মোবাইল ভাইরাস মুক্ত রাখার উপায়

মোবাইল ভাইরাস মুক্ত রাখার উপায় — কম্পিউটারের মতোই আপনার হাতে থাকা এন্ড্রয়েড স্মার্টফোনটিও কিন্ত ম্যালওয়্যারের শিকার হতে পারে। ম্যালওয়ার বা ভাইরাস আপনার সিস্টেমটিকে স্লো বা ধীরগতির করে দেয়। ভাইরাস বা ম্যালওয়্যার সিস্টেমে এমন গ্লিটস তৈরি করে যা এমনকি আপনার স্মার্টফোন বা কম্পিউটার ব্যবহার করাটাকে অনেক বেশি কঠিন করে তোলে। আপনার হাতে থাকা গুরুত্বপূর্ণ স্মার্টফোন এবং অনলাইনের জগতে নিজেকে রক্ষা করার জন্য আপনাকে এই সিস্টেমটিকে দ্রুততার সাথে থামাতে হবে। 

মোবাইল ভাইরাস মুক্ত রাখার জন্য সর্বপ্রথম পদক্ষেপটি হচ্ছে এটি আপনার স্মার্টফোনের মধ্যে ভাইরাস সার্চ করা। আপনার হাতে থাকা প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ স্মার্টফোনটি বা মোবাইল ভাইরাস মুক্ত রাখার উপায় সম্বন্ধে পদক্ষেপগুলো এখানে শিখুন। এরপরে আমরা আপনাকে ম্যালওয়্যার ডিলিট সরঞ্জামগুলোতে কিছু বিকল্প পদ্ধতি দেখাবো যা ব্যবহার করে আপনি নিজের স্মার্টফোনটি আবার সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারবেন। তো চলুন আর দেরি না করে জেনে নেই মোবাইল ভাইরাস মুক্ত রাখার উপায় সম্পর্কেঃ

সুনির্দিষ্ট সমাধান না পাওয়া পর্যন্ত মোবাইল বন্ধ করুন

আপনি নিশ্চিত হয়ে নিন যে, আপনার মোবাইল ফোনটি ম্যালওয়্যার দ্বারা আক্রান্ত হয়েছে এরপর ফোনের পাওয়ার বাটনটি চেপে ধরে রাখুন এবং মোবাইল ফোনটি সম্পূর্ণ অফ করে নিন। যদি আপনি এই কাজটি করেন তাহলে ম্যালওয়্যারটিকে ক্ষতির কারন হতে বাধা দিতে পারেনা, তবে আপনার ফোনের সমস্যাটি আরো বেশি খারাপ হওয়া থেকে থামিয়ে দিতে পারে এবং নিকটস্থ নেটওয়ার্কগুলোতে অ্যাক্সেসের চলমান ম্যালওয়্যার প্রচেষ্টা অফ করতে পারে। ম্যালওয়্যার প্রচেষ্টা অফ করে দেওয়া আপনাকে চিন্তাভাবনা ও গবেষণার জন্যে সময় দেয়। 

আপনি যদি নির্দিষ্ট সংক্রমিত অ্যাপসটি সম্পর্কে জানেন যা আপনার মোবাইল ফোনের মধ্যে ম্যালওয়্যার নিয়ে চলে আসছে? আপনার সম্মতি ব্যাতীত এটি অন্যান্য কোনো ধরনের সফটওয়্যার ডাউনলোড করেছে সেটা আপনি জানেন? যদি সেটা না হয় তাহলে সমস্যাটি সঙ্কুচিত করার জন্যে অন্য কম্পিউটারে যান এবং আপনার লক্ষণগুলোকে দেখুন। যদি আপনি সমস্যার মূল খুঁজে না পান তাহলে আপনি এটিকে ডিলিট করতে পারবেন না।

আরও পড়ুনঃ অন্যের ইমু নাম্বার জানার উপায় | অন্যের ইমু নাম্বার দেখার উপায়

সেভ মুডে রাখুন

যখন আপনি আপনার নিজের মোবাইল ফোনটি চালু করেন এবং সমস্যাযুক্ত অ্যাপসটিকে আলাদা করতে শুরু করেন তবে প্রথমে সেভ মুডে সুইচ করুন। এই অপশনটি ম্যালওয়্যার দারা সংক্রামিত অ্যাপ্লিকেশনটিকে খুঁজে বের করতে পারে এবং ক্ষতির সীমাবদ্ধ করতে সাহায্য করবে। বেশিরভাগ এন্ড্রয়েড স্মার্টফোন ডিভাইসের জন্য আপনার ডিভাইস চালু থাকা অবস্থাতে আপনি কয়েক সেকেন্ডের জন্য পাওয়ার বাটনটি ধরে রেখে সেভ মুডে সুইচ করতে পারেন। তারপর আলতো করে চাপ দিয়ে পাওয়ার অফ বিকল্প বাটনটি ধরে রেখে। 

এটি সেভ মুডে রিবুট করার বিকল্প সহ কয়েকটি পাওয়ার বিকল্প আনতে হবে। এই মুডটি সিলেক্ট করুন এবং আপনি চালিয়ে যাওয়ার পূর্বে আপনার মোবাইলফোনটি রিবুট হওয়ার জন্যে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। আপনি যদি কোনো সেভ মুড না খুঁজে পান, তাহলে কোনো ডিভাইস থেকে আপনার ডিভাইস ডিলিট করে ফেলার জন্যে পরিবর্তে এয়ার প্লেন মোড চালু করুন। আপনি সাধারণত এই অপশনটি আপনার ফোনের নোটিফিকেশন অপশনে এই ইয়ারপ্লেন মুড অপশনটি সন্ধান করতে পারেন।

অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ আনইনস্টল করুন

মোবাইল ভাইরাস মুক্ত রাখার জন্য কেবলম আনইনস্টল করার পথটিকে বেছে নিন এবং আপনার এন্ড্রয়েড স্মার্টফোনটি থেকে প্রশ্নবোধক অ্যাপটিকে ডিলিট করে ফেলতে হবে। আপনার ফোনে অ্যাপের তালিকাটি পর্যালোচনা করা এবং অন্যান্য সন্দেহজনক ডাউনলোড করা ফাইলগুলোকে আনইনস্টল করাটাও ভালো ধারণা। যদি আপনি এই তালিকাতে পূর্বে কোনো অ্যাপ না দেখে থাকেন তাহলে আপনার ডিভাইসটিতে এটির কিছু অদ্ভুত জিনিস আছে বলে আপনি অবাক হয়ে যেতে পারেন।

ম্যালওয়ার সুরক্ষা অ্যাপ ডাউনলোড করুন 

একটি দুর্বল এন্ড্রয়েড স্মার্টফোন কিন্ত সুরক্ষার দাবি রাখে। আপনার মোবাইল ফোন সুরক্ষা, ভাইরাসগুলোর জন্য স্ক্যান করতে এবং জাঙ্ক ফাইলগুলো এবং কোনো সম্ভাব্য সংক্রামিত সফটওয়্যার থেকে মুক্তি পেতে আপনি ডাউনলোড করতে পারেন এমন বেশ কয়েকটি সুরক্ষা অ্যাপ্লিকেশন আছে। আপনি আপনার ফোনের ভবিষ্যতের যেকোনো সমস্যার যত্ন নিতে সাহায্য করার জন্যে একটি এন্টিভাইরাস অ্যাপ্লিকেশান ডাউনলোড করুন। এক্ষেত্রে অনেকের পছন্দ আছেঃ গুগল প্লে স্টোর থেকে 360 এন্টিভাইরাস, অ্যাভাস্ট অ্যান্টিভাইরাস বা এভিজি অ্যান্টিভাইরাসের মতো সফটওয়্যার ব্যবহার করে দেখুন।

Read more

জাতীয় পরিচয়পত্র অনলাইন আবেদন করার নিয়ম

জাতীয় পরিচয়পত্র অনলাইন আবেদন করার নিয়ম — আমরা সবাই জানি প্রতিবছর একটা নিদিষ্ট সময়ের মধ্যে জাতীয় পরিচয়পত্র জন্য আবেদন করে থাকে ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সের সবাই।আমাদের অনেকের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার হওয়ার জন্য ডাটা কালেক্ট করে থাকে। যারা ভোটার হতে চান একটা টাইমের মধ্যে সব তথ্য কালেক্ট করে নির্বাচন কমিশনারের কাছে জমা দেয়। তাদেরকে ভোটার কার্ড করে দেয়া হয়। কিন্তু যারা দেশের বাইরে থাকেন বা সময় পান না ভোটার হওয়ার। 

তারা কিন্ত খুবই সহজে জাতীয় পরিচয়পত্র অনলাইন আবেদন করতে পারবেন। কিন্তু আমরা অনেকেই জানিনা খূব সহজেই আমরা অনলাইনে জাতীয় পরিচয়পত্র অনলাইন আবেদন করতে পারবো। খুব সহজেই ঘরে বসে অনলাইনে জাতীয় পরিচয়পত্র অনলাইন আবেদন করা যাবে। আসুন জেনে নেই কীভাবে জাতীয় পরিচয়পত্র অনলাইন আবেদন করবেন।

অনলাইনে NID ID লিখে সার্চ দিবেন প্রথমে একটা অপশন আসবে ভোটার তথ্য নামে সেটাই click করবেন অথবা এখানে ক্লিক করে সহজেই তাদের ওয়েবসাইটে চলে যেতে পারবেন। সেখানে হোম পেজ আসবে সবগুলা তথ্য পরে নিবেন ঠিক মত। তারপর নিচে দেখবেন লিখা আছে রেজিস্টার নতুন ভোটার সেখানে click করবেন।

তারপর সেখানে আবেদন করুন আসবে সেটাই click করলে আপনার পূর্ণ নাম সঠিকভাবে আপনার নাম দিবেন। কারন এখানে টাইপ করার নাম আপনার ভোটের আইডি কার্ডে আসবে। আপনার জন্ম তারিখ দিবেন তারপর নাম্বার লিখবেন যেটা দেয়া থাকবে তারপর বহালে ক্লিক করে দিবেন।

তারপর আপনার মোবাইল নাম্বার চাইবে। নাম্বার দিলে বার্তা পাঠান এখানে ক্লিক করবেন। তারপর মোবাইলে একটা ৬ ডিজিট কোড আসবে সেটা দিবেন। তারপর একটা ইউজারনেম আর পাসওয়ার্ড চাবে সেটা দিবেন দেখবেন একটা পেজ আসবে। তারপর বিস্তারিত প্রোফাইল আসবে সেটা ক্লিক করলে দেখতে পাবেন আপনার যাবতীয় ইনফর্মেশন চাবে সেখানে এডিট অপশনে গিয়ে আপনি সব ইনফর্মেশন দিতে পারবেন। তারপর আপনাকে নিয়ে যাবে পরবর্তী পেজে।

সেখানে আর কিছু ইনফর্মেশন চাবে দিবেন। পরবর্তী পেজে গেলে আপনার বর্তমান ঠিকানা স্থায়ী ঠিকানা চাবে যেখানে আপনি ভোটার হতে চান। তারপর পরবর্তী ধাপে গেলে কাগজপত্র চাবে সেটা দরকার নেই কারন আপনি যখন ছবি তুলতে যাবেন তখন কাগজপত্র সাথে নিয়ে যাবেন। তারপরে পরবর্তী ধাপে ক্লিক করলে আপনাকে দেখাবে সাবমিট করতে। সাবমিট করলে দেখতে পাবেন আপনার সব তথ্য দেয়া হয়েছে পেন্ডিং আছে। উপরে দেখবেন ডাউনলোড অপশন আছে সেটা ক্লিক করে আপনার কাগজ ডাউনলোড করে নিয়ে দোকান থেকে প্রিন্ট করে নিবেন।

এই ছিল অনলাইনে আবেদন করার পক্রিয়া। আপনি আপনার সার্টিফিকেট স্কুল, কলেজের সাথে আপনার বাবা, মার NID card এবং জন্ম নিবন্ধন সাথে নিয়ে যাবেন আপনার নিকটস্থ নির্বাচন কমিশন অফিসে জমা দিবেন। 

Read more

মেথির উপকারিতা | মেথির উপকারিতা চুলের জন্য

মেথির উপকারিতা — মেথি নাম শুনলেই মনে পড়ে যায় পাচ ফোড়নের কথা। পাচ ফোড়নের এক বিশেষ উপাদান মেথি। সোনালী রঙের ছোট ছোট এই দানা অসংখ্য গুণে পরিপূর্ণ। মেথিতে ফ্যাট, ফাইবার, ক্যালরি, ম্যাগনেসিয়াম, লোহা, ম্যাংগানিজ বিদ্যমান। মেথির উপকারিতার কথা যদি বলতেই হয় তাহলে আমাদের স্বাস্থ্য ও রূপচর্চায় মেথি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। চলুন, এক নজরে দেখে আসি মেথির সকল উপকারিতা। 

স্বাস্থ্যের জন্য মেথির উপকারিতা

হার্ট সুস্থ রাখে

আমরা যখন ঘুমাতে যাই তখন আমাদের সকলের হাতেই একটা জিনিস থাকে। সেটি হলো মোবাইল। আপনি আপনার মোবাইলটি সাইডে রেখে এক গ্লাস পানি নিবেন ও পানিতে কিছুটা মেথির দানা ভিজিয়ে নিবেন। ভিজানোর সাথে সাথে খেয়ে ফেলবেন না আবার। ভিজানোর পর ঘুমিয়ে যাবেন।পরেরদিন সকালে যখন ঘুম থেকে উঠবেন তখন সবার প্রথমে মেথির পানি খাবেন। দেখবেন শরীরটা ভালো লাগছে। সকাল সকাল খালি পেটে মেথির পানি খেলে বুকের জ্বালাপোড়া সহ হার্টের অন্যান্য সকল সমস্যা অনেকক্ষাণি দূর হয়ে যায়। এতে আপনার ডাক্তারের এপয়েনমেন্ট বুক করতে হবে না, শুধু পাশের মুদি দোকান থেকে মেথি বুক করলেই চলবে।

হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি করে

ওইযে বলেছিলাম না মেথিতে ফাইবার রয়েছে! কিন্তু ভেবে দেখেছেন কি এই ফাইবারের কাজ কি? আচ্ছা আমিই বলি। মেথিতে থাকা এই ফাইবারই আপনার আমার সকলেরই হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। 

ওজন কমায়

আপনি যদি ওজন আধিক্যের সমস্যায় ভুগে থাকেন? তাহলে মেথি আপনার জন্যই। মেথিতে Galactomamnan নামক এক ফাইবার থাকে। এটি আমাদের শরীরের ওজন কমাতে সাহায্য করে। 

বাতের ব্যথা কমায়

সাধারণত বয়স্কদের বাতের সমস্যা দেখা দেয়। কিন্তু এখনকার এই যুগে ছোট- বড় অনেকের মাঝেই এই সমস্যা দেখা যায়। যাদের এই সমস্যা রয়েছে তারাই বুঝতে পারে বাতের ব্যথা কতটা কষ্টকর। তবে মেথি তো রয়েছেই। মেথি খেলে বাতের ব্যথা অনেকটাই কমে যায়।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ

মেথিতে পটাশিয়াম ও ফাইবার রয়েছে। এটি আমাদের শরীররের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে।

ক্যান্সার

যখন শুনতে পাই কেউ ক্যান্সার এ আক্রান্ত হয়েছে তখন চারপাশ কেমন যেনো নীরব হয়ে যায়। আজকাল ছোট বড় অনেকেরই ক্যান্সার হয়ে থাকে। তবে মেথি খেলে ক্যান্সার এর আশংকা অনেকটাই কমে যায়। 

রুপচর্চা মেথির উপকারিতা

খুশকি কমায়

আমাদের নিত্যদিনের এক সমস্যা হয়ে দাড়িয়ে লছে খুশকি। কোথাও বেড়াতে গেলে কেউ যখন বলে তোমার চুলে ও কাধে সাদা সাদা এগুলো কি তখন এক অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়। কিন্তু এখন থেকে আপনাদের এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হবে না। কারণ মেথি তো আছেই। মেথি আমাদের চুলের খুশকি সূর করে ও চুলের গোড়া মজবুত করে।

Read more

লম্বা হওয়ার উপায় | লম্বা হওয়ার খাদ্য তালিকা

লম্বা হওয়ার উপায় | লম্বা হওয়ার খাদ্য তালিকা— লম্বা হতে চাই প্রতিটা ছেলে কিংবা মেয়ে সকলের মনের বাসনা একটাই। যারা বেশ ভালোই লম্বা তাদেরও মনে হয় আরো ১ থেকে ২ ইঞ্চি লম্বা হতে পারলে আরো বেশ ভালো মানাতো আমাকে! বংশগতি থেকেই নির্ধারিত হয়ে থাকে আপনি আসলে কতখানি লম্বা হবেন।

তবে এই কথাটিও ঠিক আপনার পূর্ব পুরুষেরা লম্বা হলেও যদি আপনি অপুষ্টিতে ভোগেন তাহলে আপনার বৃদ্ধি ঠিকমতো হবেনা। আর মানুষের দেহের বৃদ্ধি ঘটে সাধারণত ২৫ বছর বয়স পর্যন্তই। তাই কিশোর বয়স থেকেই এই ব্যাপারে খেয়াল রাখতে হবে। নিম্নোক্ত ৩টি বিষয়ের সমন্বয় লম্বা হতে সহায়তা করে থাকেঃ

১. পুষ্টিকর খাবার

২. পর্যাপ্ত বিশ্রাম

৩. নিয়মিত ব্যয়াম

লম্বা হতে চাইলে আপনাকে আপনার খাবার তালিকায় কি কি থাকতে হবে বা লম্বা হওয়ার খাদ্য তালিকা গুলো সম্পর্কে জেনে নিনঃ

লম্বা হওয়ার উপায়

মিনারেলস

পর্যাপ্ত পরিমাণ বিভিন্ন ধরনের মিনারেল আপনার খাবার তালিকায় রাখতে হবে। আমাদের শরীরে প্রতেকটি কাজের জন্য মিনারেলের ভূমিকা আছে। হাড়ের গঠন এবং আমাদের বৃদ্ধিতে মিনারেল একান্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান। বিশেষ ভাবে ক্যালসিয়াম এবং ফসফরাস যেন পরিমাণ মতো গ্রহণ করা হয় সেদিকে আপনাকে লক্ষ্য রাখতে হবে। 

বাধাকপি, ফুলকপি, দুধ বা দুগ্ধজাত খাবার, পালং শাক, পুই শাক, ছোট মাছ, খেজুর, ব্রোকলি ইত্যাদিতে ভালো পরিমাণে ক্যালসিয়াসম রয়েছে। মাছ, মাংস, দুগ্ধজাত খাবার, এমনকি সবজিতেও রয়েছে ফসফরাস। পর্যাপ্ত আয়রন পাওয়া যায় ডিমের কুসম, কলিজা, গরুর মাংস এবং খেজুরে। ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে লেবু, আপেল, ডুমুর, জাম্বুরা, ইত্যাদিতে। জিঙ্ক পাওয়া যায় সূর্যমুখীর বিচি এবং ডিমে।

ভিটামিন

আমাদের প্রয়োজনীয় সকল ধরনের ভিটামিনই বিভিন্ন ধরনের শাক-সবজি এবং ফলমুল থেকে পাওয়া যায়। কিন্তু খাবারের ভিটামিন শরীরে কতটুকু গৃহিত হয় সেটা বোঝা বেশ কঠিন ব্যাপার। তাই বিভিন্ন রকমের শাক-সবজি এবং ফলমুল খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। Vitamin B-1 রয়েছে চিনা বাদাম, লাল চাল, গমে। Vitamin B-2 রয়েছে মাছ, ডিম এবং দুধে। Vitamin B-6 আছে বাধাকপি, কলিজা, গরুর মাংস। মাছের তেলে রয়েছে ভিটামিন-ডি এবং দুগ্ধজাত খাবার থেকে ভিটামিন-ডি পাওয়া যায়। ভিটামিন-ই রয়েছে সয়াবিনে, গমে এবং ডিমে। ভিটামিন-এ রয়েছে ডিমের কুসুমে, গাজোরে, দুধ এবং কলিজায়।

প্রোটিন

হাড়ের বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে মাংস পেশীরও বৃদ্ধি পেতে হবে লম্বা হওয়ার জন্যে। আর মাংস পেশির বৃদ্ধি এবং মজবুত হওয়ার জন্যে দরকার প্রোটিন। খাবার তালিকায় ভালোমানের প্রোটিন যেমনঃ মাছ, মাংস, ডিম তালিকায় রেখে দিন। বিভিন্ন ধরনের ডাল, মটরশুটি, সীম বীচি, কাঠাল বীচি ইত্যাদি থেকেও ভালোমানের প্রোটিন পাওয়া যায়। খাবার তালিকায় সয়া প্রোটিন, বিভিন্ন ধরনের প্রোটিন সেইক যুক্ত করতে পারেন।

কার্বোহাইড্রেট

অনেকেই আছেন যারা লম্বা হওয়ার জন্যে কার্বোহাইড্রেট এবং ফ্যাট জাতীয় খাবারগুলো বেশী পরিমাণে গ্রহন করেন। অবিশ্বাস্য হলেও সত্য যে, বেশী পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট লম্বা হওয়াকে বাধাপ্রদান করে। কেননা বেশী পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট গ্রহণ করা মানে রক্তে বেশী পরিমাণে গ্লুকোজ। যার কারণে ইনসুলিন নামক হরমোনও নিঃসৃত হয় বেশি এবং ইনসুলিন শরীরের গ্রোথ হরমোনের কার্যকারীতা হ্রাস করে দেয়। তাই প্রতিদিনের খাবার তালিকায় লাল চাল, লাল আটা, ছোলা ইত্যাদি রাখুন সাদা আটা, ময়দা, পলিশ চাউলের পরিবর্তে খাবার তালিকায় রাখুন।

পানি পান করুন

পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করা লাগবে প্রতিদিন প্রায় ১.৫ থেকে ২ লিটার পানি পান করতে হবে।

যেসকল কারনে লম্বা হওয়া বাধাগ্রস্থ পায়

১. ঘুমের অভাবঃ নিয়মিত ৮ ঘন্টা করে ঘুমানোর অভ্যাস গড়ে তুলুন।

২. খেলাধূলা না করাঃ ফুটবল, ক্রিকেট, ভলি বল, বাস্কেট বল খেলার অভ্যাস গড়ে তুলুন। পাশাপাশি আপনাকে কিছু প্রসারিত ব্যায়াম করার প্রয়োজন হবে। যারা নতুন শুরু করছেন তারা প‌্রথমে অল্প কিছু প্রসারিত বায়ামগুলি, তারপর দড়ি লাফ এছাড়াও অন্যান্য ব্যায়াম করা শুরু করুন।

৩. অপুষ্টিঃ সুষম ও পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

৪. অঙ্গবিন্যাস ঠিক না থাকাঃ এই ক্ষেত্রে ফিজিওথেরাপিষ্টের সহায়তা নিতে হবে। 

৫. ত্যাগ করতে হবেঃ ধূমপান ও মদ্যপান করার অভ্যাস পরিহার করতে হবে। কেননা এগুলো দেহের হরমোনের ব্যালেন্সকে নষ্ট করে। মানুষের সুবিধার্থে অবশ্যই এই লম্বা হওয়ার উপায় সম্পর্কে আর্টিকেলটি শেয়ার করুন আপনার কাছের মানুষদের সঙ্গে। সুস্থ থাকুন, সুস্থ রাখুন। ধন্যবাদ।

Read more

জিমেইল আইডি কিভাবে খুলবো

জিমেইল আইডি কিভাবে খুলবো — গুগলের ই-মেইল বা ইলেকট্রনিক মেইলকে মূলত জিমেইল বলে। জিমেইল বা গুগল মেইল হচ্ছে গুগলের ইমেইল পরিষেবা। জিমেইল হচ্ছে গুগলের ইমেইল সার্ভিস। জিমেইল অ্যাকাউন্ট খোলার নিয়ম সম্পর্কে আজকের এই আর্টিকেলে আলোচনা করবো। গত ১ দশক ধরে যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে ইলেকট্রনিক মেইল অর্থাৎ ইমেইল ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। তথ্য যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম হিসেবে বিভিন্ন কোম্পানীসহ অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও বর্তমানে যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম হিসেবে ইমেইল ব্যবহার করছে। শুধুমাত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সীমাবদ্ধ না থেকে ব্যক্তি পর্যায়েও বর্তমানে অনেক জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ইমেইল বা ইলেক্ট্রনিক মেইল। দৈনন্দিন কাজে ব্যাক্তি জীবনে ই-মেইল ব্যবহার করা হচ্ছে ব্যাপক ভাবে।

কেন একটি ইমেইল প্রয়োজন

আপনি কি অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করার কথা ভাবছেন? একটি ফেসবুক একাউন্ট খুলতে চাচ্ছেন? জবের জন্যে অনলাইনে জীবন বৃত্তান্ত জমা দিতে চাচ্ছেন? এই সকল কাজ করতে আপনার একটি ইমেইল অর্থাৎ ইলেকট্রনিক মেইল আইডি প্রয়োজন হবে।

জিমেইল কি

বর্তমানে অনেকগুলো ফ্রি ইমেইল সার্ভিস প্রভাইডার আছে। যেমন- গুগল মেইল, ইয়াহু মেইল, জুহু মেইল, আউটলুক মেইল ইত্যাদি। গুগলের ইমেইল সার্ভিসকে মুলত জিমেইল বলা হয়। জিমেইলের ঠিকানা জানতে এখানে ক্লিক করুনঃ জিমেইল

জিমেইল দিয়ে কি করা যায়

গুগলের ইমেইল সেবা ব্যাবহার করে ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আদান প্রদান করা সহ সামাজিক যোগাযোগ রক্ষা করা যায়। বিভিন্ন টেক্স, ইমেজ, ভিডিও ও স্ক্যানিং ডুকুমের্ট যেমনল চাকুরির জন্যে জীবন বৃত্যান্ত জিমেইলের মাধ্যমে প্রেরণ করা যায়।

জিমেইল আইডি কিভাবে খুলবো

আমরা যারা এন্ড্রয়েড স্মার্টফোন ব্যবহার করি তাদের জন্যে একটা জিমেইল আইডি থাকা বাধ্যতামূলক। তা নাহলে এন্ড্রয়েড স্মার্টফোনের অনেক সেবাই গ্রহণ করা যায়না। যেমন- জিমেইল আইডি ব্যতীত গুগল প্লে স্টোর থেকে কোনো অ্যাপ ইন্সটল করা যায়না।

এছাড়াও যদি একটি ইমেইল একাউন্ট থাকে তাহলে ব্যাক্তিগত সকল ডকুমেন্ট স্ক্যানিং করে মেইলে রাখা যায়। প্রয়োজনে যেকোনো জায়গায় যেকোনো সময় ব্যাবহার করা যায়।

এখন আমরা জিমেইল আইডি কিভাবে খুলতে হয় সেটা দেখবো। চলুন তাহলে জেনে নেই জিমেইল আইডি খোলার নিয়ম –

সর্বপ্রথম আপনার কম্পিউটার অথবা মোবাইল ফোনের ব্রাউজার থেকে এই লিঙ্কে প্রবেশ করুন। নিচের মতো দেখতে পারবেন।

তারপর দাগ দেয়া বাটনে ক্লিক করুন। নিচের মতো চলে আসবে।

এখানে নামের ঘরে আপনার নামটি লিখুন, পদবির ঘরে আপনার পদবি টাইপ করুন তারপর ইউজার নাম দিন। প্রদত্ত ইউজার নামটি হবে আপনার জিমেইল আইডি।

পাসওয়ার্ডের ঘরে কমপক্ষে ৮টি সংখ্যার পাসওয়ার্ড টাইপ করুন। নিশ্চিত করুন পাসওয়ার্ডটি পুুনরায় দিয়ে পরবর্তী বাটনে ক্লিক করুন। আপনি নিচের মতো করে একটি চিত্র দেখতে পারবেন।

এরপর এখানে আপনার মোবাইল নাম্বার দিয়ে নেক্সট বাটনে ক্লিক করুন। যে নাম্বারটি দিবেন সেই নাম্বারে ৬ ডিজিটের কোড চলে যাবে এবং নিচের মতো একটি পেজ আসবে।

গুগল থেকে যে কোডটি মেসেজ পাঠিয়েছে সেটি এখানে দিয়ে যাচাই বাটনে ক্লিক করুন। যাচাই হয়ে গেলে নিচের মতো একটি পেজ চলে আসবে।

এখানে একাউন্ট ফিরিয়ে আনার জন্য ইমেইল ঠিকানার ঘরে আগে থেকে আপনার কোনো মেইল আইডি থাকলে সেটাকে দিতে পারেন। এটি না দিলেও কোনো সমস্যা নেই।

জম্ম তারিখ এবং লিঙ্গ সেট করে পরবর্তী বাটন প্রেস করুন। নিচের মত পেজ আসবে।

এখনে হ্যাঁ, আমি রাজি বাটন প্রেস করুন। নিচের মত আসবে।

আমি সম্মত বাটনটি ক্লিক করুন। বাস আপনার কাজ শেষ। নিচের মত আপনার মেইল কন্ট্রোল প্যানেল পেয়ে যাবেন।

Read more

ফেসবুক প্রোফাইল লক খোলার নিয়ম | ফেসবুকে লক প্রোফাইল দেখার উপায়

ফেসবুক প্রোফাইল লক খোলার নিয়ম | ফেসবুকে লক প্রোফাইল দেখার উপায় — ব্যক্তিগত সুরক্ষার জন্য অনেকেই আছেন যারা ফেসবুক প্রোফাইল লক করে …

Read more