উপায় একাউন্ট খোলার নিয়ম

উপায় একাউন্ট খোলার নিয়ম — বর্তমানে আপনি একটি এন্ড্রয়েড ডিভাইসের মাধ্যমে সহজেই উপায় একাউন্ট খুলতে পারবেন। এন্ড্রয়েড ডিভাইস গুলার জন্য উপায় অ্যাপটি বিদ্যমান। এখনো এই অ্যাপটি আইফোনের জন্য চালু হয়নাই। গুগল প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড করে উপায় অ্যাপটি ডাউনলোড করতে পারবেন। আসুন দেখে নেই উপায় একাউন্ট খোলার নিয়ম সম্পর্কে। 

1. প্রথমে উপায় অ্যাপটি ইনস্টল করুন গুগল প্লে স্টোর থেকে।

2. অ্যাপে ঢুকে রেজিস্ট্রেশন অপশনে ক্লিক করুন। 

3. আপনার মোবাইল নাম্বার এবং মোবাইল নাম্বারের অপারেটর নির্বাচন করুন। 

4. মোবাইল নাম্বার দেওয়ার পরে দেখবেন আপনার ফোনে একটা OTP কোড যাবে সেটা দিয়ে পূরণ করুন।

5. এরপর আপনার ন্যাশনাল এনআইডি কার্ডের উভয় পিঠের ছবি তুলুন। এনআইডি কার্ডের সামনের অংশের ছবি এবং পিছনের অংশের ছবি তুলে Done চাপুন। 

6. এরপর দেখবেন আপনার প্রোফাইল পিকচার চাইবে। ফ্রন্ট ক্যামেরা দিয়ে আপনার পিক তুলে Done করুন। 

7. এবার আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের ইনফরমেশন ঠিকমতো দেওয়া রয়েছে কিনা দেখে কনফার্ম চাপুন। 

8. এরপর উপায় একাউন্টের জন্য পিন প্রদান করবেন। 

9. সঠিকভাবে একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করা হয়ে গেলে আসবে Welcome to upay আসবে। 

10. একাউন্ট ব্যবহার করতে Get Started ক্লিক করুন। এরপর দেখবেন আপনার ফোন নাম্বার চাবে এবং পিন নাম্বার দিয়ে একাউন্ট লগ ইন করুন। 

এছাড়া উপায় একাউন্ট খুললেই পেয়ে যাবেন ৫০ টাকা বোনাস। ঘরে বসে উপায় একাউন্ট খুললে ২৫ টাকা ইনস্ট্যান্ট ক্যাশ রিওয়ার্ড পাওয়া যাবে। তাছাড়া উপায় একাউন্ট খুলে প্রথমবার ৫০ টাকা বা তারবেশি ফোনে রিচার্জ করলেই ২৫ টাকা ক্যাশ রিওয়ার্ড পেয়ে যাবেন। উপায় একাউন্ট ক্যাশ আউট এবং ক্যাশ ইন একদম ফ্রি। সর্বোচ্চ ১৪ হাজার টাকা পর্যন্ত ক্যাশ আউট ফ্রি করতে পারবেন। এখানে সেন্ড মানি একদম ফ্রি। 

আরও পড়ুনঃ মোবাইল ব্যাংকিং সুরক্ষায় করণীয় | মোবাইল ব্যাংকিং বাংলাদেশ

Read more

অনুপ্রেরণা মূলক উক্তি | জীবন নিয়ে উক্তি | ভুল নিয়ে উক্তি | স্বপ্ন নিয়ে উক্তি

অনুপ্রেরণা মূলক উক্তি | জীবন নিয়ে উক্তি | ভুল নিয়ে উক্তি | স্বপ্ন নিয়ে উক্তি — কথায় আছে, একটি সুন্দর উক্তি …

Read more

জাতীয় পরিচয় পত্রের অনলাইন কপি ডাউনলোড

জাতীয় পরিচয় পত্রের অনলাইন কপি ডাউনলোড — একটি দেশের নাগরিক হিসেবে এনআইডি কার্ড বা জাতীয় পরিচয় পত্রের গুরুত্ব অনেক। আজকের এই আর্টিকেলটির মাধ্যমে কিভাবে ঘরে বসে অনলাইনে জাতীয় পরিচয় পত্র বা এনআইডি কার্ডের সফটকপি প্রিন্ট করা যায় সে সম্পর্কে জানতে পারবেন। এছাড়াও জাতীয় পরিচয় পত্রের অনলাইন কপি ডাউনলোড সম্পর্কে যাবতীয় নানাবিধ তথ্য জানতে পারবেন।

বাংলাদেশ সংবিধানের নিয়ম অনুযায়ী ১৮ বছরের নিচে সবার পরিচয় পত্র হিসেবে থাকে শুধুমাত্র জন্ম সনদ। কিন্তু ১৮ বছরের উপরে সবাইকে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন এর তালিকায় আওতাভুক্ত করা হয়। অর্থাৎ ভোটার হিসেবে গণ্য করা হয়। বাংলাদেশে ২০০৮ সালের ২২ শে জুলাই ১৮ বছর বয়সী সকল বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য একটি জাতীয় পরিচয়পত্র প্রণয়ন শুরু হয় যা ১০ বছর মেয়াদি। এই পরিচয়পত্রটি বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন নির্বাচন ছাড়াও আরো অন্যান্য ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। 

কিভাবে জাতীয় পরিচয় পত্রের অনলাইন কপি ডাউনলোড করা যায়?

প্রয়োজনীয় তথ্যাবলী পূরণ করে নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করুন। আপনার কার্ডের তথ্য ও মোবাইলে প্রাপ্ত এক্টিভেশন কোড সহকারে লগ ইন করুন। তথ্য পরিবর্তনের ফর্মে তথ্য হালনাগাদ করে সেটির প্রিন্ট নিয়ে নিন। তথ্য পরিবর্তনের স্বপক্ষে প্রয়োজনীয় দলিলাদি কালার স্ক্যান কপি অনলাইনে জমা দিন।

জাতীয় পরিচয় পত্র ডাউনলোড করতে নিম্নোক্ত পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করুন

১। আপনার মোবাইল অথবা কম্পিউটারের যেকোনো ব্রাউজারে প্রবেশ করুন এই লেখাটি সার্চ করুন https://services.nidw.gov.bd/nid-pub/claim-account অথবা এই লিঙ্কে ক্লিক করুন।

২। লিংকটিতে প্রবেশ করার পর জাতীয় পরিচয়পত্রের নাম্বার অর্থাৎ এনআইডি কার্ডের নাম্বার প্রদান করুন। যাদের কাছে এনআইডি কার্ড আছে, তারা সেখান থেকে দেখে নম্বরটি লিখুন। এনআইডি কার্ড করার সময় যে তথ্য দিয়েছেন সে অনুযায়ী জন্মতারিখ লিখুন। ভেরিফিকেশন ক্যাপচা পূরণ করে সাবমিট এ ক্লিক করুন।

৩। এরপর একটি নতুন ফর্ম আসবে। সেখান থেকে যথাযথভাবে আপনার বর্তমান ঠিকানা এবং স্থায়ী ঠিকানার তথ্য প্রদান করুন।

৪। পরবর্তী পেজে আপনি একটি নতুন ফরম পাবেন যেখানে আপনার মোবাইল নাম্বারটা চাইবে। উক্ত ফর্মে আপনার সঠিক নাম্বারটি টাইপ করুন। তারপর “বার্তা পাঠান” এ ক্লিক করুন।

৫। যেই মোবাইল নাম্বারটা দিয়েছেন সেই মোবাইল নাম্বারে ওটিপি যাবে সেই ওটিপি ফর্ম এ পূরণ করতে হবে। 

৬। এরপর পাসওয়ার্ড সেট করার আরেকটি পেজ ওপেন হবে সেখানে আপনাকে পাসওয়ার্ড এবং ইউজার নেম সেট করতে হবে। মনে রাখবেন পরবর্তীতে লগইন করার ক্ষেত্রে এই ইউজার নেম এবং পাসওয়ার্ড কাজে লাগবে।

৭। সর্বশেষ এ আপডেট বাটনে ক্লিক করুন। এভাবেই আপনার রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হবে।

Read more

মায়ের রক্তের গ্রুপের সাথে সন্তানের রক্তের গ্রুপ মিলেনা কেন?

মায়ের রক্তের গ্রুপের সাথে সন্তানের রক্তের গ্রুপ মিলেনা কেন — আমার এক বন্ধু ছিলো। তার রক্তের গ্রুপ O+। কিন্তু তার মায়ের …

Read more

অন্যের ইমু নাম্বার জানার উপায় | অন্যের ইমু নাম্বার দেখার উপায়

অন্যের ইমু নাম্বার জানার উপায় — প্রিয় পাঠক আশাকরি আপনারা সকলেই অনেক অনেক ভালো আছেন। আজকের এই আর্টিকেলে আমরা অন্যের …

Read more

প্রাকৃতিক ভাবে হজম শক্তি বৃদ্ধির উপায়

হজম শক্তি বাড়ানোর প্রাকৃতিক উপায় — বর্তমান সময় আমরা অনেকেই আছি যারা হজমে নানা রকম সমস্যা অনুভব করে থাকি। এখন এই সমস্যাটি কমবেশি অনেকেরই লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তবে আপনি যদি বেশ কিছু উপায় অনুসরণ করে চলেন তাহলে খুব সহজেই আপনি আপনার হজম শক্তি বাড়াতে পারবেন। আমরা আজকে আমাদের আর্টিকেলে প্রাকৃতিক ভাবে হজম শক্তি বৃদ্ধির উপায় গুলো সম্পর্কে আলোচনা করবো।

হজম শক্তি কমে যাওয়ার কারণে আমাদের নানা রকম সমস্যায় ভুগতে হয়। কিছু ক্ষেত্রে এই সমস্যাগুলো আমাদের শরীরে প্রকট আকার ধারণ করে আমাদেরকে যথেষ্ট অসুস্থ করে দেয়। আমরা আমাদের সুস্থ শরীর ব্যবস্থাকে হারিয়ে ফেলি হজম শক্তি কমে যাওয়ার ফলে।

সাধারণত একেক জনের হজমশক্তি একেক রকম হয়ে থাকে। বর্তমান সময়ে অধিকাংশ লোক রয়েছে যাদের হজম শক্তি অনেক কম। একই রকম খাবার খেয়ে একজনের স্বাস্থ্য ভালো হয়, অন্যদিকে আরেক জনের স্বাস্থ্যে কোনরকম পরিবর্তন আসে না। হজম শক্তি কম থাকলে আমাদের নানারকম সমস্যা গুলোর মধ্যে অন্যতম সমস্যা হচ্ছেঃ গ্যাস্ট্রিক, বমি বমি ভাব, ডায়রিয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্য, বুক জ্বালা, বুক ব্যথা ও পেট ব্যথা, পেটে অস্বস্তি বোধ করা, পেটে যে কোন প্রকার আলসার হওয়া, বদহজম সহ আরো নানা কিছু।

সাধারণত এই সমস্যাগুলো যখন প্রকট আকার ধারণ করে তখন আমাদের জীবনের বিঘ্ন সৃষ্টি করতে পারে। এই সমস্যা গুলো মূলে রয়েছে অনিয়মিত অগোছালো জীবন ধারণ এবং খাদ্যভ্যাস। আর যাদের হজম শক্তি কম হয়ে থাকে তাদের হজম শক্তি বাড়ানোর বেশ কিছু প্রাকৃতিক উপায় রয়েছে। এসব উপায় অবলম্বন করলে আপনি আপনার হজম শক্তি কে যথেষ্ট ভাবে বৃদ্ধি করতে পারবেন। তাই আর দেরি না করে চলুন জেনে নেওয়া যাক হজম শক্তি বাড়ানোর প্রাকৃতিক উপায় গুলো সম্পর্কে। নিচে এসব উপায় আলোচনা করা হলো।

সুষম খাবার গ্রহণের মাধ্যমে হজম শক্তি বৃদ্ধি করা

আপনার হজম শক্তি যদি কম হয়ে থাকে তাহলে আপনি সুষম খাদ্যের উপর গুরুত্ব দিন। সাধারণত আমাদেরকে বেঁচে থাকার জন্য অবশ্যই খাদ্য গ্রহণ করতে হবে। কিন্তু আপনি যদি হজম শক্তি বাড়ানোর খাদ্য গুলোর উপর নজর দেন তাহলে সুষম খাদ্য গুলো উপরে উঠে আসবে। আপনার হজম শক্তি বৃদ্ধির জন্য বেশ উপকারী খাবার হবে বিভিন্ন প্রকার সুষম খাবার। সুষম খাবার পাকস্থলীর হজম শক্তি বৃদ্ধি করে দেহের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন জৈবিক প্রক্রিয়া কে সচল রাখতে সাহায্য করে।

প্রচুর পরিমাণে আঁশযুক্ত খাবার গ্রহণ করার মাধ্যমে হজম শক্তি বৃদ্ধি করা

হজম শক্তি বাড়ানোর একটি অত্যন্ত সহজ উপায় হচ্ছে আঁশযুক্ত খাবার প্রচুর পরিমাণে খাওয়া। এই আর যুক্ত খাবারের যেসব উপাদান রয়েছে সেগুলো আপনার হজম শক্তি বৃদ্ধিতে দ্রুত কাজ করে। সাধারণত আঁশযুক্ত খাবারের মধ্যে রয়েছে শিম, বাদাম, শাকসবজি, গোটা শস্য, এবং গমের ভুসি সহ আরো নানা কিছু। আশঁ যুক্ত খাবার দেহের পানি শোষণে এক বিশেষ সহায়তা করে থাকে আপনাকে যা, কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে রক্ষা করতে পারে।

আপনি যদি হজমজনিত সমস্যায় ভুগে থাকেন তাহলে অবশ্যই আশঁ যুক্ত খাবার খাওয়ার আপনার জন্য উপকারী। আর তাই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে আপনি প্রচুর পরিমাণে শাকসবজি ফলমূল খাওয়ার অভ্যাস করে গড়ে তুলতে পারেন।

পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করার মাধ্যমে হজম শক্তিকে বৃদ্ধি করে তুলুন

আপনি যদি আপনার হজম শক্তি বৃদ্ধি করতে চান তাহলে প্রতিদিন নিয়মিত ভাবে পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করুন। এটি হজম শক্তি বৃদ্ধিতে দ্রুত কাজ করে থাকবে। আমাদের সুস্থ থাকার জন্য সাধারণত প্রতিদিন কমপক্ষে ১.৫ লিটার থেকে ২ লিটার পানি পান করা উচিত। তাছাড়া আপনার দেহে যদি পানিস্বল্পতার থাকে তাহলে হজম জনিত সমস্যা সহ কোষ্ঠকাঠিন্য হয়ে থাকবে।

পানির অভাবে আমাদের শরীরে বিভিন্ন শরীর বৃত্তীয় কাজের বিঘ্ন ঘটে থাকে। আপনার হজম শক্তি বাড়াতে প্রতিদিন নিয়মিত ভাবে পানি পান করার পাশাপাশি বেশ কিছু তরল খাবার গ্রহণ করতে পারেন। বিভিন্ন রকম ফল পানি জাতীয় হয়ে থাকে আপনি সেইসব গ্রহণ করতে পারেন। এতে আপনার হজম সমস্যা দূর হবে।

Read more