পেনড্রাইভ ও কম্পিউটার ভাইরাস মুক্ত রাখার ৬টি উপায়

পেনড্রাইভ ও কম্পিউটার ভাইরাস মুক্ত রাখার উপায় – পেনড্রাইভ হচ্ছে একটি ইউএসবি ফ্লাশ মেমরী ডিভাইস যার সাহায্য বিভিন্ন ধরনের ডাটা এক কম্পিউটার থেকে অন্য একটি কম্পিউটারে মধ্যে নেয়ার জন্য ব্যাবহার করা হয়। পেনড্রাইভ আকারে ছোট হওয়ার কারনে খুব সহজে এটি পকেটে করে বহন করা যায়। এটার মাধ্যমে অনেক ডাটা আনা নেওয়া করা যায় যা মূলত এটির ধারণক্ষমতার উপরে নির্ভর করে। পেনড্রাইভ ব্যবহার করে ছবি, ভিডিও, অডিও, স্প্রেডশিট, ডকুমেন্টস অন্যান্য সকল ধরণের ফাইল কপি করা যায়।

কিন্ত সমস্যা হচ্ছে প্রায় সকলেই আছেন যারা পেনড্রাইভে ভাইরাসের সমস্যায় সম্মুখীন হন। পেনড্রাইভের মধ্যে ভাইরাসে প্রবেশ করার প্রধান কারণ হচ্ছে এই সকল ভাইরাস ইন্টারনেট থেকে খুব দ্রুত ছড়ায় এবং আপডেট হতে থাকে। অথচ মার্কেটে কিনতে পাওয়া এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার সে তুলনায় আপডেট না হওয়ার কারণে ভাইরাস গুলোকে ধরার ক্ষমতা রাখে না। আমারা সামান্য সচেতন হলেই এই ধরনের ভাইরাসের হাত থেকে পেনড্রাইভকে ভাইরাস মুক্ত রাখতে পারি।

আজকের এই আর্টিকেলের মাধ্যমে আমি বিস্তারিত আলোচনা করবো কিভাবে আপনার পেনড্রাইভকে ভাইরাস থেকে সুরক্ষিত রাখবেন এবং কম্পিউটার অথবা ল্যাপটপে ভাইরাস বিস্তার করা প্রতিরোধ করবেন। চলুন জেনে নেই কিভাবে এই সকল ভাইরাস থেকে পেনড্রাইভ নিরাপদ রাখতে পারি।

এক্সপ্লোর এর মাধ্যমে পেনড্রাইভ এ প্রবেশ

আমারা সাধারণত মাই কম্পিউটারে গিয়ে পেনড্রাইভ আইকনে ডাবল ক্লিক করার পর সেটি ওপেন করি। আর এটাই হচ্ছে পেনড্রাইভ থেকে কম্পিউটারে মধ্যে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার সঠিক সময়। তাই ভাইরাস থেকে পেনড্রাইভকে বাঁচতে নীচের পদ্ধতি গুলাে অনুসরণ করে পেনড্রাইভ ওপেন করবেন:

প্রথমে “My Computer” প্রবেশ করে রাইট বাটন ক্লিক করে “Explorer” ক্লিক করুন কিংবা কীবোর্ড থেকে “Windows Key + E” চাপুন। সেখানে থেকে আপনার পেনড্রাইভের আইকনে ক্লিক করুন। এখানে ডান পাশের উইন্ডোতে আপনার পেনড্রাইভের কনটেন্ট দেখতে পারবেন।

আরও পড়ুনঃ এন্ড্রয়েড মোবাইল টিপস এন্ড ট্রিকস

ডিসেবল অটোপ্লে/অটোরান ফাংশান

  • আপনার পেনড্রাইভের অটো-প্লে/অটোরান ফাংশনটি ডিজেবল করে দিন।
  • কন্ট্রোল প্যানেলের ফাইল থেকে এক্সপ্লোরার অপশনে গিয়ে ‘Hide Extension for known file types’ এবং ‘Hide Protected OS files’ আনচেক করুন। তারপর অ্যাপ্লাই ও ওকে বাটনে ক্লিক করুন এবং ফোল্ডারটি বন্ধ করুন।
  • তারপর ডেক্সটপে আসার পরে উইন্ডো স্টার্ট বাটনে ক্লিক করুন অ Search for files & folders অপশন সিলেক্ট করে নিন। সার্চ ডায়লগবক্স আসার পর সেখানে ”All Files & Folders’ ক্লিক করুন। তারপর মোর অ্যাডভান্সড অপশনে গিয়ে ‘সার্চ হিডেন ফাইলস এন্ড ফোল্ডার’ সিলেক্ট করুন। এখন আগে যান এবং লুকইন অপশনে গিয়ে পেন ড্রাইভ সিলেক্ট করুন যেমন E- অথবা G। এখন যদি আপনি কোনো অপরিচিত .Exe ফাইল দেখেন তাহলে সেটাকে মুছে ফেলুন।

ভাইরাস ডিলিট করন

কম্পিউটার এর ইউএসবি পোর্টে পেন ড্রাইভ লাগালে অটোরান উইন্ডো চলে আসবে। এটাকে এড়িয়ে যাওয়ার জন্য ক্যানসেল বাটনে ক্লিক করুন।

তারপর স্টার্ট অপশনে গিয়ে রান এখানে যান, cmd টাইপ করুন কমান্ড প্রম্প উইন্ডো ওপেন করার জন্য।

তারপর মাই কম্পিউটারে যাওয়ার পরে পেনড্রাইভটির ড্রাইভ লেটার চেক করে নিন যদি KingstonI: লেখা থেকে থাকে তাহলে ড্রাইভ হবে I:।

কমান্ড উইন্ডোতে লিখুন I: তারপরে এন্টার চাপুন।

এরপর dir/w/o/a/p লিখে এন্টার চাপুন।

তারপর আপনি পেনড্রাইভের ফাইল তালিকা দেখতে পারবেন। নীচের ফাইলগুলি আছে কি-না লক্ষ্য করুন-

১. Autorun.inf

২. New Folder.exe

৩. Bha.vbs

৪. Iexplore.vbs

৫. Info.exe

৬. New_Folder.exe

৭. Ravmon.exe

৮. RVHost.exe অথবা অন্য কোন ফাইল .exe এক্সটেনশনের.

যদি এগুলোর মধ্যে কোনটা পেয়ে যান তাহলে attrib -h -r -s -a . কমান্ডটি লিখে ইন্টার প্রেস করুন।

তারপর প্রতিটা ফাইল মুছে ফেলুন ডিলিট কমান্ড ব্যাবহার করে- del filename

এইবার এন্টিভাইরাস ব্যবহার করে পেনড্রাইভটি স্ক্যান করে নিন।

আরও পড়ুনঃ রাউটার কেনার আগে যে ৪টি বিষয় মাথায় রাখবেন

পেনড্রাইভ এর ড্রাইভ লেটার টাইপ করে প্রবেশ

সবথেকে সহজ পদ্ধতি হচ্ছে অ্যাড্রেসবারে পেনড্রাইভের ড্রাইভ লেটার লিখে প্রবেশ করা। সিস্টেমটা হচ্ছে ড্রাইভ লেটার + : টাইপ করে ইন্টার চাপা যেমন পেনড্রাইভ এর লেটার যদি H হয়ে থাকে তাহলে অ্যাড্রেসবারে H: টাইপ করে ইন্টার চাপতে হবে।

ফাইল ফরমেট পরিবর্তন করুন

প্রায় সকল পেনড্রাইভ এর ফাইল ফরম্যাট ডিফল্টভাবে Fat32 ফরমেটে থাকে। Fat32 ফরমেটটি ভালো আপনি যখন পেনড্রাইভটি বিভিন্ন অপারেটিং সিস্টেমে যেমন- লিনাক্স, উিইন্ডোজ ও ম্যাক ব্যাবহার করেন। কিন্তু যদি সাধারনত শুধুমাত্র উইন্ডোজে ব্যাবহার করেন তাহলে NTFS ফরমেটটি ব্যাবহার করতে পারেন। এইক্ষেত্রে একটু সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে, আপনার পেনড্রাইভ ২ জিবি কম ধারণক্ষমতার হলে NTFS ফরমেট ব্যাবহার না করাই ভালো কারণ তা পারফর্মেন্স কমিয়ে দেবে। ফরমেট পরিবর্তন করার জন্য নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন:

  • কম্পিউটারের মধ্যে পেনড্রাইভ প্রবেশ করে Device Manager অপশনে যান।
  • Disk Drives মধ্যে USB drive এর নামের উপরে মাউসের ডান বাটনে ক্লিক করে Properties এ যান।
  • সেখানে Policies Tab থেকে Better Performance অপশন সিলেক্ট করুন।
  • এবার আপনার কম্পিউটারে গিয়ে ফাইল সিস্টেম NTFS সিলেক্টেড থাকা অবস্থায় পেনড্রইভটি ফরমেট করুন।

সিকিউরিটি পারমিশন পরিবর্তন

আপনার পেনড্রাইভের ডাটা রিড/রাইট পারমিশন পরিবর্তনের মাধমেও নিরাপদ করতে পারেন। সেজন্য যা করতে হবে:

  • ড্রাইভের উপরে রাইট বাটনে ক্লিক করে Properties এর Security ট্যাব থেকে Everyone সিলেক্ট অবস্থায় পারমিশন Read Only করুন।
  • তারপর Write নামে একটি ফোল্ডার তৈরি করে নিন যার পারমিশন দিন রিড/রাইট read/write। এখন আপনি যখনই কোনো পেনড্রাইভ কম্পিউটারে প্রবেশ করবেন এবং তাতে কোনো ভাইরাস থাকলে তা আপনার কম্পিউটারের কোনো ফাইল ইফেক্ট করতে পারবেনা। আপনার সব ডাটা write নামের ফোল্ডারে সংরক্ষন করবেন।

ইথিক্যাল হ্যাকিং কি | ইথিক্যাল হ্যাকিং এর প্রয়োজনীয়তা | কেন হবেন ইথিক্যাল হ্যাকার

ইথিক্যাল হ্যাকিং – সবাই আমরা কমবেশি হ্যাকিং শব্দের সঙ্গে পরিচিত। আবার অনেকেই আছেন যারা হ্যাকিং বলতে শুধুমাত্র অপরাধমূলক কাজকে বুঝে থাকেন। মূলত হ্যাকার সম্প্রদায় তাদেরকে তিনটি ভাগে ভাগ করে থাকে। যার মধ্যে হচ্ছে গ্রে হ্যাট হ্যাকার, ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার এবং অন্যটি হোয়াইট হ্যাক হ্যাকার। ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকাররা কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই সিস্টেমে বেআইনিভাবে প্রবেশ করে এবং নানা ক্ষতি করে থাকে।

ইথিক্যাল হ্যাকিং এর প্রয়োজনীয়তা

অন্যদিকে হোয়াইট হ্যাট হ্যাকাররা সিস্টেম ককর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে সিস্টেমের ত্রুটি বা সমস্যাগুলো খুঁজে বের করে এবং এর বদলে তারা মোটা অংকের টাকা পেয়ে থাকে। মূলত হোয়াইট হ্যাকারদেরকেই ইথিক্যাল হ্যাকার বলা হয়ে থাকে। ইথিক্যাল হ্যাকিং এর বিস্তারিত এবং কিভাবে আপনি ইথিক্যাল হ্যাকিং এ ক্যারিয়ার গড়বেন এ নিয়েই আজ আলোচনা করব।

ইথিক্যাল হ্যাকিং কি?

ইথিক্যাল হ্যাকিং বলতে সাধারণত নৈতিক হ্যাকিং বা বৈধ হ্যাকিংকে বোঝানো হয়। অনেক হ্যাকার আছেন যারা কোন সাইটের বা সিস্টেমের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে সেখানে বেআইনিভাবে প্রবেশ করে। কিন্তু আপনি যদি একজন ইথিক্যাল হ্যাকার হয়ে থাকেন তাহলে আপনি কখনোই এমনটা করতে পারবেন না। ইথিক্যাল হ্যাকাররা সিস্টেম কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে সিস্টেমটিতে প্রবেশ করে এবং এর এক্সেস নেয়, কিন্তু সে সাইটটির কোনো ক্ষতি করতে পারবে না কিংবা সাইট এর কোনো তথ্য অন্য কোথাও প্রকাশ করতে পারবে না। পরবর্তীতে সে ঐ সাইট এর দুর্বলতাগুলো চিহ্নিত করে সাইট কর্তৃপক্ষকে জানায় এবং সমস্যা প্রতিকার এর সমাধান দিয়ে থাকে।

ইথিক্যাল হ্যাকার গণ মূলত ৪টি মূল প্রোটোকল ধারণা অনুসারণ করে। সেগুলো হচ্ছে-

আইন মেনে চলা: ইথিক্যাল হ্যাকারদের কোন সাইট বা সিস্টেমের আক্সেস ও সমস্যা ঠিক করার করার পূর্বে যথাযথ আইনি অনুমোদন নেয়ার দরকার হয়।

সুযোগ নির্ধারণ : ইথিক্যাল হ্যাকারদের মূল্যায়ন করার সুযোগটি নির্ধারণ করার প্রয়োজন হয় যেন কোন কাজ আইনি ও প্রতিষ্ঠানের অনুমোদিত সীমানার মাঝে থাকে।

দুর্বলতার তথ্য প্রদান: মূল্যায়নের সময়ে পাওয়া সব দুর্বলতার তথ্য সিস্টেমের বা সাইটের কর্তৃপক্ষকে জানানো এবং সাইটের দুর্বলতাগুলো সমাধান করার জন্যে ইথিক্যাল হ্যাকাররা নানা রকম পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

ডেটা সংবেদনশীলতা: ডেটা সংবেদনশীলতার উপরে নির্ভর করে ইথিক্যাল হ্যাকাররা সিস্টেমের কর্তৃপক্ষের দ্বারা প্রয়োজনীয় শর্তাবলী বাদেও প্রকাশ না করার জন্য চুক্তিতে সম্মত হতে হয়।

আরও পড়ুনঃ কম্পিউটারের জন্য প্রয়োজনীয় ৫টি সফটওয়্যার

কেন হবেন ইথিক্যাল হ্যাকার?

বর্তমানে ইথিক্যাল হ্যাকারদের প্রচুর চাহিদা রয়েছে। ইথ্যিকাল হ্যাকারদের চাহিদা যেমন বেড়েছে তেমনি বেড়েছে সাইবার ভিত্তিক বিভিন্ন অপরাধ এর সংখ্যা। তাই অনেক দেশেই এখন ইথিক্যাল হ্যাকারদের নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশও এখন ইথিক্যাল হ্যাকারের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। বাংলাদেশ সরকারের অনেক সাইট এখনও অরক্ষিত, সেখানে প্রায়শই সাইবার হামলার কথা শোনা যায়। এ পরিস্থিতিতে এখন ইথিক্যাল হ্যাকারদের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। 

তাছাড়াও এখন বেসরকারী বিভিন্ন কোম্পানি রয়েছে যারা তাদের সাইট এর সুরক্ষার জন্য ইথিক্যাল হ্যাকারদের নিয়োগ দিচ্ছে। অাপনি যদি একজন ইথিক্যাল হ্যাকার হয়ে থাকেন তাহলে আপনাকে কোনো প্রকার আইনি জটিলতায় পড়তে হবে না। একজন ইথ্যিকাল হ্যাকারের বেতন কত? সাধারণত দেশ সহ দেশের বাহিরে একজন ইথিক্যাল হ্যাকারের মাসিক বেতন ৬০ লক্ষ টাকা বা এর চেয়েও বেশি টাকা। 

প্রথম প্রথম আপনি ১ লক্ষ থেকে শুরু করতে পারেন। পরবর্তীতে সেটা বৃদ্ধি পেয়ে ১০ লক্ষ বা তার অধিকও হতে পারে। অাপনি ইচ্ছা করলে ঘরে বসেও ফাইবার, ফ্রিল্যান্সার থেকে বিভিন্ন ক্লায়েন্ট অর্ডার নিয়ে তাদের সাইট এর ত্রুটিগুলো খুঁজে বের করে ইথিক্যাল হ্যাকিং এর কাজ করতে পারেন। এগুলো বিদেশি সাইট হওয়ায় আপনি এখান থেকে অারও অধিক টাকা টাকা লাভ করতে পারেন।

আরও পড়ুনঃ অন্যের ইমু নাম্বার জানার উপায়

Read more

এন্ড্রয়েড মোবাইল টিপস এন্ড ট্রিকস

এন্ড্রয়েড মোবাইল টিপস – আমি আপনি ও মোবাইল ফোন ব্যবহার করা মানুষদের মধ্যে প্রায় ৮০ শতাংশ লোকেরা একটি স্মার্টফোন ব্যবহার করেছেন। আর সেই মোবাইল ব্যবহার করা লোকদের মাঝে বেশিরভাগই এন্ড্রয়েড স্মার্টফোন ব্যবহার করেন। আন্ড্রয়েড স্মার্টফোন সবাইর মধ্যে খুবই প্রচলিত এবং লোকেরা কিছু অসধারণ এবং কাজের এন্ড্রয়েড টিপস জানার জন্য অবশ্যই আগ্রহ রাখেন।

তাই আজকের এই আর্টিকেলে আমি আপনাদের সঙ্গে সেরা কয়েকটি এবং প্রয়োজনীয় এন্ড্রয়েড মোবাইল ফোনের কিছু টিপস অ ট্রিকস শেয়ার করবো। আমি নিচে দেয়া Android মোবাইল টিপস গুলি অনেক কাজের এবং আপনাদের অবশই ভালো লাগবে।

এন্ড্রয়েড মোবাইলের সেরা ১৫ টি টিপস এন্ড ট্রিকস

এখন, আমি নিচে বলা মোবাইলের টিপস বা ট্রিকস গুলির মধ্যে হয়তো কিছু আপনার আগেও জানা থাকতেই পারে। কিন্তু, অনেকেই হয়তো সেই সাধারণ জিনিস গুলিও জানেনা যেগুলি আমাদের জন্য জল ভাত। তাই, আমি যে ১৫ টি android মোবাইল টিপস এর ব্যাপারে বলবো, সেগুলি আমার মতে অনেক কাজের এবং কিছু টিপস (tips) সাধারণ হলেও, এন্ড্রয়েড মোবাইল (android mobile) ব্যবহার করা সব ধরণের লোকেরা সেগুলি জানাটা জরুরি।

মোবাইলের ব্যাটারির আয়ু বাড়ান

মোবাইল চার্জে (charge) দিয়ে ব্যবহার করবেননা। এতে, মোবাইলের ব্যাটারিতে খারাপ প্রভাব পরে এবং অনেক জলদি ব্যাটারি খারাপ হয়ে যেতে পারে। তাছাড়া, আপনার android mobile সব সময় ৯২% বা তার থেকে কম চার্জ দিবেন এবং ২০% এর নিচে চার্জ থাকলে ব্যবহার করবেননা। সম্পূর্ণ ১০০% চার্জ হয়ে গেলে, ধ্যান দিয়ে চার্জার টা মোবাইল থেকে খুলে দিবেন। নাহলে, ব্যাটারিতে চাপ পরে। মোবাইলের ব্যাটারির সাথে জড়িত এই টিপস গুলি মেনে চললে, আপনার এন্ড্রয়েড মোবাইলের ব্যাটারী অনেক বছর ভালো ভাবে কাজ করবে।

আরও পড়ুনঃ ২০২১ সালের সেরা এন্ড্রয়েড এন্টিভাইরাস

মোবাইলের স্ক্রিন রেকর্ড করুন

আপনারা যদি YouTube tutorial videos বানান তাহলে এন্ড্রয়েড মোবাইল ব্যবহার করে স্ক্রিন রেকর্ড করে স্ক্রিনের ভিডিও বানানোর প্রক্রিয়া আপনাদের অনেক কাজে আসবে। গুগল প্লে স্টোরে গিয়ে, AZ screen recorder বা Mobizen screen recorder app এর মধ্যে যেকোনো একটি নিজের মোবাইলে ডাউনলোড এবং ইনস্টল কোরে, আপনারা android মোবাইলের স্ক্রিন ভিডিও হিসেবে রেকর্ড করতে পারবেন।

মোবাইলে antivirus apps ব্যবহার

একটি android mobile কেনার পর আমরা তাতে অনেক রকমের apps বা files ব্যবহার করি এবং ইন্টারনেট ব্যবহার করে বিভিন্য ওয়েবসাইটে visit করাটাতো সাধারণ কথা। কিন্তু, আপনারা জানেন, ইন্টারনেটের বিভিন্য ওয়েবসাইট, apps বা files এর অবিশ্বস্ত জায়গার থেকে নিজের মোবাইলে ডাউনলোড করা বা ব্যবহার করায় আপনার মোবাইলে অনেক ধরণের malware, spyware, adware বা Trojan ভাইরাস ঢুকে জায়গা কোরে নিতে পারে। তাই, অবশই নিজের এন্ড্রয়েড মোবাইলে একটি ভালো এন্টিভাইরাস app ব্যবহার করবেন। যাতে, বাইরের থেকে আপনার মোবাইলে কোনো রকমের ক্ষতিকারক ভাইরাস না ঢুকতে পারে। 

Disable unnecessary pre-installed apps

আমরা যখন একটি এন্ড্রোয়েড স্মার্টফোন (android smartphone) কিনি, তখন তাতে আগের থেকেই কিছু apps install করা থাকে যেগুলি আমরা ব্যবহার করিনা। এবং, এই এপ্লিকেশন (application) গুলি আমাদের মোবাইলের ইন্টারনাল স্টোরেজ স্পেস নিয়ে রাখে এবং background update বা background এ চলতে থাকার ফলে মোবাইলের ব্যাটারী, storage এবং processor ব্যবহার হোতে থাকে।

তাই, অকারণে নিজের মোবাইলের ব্যাটারী এবং স্পিড ক্ষয় হতে না দেয়ার জন্য, আপনি সেই pre-installed apps গুলি Disable কোরে রাখতে পারেন। Apps disable করলে, আপনার প্রয়োজন না হওয়া apps গুলি মোবাইল ফোনে থাকা সত্ত্বেও কোনো রকমের কাজ করবেন। Background এ চলতে থাকা বা ব্যাটারী ব্যবহার করা, এধরণের কাজ apps গুলি করতে পারবেনা। Android apps disable করার জন্য আপনারা >> settings >> app manager বা apps এ গিয়ে app বেঁচে তারপর তাকে enable বা disable করতে পারবেন।

আরও পড়ুনঃ ঈদের শুভেচ্ছা এসএমএস

Restrict background data of apps

আমাদের মোবাইলের অনেক রকমের apps কম বেশি পরিমানে background এ data বা ইন্টারনেট ব্যবহার করতে থাকে। সেবেপারে আমরা বুঝিনা কিন্তু background এ ইন্টারনেট ব্যবহারের ফলে আপনার ইন্টারনেট প্যাক (internet pack) অনেক জলদি শেষ হয়ে আসে এবং আপনি তার কারণ বুঝে পাননা।

তাই, android mobile এর settings অপশনে গিয়ে তার পর Data usage অপশনে গেলে, আপনারা সেই apps এর তালিকা দেখবেন যেগুলি মোবাইলে সব থেকে বেশি ইন্টারনেট ডাটা (internet data) ব্যাকগ্রাউন্ডে (background) ব্যবহার করছেন। এবং, apps এর তালিকার থেকে, যেই app সব থেকে বেশি background data ব্যবহার করছে তাকে select বা ক্লিক কোরে তাতে থাকা “data” অপশনটি disable কোরে দিলেই সেই app ব্যাকগ্রাউন্ডে আর ডাটা বা ইন্টারনেট ব্যবহার করবেন।

ইন্টারনাল স্টোরেজ ফ্রি করুন

আমাদের মোবাইলের ইন্টারনাল স্টোরেজ (internal storage) যখন সম্পূর্ণ ভাবে শেষের দিকে এসে পরে, তখন কিছু এপস ইনস্টল (apps install) করতে গেলেই, “Low internal storage” এর একটি মেসেজ চোলে আসে। ফলে, নতুন এপস মোবাইলে ইনস্টল করাটা অসম্ভব হয়ে পরে। তাছাড়া, মোবাইলের ইন্টারনাল স্টোরেজ লো হয়ে গেলে বা অনেক কোমে গেলে, মোবাইল স্লো কাজ করে এবং কিছু ক্ষেত্রে হ্যাং (hang) হওয়া শুরু করে। তাই, কিছু সাধারণ টিপস ব্যবহার কোরে আপনারা নিজের মোবাইলের ইন্টারনাল স্টোরেজ স্পেস (internal storage space) বাড়িয়ে নিতে পারবেন। 

Delete unnecessary apps – সবচে আগেই, আপনার মোবাইলের ইন্টারনাল স্টোরেজ থেকে অপ্রয়োজনীয় এপস ডিলিট করুন। যেসব, এপস আপনি ব্যবহার করেন কেবল সেগুলি মোবাইল ফোনে রাখুন।

Shift media to memory card – যদি আপনার মোবাইল অনেক videos বা music file আছে, তাহলে সেগুলি একটি external memory card এ transfer করুন। কেবল, Rs.৩০০ এর ভেতরেই আপনারা একটি ১৬ জিবি memory card বাজারে পেয়েযাবেন।

Clean apps cache data – প্রত্যেকটি apps আপনার মোবাইলের কিছু জায়গা ক্যাশে ডাটা (cache data) হিসেবে নিয়ে রাখে। তাই, সময়ে সময়ে এই ক্যাশে ডাটা ডিলিট কোরে আপনারা মোবাইলের ইন্টারনাল স্টোরেজ বাড়িয়ে নিতে পারবেন। আপনারা, settings >> manage apps বা installed apps এ গিয়ে এক এক কোরে apps বেঁচে নিয়ে তারপর cache delete বা delete data অপশনে গিয়ে মোবাইলে ক্যাশে ডিলিট করতে পারবেন।

আরও পড়ুনঃ কি কারণে কিডনিতে পাথর হয়

Make smartphone stylish

আপনারা launcher apps এর ব্যাপারে জানেন কি না ? বিভিন্য Launcher aaps যেমন Nova launcher বা Go launcher বা আরো অনেক রকমের ফ্রি launcher apps এন্ড্রয়েড মোবাইলে ইনস্টল কোরে বিভিন্য themes এর দ্বারা নিজের স্মার্টফোনের LOOKS CUSTOMIZE, icon, home screen customize করে বদলে দিয়ে আরো আকর্ষণীয় বানিয়ে নিতে পারবেন। আপনারা হাজার হাজার সুন্দর এবং আকর্ষণীয় থেমিস (themes) পেয়েযাবেন।

Reboot your smartphone

যেভাবে, আমাদের শরীরে ঘুমের প্রয়োজন এবং ঘুমোলে আমরা fresh এবং সক্রিয় মনে করি ঠিক সেভাবেই একটি স্মার্টফোন ও মাঝে মাঝে রিস্টার্ট (restart) বা রিবুট (reboot) করলে, সে fresh এবং আবার সক্রিয় (active) হয়ে উঠে। আপনি, নিজেই দেখবেন, যখন আপনার মোবাইল বেশি হ্যাং (hang) হবে বা স্লো (slow) কাজ করবে, তখন তাকে একবার restart বা reboot করে দিলেই সে আবার দ্রুত কাজ করা শুরু করে। তাই, আপনার android smartphone দিনে একবার হলেও reboot বা restart করবেন। এতে, মোবাইলের কর্মক্ষমতা হটাৎ ভালো হয়ে উঠে।

Read more

ডিপফেক ভিডিও থেকে সাবধান

সম্প্রতি বারাক ওবামা একটি ভিডিওতে ডনাল্ড ট্রাম্পের সমালোচনা করতে দেখা যায়। কিন্তু মূলত সেটি ছিল একটি ডিপফেক ভিডিও। প্রযুক্তির সহায়তায় …

Read more

প্রবীণদের মানসিক সুস্থতার ৫টি উপায়

বিশ্বব্যাপী আতঙ্কের নাম হচ্ছে নভেল করোনাভাইরাস। এর থেকে রক্ষার কোন কার্যকর উপায় বর্তমানে জানা নেই। প্রতিটি ক্ষেত্রেই এর প্রভাব লক্ষ্যনীয়। …

Read more

Huawei Nova 8 Pro 4G | হুয়াওয়ে নতুন স্মার্টফোন নোভা ৮ প্রো ফোরজি

জনপ্রিয় টেক ব্র্যান্ড Huawei হুয়াওয়ে তাদের নোভা সিরিজের নতুন স্মার্টফোন ‘হুয়াওয়ে নোভা ৮ প্রো ফোর জি’ বাংলাদেশের বাজারে নিয়ে আসছে। ৮ জিবি র‍্যাম এবং ১২৮/২৫৬ জিবি রোমের এই স্মার্ট ফোন টি বাংলাদেশের বাজারে পাওয়া যাচ্ছে।

প্রসেসর

সকল ফিচারস সুন্দরভাবে চালাতে একটি শক্তিশালী CPU প্রসেসর অপরিহার্য। দারুণ পারফরমেন্স নিশ্চিত করআর জন্য স্মার্টফোনটিতে চিপসেট হিসাবে ব্যবহার করা হয়েছে কিরিন অক্টাকোর প্রসেসর যা ইউজারের চাহিদা অনুযায়ী কার্যক্ষমতা প্রদান করবে।

অপারেটিং সিস্টেম

হুয়াওয়ে নোভা ৮ প্রো ফোর জি এই স্মার্টফোনে ব্যবহার করা হয়েছে অপেরাটিং সিস্টেম অ্যান্ড্রয়েড ১০ EMUI ১১। এই ফোনে গুগল প্লে সুবিধাটি নেই।

আরও পড়ুনঃ Realme Narzo 30A | Realme Narzo 30A Full Specifications

ডিসপ্লে

হুয়াওয়ে নোভা ৮ প্রো ফোর জি স্মার্টফোনে রয়েছে ৬.৭২ ইঞ্চির এলইডি ডিসপ্লে। যার বডি স্ক্রীন রেশিও ৯১.৭% এবং ৪৩৯ পিপিআই PPI ডেনসিটি এবং ডিসপ্লে রেজুলেশন (১২৩৬X২৬৭৬) পিক্সেলস।

ক্যামেরা

হুয়াওয়ে নোভা ৮ প্রো ফোর জি স্মার্টফোনে ক্যামেরা সেটআপে কোয়াড ক্যামেরা ব্যবহার করা হয়েছে। এতে মেইন ক্যামেরা ৬৪ মেগাপিক্সেলের ওয়াইড ক্যামেরা, একটি ৮ মেগাপিক্সেলের আলট্রা ওয়াইড ক্যামেরা ও একটি ২ মেগাপিক্সেলের ডেপথ ক্যামেরা এবং আর একটি ২ মেগাপিক্সেলের ম্যাক্রো ক্যামেরা আছে। এতে এলইডি ফ্ল্যাশ, প্যানোরামা, এইচডিআরসহ বিভিন্ন ফিচারর আছে। এই স্মার্টফোনে ১৬ মেগাপিক্সেলের একটি ওয়াইড সেলফি ক্যামেরা এবং ৩২ মেগাপিক্সেলের একটি আলট্রা ওয়াইড সেলফি ক্যামেরা ব্যবহার করা হয়েছে। সেলফি ক্যামেরাটিতে এইচডিআরসহ বেশ কিছু ফিচার আছে। এছাড়াও স্মার্টফোনে সর্বোচ্চ 8K রেজুলেশনের ভিডিও ধারণ করা যাবে।

স্টোরেজ

Huawei Nova 8 ProG স্মার্টফোনে 8GB র‍্যাম ব্যবহার করা হয়েছে যা আপানাকে দিবে চমৎকার স্মুথ এবং দীর্ঘ বিনোদন বা গেমিং সেশন। আর ১২৮/২৫৬ রম ব্যবহার করা হয়েছে যা ফোনের স্টোরেজ ফুরিয়ে যাওয়া নিয়েও ভাবতে হবে না।

ব্যাটারি

হুয়াওয়ে নোভা ৮ প্রো ফোর জি স্মার্টফোনে লি-পো ৪০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের ব্যাটারি আছে যাতে ৬৬ ওয়াটের ফাস্ট চার্জিং এবং ৫ ওয়াটের রিজার্ভ চার্জিং সুবিধা রয়েছে।

অন্যান্য

হুয়াওয়ে নোভা ৮ প্রো ফোরজি স্মার্টফোনের আকার ৬.৪৩ x ২.৯২ x ০.৩১ ইঞ্চির। স্মার্টফোনটি কালো, নীল, সবুজ, সাদা রঙে পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া ফিঙ্গারপ্রিন্ট ডিসপ্লে আন্ডার, অপটিক্যাল, অ্যাক্সিলোমিটার, গায়রো, প্রক্সিমিটি, কম্পাস সুবিধা রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ কম দামে মধ্যে সেরা ৫টি স্মার্টফোন

Read more