় করার আগে বেশ কিছু বিষয়ের দিকে লক্ষ্য রাখতে হয় যেমন-

  • রাউটারের স্ট্যান্ডার্ড কেমন
  • রাউটারটি সিংগেল ব্যান্ড নাকি ডুয়াল ব্যান্ড
  • এটির লাইফস্প্যান কেমন
  • নেটওয়ার্ক রেঞ্জ কতটুকু

রাউটারের স্ট্যান্ডার্ড

অফিস হোক অথবা বাসা-বাড়ি হোক বর্তমান সময়ে 802.11ac স্ট্যান্ডার্ডের ওয়াইফাই রাউটারগুলো সব থেকে ভালো পারফরমান্স দিয়ে থাকে। এটা সর্বশেষ আপডেট স্ট্যান্ডার্ড যা আগের 802.11n থেকে খুব বেশি নির্ভরযোগ্য। ধরুন আপনার ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার আপনাকে ১০ MBPS স্পীড দেওয়ার নিশ্চয়তা দিচ্ছে। কিন্তু তারপরেও আপনি আপনার কাঙ্খিত স্পীড পাচ্ছেন না। কারণটা কি হতে পারে বলতে পারেন?

সবচেয়ে বেশি সম্ভাবণা হলো আপনার ওয়াইফাই রাউটার 802.11ac স্ট্যান্ডার্ডের না। এই কারণে নতুন রাউটার কেনা বা পুরাতন রাউটার আপডেট করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিলে সবসময় 802.11ac স্ট্যান্ডার্ডের ওয়াইফাই রাউটারই ক্রয় করুন।

আরও পড়ুনঃ কম্পিউটারের জন্য প্রয়োজনীয় ৫টি সফটওয়্যার

সিংগেল ব্যান্ড নাকি ডুয়াল ব্যান্ড | রাউটার কত প্রকার

ওয়াইফাই রাউটার দুইটি ভিন্ন ভিন্ন ফ্রিকুয়েন্সিতে কাজ করে। তারমধ্যে ১টি হচ্ছে 2.4 GHz এবং অন্যটী হচ্ছে 5 GHz। সিংগেল ব্যান্ডের রাউটারগুলো 2.4 GHz এবং ৫ GHz এর মধ্যে যেকোন ১টিকে সমর্থন করে। অন্যদিকে ডুয়াল ব্যান্ডের ওয়াইফাই রাউটারগুলি 2.4 GHz ও 5 GHz উভয় ব্যান্ডকে সমর্থন করে থাকে এবং দুটি ব্যান্ডকেই একই সাথে ব্যবহারের সুবিধা প্রদান করে থাকে।

ভালো মানের নেটওয়ার্ক কানেক্টিভিটি পেতে হলে সিংগেল এবং ডুয়াল ব্যান্ডের মধ্যে যে কোন একটি বেছে নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একেক রকমের ডিভাইস একেক রকমের ব্যান্ডে কানেক্ট হয়ে থাকে। যেমন স্মার্টফোন ও ল্যাপটপ 5 GHz ব্যান্ডে কানেক্ট হয়ে থাকে। অন্য ডিভাইসগুলো 5 GHz ব্যান্ডের পাশাপাশি 2.4 GHz ব্যান্ডও কানেক্ট হয়।

আপনি যে এলাকায় বসবাস করেন তার উপর নির্ভর করেও আপনার ব্যান্ডটি নির্বাচন করা উচিত। যদি আপনি খুব বেশি ঘনবসতি পূর্ণ এলাকায় বাস করেন তাহলে ডুয়াল ব্যান্ডের ওয়াইফাই রাউটারগুলো আপনার জন্য খুব বেশি উপযোগী। এই ওয়াইফাই রাউটারগুলি আপনাকে ভালো মানের স্পীড ও নিরবিচ্ছিন্ন কানেশন প্রদান করে থাকবে।

আবার যদি কোন কারণে আপনার উচ্চ গতির ইন্টারন্টের প্রয়োজন না হয় বা আপনার আশেপাশে থাকা প্রতিবেশীর যদি কোন ওয়াইফাই রাউটার না থাকে তাহলে আপনি সিংগেল ব্যান্ডের ওয়াইফাই রাউটার ব্যবহার করতে পারেন।

লাইফ স্প্যান

বাসা-বাড়িতে ব্যবহৃত অন্যান্য হার্ডওয়্যারের থেকে নেটওয়ার্ক হার্ডওয়্যারগুলোতে অনেক বেশি চাপের সৃষ্টি হয়ে থাকে। যার কারনে এগুলোর খুব বেশি সময় ব্যবহারযোগ্য থাকে না। আপনি নিজেই ভেবে দেখুন তো আপনার ওয়াইফাই রাউটারটি একই সাথে স্মার্টফোন, ট্যাবলেট, ডেক্সটপ কম্পিউটার, স্ট্রিমিং ডিভাইস, ল্যাপটপ, গেমিং কনসোল ইত্যাদি ডিভাইসের সাথে সুংযুক্ত করা থাকে। অনেক বেশি লোড ও বেশি সময় ধরে ওয়ার্কিং এর কারণে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ওয়াইফাই রাউটারের কার্যক্ষমতা কমে যেতে থাকে।

যদি কোন প্রকার কারণ ছাড়াই আপনার ডিভাইস গুলো স্মার্টফোন, ট্যাবলেট, ডেক্সটপ কম্পিউটার, স্ট্রিমিং ডিভাইস, ল্যাপটপ, গেমিং কনসোল ইত্যাদি বার বার নেটওয়ার্ক থেকে ডিসকানেক্ট হয় তাহলে বুঝে নিতে হবে যে আপনার রাউটার পরিবর্তন করার সময় হয়ে গেছে। এই ক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই এমন ধরনের ওয়াইফাই রাউটারগুলো কিনতে হবে যেগুলো অনেক বেশি লাইফস্প্যান সমৃদ্ধ হয়ে থাকে। এই ধরনের রাউটারগুলো অন্যান্য রাউটার গুলো থেকে তুলনামূলক একটু বেশি মূল্যের হয়ে থাকে। তবে আমি সাজেস্ট করবো সস্তা ও নিম্নমানের ওয়াইফাই রাউটার কিনার পর ২দিন পরপর সেটা পরিবর্তন করার চেয়ে একটি হাই-কোয়ালিটি ওয়াইফাই রাউটার কেনাই উত্তম।

আরও পড়ুনঃ ফেসবুকে যে কাজগুলো করা উচিত নয়

নেটওয়ার্ক রেঞ্জ | হাই রেঞ্জ রাউটার

আপনি ওয়াইফাই রাউটার থেকে কেমন রকম কানেশন স্পীড পাবেন তা নির্ভর করবে আপনি কোথায় ওয়াইফাই রাউটার স্থাপন করেছেন তার উপরে। ওয়াইফাই রাউটার যত বেশি সম্ভব বাসার মধ্যবর্তী খোলামেলা যায়গায় স্থাপন করতে। সেই সাথে জায়গাটি যেন কোন জানালার আশেপাশে না হয়ে থাকে সেদিকেও লক্ষ্য করতে হবে। কেননা জানালা বা বাইরের দিকে উন্মুক্ত কোন জায়গায় ওয়াইফাই রাউটার বসানো হলে সিগন্যাল লিক করার সম্ভাবনা থাকে অনেক বেশি।

আপনার বাসা কত বেশি বড় ও কতজন ব্যবহারকারী ওয়াইফাই রাউটার ব্যবহার করবে তা কিন্তু নির্ধারন করা হয় রাউটারের রেঞ্জের উপরে। রাউটারের রেঞ্জ কম হলে বড় বাসায় এগুলো ব্যবহার করতে সমস্যা হতে পারে। রাউটারের রেঞ্জ কম হলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে রাউটারে কানেক্ট এর সমস্যা দেখা দেয়। আবার কিছু ক্ষেত্রে ওয়াইফাই কানেক্ট হলেও খুবই স্লো গতির ইন্টারনেট পাওয়া যায়। এই কারনে ওয়াইফাই রাউটার কিনবার আগে অবশ্যই রেঞ্জের বিষয়টি মাথায় রাখা উচিত।

অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় যে নতুন কোন ISP সংযোগ দেওয়া হলে তারা আপনাকে তাদের কাছ থেকে ওয়াইফাই রাউটার কেনার জন্য পরামর্শ দিয়ে থাকে। আমি সাজেস্ট করবো ISP থেকে ওয়াইফাই রাউটার না কেনার জন্য। অনেক ISP আবার সম্পূর্ণ ফ্রিতে রাউটার দেওয়ার প্রস্তাব দিয়ে থাকে। প্রাথমিকভাবে এই অফার গুলো লোভনীয় মনে হলেও পরবর্তীত সময়ে এর সমস্যাগুলি ধরা পড়তে থাকে।

ঠিক কি কি কারনে আপনি ওয়াইফাই রাউটার কিনেছেন সেটা আপনাকে প্রথমেই ভাবতে হবে। যদি ভিডিও স্ট্রিমিং, ভিডিও কলিং, অনলাইন মুভি কিংবা ডাউনলোড করা আপনার প্রধান উদ্দেশ্য হয়  তাহলে অবশ্যই অবশ্যই ভালো স্পীডের দিকে আপনার প্রথম গুরুত্ব হওয়া উচিত।

তাই ওয়াইফাই রাউটার ক্রয় করার পূর্বে এটির স্ট্যান্ডার্ড, ব্যান্ড, সিকিউরিটি, রেঞ্জ, স্পীড ইত্যাদি বিষয়ে নিশ্চিত থাকতে হবে। প্রয়োজনে অনলাইনে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের রাউটারের রিভিউ দেখে নিবেন। সকল রাউটারে যে সকল ধরনের সুবিধা থাকবে এমনটা ভাবা আপনার ভুল হবে। আবার বাজেটের সাথে মিল রেখে সব ফিচার পাওয়া কষ্টসাধ্য। তাই সকল দিক লক্ষ্য রেখে বাজেটের মধ্যে বেশি ফিচারগুলো পাওয়া যায় এমন ধরনের ওয়াইফাই রাউটার কেনাই ভালো। আর ক্রয় করার পর রাউটারের বেসিক অপারেশন জেনে নেয়া হচ্ছে বুদ্ধিমানের কাজ।

আরও পড়ুনঃ ওয়্যারলেস চার্জিং যেভাবে কাজ করে

Read more

নতুন করোনাভাইরাসের ৩ লক্ষণ | করোনাভাইরাসের লক্ষণ ও চিকিৎসা কী

বিগত এক বছর ধরেই করোনাভাইরাস সারাবিশ্বে তাণ্ডবলীলা চালিয়ে আসছে। শুরু হয়েছে করোনা ভাইরাসের ২য় ধাপ। গত বছরের ন্যায় আবারও নতুন করে করোনাভাইরাস এ আক্রান্ত এবং মৃতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। জ্বর-সর্দি-কাশি এগুলা ছাড়াও করোনার আরও বেশ কয়েকটি প্রাথমিক লক্ষণ রয়েছে। সেই সাথে যুক্ত হয়েছে আরও বেশ কয়েকটি লক্ষণ। এই সকল লক্ষণ গুলি সাধারণ হলেও করোনার প্রাথমিক উপসর্গ হতে পারে।

করোনাভাইরাসের উপসর্গ হিসেবে নাক দিয়ে গন্ধ না পাওয়া এই সমস্যার পাশাপাশি শ্রবণশক্তি কমে যাওয়া, চোখ লালচে হয়ে যাওয়া এবং গ্যাস্ট্রিকের সমস্যাগুলো সাধারণভাবে মেনে নেওয়া একেবারেই উচিত নয়। সাধারণ কিছু এই সকল সমস্যা হতে পারে করোনাভাইরাস সংক্রমণের নতুন লক্ষণ।

লালচে বা গোলাপি চোখ

গোলাপি চোখ বা কনজেক্টিভাইটিস আইস করোনাভাইরাস সংক্রমণের লক্ষণ হতে পারে। যার ফলে চোখ লাল হয়ে ফুলে যেতে পারে এবং চোখ থেকে পানিও বের হতে পারে। যারা করোনাভাইরাসের ২য় ধাপে নতুনভাবে যারা সংক্রমিত হয়েছ তাদের মধ্যে অনেকের চোখে লালচে ভাব লক্ষ্য করা যায়। চোখ লালচে হয়ে ফুলে গেছে এমন কয়েকজনের নাকের সোয়াব পরীক্ষা করে জানা গেছে তাদের মধ্যে বেশির জনই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত।

চোখ দিয়েও আমাদের শরীরে করোনাভাইরাস প্রবেশ করতে পারে। যাদের শরীরে এই করোনাভাইরাস চোখ দিয়ে প্রবেশ করে তাদের চোখে এই রকম লাল হতে পারে। তারপর করোনাভাইরাসটি ফুসফুসে আক্রমণ। করোনাভাইরাস চোখের মধ্যে থাকা অকুলার মিউকাস মেমব্রেনের সাহায্য শরীরে মধ্যে প্রবেশ করে। তবে হ্যাঁ এটি এই ক্ষেত্রে করোনাভাইরাসটি দৃষ্টি শক্তির উপর কোনো প্রভাব ফেলতে পারে কিনা সেই বিষয়ে আরও বেশি গবেষণা প্রয়োজন।

আরও পড়ুনঃ মেছতা কেন হয়, মেছতা দূর করার উপায়

শ্রবণশক্তি কমে যেতে পারে

হঠাৎ করে কানে না শোনার সমস্যাকেও এই সময় হেলা ফেলায় নেওয়া যাবে না। কেননা এই হঠাৎ শ্রবণশক্তি কমে যাওয়াই হতে পারে করোনা সংক্রমণের উপসর্গ। একটি পরিক্ষা অনুযায়ী করোনাভাইরাস সংক্রমণের ফলে শ্রবণ শক্তি কমতে থাকে পারে। কানের মধ্যে বিরক্তিকর শব্দ হতে পারে শোঁ শোঁ করতে পারে। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত অনেকের ওপর পরীক্ষা করে এই রকম তথ্য মিলেছে। পরিক্ষা অনুসারে, করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ৭ দশমিক ৬ শতাংশ মানুষের মাঝে শ্রবণশক্তি কমে যাওয়ার নমুনা পাওয়া গেছে।

গ্যাস্টিকের সমস্যা

সাধারণত সবার এই কমবেশি গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হয়ে থাকে। বিশেষ করে যারা জাঙ্কফুড বেশি গ্রহণ করে থাকেন। তবে এই সমস্যাকে এখন সাধারণ না ভাবাই হচ্ছে বুদ্ধিমানের কাজ। কারণ করোনার উপসর্গ হতে পারে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা। গবেষণায় জানা গেছে, ডায়রিয়া ও বমি করোনাভাইরাস সংক্রমণের লক্ষণ হতে পারে। করোনায় আক্রান্ত অনেকের শরীরেই লক্ষণটি প্রকাশ পেয়েছে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের তথ্যানুসারে, করোনাভাইরাস শ্বসনতন্ত্রকে প্রভাবিত করে। ফলে কিডনি, যকৃত ও অন্ত্রের মতো গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গে অনেক বেশি প্রভাব ফেলে এই ভাইরাস।

এজন্য করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হলে বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া, হজমে সমস্যা এবং ডায়রিয়ার সমস্যা মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে। এজন্য এসকল সমস্যা সাধারণভাবে গ্রহণ করা উচিত নয়। দীর্ঘমেয়াদী এসকল সমস্যা দেখা দিলে অবশ্যই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হবেন।

আরও পড়ুনঃ কি কারণে কিডনিতে পাথর হয়

শারীরিক দুর্বলতা ও আলসেমি

করোনাভাইরাস সংক্রমণের প্রাথমিক লক্ষণ হিসেবে বিবেচনা করা হয় শারীরিক দুর্বলতা ও আলসেমিকে। ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর প্রায় সবাই প্রচণ্ড ক্লান্তি ও অবসাদ অনুভব করেন কোনো পরিশ্রম ছাড়াই। এর কারণ হিসেবে চিকিৎসকগণের ধারণা যে ‘সাইটোকাইনস’এর উপস্থিতি। এই উপাদানটি তৈরি হয়ে থাকে শরীরের মধ্যে রোগ প্রতিরোধে ক্ষমতা থেকে কোনো না কোনো জীবাণুকে ধ্বংস করার মাধ্যম হিসেবে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা যখন সেই জীবাণুর বিরুদ্ধে লড়তে ব্যস্ত, শরীর তখন ক্লান্তিতে ভেঙে পড়ে।

Read more

WhatsApp Pink সবুজ থেকে গোলাপি থিম পরিবর্তনের WhatsApp মেসেজ পেয়েছেন? তাহলে জেনে নিন

WhatsApp Pink স্বাভাবিক ভাবেই সবুজ থেকে গোলাপি রঙ্গে কোন রকম অতিরিক্ত চার্জ ছাড়াই পরিবর্তন করে নিন আপনার WhatsApp থিম। Whatspp ব্যবহারকারীদের স্মার্টফোনে এই রকম মেসেজ আসছে বিগত কয়েক দিন ধরেই। এই রকম মেসেজের মধ্যে লুকিয়ে রয়েছে একটি লিঙ্ক যাতে ভুলেও কেউ ক্লিক করবেন না।

WhatsApp-এর থিম সবুজ থেকে গোলাপি হয়ে যাবে! এমন কোনও বার্তা WhatsApp এর মাধ্যমে আপনার কাছে আসছে নাকি? যদি এসে থাকে তাহলে আপনি কিন্তু ভুলে করেও ক্লিক করবেন না। কারণ এটি একটি ভাইরাস এবং এখানে ক্লিক করলেই সাইবার অপরাধীদের হাতে চলে যাবে আপনার স্মার্টফোনের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ। তাছাড়া হারাতে পারেন আপনার WhatsApp অ্যাকাউন্টটিও।

WhatsApp Pink থেকে এখনই সাবধান হয়ে যান। একটি App লিঙ্ক ডাউনলোড করার কথা বলে বলে বিভিন্ন WhatsApp গ্রুপে এই একটি ভাইরাস ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। তাই সাবধান ভুলেও #WhatsAppPink নামে কখনও ক্লিক করবেন না। এটি করলে আপনার স্মার্টফোনের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলতে পারেন।

আশ্চর্যজনক ভাবে এই ম্যালিশিয়াসটি WhatsApp Pink একেবারে মেইন অ্যাপ্লিকেশনের মতোই দেখতে। পার্থক্য শুধু রয়েছে শুধুই রঙে। তাছাড়াও সেটিংস মেনুও সাধারণ WhatsApp-এর থেকে একটু আলাদা, যা দেখেই ব্যবহারকারীদের মনে সর্বপ্রথম ঝামেলা আসে মনে হবে। যাঁরা WhatsApp-এর দৈনন্দিন ব্যবহার করে থাকেন, তাঁরা এই গোলাপি রঙের WhatsApp থিম একটু খুঁটিয়ে লক্ষ্য করলেই তার গলদ সহজেই ধরে ফেলতে পারবেন।

আরও পড়ুনঃ হারিয়ে যাওয়া মোবাইলফোন খুঁজে পাওয়ার উপায়

পাশাপাশিই আপনাদের খেয়াল রাখতে হবে যে, যাতে কোনও অ্যাপ বা মোবাইল অ্যাপস যেন ডাউনলোড না করেন যাতে অফিশিয়াল App টিকে বাইপাস করে। যেমন Google Play Store বা Apple App Store। সেই সাথে আরও নজর রাখতে হবে কন্ট্যাক্টসের কাউকে যেন এই ধরনের ভুয়া মেসেজ ফরোয়ার্ড না করা হয়। তাতে যাঁকে পাঠাচ্ছেন তাঁর তো বিপদ অবশ্যই সেই সাথে আপনার WhatsApp প্রোফাইলও কেউ আর বাঁচাতে পারবে না। এক প্রতিবেদনে জানা গেছে যে এখন পর্যন্ত বহু ব্যবহারকারীর ইতিমধ্যে এই ভুয়া গোলাপি রঙের WhatsApp থিম বদলের মেসেজটি ফরোয়ার্ড করেছে।

যেকোনও মাধ্যমে তা হতে পারে কোনও ইমেইল বা অন্য কোনও মাধ্যমে, যে কোনও অস্বাভাবিক, অপরিচিত বা সন্দেহজনক মেসেজ পেলে ব্যবহারকারীদে সেখানে ক্লিক করার আগে অনেক ভালো করে যাচাই বাছাই করে নেওয়াটা জরুরি। পাশাপাশিই WhatsApp-এ এই ধরনের কোনও মেসেজ পেলে আমাদের অ্যাপের মধ্যেই যে রিপোর্ট করার অপশন আছে, সেখানে ক্লিক করে আমাদের দ্রুত রিপোর্ট করুন। এই ধরনের মেসেজ যে বা যারা পাঠাচ্ছেন তাদেরও কে ব্লক করে দিন।

চলতি বছরের শুরু থেকেই একাধিক ম্যালিশিয়াস WhatsApp মেসেজের খপ্পড়ে পড়ছেন ব্যবহারকারীরা। তার মধ্যে এই বছরের শুরুতেই ব্যবহারকারীদের WhatsApp-এ এসেছিল মুম্বাইয়ের তাজ হোটেলে বিনামূল্যে নিশিযাপনের বার্তা, একটি সার্ভে পূরণ করার মধ্যে দিয়ে ফ্রি-তে অ্যামাজন উপহার পেয়ে যাওয়ার মেসেজ – এমনই একাধিক স্ক্যাম মেসেজ। এই ধরনের মেসেজগুলিতে ব্যবহারকারীদের 5 থেকে 20টি গ্রুপে ফরোয়ার্ড করার বার্তা দেওয়া হয়। এই ধরনের মেসেজ কখনই ক্লিক করা উচিত নয়। পাশাপাশিই কাউকে ফরোয়ার্ডও করা উচিত নয়। এমনতর ম্যালিশিয়াস মেসেজ পেলেই প্রথমে রিপোর্ট করুন।

আরও পড়ুনঃ এন্ড্রয়েড মোবাইল টিপস এন্ড ট্রিকস

Read more

প্রতিদিন সকালে ডিম খাবেন কেন | প্রতিদিন সকালে ডিম খাওয়ার উপকারিতা

ডিম প্রতিদিন খাওয়াই যায়। যারা মনে করেন যে প্রতিদিন ডিম খাওয়া মোটেও ভালো নয়, তাদের চিন্তা ভাবনা কিন্তু অনেকটাই। চিকিৎসকগণ …

Read more

বাজার কাপাচ্ছে রিয়েলমি ৮ প্রো ১০৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা ও ডিজাইনের ফোনটি

পছন্দের ফোনটি কেনার আগে ক্যামেরা, ডিজাইন, দ্রুত এবং নিরাপদ চার্জিং, পারফরমেন্সের ওপর বেশি জোর দিয়ে থাকেন তরুণ ব্যবহারকারীরা। আর ঠিক এই বিষয়গুলোকে প্রাধান্য দিয়েই রিয়েলমি দেশের তরুণদের জন্য তাদের নতুন ফ্ল্যাগশিপ ‘৮ প্রো’ স্মার্টফোন বাজারে নিয়ে এসেছে। রিয়েলমি ৮ প্রো স্মার্টফোনটিতে রয়েছে ১০৮ মেগাপিক্সেলের ইনিফিনিট ক্ল্যারিটি আল্ট্রা কোয়াড ক্যামেরা।

যা স্মার্টফোন ইন্ডাস্ট্রির সর্বোচ্চ পিক্সেলের ক্যামেরাযুক্ত স্মার্টফোন বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।স্মার্টফোনটির প্রাইমারি ক্যামেরায় ১০৮ মেগাপিক্সেলের সঙ্গে রয়েছে থার্ড জেনারেশন আইএসওসেল এইচএম২ সেন্সর, ১/১.৫২ ইঞ্চির এক্সট্রা লার্জ সেন্সর এবং ১২০০০x৯০০০ সর্বোচ্চ রেজ্যুলেশন। আইএসওসেল প্লাস পিক্সেল আইসোলেশন প্রযুক্তির সাহায্যে এইচএম২ অপটিক্স লস এবং ক্রস কালারের মাত্রা কমিয়ে আনে যার ফলে কালার ফিডেলিটি আরো সমৃদ্ধ হয় এবং ১৫ শতাংশ আইএসও বাড়ে।

স্মার্ট আইএসও প্রযুক্তির কল্যাণে একদিকে রিয়েলমি ৮ প্রো দিচ্ছে পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সবচেয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেরা আইএসও বেছে নেওয়ার সুবিধা, সেই সাথে পর্যাপ্ত আলো না থাকলেও ব্যবহারকারীরা পাচ্ছেন রিয়েলমি ৮ প্রো’র সাহায্যে স্পষ্ট এবং উজ্জ্বল ছবি তোলার সুবিধা। এছাড়াও, এইচএম২ সেন্সর নাইন-ইন-ওয়ান পিক্সেল বিনিং প্রযুক্তি সাপোর্ট করে থাকে, যার মাধ্যমে মৃদু আলোতে তোলা ছবিও বেশ স্পষ্টভাবে ক্যামেরাবন্দি করা যায়।

রিয়েলমি ৮ প্রো স্মার্টফোনের ১০৮ মেগাপিক্সেল মেইন সেন্সর বাদেও কোয়াড ক্যামেরা সেটআপে আছে ৮ মেগাপিক্সেল আলট্রা ওয়াইড-অ্যাঙ্গেল লেন্স, ২ মেগাপিক্সেল ব্ল্যাক এবং হোয়াইট পোর্ট্রেট লেন্স এবং ২ মেগাপিক্সেল ম্যাক্রো লেন্স। যা যেকোনো ব্যবহারকারীকর আরও বেশি আকর্ষণীয় করে তোলে। এর আলট্রা ওয়াইড-অ্যাঙ্গেল লেন্সের এফ/২.২৫ অ্যাপারচার, ৮ মেগাপিক্সেল রেজ্যুলুশন এবং ১১৯ ডিগ্রি ফিল্ড অব ভিউ’র কল্যাণে এখন অল্প দূরত্ব থেকেই ফ্রেমে জায়গা হবে আশেপাশের সব কিছু।

আরও পড়ুনঃ কম দামে মধ্যে সেরা ৫টি স্মার্টফোন

অন্যদিকে ক্ষুদ্রাকৃতির যেকোনো বস্তুর ছবিও স্পষ্টভাবে ফ্রেমবন্দী করার জন্য রিয়েলমি ৮ প্রো’তে রয়েছে আল্ট্রা ম্যাক্রো লেন্স। অভিনব কালার ফিল্টার সিস্টেমের সাহায্যের স্মার্টফোনটির পোর্ট্রেট লেন্স অন্যান্য সেটের তুলনায় অনেক বেশি রঙ ফুটিয়ে তুলতে পারে। ফলে মূল লেন্সের জন্য আলো এবং রঙের সংমিশ্রণ আরও অনেক বেশি উন্নত হয়, যা রিয়েলমি ৮ প্রো’তে তোলা যেকোনো পোর্ট্রেটকে জীবন্ত করে তোলে।

এমন সকল চমৎকার ফিচার থাকার পরেও রিয়েলমি ৮ প্রো’র ক্যামেরার সাথে ইউজাররা পাচ্ছেন নতুন সুপার নাইটস্কেপ, ৩এক্স ইন-সেন্সর জুম, এটি সর্বপ্রথম বিশ্বের স্টারি টাইম-ল্যাপস ভিডিও এবং টিল্ট-শিফট মোড, যার সমন্বয় রিয়েলমি ৮ প্রো-কে বাজারে অতুলনীয় করে তুলেছে। এই ফোনটি শুধুমাত্র ০-৫০ শতাংশ চার্জ হবে ১৭ মিনিটে।

রিয়েলমি ৮ প্রো’তে রয়েছে ৫০ ওয়াটের সুপার ডার্ট চার্জার। এ কারণেই মাত্র ১৭ মিনিটে এর ৪৫০০ মেগাঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি ০-৫০% চার্জ হয়ে যাবে। অত্যাধুনিক টেকনোলজির কারণে দ্রুত চার্জ হলেও রিয়েলমি ৮ প্রো চার্জের সময় মাত্রাতিরিক্ত গরম হয় না। পাশাপাশি, রিয়েলমি ৮ প্রো এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যাতে প্রয়োজনের অতিরিক্ত কোনো কারণে চার্জ অপচয় না হয়। 

তাই এই স্মার্টফোন যেকোনো ইউজারকে দেবে দিনভর প্রয়োজনীয় সকল কাজ করার নিশ্চয়তা। শুধুমাত্র এই ফোনের ৫% চার্জ থাকলেও রিয়েলমি ৮ প্রো দিবে ৩২ ঘণ্টা পর্যন্ত স্ট্যান্ডবাই সুবিধা। রিয়েলমি ৮ প্রো স্মার্টফোনের সাথে ব্যবহারকারীরা পেয়ে জাচ্ছেন একটি ৬৫ ওয়াটের সুপার ডার্ট চার্জিং অ্যাডাপ্টার। যার সাহায্যে অন্য সকল স্মার্ট ডিভাইস দ্রুত এবং নিরাপদে চার্জ করা যাবে।

বাংলাদেশে এই ফোনটি রিয়েলমি ৮ প্রো পাওয়া যাচ্ছে ৮ জিবি র‍্যাম ও ১২৮ জিবি রমে দুটি কালারেই খুবই সুন্দর রঙে। ফোনটির বর্তমান বাজার প্রাইস মাত্র ২৭,৯৯০ টাকা। এই ফোনর ওজন মাত্র ১৭৬ গ্রাম।

ক্যামেরা ও ব্যাটারি ব্যাকআপের পাশাপাশি বর্তমান সময়ে তরুণ ও তরুণীদের চাই আরও আকর্ষণীয় ডিজাইনের বেশি স্টাইলিশ এবং স্লিম একটি ফোন। রিয়েলমি ৮ প্রো এজি ক্রিস্টাল প্রসেসিংয়ের মাধ্যমে এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যে যা ফোনটির ব্যাকশেলে আকর্ষণীয় ভাবে তুলেছে ক্রিস্টাল ইনফিনিটি ডিজাইন। ফোনটি দেখতে অনেক বেশি সুন্দর এই স্মার্টফোনটি ‘স্লিম অ্যান্ড লাইট’ গড়ণকেই বেছে নিয়েছে। স্মার্টফোনটি ১৭৬ গ্রাম ওজন ও ৮.১ মিলিমিটার পুরুত্বের বেশ আকর্ষণীয়।

এতে রয়েছে ৬ দশমিক ৪ ইঞ্চি সুপার অ্যামোলেড স্ক্রিনের ফুল ডিসপ্লে, যা যেকোনো ছবি বা ভিডিওকে প্রাণবন্তভাবে ফুটিয়ে তুলতে সাহায্য করে। এই ডিসপ্লে খুবই স্মুথ কারণ এতে রয়েছে ১৮০ হার্টজ টাচ স্ম্যাপ্লিং রেট। এতকিছুর সঙ্গে থাকছে অ্যান্ড্রয়েড ১১ ভিত্তিক একদম নতুন রিয়েলমি ইউআই ২.০। ইউআইটি আগের চাইতে আরও বেশি দ্রুত। ব্যবহারকারীদের সুবিধার্থে এই অপারেটিং সিস্টেমটিতে স্বাচ্ছন্দ্যময় ও আরামদায়ক স্মার্টফোন ব্যবহারের দিকেই জোর দেওয়া হয়েছে। ব্যবহারকারীদের সৃজনশীলতা, সামাজিক যোগাযোগ এবং উৎপাদনশীলতা – এই তিনটি বিষয়কে মূখ্য করে রিয়েলমি তাদের ইউআই ২.০ তৈরি করেছে। 

রিয়েলমি ইউআই ২.০-তে ব্যবহারকারীরা ১০০টিরও বেশি কাস্টমাইজেশনের সুবিধা পাবেন। এতকিছুর পাশাপাশি রিয়েলমি ৮ প্রোতে রয়েছে দারুণ পারফরমেন্সের জন্য স্ন্যাপড্রাগন ৭২০জি গেমিং প্রসেসর এবং ইন ডিসপ্লে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর। রিয়েলমি ৮ প্রো রিয়েলমি ব্র্যান্ডশপ থেকে প্রি-অর্ডার করতে পারবেন ৩ থেকে ৯ এপ্রিল। প্রি-অর্ডারে পাওয়া যাবে লিমিটেড এডিশন গিফট বক্স, ব্যাগ, ৬ মাসের ফ্রি স্ক্রিন রিপ্লেসমেন্ট ওয়ারেন্টি।

আরও পড়ুনঃ Realme Narzo 30A | Realme Narzo 30A Full Specifications

Read more

চুলের যত্ন নেওয়ার জন্য কি কি খাওয়া দরকার | চুলের জন্য উপকারী ভিটামিন

আমাদের চুলের যত্ন নেয়ার জন্য আমরা দৈনন্দিন কত কিছুই না ব্যবহার করে থাকি। চুল সুন্দর করে রাখার জন্য আমরা অয়েল ম্যাসাজ, নানা রকমের হেয়ার প্যাক, দামী দামী কত শ্যাম্পু ইত্যাদি চুলে ব্যবহার করে থাকি। কিন্তু এখন কথা হলো শুধু কি এইসব করলেই হবে? যদি চুল আমাদের শরীর থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণ পুষ্টিগুণ না পেয়ে থাকে। তাই আজকের এই আর্টিকেলে আমরা কিছু কিছু খাবারের ব্যাপারে আপনাদের জানিয়ে দিতে চাই যেসকল খাবার গ্রহণ করলে আপনার চুলের যত্নে আসবে পরিপূর্ণতা এবং চুল হবে শক্ত মজবুত-ঝকঝকে ও সুস্থ্য-সবল।

তবে হ্যাঁ আমি কিন্ত পুষ্টিবিদ ন‌ই কিন্তু শরীর সুন্দর সু-স্বাস্থ্যের রাখার জন্য আমার অনেক বেশি আগ্ৰহের কারণে এই সকল কারনে আমি নানা রকম তথ্য সংগ্রহ করে লেখালেখি করি।

চুলের যত্নে রাখার জন্য যে খাবারগুলো গ্রহণ করা দরকার: 

সুষম খাদ্য গ্রহণ করা চুলের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে। তাছাড়া প্রোটিন-সমৃদ্ধ খাবার চুল পড়া রোধে সহায়তা করে। এছাড়াও ভিটামিন-ই যুক্ত খাবার, সামুদ্রিক মাছ, ডিম, দুধ চুলের জন্য অনেক বেশি উপকারী। চুলের যত্ন কিভাবে নিতে হয়, কোন ভিটামিনের অভাবে মাথার চুল পড়ে যায়, চুলের যত্ন নেওয়ার উপায়, চুলের যত্নে প্রাকৃতিক উপাদান এই সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা নিম্নে তুলে ধরা হলো।

আরও পড়ুনঃ মাহে রমজানের গুরুত্বপূর্ণ আমল ও রমজানের ফজিলত ২০২১ 

  • প্রোটিন: আমাদের চুল সাধারণত কেরাটিন দিয়ে তৈরি। এটি হচ্ছে অ্যামিনো এসিড দাঁরা গঠিত এক ধরণের প্রোটিন। তাই আপনি যদি চান আপনার মাথায় নতুন চুল গজানো প্রয়োজন তার জন্য অবশ্যই আপনার শরীরকে পর্যাপ্ত অ্যামিনো এসিড সরবরাহ জরুরি বিষয়। চুলের যত্নে খাবার তালিকায় প্রতিদিন মাছ, মাংস, পনির, দুধ, ডিম এগুলোর অন্তত যেকোন একটি রাখার চেষ্টা করুন। এছাড়া রয়েছে দ‌ই, দুধের চেয়েও বেশি প্রোটিনযুক্ত খাবার যেমন, সয়াবিন, ওট, মটরশুঁটি, কলা, কাঁঠাল, বাদাম খাবার থেকে পেতে পারেন। তবে হ্যাঁ নন-ভেজিটেরিয়ান খাবারের মধ্যে প্রোটিনের পরিমাণ তুলনামূলক ভাবে বেশি পরিমাণ থাকে।
  • ভিটামিন সি: চুলের যত্নে আপনি পেয়ারা, লেবু, কমলা, আমলকী, আনারস, কামরাঙা, কাঁচা মরিচে গ্রহণ করতে পারেন। কেননা এই খাবার গুলোতে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন সি। এছাড়া সাইট্রাস জাতীয় যেকোনো ফলমুলে রয়েছে বেশি পরিমানে ভিটামিন সি। যা গ্রহণ করার ফলে আপনার চুলের বৃদ্ধি এবং গজানোর জন্য সাহায্য করে থাকবে।
  • আয়রন আর জিঙ্ক: আয়রন আর জিঙ্ক গ্রহণ করার ফলে মাথার কোষে অক্সিজেন পরিবহন করতে সাহায্য করে। এছাড়াও আর নতুন টিস্যু গঠনে এবং ক্ষয়রোধে সাহায্য করে। পরিমিত পরিমাণে আয়রন আর জিঙ্ক গ্রহণ নতুন এবং খুব তারাতারি চুল গজানোর বা নতুন চুল তৈরির জন্যে সহায়ক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে আয়রন ও জিঙ্ক। মটরশুঁটি, বাদাম, কলিজা, মাংস, দুধের মধ্যে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণ আপনার প্রয়োজনীয় জিংক আর আয়রন।
  • কালোজিরা: ইসলামে বলা হয়েছে যে কালোজিরা সকল রোগের ঔষধ শুধুমাত্র মৃত্যু ব্যাতিত।কালোজিরা নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। চুলের জন্য কোন তেল ভালো? চুলের যত্নে আপনি চাইলে মাথায় কালোজিরার তেল এবং খাবারে কালোজিরা ব্যবহার করলে দেখবেন এটি অনেক বেশি ভালো মানের ফল দিচ্ছে।
  • পানি: চুলের যত্নে প্রতিদিন বেশি বেশি পানি পান করুন। বেশি বেশি পানি পান করার ফলে যে আমাদের ত্বক শুধু ভালো থাকবে তা কিন্ত নয়, বেশি বেশি পানি পান করার ফলে আমাদের চুল‌ও থাকবে ঝকঝকে, নতুন ও স্বাস্থ্যোজ্বল।

নিন্মে কয়েকটি খাবারের নাম দেয়া আছে যা চুলের জন্য খুবই উপকারী

গাজর, পাকা টমেটো, আমলকী, কিউই, পালং শাক, অ্যালোভেরা, শসা ইত্যাদি খাবারগুলোর জুস করে আপনি যদি প্রতিনিয়ত গ্রহণ করেন তাহলে আপনার চুল থাকবে প্রাণবন্ত। তাছাড়া এইসকল খাবার আমরা নিয়মিত চিবিয়েও গ্রহণ করতে পারি। এইভাবে যদি আমরা আমাদের খাবারের দিকে লক্ষ্যে রাখি তাহলে আমরা আশা করি মজবুত, সুন্দর, ঝকঝকে, প্রাণোবন্ত চুলের অধিকারী হতে পারবো ইনশাআল্লাহ।

Read more