how to deactivate facebook

how to deactivate facebook — Facebook is still in the spotlight. There has been talk in recent months about privacy and changes in the policies of use by companies and the ways we have to protect our privacy and our data. There are many companies that use functions available in their applications to collect data and information from their users that they store and sometimes share with third parties.

This has caused thousands of users to consider closing or suspending their account on the social network. But the platform does not make it easy at all, and it is that it is a complex job for the user who wants to temporarily close his account or directly delete it completely.

How to delete or deactivate your Facebook account

Due to this we have seen ourselves with the obligation to make it easy for our readers, and that is that we are going to show you how to carry out this process in a simple way step by step.

How to delete or deactivate your Facebook account step by step

Temporarily deactivate your Facebook account

One of the most useful alternatives is to deactivate the account temporarily, these will allow us to reactivate it in the future whenever we want without having lost anything that we had before pausing it, that is, we will not lose anything from our profile, no photos, no messages, no settings, nothing. In addition, while it is deactivated, no user can see your profile or search for you while you are deactivated.

To temporarily pause/deactivate your account follow these steps:

1. Enter Facebook from the browser.

2. Click the down arrow in the top right.

3. Select “Settings and Privacy”.

4. Choose Your Facebook Information.

5. Click “Deactivation and deletion”, then Deactivate your account and follow the instructions to confirm the deactivation

6. To finish, enter your password, click “Continue” and you’re done.

Permanently delete your Facebook account

If, on the other hand, we want to permanently delete our account, that is, delete it forever, it is also possible. In this case, the social network plays “longing” with the user so that they think about it, since, if we request the definitive deletion of our account, the social network gives us 30 days, that is, a whole month to rethink if we really want to leave your network.

To permanently delete your Facebook account, follow these steps:

1. Enter Facebook from the browser.

2. Click the down arrow in the top right.

3. Select “Settings and Privacy”.

4. Choose Your Facebook Information.

5. Click on “Deactivation and deletion”, then on “Delete your account” and follow the instructions to confirm the permanent deletion of your account.

6. To finish, enter your password, click “Continue” and you’re done.

Read more

মোবাইলে পানি ঢুকলে করণীয়

মোবাইলে পানি ঢুকলে করণীয় — মোবাইলে পানি ঢুকলে করণীয় — যদি আপনার মোবাইল ফোনটি পানিরোধী না হয়ে থাকে তাহলে ফোনটি পানিতে ভিজে গেলে আপনি ঝামেলায় পড়তে পারেন। বৃষ্টির পানিতে ভিজতে পারে আপনার মোবাইল ফোন। মোবাইল ফোন সাথে রেখে মনের ভুলে গোসল শুরু করতে পারেন। 

এছাড়াও মোবাইলের উপরে চা ও কফি দুর্ঘটনাবশত পড়তে পারে। যার ফলে মোবাইল ফোনটি বন্ধ হয়ে যেতে পারে। চিন্তার কোনো কারণ নেই। যদি এই রকম কোনো সমস্যা হয় তাহলে আমরা আপনাকে কিছু পরামর্শ দিবো যেগুলো মেনে চললে আপনার মোবাইল ফোনটি পুনরায় চালু করতে পারবেন। মোবাইলে পানি ঢুকলে করণীয় বিষয়গুলো নিম্নে দেওয়া হলো।

দ্রুত ফোন বন্ধ করে ফেলুন

মোবাইল ফোন পানির সংস্পর্শে আসলে দ্রুত ফোনটিকে বন্ধ করে নিন। এরপর দ্রুত ফোনটিকে কাগজ কিংবা নরম কোনো তোয়ালে দিয়ে মুছে নিন। তারপর দ্রুত সিম এবং ব্যাটারিকে খুলে ফেলুন। সাবধানতার সাথে এগুলোকে রোদে শুকােতে দিন। মনে রাখবেন সরাসরি রোদে শুকানো যাবেনা। মোবাইল ফোনে থাকা অন্যান্য ডিভাইসগুলোকে আলাদা করে রাখুন। যেমনঃ ফোনের কভার, হেডফোন ইত্যাদি। মোবাইল ফোনটিকে ভালোভাবে শুকিয়ে নিন। অবশ্যই আপনাকে দ্রুত এবং সতর্কতার সঙ্গে পানি মুছে নিতে হবে।

আরো পড়ুনঃ সকল বীমা কোম্পানির তালিকা

ব্যাটারি পরীক্ষা করুন

মোবাইল ফোন পানিতে ভিজে নষ্ট হয়ে গেলে সেই ফোনের ওয়ারেন্টি আর কাজে আসবে না। পানিতে মোবাইলের কোনো ক্ষতি হয়েছে কি-না তা পরীক্ষা করার জন্যে ব্যাটারি পরীক্ষা খুলে পরীক্ষা করে নিন। ব্যাটারিতে সাদা রংয়ের ক্ষুদ্র স্টিকার যুক্ত থাকে আর্দ্রতা পেলে সেই স্টিকার লাল কিংবা গোলাপি রঙ ধারণ করবে।

মুছে ফেলুন ফোনে লেগে থাকা পানি

মোবাইলের বাইরে লেগে থাকা পানি মুছতে আপনি ইউজ করুন নরম শুকনা কাপড় বা পেপার টাওয়েল। এছাড়াও আপনি ভ্যাকুয়াম ক্লিনারের সাহায্যে শুকাতে পারেন ফোন। তবে হ্যাঁ ভ্যাকুয়াম ক্লিনার ব্যবহার করে ফোনটিকে শুকানোর পূর্বে সতর্ক থাকুন। এই যন্ত্র ভেজা ফোনের খুব বেশি কাছে ধরবেন না। মোবাইল ফোন শুকানোর জন্য হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার না করাই উত্তম। মোবাইল ফোনের পানি মুছতে ব্যবহার করুন নরম শুকনা কাপড় বা পেপার টাওয়েল।

আরো পড়ুনঃ নতুন মোবাইল কেনার পর করণীয়

চালের মধ্যে ফোনটি রাখুন

আপনার ভেজা মোবাইল ফোনটিকে একটি শুকনো প্লাস্টিকের ব্যাগ কিংবা বাতাস চলাচল করেনা এমন কন্টেইনারের মাঝে রেখে দিন। এছাড়াও ব্যাগভর্তি কিংবা পাত্র ভর্তি চালের মাঝে রাখতে পারেন। এ সময়ে ফোন ওপেন করবেন না কিংবা ব্যাটারিও লাগাবেন না। কেননা ভেজা কোনো জিনিসের পানি শুষে নেয়ার ক্ষমতা রাখে হচ্ছে চাল। মোবাইল রিস্টার্ট দেয়ার পূর্বে ২৪ ঘণ্টা এইভাবে রাখতে পারেন।

আবার মোবাইল চালু করার পূর্বে ফোনের পোর্টগুলোতে পানি জমে রয়েছে কি-না সেটা পরীক্ষা করে নিন। এছাড়াও মোবাইলের কোথাও ভেজা থাকলে সেটা ভালোভাবে মুছে নিন ও শুকিয়ে নিন। আপনার মোবাইলটি যদি চালু না হয় তাহলে ব্যাটারি খুলে রেখে দিন ও সার্ভিস সেন্টারে মোবাইলটিকে নিয়ে যান।

ফ্যানের বাতাসে মোবাইল শুকাবেন না

মোবাইল ফোন পানিতে ভিজে গেলে ব্যাটারি খুলে ফোনটিকে সরাসরি খোলা ঘরের মাঝে ফ্যানের বাতাসে কখনও শুকাবেন না। এতে হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার না করাই উত্তম। মোবাইল ফোনে কোনো গরম বাতাস ব্যবহার করবেন না। আপনার মোবাইলটিকে শুকানোর জন্যে এয়ার কন্ডিশন ভেন্টের সম্মুখে কিছুক্ষণ ধরে রাখতে পারেন।

আরো পড়ুনঃ এসি ছাড়া ঘর ঠান্ডা রাখার উপায়

Read more

ছেলেদের চুল পড়া বন্ধ করার উপায় – ছেলেদের চুল পড়া বন্ধ করার সহজ উপায়

ছেলেদের চুল পড়া বন্ধ করার উপায় – ছেলেদের চুল পড়া বন্ধ করার সহজ উপায় — দৈনন্দিন জীবনে চুল পড়া সমস্যা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষত ছেলেদের মানে যাদের এখনো চুল পড়ার মতো বয়স হয়নি বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তাদের এই সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। আসলে ছেলেদের দৈনন্দিন জীবনে কিছু ভুলের জন্য চুল পড়তে থাকে। আর সেই ভুল গুলো আমরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই করে থাকি। তো সেই ভুল গুলো নিচে দেওয়া হল। চুলের যত্ন নেয়ার ১০ টি কার্যকর টিপস। মাথার পাতলা চুল ঘন করার উপায়।

চুল পড়ার কারণ

১. যদি আমরা চুল পড়ার কারণ না জানি তাহলে তার সমাধান করতে পারব না। তাই আগে ভুলগুলো জেনে নিন। আমরা চুলের ঠিকমতো যত্ন করি না। চুলের মধ্যে বিভিন্ন রকম হেয়ার প্রোডাক্ট ( হেয়ার জেল, কালার) বেশি বেশি পরিমাণে ব্যবহার করে ফেলি। এইসব হেয়ার প্রোডাক্ট গুলো কেমিক্যাল এ ভর্তি। কেমিক্যাল আমাদের চুলকে বিভিন্ন ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ করে। এছাড়া চুলে বেশি পরিমাণে হেয়ারস্টাইল করা প্রোডাক্ট ব্যবহারের ফলে আমাদের চুল খারাপ হয়ে যায়। এবং চুল ধীরে ধীরে পাতলা হয়ে যেতে থাকে। যার ফলে চুল বেশি পরিমাণে পড়তে শুরু করে।

তাছাড়া আমরা চুলের কখন কি লাগাতে হবে। কি নিয়মে লাগাতে হবে এবং কতটা ব্যবহার করতে হবে যেসব বিষয়ে কোনো ধারণা থাকে না। যার ফলে আমরা ভুল পদ্ধতিতে চুল পরিচর্যা করে চুলের উপকার পাওয়ার বদলে ক্ষতি করে থাকি। এর ফলে চুল প্রচুর পরিমাণে পড়তে থাকে।

২. অনেক ছেলেরা কমবয়সে বেশি পরিমাণে হস্তমৈথুনের নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়ে। বেশিরভাগ ছেলেদের ই এটা অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। আপনি কি ভাবছেন হস্তমৈথুন করে আপনার চুল পড়া বন্ধ হবে। হস্তমৈথুনের ফলে মানসিক ভাবে যেমন সমস্যা দেখা দেয় তেমনি শারীরিক সমস্যায় পড়তে হয়। তাই যদি চুলের আয়ু বাড়াতে চান তাহলে হস্তমৈথুন করা ছেড়ে দিন। হস্তমৈথুন করা ছেড়ে দিলে চুল পড়া বন্ধ হবে।

৩. জেনেটিক কারনে আমাদের চুল পড়া শুরু হয়। জেনেটিক কারন বলতে আপনার পরিবারের কারো চুল দুর্বল থাকলে আপনার ও চুল দুর্বল হতে পারে। কিছু টিপস্ ফলো করলে জেনেটিক চুল পড়া বন্ধ করা যায়। এক্ষেত্রে অন্যদের তুলনায় আপনার চুলের যত্ন বেশি পরিমাণে করতে হবে।

৪. আয়রন এর ঘাটতি দেখা দিলে চুল পড়া সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে। এক্ষেত্রে আয়রন যুক্ত খাবার গ্রহণ করতে হবে। যেমনঃ পান্তা ভাত।

আরো পড়ুনঃ অনুপ্রেরণা মূলক উক্তি | জীবন নিয়ে উক্তি | ভুল নিয়ে উক্তি | স্বপ্ন নিয়ে উক্তি

চুল পড়া বন্ধ করার উপায়

চুল পড়া বন্ধ করতে হলে প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে এক গ্লাস জল পান করতে হবে। যার ফলে পেটের মধ্যে জমে থাকা ময়লা প্রস্রাব এর মাধ্যমে বেরিয়ে যাবে। তাছাড়া আমাদের শরীরের মধ্যে যে ক্ষতিকর টক্সিন তৈরি হয় সেগুলো বেরিয়ে যায়। যার ফলে চুল পড়া আটকানো যায়।

জল পান করার ১০ মিনিট পর নিম পাতা ধুয়ে চিবিয়ে চিবিয়ে খান। নিম পাতার মধ্যে প্রচুর পরিমাণে বিটা ক্যারোটিন, অ্যামাইনো এসিড, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। এইসব উপাদান গুলো চুলের ফলিকলকে মজবুত করতে সাহায্য করে। যার ফলে চুল পড়া বন্ধ করা যায়। আপনি ৫ থেকে ৬ টি নিমের পাতা চিবিয়ে চিবিয়ে খান তাহলে এর থেকে বেশী উপকার পাবেন। তাছাড়া চুল পড়া বন্ধ করতে হলে খাবার এর প্রতি নজর দিতে হবে।

চুল পড়া বন্ধ করতে কি কি খাওয়া উচিত।

দৈনন্দিন জীবনে আমরা কিছু ভুল খাদ্য গ্রহণ করি। এর ফলে আমাদের চুল পড়ার সমস্যা বাড়তে থাকে। কি কি খাবার খেলে চুল পড়া বন্ধ হবে এবং নতুন চুল গজাবে। খাবার এর মধ্যে কিছু পুষ্টিকর উপাদান থাকে যেগুলো আমাদের চুল পড়া বন্ধ করতে পারে। এবং নতুন চুল গজায়।

চুলের জন্য কি কি উপাদান দরকার

চুলের জন্য যেসব উপাদান দরকার সেগুলো হলো বায়োটিন, ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড, জিংক, আয়রন, প্রোটিন ও ভিটামিন সি। এই সব পুষ্টিকর উপাদান গুলো খুব সহজেই কিছু প্রাকৃতিক খাবার গ্রহণ এর মাধ্যমে পুরন করতে পারেন।

Read more

কিটো ডায়েট চার্ট

কিটো ডায়েট চার্ট — কিটোজেনিক ডায়েট হল একটি ব্যতিক্রমী কম কার্বোহাইড্রেট, উচ্চ চর্বি খাওয়ার রুটিন যা অ্যাটকিনসের সাথে অনেক সাদৃশ্য প্রদান করে এবং কম ক্যালোরি গ্রহণ করে। এতে স্টার্চের আমূল হ্রাস এবং চর্বি দিয়ে প্রতিস্থাপন করা অন্তর্ভুক্ত। কার্বোহাইড্রেটের এই হ্রাস আপনার শরীরকে কিটোসিস নামক একটি বিপাকীয় অবস্থায় রাখে। যখন এটি ঘটে, তখন আপনার শরীর শক্তির জন্য চর্বি গ্রহণে অসাধারণভাবে কার্যকরী হয়ে ওঠে। 

এটি অতিরিক্তভাবে লিভারে চর্বিকে কিটোনে রূপান্তরিত করে, যা দেহের জন্য শক্তি সরবরাহ করতে পারে। কিটো ডায়েট হল কম কার্বোহাইড্রেট, উচ্চ চর্বিযুক্ত খাবার। এটি গ্লুকোজ এবং ইনসুলিনের মাত্রা কমিয়ে আনে এবং শরীরের হজমকে কার্বোহাইড্রেট থেকে দূরে এবং চর্বি এবং কিটোনের দিকে নিয়ে যায়। বিভিন্ন ধরণের কিটোজেনিক কম কার্বোহাইড্রেট খায় কিটোজেনিক ডায়েটের কয়েকটি অভিযোজন রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে:

মান সম্মত কিটোজেনিক ডায়েট: এটি একটি ব্যতিক্রমী কম কার্ব, মাঝারি প্রোটিন এবং উচ্চ চর্বি খাওয়ার রুটিন। এটিতে নিয়মিত ৭০% চর্বি, ২০% প্রোটিন এবং মাত্র ১০% কার্বোহাইড্রেট থাকে।

পুনরাবৃত্তিমূলক কিটোজেনিক ডায়েট: এই খাওয়ার নিয়মে বেশি কার্বোহাইড্রেট খাওয়ার সময় অন্তর্ভুক্ত থাকে, উদাহরণস্বরূপ, ৫ কিটোজেনিক দিন এবং তারপরে ২ উচ্চ কার্বোহাইড্রেট দিন।

মনোনীত কিটোজেনিক ডায়েট: এই খাওয়ার নিয়ম আপনাকে ব্যায়ামের চারপাশে কার্বোহাইড্রেট যোগ করার অনুমতি দেয়।

উচ্চ প্রোটিন কিটোজেনিক ডায়েট: এটি একটি মান সম্মত কিটোজেনিক ডায়েটের মতো, তবে আরও প্রোটিন অন্তর্ভুক্ত করে। অনুপাত নিয়মিতভাবে ৬০% চর্বি, ৩৫% প্রোটিন এবং ৫% কার্বোহাইড্রেট।

তা সত্ত্বেও, কেবলমাত্র আদর্শ এবং উচ্চ প্রোটিন কিটোজেনিক খাদ্য থেকে বিরত থাকাকে বিস্তারিতভাবে কেন্দ্রীভূত করা হয়েছে। পুনরাবৃত্তিমূলক বা মনোনীত কিটোজেনিক কম কার্বোহাইড্রেট খায় যা আরও উন্নত কৌশল এবং মূলত ওজন উত্তোলক বা প্রতিযোগীরা ব্যবহার করে।

এই আর্টিকেলের ডেটা সাধারণত মানসম্মত কিটোজেনিক ডায়েট এর জন্য প্রযোজ্য, যদিও একই রকমের একটি উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মান অতিরিক্তভাবে প্রযোজ্য।

কিটোসিস একটি বিপাকীয় অবস্থা যেখানে আপনার শরীরে কার্বোহাইড্রেটের পরিবর্তে জ্বালানীর জন্য চর্বি জড়িত। আপনার খাওয়ার রুটিন পরিবর্তন করা এবং বিরতিহীন উপবাসের মহড়া আপনাকে দ্রুত কিটোসিসে প্রবেশ করতে সহায়তা করতে পারে। আপনি কিটোসিসে প্রবেশ করেছেন কিনা তা নির্ধারণে কিছু পরীক্ষা এবং পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া একইভাবে সহায়তা করতে পারে।

একটি কিটোজেনিক ডায়েট আপনাকে কম চর্বি খাওয়ার পদ্ধতির চেয়ে কিছুটা বেশি ওজন কমাতে সহায়তা করতে পারে। এটি প্রায়শই কম ক্ষুধা সহ ঘটে। কিটোজেনিক ডায়েট ইনসুলিনের প্রভাবে সাহায্য করতে পারে এবং চর্বিহীন দুর্ভাগ্য ঘটাতে পারে, যা টাইপ ২ ডায়াবেটিস বা প্রিডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য গুরুতর চিকিৎসা সুবিধার জন্য প্ররোচিত করে।

যে কোন খাবারে কার্বোহাইড্রেট বেশি থাকে তা সীমিত করা উচিত। এখানে খাদ্যের বৈচিত্র্যের একটি শ্রেণীবিভাগ রয়েছে যা একটি কিটোজেনিক ডায়েটে হ্রাস করা উচিত বা মুছে ফেলা উচিত:

মিষ্টি খাবারের জাত: পপ, অর্গানিক প্রোডাক্টের রস, স্মুদি, কেক, হিমায়িত দই, মিছরি এবং আরও অনেক কিছু। শস্য বা স্টার্চ: গম-ভিত্তিক আইটেম, চাল, পাস্তা, ওট এবং আরও অনেক কিছু অরগানিক প্রডাক্ট: সমস্ত জৈব পণ্য, স্ট্রবেরির মতো বেরির সামান্য পার্টিশন বাদে মটরশুটি বা সবজি: মটর, মসুর ডাল, ছোলা ইত্যাদি মূল শাকসবজি এবং কন্দ: আলু, গাজর, পার্সনিপস এবং আরও অনেক কিছু

কম চর্বি বা ডায়েট আইটেম: কম চর্বিযুক্ত মেয়োনিজ, সালাদ ড্রেসিং এবং সস কয়েকটি টপিংস বা সস: গ্রিল সস, মধু সরিষা, তেরিয়াকি সস, কেচাপ ইত্যাদি দুর্ভাগ্যজনক চর্বি: চালিত উদ্ভিজ্জ তেল, মেয়োনিজ ইত্যাদি মদ: চোলাই, ওয়াইন, অ্যালকোহল, মিশ্রিত পানীয় চিনি ছাড়া খাদ্যের উৎস: চিনি মিষ্টান্ন, সিরাপ, পুডিং, চিনি, মিষ্টি ইত্যাদি ছাড়া। শস্য, শর্করা, শাকসবজি, চাল, আলু, মিছরি, স্কুইজ এবং আশ্চর্যজনকভাবে বেশিরভাগ জৈব পণ্যের মতো শর্করা-ভিত্তিক খাদ্য উৎস থেকে দূরে রাখুন।

খাবার খেতে হবে

আপনার এই খাবারগুলির চারপাশে আপনার বেশিরভাগ খাবারের ভিত্তি করা উচিত:

মাংস: লাল মাংস, স্টেক, হ্যাম, সসেজ, বেকন, মুরগি এবং টার্কি চর্বিযুক্ত মাছ: স্যামন, ট্রাউট, টুনা এবং ম্যাকেরেল ডিম: চারণ করা বা ওমেগা -৩ সম্পূর্ণ ডিম মাখন এবং ক্রিম: ঘাস খাওয়ানো মাখন এবং ভারী ক্রিম পনির: প্রক্রিয়াবিহীন পনির যেমন চেডার, ছাগল, ক্রিম, নীল বা মোজারেলা বাদাম এবং বীজ: বাদাম, আখরোট, ফ্ল্যাক্সসিড, কুমড়ার বীজ, চিয়া বীজ ইত্যাদি। স্বাস্থ্যকর তেল: অতিরিক্ত কুমারী জলপাই তেল, এবং আভাকাডো তেল কম কার্বোহাইড্রেটযুক্ত সবজি: সবুজ শাকসবজি, টমেটো, পেঁয়াজ, মরিচ ইত্যাদি। মশলা: লবণ, মরিচ, আজ এবং মশলা

একটি কিটোজেনিক ডায়েট সেই ব্যক্তিদের জন্য অবিশ্বাস্য হতে পারে যারা:

১) অতিরিক্ত ওজন আছে ২) ডায়াবেটিস আছে ৩) তাদের বিপাকীয় সুস্থতা আরও উন্নত করার আশা করছেন। এটি বিশ্বমানের প্রতিযোগীদের জন্য বা যারা প্রচুর পেশী বা ওজন যোগ করতে চায় তাদের জন্য এটি খুব কম যুক্তিসঙ্গত হতে পারে।

এটি একইভাবে কিছু ব্যক্তির জীবনধারা এবং প্রবণতার জন্য অর্থনৈতিক নাও হতে পারে। কিটো খাওয়ার পরিকল্পনা আপনার জন্য আদর্শ কিনা তা সিলেক্ট করতে আপনার খাওয়ার পরিকল্পনা এবং উদ্দেশ্য সম্পর্কে আপনার বিশেষজ্ঞ ডাক্তার এর কাছে সাথে কথা বলুন।

Read more

সকল বীমা কোম্পানির তালিকা | বাংলাদেশের বীমা কোম্পানির নাম

সকল বীমা কোম্পানির তালিকা | বাংলাদেশের বীমা কোম্পানির নাম — বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পরে বীমা কোম্পানি আইনের অধীনে বাংলাদেশে পথচলা শুরু করে। সর্বপ্রথম, বাংলাদেশে শুধুমাত্র ৩টি বীমা কোম্পানি তাদের পথচলা শুরু করে এবং সারা বাংলাদেশে তাদের সেবা প্রদান করে আসছিলো। কিন্তু বর্তমান সময়ে সেটা প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। বীমা কোম্পানি হচ্ছে একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান যা ক্লায়েন্টদের এই ধরনের সেবা প্রদান করে। 

তাদের মধ্যে জীবন বীমা ক্লায়েন্টদের জন্যে সর্বোত্তম ও এই আর্থিক সংস্থা আমাদের স্থানীয় জনগণকে তাদের আর্থিক সংকটের জন্যে ক্রমাগত সহায়তা করে থাকে। বাংলাদেশ সরকার তাদের নাগরিকেরদের জন্য ২টি বীমা সংস্থাকেও অবদান রাখে। ইন্স্যুরেন্স ডেভেলপমেন্ট এন্ড রেগুলেটরি অথরিটি অব বাংলাদেশ (আইডিআরএ) এর অধীনে সব সময় নিয়ম কানুন দিন দিন উন্নয়নের চেষ্টা করছে।

সকল বীমা কোম্পানির তালিকা

বাংলাদেশের বীমা কোম্পানির নাম

বাংলাদেশে বর্তমানে অনেকগুলো বীমা কোম্পানি আছে। আজকের এই আর্টিকেলে আমরা সেসকলের মধ্যে থেকে আলোচনা করছি বাংলাদেশের সেরা ১০টি বীমা কোম্পানি যা আপনাকে সকল ধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তিগত দুর্ঘটনা, বাড়ি-গাড়ী, ভ্রমণ, জীবন, স্বাস্থ্য ওঁ অটো বীমা সংক্রান্ত পরিষেবা গুলোতে সাহায্য করবে। আপনাদের সুবিধার্থে নিম্নে বাংলাদেশের সেরা ১০টি বীমা কোম্পানির নাম উল্লেখ করা হয়েছেঃ

১। মেট্রোপলিটন লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি

বর্তমানে মেট্রোপলিটন লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি অর্থাৎ সংক্ষেপে যাকে বলা হত মেটলাইফ সেটার পূর্বে আমেরিকান লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি নামেও কিন্ত পরিচিত ছিলো। এটি হচ্ছে আমাদের দেশে অতি প্রাচীন বীমা কোম্পানি। এই বীমা কোম্পানিটির যার পথচলা শুরু হয় ১৯৫২ সালে বাংলাদেশে। বাংলাদেশের জনসাধারণের প্রয়োজনে এই বীমা কোম্পানিটি অর্থাৎ মেট্রোপলিটন লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি আমেরিকা থেকে আমাদের দেশে আসছে। ১৯৫২ সাল থেকে শুরু করে তারা আজ পর্যন্ত সফলতার সাথে জনসাধারণের চাহিদা পূরণ করে। এই কোম্পানিটি ১ মিলিয়ন বাংলাদেশিকে কর্মসংস্থানের সুযোগ করেও দিতেও সহায়তা করছে। সম্প্রতি মেটলাইফ সুপারব্র্যান্ডস বাংলাদেশ অ্যাওয়ার্ড ২০২০-২০২১ লাভ করছে।

২। পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড

পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড ২০০০ সালে বাংলাদেশ বীমা আইনের অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয় ঢাকার মতিঝিলে। পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিটি বাংলাদেশের জনগনের আস্থা লাভ করছে বেশ কিছু স্কিম কিংবা আরো সরাসরি সেবা প্রদান করে। বর্তমানে আমাদের দেশে এই পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিতে হাজার হাজার এজেন্ট কাজ করছে।

৩। ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড

বাংলাদেশের বেসরকারি বীমা কোম্পানিগুলি বাংলাদেশ সরকারের অনুমতি পেতে ১৯৮৪ সালে যাত্রা শুরু করে। ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড মতিঝিলে, উত্তরা ব্যাংক ভবনে অবস্থিত ছিল। এই বীমা কোম্পানির মিশন পশ্চিমা দেশের মত উচ্চমানের বীমা সেবা প্রদান করা।

৪। পদ্মা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লি

পদ্মা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিটি মূলত জীবনভিত্তিক বীমার ওপরে তাদের স্কিম প্রদান করে থাকে। এই বীমা কোম্পানিটি রূপালী বীমা ভবন ঢাকা, বাংলাদেশে অবস্থিত। আপনারা এখানে পছন্দের হিসাবে স্কিমগুলি নির্বাচন করতে পারেন যেগুলো আপনি উচ্চ কিংবা সর্বনিম্ন রিটার্ন পেতে পারেন। এই বীমা কোম্পানিটি জনসাধারণের জন্যে সকল ধরনের সার্ভিস প্রদান করে আসছে।

৫। প্রগতি ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড

কোম্পানি তার আর্থিক সেবা প্রদান করে একটি জীবনহীন ভিত্তিতে। এই জন্য; এটাকে বলা হয় নন-লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি যা তাদের স্কিম যেমন মেশিন ইন্সুরেন্স, দুর্ঘটনা বীমা, হোম ইন্স্যুরেন্স, এবং ফ্যাক্টরি ভিত্তিক বীমা এবং অন্যান্য জমা দিয়েছে। তারা সফলভাবে তাদের বীমা যাত্রা চালাচ্ছে এবং সে সম্পর্কে তাদের সেরা পারফরম্যান্স প্রমাণ করেছে।

Read more

মোবাইল ব্যবহারের সতর্কতা

মোবাইল ব্যবহারের সতর্কতা — মোবাইল ফোন বর্তমান সময়ে অতিব প্রয়োজনীয় একটি ডিভাইস। মোবাইল ফোন ছাড়া যেন বর্তমান সময়ে একটি মুহূর্তও আমাদের চলে না। মোবাইল ফোন দিয়ে আমরা গেমিং করা, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম চালানো, সময় দেখা, কথা বলা, রেডিও শোনা, অডিও এবং ভিডিও গান শোনা, ফটো তোলা, ভিডিও রেকর্ডিং করা, মুভি-সিনেমা দেখা, ইন্টারনেট ব্রাউজ করা থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের কাজগুলো প্রতিনিয়ত করে থাকি।

সহজ ভাষায় দিনের সারাটা দিন প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে আমাদের সবাইকে মোবাইল ফোন সাথে নিয়েই থাকার প্রয়োজন হয়। প্রত্যেকটি জিনিস আমাদের সকলের সতর্কতার সাথে ব্যবহার করা উচিত। যেমন একটি জিনিসের যেমন হাজার হাজার ধরনের উপকার আছে ঠিক তেমনি ভাবে একই জিনিষের অসতর্কতার সাথে ব্যবহার করার কারণে রয়েছে বিভিন্ন অপকারিতা। ঠিক মোবাইল ফোনও কিন্ত এটার বিপরীত না। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক মোবাইল ফোন ব্যবহারের সর্তকতা সর্ম্পকে বিস্তারিতঃ

একটানা ২০ মিনিটের বেশি মোবাইলের ডিসপ্লেতে তাকিয়ে থাকবেন না

আমরা যারা মোবাইল ফোন ব্যবহার করি তখন আমরা বেশিরভাগ সময় মোবাইল ফোনের ডিসপ্লের খুবই কাছ থেকে দেখে থাকি। যার কারণে আমাদের চোখের উপরে এক প্রকার ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে। পাশাপাশি বেশিসময় ধরে মোবাইল ব্যবহার করার কারণে চোখে সেই একই সমস্যা হতে পারে। বিশেজ্ঞদের মতে, মোবাইল ব্যবহার সময় মিনিমাম ১৬ ইঞ্চি দূরে থেকে মোবাইল ফোন ব্যবহার করার চেষ্টা করুন এবং প্রতি (২০) বিশ মিনিট পর পর মোবাইলের ডিসপ্লেতে একটানা তাকিয়ে থাকা হতে বিরতি দিন।

অপ্রয়োজনে মোবাইল ব্যবহার করবেন না

আমাদের মাঝে অনেকেই আছি যারা প্রয়োজন ছাড়াও মোবাইল ফোন ইউজ করেন। প্রয়োজন ছাড়া মোবাইল ফোন ব্যবহার করাকে এক ধরনের বদ অভ্যাসও বলা চলে। যতটা সম্ভব মোবাইল ফোনকে অপ্রয়োজনে ব্যবহার না করার চেষ্টা করুন। তাই যতদূর সম্ভব মোবাইল ফোনটিকে আপনার হাতের নাগাল হতে দূরে রাখার চেষ্টা করুন।

রাত্রি বেলা মোবাইল ব্যবহার করবেন না

রাত্রি বেলাতে মোবাইল ফোন ব্যবহার করা থেকে নিজেকে বিরত রাখুন। দেখা যায়, আমাদের অনেকেই আছেন যারা রাত্রি বেলায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো চালানো জন্য ব্যস্ত হয় থাকে। যার কারণে আমাদের সঠিক ভাবে ঘুমানোর সময়গুলো বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো ব্যবহার করেই ঘুমানোর সময় পার হয়ে যাচ্ছে। আর এই কাজ করার কারণে আমাদের পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব পূরণ হতে দিচ্ছে না। আর এই কাজটি করার কারণে আমাদের শারীরিক সমস্যা নানান ধরনের সমস্যা এবং স্বাস্থ্য ঝুঁকি দেখা দিচ্ছে বা দেখতে পাওয়া যায়।

মোবাইল চার্জ করার সময় বন্ধ রাখুন

আপনার মোবাইল ফোন যখন চার্জে লাগাবেন তখন মোবাইল ফোনটি যথা সম্ভব বন্ধ করতে পারেন। ফোন বন্ধ রাখা বন্ধ অবস্থায় চার্জ করলে মোবাইল ফোনটি ভালো থাকবে। এছাড়াও মোবাইলের ব্যাটারি যখন লো হয়ে যায়, তখন উক্ত মোবাইল ফোন দিয়ে কথাবার্তা বলা থেকে বিরত থাকার চেষ্টা করুন। জেনে রাখা ভালো, ভূল করেও কখনো মোবাইল চার্জে লাগিয়ে মোবাইলে কথা বলা অথবা অন্যান্য কাজ খুবই বেশি জরুরি ছাড়া করবেন না।

Read more

নতুন মোবাইল কেনার পর করণীয়

নতুন মোবাইল কেনার পর করণীয় — নতুন মোবাইল কেনার পরবর্তী মূহুর্তটা সবার কাছেই অনেক আনন্দের। আপনি হয়তোবা প্রথমবারের মতো মোবাইল ক্রয় করলেন, তাই হয়তো আপনি ঠিক জানেন না যে, এখন মোবাইল ফোনে কি কি করতে হবে। অথবা পূর্বে মোবাইল ব্যবহার করলেও পূর্বের মোবাইলের মতো করে কিভাবে আপনার নতুন মোবাইল ফোনটিকে সাজাবেন তা বুঝে পারছেন না। এছাড়াও আপনি নতুন মোবাইল ফোন কেনার পরে আরও বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন। তাই আপনাদের জন্যে আজকের এই আর্টিকেলে নতুন মোবাইল কেনার পর করণীয় সম্পর্কে আলোচনা করা হলো।

আমরা অনেকেই নতুন মোবাইল কেনার পর কি করতে হবে তা বুঝে উঠতে পারিনা। এর জন্য অন্যের নিকট মোবাইল নিয়ে যাই। স্মার্টফোন কেনার পরে খুব জরুরি একটা বিষয় যা আমরা অনেকেই জানিনা সেটা হল আপনার স্মার্টফোনটি যেই কোম্পানির বা ব্রান্ডের কিনেছেন সেই কোম্পানির একাউন্টে আপনার একটি নিজস্ব একাউন্ট খুলতে পারেন। উদাহরণ হিসেবে বলা যায় যেমনঃ প্রতিটি শাওমি সেটে রয়েছে তাদের কোম্পানির সাথে আন্ত ইন্টারনেট কানেকশন।

যদি আপনি শাওমি সেট কিনেন এক্ষেত্রে আপনি আপনার মোবাইলে নিজস্ব একাউন্ট খুলতে পারবেন। আর এই অ্যাকাউন্টটি শাওমি কোম্পানির কম্পিউটার অপারেটরের হেড অফিস আপনার ডিভাইসটি সেভ থাকবে। এক্ষেত্রে অ্যাকাউন্ট খুললে আপনি দুটি সুবিধা পেতে পারেন। প্রথমত হল যদি কোন কারনে আপনার ডিভাইস হারিয়ে যায় বা চুরি হয়ে যায় খুব সহজেই আপনি আপনার সেটটি কোথায় আছে তার লোকেশন জানতে পারবেন। দ্বিতীয়টি হল অনেক সময় আপনার এই একাউন্ট করার কারণে কোম্পানি আপনাকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে ফ্রি স্পেস দিতে পারে। এটি সম্পূর্ণ কোম্পানির ব্যক্তিগত বিষয়। 

নতুন মোবাইলের বক্সটি ভালোভাবে দেখে নিন

আপনার পছন্দের মোবাইল ফোনটি যদি অনলাইনে অর্ডার করে কিনে থাকেন তাহলে সেক্ষেত্রে ডেলিভারি পাওয়ার পরে অবশ্যই মোবাইলের বক্সটির ভেতরের অংশগুলোকে ভালোভাবে যাচাই বাছাই করুন। ভালোভাবে দেখে নিন ফোনটির ডেলিভারির সময়ে বক্সটির কোনো ধরনের ক্ষতি হয়েছে কি-না এসকল বিষয় খুঁটিয়ে দেখুন। ই-কমার্স ওয়েবসাইটগুলোতে এই ধরনের কোনো ত্রুটি হয়ে থাকলে তবে উক্ত প্রোডাক্ট ফেরত দেয়ার সুবিধে রয়েছে। তাই নতুন মোবাইল ব্যবহারের শুরুর আগেই এই সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে নেওয়া ভালো। 

আর যদি আপনি অনলাইন থেকে মোবাইল ফোন না কিনেন, তাহলে মোবাইল ফোনের বক্সটিতে অন্যান্য সকল প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র যেমনঃ ইয়ারফোন, চার্জার ইত্যাদি এসকল রয়েছে কি-না সেগুলো চেক করে নিবেন। এবং মোবাইল ফোনের ওয়ারেন্টি কার্ড ও অন্যান্য সকল কাগজপত্র ঠিকঠাক রয়েছে কি-না সেটা ভালোভাবে যাচাই করে নিন। 

এছাড়াও মোবাইল ফোনটি অফিশিয়াল শো-রুম থেকে না কেনা হলে অনেক সময় দেখা যায় দোকানদাররা চার্জার, ইয়ারফোন এই সকল জিনিস পত্র আলাদাভাবে বিক্রি করার জন্যে রেখে দেয়। এজন্য এই সকল জিনিসপত্র আসে কিনা তা সম্পর্কে অবশ্যই নিশ্চিত হয়ে নেওয়া প্রয়োজন।

আরও পড়ুনঃ অন্যের ইমু নাম্বার জানার উপায় | অন্যের ইমু নাম্বার দেখার উপায়

নতুন ফোনে গুগল একাউন্ট লগিন করুন

এন্ড্রয়েড স্মার্টফোন ব্যবহার করার ক্ষেত্রে মোবাইল ফোনটি চালু করলেই গুগল একাউন্ট লগ ইন করার অপশন চলে আসে। এই অপশনটিকে বাদ না দিয়ে গুগল একাউন্টে অর্থাৎ জিমেইল একাউন্টে আপনার ইমেইল অ্যাড্রেস ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করে নিন। কেননা এই অপশন স্কিপ করলেও আপনারা পরবর্তীতে ফোনের গুগল প্লে স্টোর ব্যবহার করে বিভিন্ন অ্যাপ ইন্সটল করার জন্য এবং অন্যান্য সকল কাজের জন্য গুগল একাউন্টে একসময় লগইন করতেই হবে। গুগল অ্যাকাউন্টে লগইন করলেই আপনারা গুগল ড্রাইভে এবং গুগল ফটোসে আগের স্মার্টফোন থেকে যা যা প্রয়োজনীয় ফাইল আপলোড করেছিলেন সে সকল ফাইলের এক্সেস পেয়ে যাবেন।

অপ্রয়োজনীয় ফাইল ডিলিট করুন

নতুন মোবাইল ক্রয় করার পর ফোনে কোম্পানী কর্তৃক পূর্বে থেকেই কিছু অ্যাপ কিংবা ফাইল দেয়া থাকে। ফোনে দেওয়া ডিফল্ট অ্যাপগুলোর মাঝে কিছু কিছু অ্যাপ বা ফাইল আপনার দরকার হতে পারে, তবে আমার জানা মতে বেশিরভাগ অ্যাপ বা ফাইল আপনার কোনো কাজে আসবেনা। যেমনঃ ফোনে গুগল ড্রাইভ/গুগল ফটোস এই অ্যাপগুলো ফোন আগে থেকেই দেওয়া থাকে। 

কেউ সাধারণত মোবাইল ফোনের কোম্পানির আলাদা অ্যাপ স্টোরেজ হিসাবে ব্যবহার করেনা। কেননা সেগুলো গুগল অ্যাপ গুলোর সমমানের না। যেহেতু এই সকল অ্যাপ গুলো ব্যবহার করার প্রয়োজন হয়না তাই আপনার ফোনের মেমোরি অযথা ব্যবহার করবে। তাই অপ্রয়োজনীয় এসকল অ্যাপ রিমুভ করুন।

Read more