মোবাইল রিপেয়ারিং করার পূর্বে যা করণীয়

মোবাইল রিপেয়ারিং করতে দেওয়ার আগে করণীয় — আমাদের মোবাইল ফোন রিপেয়ারিং করার জন্য আমরা মূলত দুইটি জায়গা থেকে মোবাইল ফোন রিপেয়ার করে থাকি। মোবাইল ফোন রিয়েপারিং করার জন্য হয়তোবা আমরা কোনো কাস্টমার কেয়ার কিংবা কোনো মোবাইল মেকানিকের কাছে নিয়ে যাই। 

কিন্তু ফোন রিপেয়ার করার পূর্বে আমাদের যে কিছু করণীয় আছে সে বিষয় নিয়ে আমরা অনেকেই আছি যে অবগত না! আজকের এই আর্টিকেলে আমরা মোবাইল রিপেয়ারিং করার পূর্বে যা করণীয় সেই বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো।

Mobile Repairing করতে দেয়ার পূর্বে আমাদের যেসকল বিষয়ে লক্ষ্য রাখা উচিত সেসকল বিষয় সমূহ নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো। প্রত্যেক ব্যক্তির প্রাইভেসির জন্যে এই বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ তাই মনোযোগ সহকারে এই মোবাইল রিপেয়ারিং করার পূর্বে যা করণীয় পোস্টটি ভালো করে শেষ পর্যন্ত পড়ে নিন।

কাস্টমার কেয়ার vs মেকানিক

আপনার মোবাইল ফোনটি যদি ওয়্যারেন্টির ডেটে থাকে তবে ফোনের যেকোনো কিছু নষ্ট হোক না কেন সর্বপ্রথম মোবাইল ফোনটি কাস্টমার কেয়ারে ঠিক করার জন্য নিয়ে যাবেন। যদি আপনার ফোনের ওয়্যারেন্টি ডেট না থাকে তবে ভালো কোনো মেকানিকের কাছে যাবেন। কেননা, আপনার মোবাইল ফোনের কি? 

কি কারনে ফোনের সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে কিভাবে আপনার ফোনটি রিপেয়ারিং করতে হবে তা কাস্টোমার কেয়ার এর দক্ষ কর্মীগণ ভালোভাবে জানে আপনার কাজটি সহজ ভাবে করে দিতে পারবে। কিন্তু যদি এই পদ্ধতি না থাকে তবে আপনাকে ভালো কোনো দোকানে অর্থাৎ ভালো মোবাইল সার্ভিসিং মেকানিক এর কাছে দিয়ে কাজ করে নিতে হবে।

সিম কার্ড এবং মেমরি কার্ড খুলে নিন

আপনার ফোনের মেমরি হচ্ছে একটি পার্সোনাল জিনিস তাই যখন মোবাইল ফোনটি রিপেয়ারিং করতে দিলে কয় এক দিন সময় দেরি করার প্রয়োজন হয় তবে মেমরি কার্ড খুলে রেখে দিবেন। মেমরি কার্ড হারিয়ে যাওয়া ব্যতীত হয়তোবা আপনার মেমরি কার্ডে থাকা আপনার বিভিন্ন ডকুমেন্ট এবং ছবি বা অন্যান্য প্রয়োজনীয় কিছু চুরি হতে পারে তাই নিজের সুরক্ষারর জন্য মেমরি কার্ড খুলে নেয়াটা উত্তম। সেই সঙ্গে আপনার সিম কার্ডটি মেরামতের দোকানে রেখে আসবেন না বর্তমান সময়ে নিজের সিম কার্ড অন্যজনের কাছে দেয়া মানে খাল কেটে কুমির ডেকে আনা।

ফোন মেমরি ব্যাকআপ এবং ফরম্যাট

আপনার মোবাইল ফোনটি যদি রিপেয়ারিং করতে কয়েক দিন সময় নেয় অর্থাৎ ফোনটি রেখে আসার প্রয়োজন হয় তবে অবশ্যই আপনি ফোন মেমরি ব্যাকআপ রেখে দিবেন।আর যদি আপনার মোবাইল ফোনে সফটওয়্যার দেয়ার প্রয়োজন হয় তবে সেক্ষেত্রে আপনার মোবাইলের কোনো ডাটা আর থাকবে না সবগুলো মুছে যাবে। 

ফোন মেমরিতে ডিফল্ট লোকেশন দেয়া থাকে তাই ক্যামেরা দিয়ে তোলা ছবি, ডাউনলোড দেয়ায় ফাইল অনেকে ফোন মেমরিতেই থেকে যায় তাই আপনার ছবি গুলো অবশ্যই মেমরিতে রেখে দিবেন। আর ফোনটি রিপেয়ারিং দেয়ার সময়ে ফোন মেমরি ফরম্যাট দিবেন যদি আপনার নিজের সুরক্ষা চান, কেননা হতে পারে আপনার ফটো বা অন্যান্য কোনো ডকুমেন্ট হাতিয়ে নিয়ে আপনাকে হয়রানির করতে পারে তাই এই বিষয়ে সাবধান থাকুন।

ফেসবুক লগ আউট করে রাখুন

বর্তমান সময়ে এমন অনেক মানুষ কম আছে যারা স্মার্টফোন ব্যবহার করে কিন্তু ফেসবুক অথবা অন্যান্য কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করেনা। প্রতিনিয়ত আমরা ফেসবুকে বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে মেসেজ, ছবি শেয়ারিং, প্রেমিক-প্রেমিকাদের আলাপ আলোচনা কতো কিছুই না হয়। এখন আপনি একটু চিন্তা করুন তোহ এই অবস্থায় যদি কোনো অসৎ ব্যক্তির হাতে ফোনটি পড়ে যায়?

তবে আপনি ক্ষতির মুখে স্বাভাবিক ভাবেই পড়ে যাবেন এমন অনেক দেখেছি যে, মোবাইল ফোন রিপেয়ারিং করতে দিয়েছেন আর মেকানিকরা তাদের পার্সোনাল সব জিনিস হাতিয়ে নিয়েছে। একটি ফেসবুক একাউন্ট অন্য ব্যক্তির হাতে যাওয়া মানেই বর্তমানে সময়ে নিজের বিপদ নিজেই ডেকে আনা তাই এই বিষয়ে সাবধান থাকুন।

নিজে দাঁড়িয়ে থেকে মোবাইল রিপেয়ার করুন

মোবাইল রিপেয়ার করার সময়ে অনেক মেকানিক আছে যারা ফোনের ভালো পার্টসগুলোকে খুলে খারাপ পার্টস গুলোকে লাগিয়ে দেয়। তাই যখন আপনি মোবাইল ফোন রিপেয়ার করতে দিবেন তখন আপনি স্বয়ং নিজে দাঁড়িয়ে থেকে মোবাইল ফোনটি মেকানিকের থেকে রিপেয়ার করে নিবেন। 

অনেক সময়ে দেখা যায় যে, মোবাইল ফোনের পার্টস পাওয়া যায় নাহ বা মেকানিক আরও কাজ থাকে বলে মেকানিক একটা সময় বলে যে ১-২ দিন পর মোবাইলটি নিতে আসবেন। যদি আপনি এরকম পরিস্থিতিতে পড়েন তবে অবশ্যই উপরোক্ত কথাগুলো অনুসরণ করে চলা উচিত।

শেষ কথা

এখন হয়তোবা অনেকেই চিন্তা করছেন যে একটা মোবাইল ফোন ঠিক করার জন্য এতো কিছু অনুসরণ করবাে? এতো কিছুর মানে টা কি? আপনার যদি ধারণা এমন হয়ে থাকে তবে তা সম্পূর্ণ আপনার একান্ত ব্যাপার। হ্যাঁ মনে রাখবেন আপনার এন্ড্রয়েড স্মার্টফোন কিংবা অন্য মোবাইল ফোন হোক না খুবি গুরুত্বপূর্ণ জিনিস যদি কোনো অসাধু ব্যক্তির হাতে পারে তবে আপনার অনেক ভাবেই ক্ষতি হওয়ার আশংকা থাকে। 

একটি মেয়ে বা মহিলার মোবাইল ফোন রিপেয়ার করতে দেয়ার পূর্বে এ বিষয়ে খুবই গুরুত্ব দেয়া উচিত। কেননা চাইলে মেয়ের পার্সোনাল ছবিগুলো মেকানিক হাতিয়ে নিয়ে তাকে বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করতে পারে! মেকানিক যে হয়রানি করবে ঠিক তাও নাহ। কিন্তু মনে রাখবেন সাবধানতার মার নেই তাই সব সময় সাবধানতা অবলম্বন করে কাজ করবেন।

ফেসবুক একাউন্ট, গুগল একাউন্ট সহ আরও অনেক ডকুমেনট আমাদের মোবাইল ফোনে রয়েছে যে গুলো আমাদেরকে অনেক প্রাইভেসিতে রাখা প্রয়োজন সেগুলো যদি কোনো ভাবে অসৎ ব্যক্তির হাতে পড়ে যায় তবে মারাত্মক কাহিনীর সৃষ্টি হতে পারে। 

যারা আমরা প্রযুক্তি প্রেমী এবং এই রিলেটেড বিভিন্ন মুভিগুলো দেখে থাকি তারা মোবাইল ফোন থেকে বিভিন্ন ডাটা চুরি করা অথবা ছবি নিয়ে বিভিন্ন হয়রানি মূলক ঘটনা দেখে থাকবেন। এই ব্যাপারটি শুধুমাত্র মুভির মাঝেই সীমাবন্ধ নহে আমাদের বাস্তব সমাজে এমন ধরনের ঘটনা ঘটে থাকে। এজন্য আপনি সাবধান থাকবেন আর যদি সাবধান না থাকেন তবে আপনার মান ইজ্জত সব শেষ😀।

আমি মনে করি, মোবাইল রিপেয়ারিং করতে দেওয়ার আগে করণীয় বা আমাদের যেসকল বিষয়গুলো করা উচিত সেই গুলো সঠিক সুন্দরভাবে বুঝতে ও জানতে পারছেন। এছাড়াও আপনার কোনো জিনিসটা মোবাইল ফোনে থাকলে সেটা ক্ষতি হওয়ার আশংকা থাকে সেই বিষয় নিয়ে বিবেচনা করবেন।

Read more

অলিম্পিক গেমসের ইতিহাস?

অলিম্পিক গেমসের ইতিহাস? — 776 খ্রিস্টপূর্বাব্দে প্রাচীন গ্রিক শহর অলিম্পিয়াতে অলিম্পিক গেমস অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এই গেমগুলি পরে রোমের সম্রাট থিওডোসিয়াস নিষিদ্ধ করেছিলেন। 1896 খ্রিস্টাব্দে গ্রীসের এথেন্স শহরে আধুনিক অলিম্পিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছিল। ফ্রান্সের ব্যারো পিয়েরে ডি কুবের্টিন নামে একজন ব্যক্তিকে এই গেমগুলির পুন সংগঠনের কৃতিত্ব দেওয়া হয়। প্রথম অলিম্পিকে নারীরা অংশগ্রহণ করেনি, কিন্তু পরবর্তী প্যারিস অলিম্পিকেও নারীরা অংশগ্রহণ করেছিল।

অলিম্পিক গেমসের ইতিহাস?

1950 -এর দশকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়ার মধ্যে প্রতিযোগিতার কারণে অলিম্পিক সারা বিশ্বে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। অলিম্পিক গেমস প্রতিটি দেশের জন্য তার শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের একটি মাধ্যম হয়ে ওঠে। 1980 সালে, আমেরিকা এবং তার মিত্ররা অলিম্পিক বর্জন করেছিল এবং 1984 সালে রাশিয়া এই গেমসে অংশগ্রহণ করেনি। 

যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া এবং চীন অলিম্পিক গেমসে আধিপত্য বিস্তার করেছে। এই দেশগুলি সবচেয়ে বেশি পদক জিতেছে, আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি 1894 খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এই কমিটির সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডে। অলিম্পিক গেমস এই কমিটি দ্বারা পরিচালিত হয়। আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি ১ জন রাষ্ট্রপতি, সহ -সভাপতি এবং নির্বাহী সদস্য নিয়ে গঠিত।

অলিম্পিকের পতাকা 1913 সালে তৈরি করা হয়েছিল। এন্টওয়ার্প অলিম্পিকে এই পতাকা প্রথম উড়ানো হয়। এই সাদা পটভূমির পতাকাটিতে 5 টি রিং রয়েছে যা ঘরটি 5 টি মহাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে। নীল আংটি ইউরোপ মহাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে এবং হলুদ আংটি এশিয়াকে প্রতিনিধিত্ব করে। কালো রিং আফ্রিকা, গ্রিন রিং অস্ট্রেলিয়া এবং রেড রিং উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার প্রতিনিধিত্ব করে।

অলিম্পিকের Moto Vehicle উদ্দেশ্য কী?

ল্যাটিন ভাষায় তিনটি শব্দ আছে – সিটিয়াস, আলটিয়াস এবং ফোর্টিয়াস যার অর্থ যথাক্রমে দ্রুত, উচ্চ এবং শক্তিশালী।

অলিম্পিক টর্চ শিখা – অলিম্পিকে মশাল জ্বালানোর ঐতিহ্য শুরু হয় 1928 আমস্টারডাম অলিম্পিকে।

অলিম্পিকে বিজয়ী খেলোয়াড়দের তিন ধরনের পদক দেওয়া হয়। যে খেলোয়াড় প্রথম আসে তাকে স্বর্ণপদক দেওয়া হয়। দ্বিতীয় স্থানে রৌপ্য পদক এবং তৃতীয় স্থানে ব্রোঞ্জ পদক প্রদান করা হয়। একটি স্বর্ণপদক একটি পদক যা গ্রাম সোনা দিয়ে তৈরি হয় যার পরিধি মিমি এবং পুরুত্ব মিলিমিটার, যখন রৌপ্য পদক রূপার তৈরি পদক। একটি ব্রোঞ্জ মেডেল ব্রোঞ্জ দিয়ে তৈরি একটি মেডেল।

অলিম্পিক গেমসে ভারতের ইতিহাস

ভারত 1900 সালে প্যারিস অলিম্পিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছিল, তারপর নরম্যান পিচার্ড ভারতের হয়ে প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিল এবং 2 টি রৌপ্য পদক জিতেছিল। ভারত অলিম্পিক পদকের তালিকা।

১৯২8 আমসডারম্যান অলিম্পিকে হকি খেলায় ভারত তার প্রথম স্বর্ণপদক জিতেছিল। ভারত 1932, 1936, 1948, 1952, 1956, 1964 এবং 1980 অলিম্পিকে হকি খেলায় স্বর্ণপদক জিতেছে। ভারত 1960 রোম অলিম্পিকে হকিতে রৌপ্য পদক জিতেছিল এবং 1968, 1972 অলিম্পিকে ভারত ব্রোঞ্জ পদক জিতেছিল। ভারত এখন পর্যন্ত হকিতে gold টি স্বর্ণ, ১ টি রৌপ্য এবং ২ টি ব্রোঞ্জ পদক জিতেছে।

ব্যক্তিগত ইভেন্টে প্রথম পদক ছিল 1952 হেলসিংকি অলিম্পিকে জয়। কেডি যাদব কুস্তি প্রতিযোগিতায় ব্রোঞ্জ পদক জিতেছেন। লিয়েন্ডার পেস 1996 সালের আটলান্টা অলিম্পিকে টেনিসে ব্রোঞ্জ পদক জিতেছিলেন।

অলিম্পিক গেমসের ইতিহাস

2000 সালের সিডনি অলিম্পিকে ভারোত্তোলনে ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন কর্ণম মল্লেশ্বরী। ২০০৪ সালের এথেন্স অলিম্পিকে শুটিংয়ে ভারতের একমাত্র রৌপ্য পদক জিতেছিলেন রাজ্যবর্ধন সিং রাঠোর। ২০০৮ সালে বেইজিং অলিম্পিক ভারতের জন্য খুবই বিশেষ ছিল কারণ ভারত এই অলিম্পিকে প্রথম স্বর্ণপদক পেয়েছিল। শুটিংয়ে স্বর্ণপদক জিতেছেন অভিনব বিন্দ্রা।

২০১২ সালের লন্ডন অলিম্পিকে ভারত ২ টি রৌপ্য এবং ব্রোঞ্জ পদক জিতেছিল। বিজয় কুমার শুটিংয়ে রৌপ্য পদক এবং কুস্তিতে সুশীল কুমার জিতেছেন। যোগেশ্বর দত্ত কুস্তিতে ব্রোঞ্জ পদক এবং শুটিংয়ে গগন নারং জিতে ভারতকে সম্মান এনেছিলেন। মেরি কম বক্সিংয়ে ব্রোঞ্জ পদক এবং ব্যাডমিন্টনে সাইনা নেহওয়াল জিতেছেন।

২০১৬ রিও অলিম্পিকে ভারতের পারফরম্যান্স হতাশাজনক ছিল এবং ভারত মাত্র ২ টি পদক জিতেছিল। ব্যাডমিন্টনে পিভি সিন্ধু রৌপ্য পদক জিতেছেন এবং সাক্ষী মালিক কুস্তিতে ব্রোঞ্জ পদক জিতে পদক তালিকায় ভারতকে নেতৃত্ব দিয়েছেন।

অলিম্পিক গেমস সম্পর্কে তথ্য

১.1960 সালে রোম অলিম্পিক থেকে অলিম্পিক গেমস টেলিভিশন করা হয়েছিল।

2. যে খেলোয়াড় একক অলিম্পিক ইভেন্টে সর্বাধিক স্বর্ণপদক জিতেছেন তিনি হলেন মাইকেল ফেলপস, যিনি সাঁতারে স্বর্ণপদক জিতেছেন। বেইজিং অলিম্পিকে ফেলপস 8 টি স্বর্ণপদক জিতেছেন।

3. অলিম্পিক গেমসে প্রথম ভারতীয় মহিলার নাম মেরি লীলা রো।

4. রিও অলিম্পিক 2016 এ 206 টি দেশ অংশগ্রহণ করেছিল এবং 28 টি ক্রীড়া এই অলিম্পিকে জড়িত ছিল যার 306 টি ইভেন্ট ছিল।

5. অলিম্পিক গেমস গ্রীষ্মকালে এবং শীতকালেও খেলা হয় কিন্তু এটি এত জনপ্রিয় নয়।

6. অলিম্পিক প্রতিযোগিতায় বক্সিং, রেসিং, রেসলিং, সাঁতার, দৌড়ের মতো অনেক ইভেন্ট রয়েছে।

7. প্রথম বিশ্বযুদ্ধ এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কারণে 1916, 1940 এবং 1944 সালে অলিম্পিকের আয়োজন করা হয়নি।

Read more

ফুটবল খেলার ইতিহাস | ফুটবল খেলার সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

ফুটবল খেলার ইতিহাস — ফুটবল খেলা দেখেননি অথবা অন্তত একবার হলেও ফুটবল খেলেননি এমন লোক বর্তমান সময়ে খুঁজে পাওয়াটা অনেক দুষ্কর ব্যাপার। একটি খেলা যে সারাবিশ্বের মানুষকে এভাবে এক ছাতার নিচে নিয়ে আসতে পারে, তা এই ফুটবল খেলা না দেখলে হয়তোবা অনুভব করা যাবেনা। কিন্তু সকলেই শুধুমাত্র ফুটবল খেলা দেখে থাকে না। কেউ কেউ আছেন যারা ফুটবলের উন্মাদনায় মাতোয়ারা হয়ে পাশাপাশি ফুটবল খেলার ইতিহাস সম্পর্কে জানতে চায়। ফুটবল খেলার ইতিহাস সম্পর্কে সে জ্ঞানের তৃষ্ণা মেটাতেই মূলত আমাদের আজকের এই আর্টিকেল। 

মানবসভ্যতার নানা বাকে ফুটবল 

ফুটবল নামটির সঙ্গে রয়েছে বেশ সার্থকতা। ফুট শব্দের অর্থ হচ্ছে পা। আর বল শব্দের প্রচলিত বাংলা অর্থ হচ্ছে ‘বল’। যাকে পূর্বে বলতো গোলক। মূলত পা দিয়ে বলকে লাথি মেরে খেলাকেই বলা হয় ফুটবল। আর এমন একটি খেলা অর্থাৎ ফুটবল খেলা পাওয়া গেছে মানব সভ্যতার নানান বাঁকে। 

মেসোমেরিকান সভ্যতা

বলের সাহায্য খেলার প্রথম প্রমান দেখা যায় মেসোমেরিকান সভ্যতাতে। যা প্রায় গত ৩০০০ হাজার বছর পূর্বে হতো সেই খেলা। আর সেই বলটি ছিলো মূলত পাথরের। অ্যাজটেকদের সেই খেলাতে কিছু অনুষ্ঠানে বলকে মনে করতো সূর্যের প্রতীক। আর সূর্য দেবতার সম্মানেই তারা খেলায় বিজয়ী দলের দলপতিকে উৎসর্গ করতো অ্যাজটেকরা। তবে হা মেসোমেরিকান সভ্যতাই ছিলো রাবার ইউজারকারী প্রথম সভ্যতা। তাই তাদের খেলাতে এমনকি রাবারের বলের ব্যবহারের ও নজির আছে।

আরও পড়ুনঃ অলিম্পিক গেমের ইতিহাস | অলিম্পিক গেমসের সম্পূর্ণ ইতিহাস

এশীয় ও অস্ট্রেলীয় সভ্যতা

বলকে লাথি মেরে খেলতে হয় এমন ধরনের খেলার বিষয়ে প্রথমে জানা যায় চীনাদের হিস্ট্রি থেকে। হান রাজবংশের সময়ে ২য় এবং ৩য় খ্রিষ্টপূর্বাব্দে চীন দেশে একটি ধরনের খেলা প্রচলিত ছিলো। যার নাম ছিলো হচ্ছে ‘কুজু’। যাকে সরাসরি ইংরজিতে করলে হয় কিকবল ‘Kickball’। কুজু খেলাটি খেলতো একটি গোল বল ব্যবহার করে। পশম অথবা পালককে চামড়া ব্যবহার করে মুড়ে তৈরি করা হতো বল। তারপর চারকোণা একটি মাঠের মাঝে হতো সেই খেলা। 

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে যা বিস্তার লাভ করছে মালয় উপদ্বীপে। পরবর্তীতে ধীরে ধীরে তা জাপান ও প্রশান্ত মহাসাগরের অন্যান্য দ্বীপ গুলোতে এবং অস্ট্রেলীয়াতে ও ছড়িয়ে পড়ছে কুজুর মতো এই খেলাটি। জাপানিজরা এই খেলাকে বলতো খেমারি। অন্যদিকে অস্ট্রেলীয়ায় এই খেলার নাম ছিলো মার্ন গুক। ১৮০০ শতকে অস্ট্রেলিয়ার আদিবাসীরা গাছের পাতা এবং মূলকে ব্যবহার করে বল বানিয়ে এই খেলা খেলতো।

তাছাড়াও বলকে লাথি মেরে খেলার প্রচলিত ছিলো প্রাচীন গ্রিক এবং রোমান সভ্যতাতে। তবে হ্যাঁ সেসব অঞ্চলে খুব বেশি বড় আকারে খেলা হতোনা। যদিওবা গ্রেট ব্রিটেনে এই খেলাটিকে পৌছে দেয় রোমানরাই। পরবর্তী সময়ে ব্রিটিশরাই এই খেলার প্রচলন ঘটায় সারাবিশ্বে। আর যার কারণে বর্তমান সময়ে সারাবিশ্বের প্রায় সব দেশের মানুষ কাছে পছন্দের দলের খেলা অনুষ্ঠিত হলেই ভাই-বোন, পরিবার, বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে লাইভ ফুটবল ম্যাচ খেলা দেখতে সবাই মেতে উঠে।

ব্রিটেনঃ আধুনিক ফুটবলের জন্মভূমি

পূর্বকথা

ব্রিটেনকে বলা হয়ে থাকে মূলত আধুনিক ফুটবলের মাতৃভূমি বা জন্মভুমি। সেই ১২০০ শতাব্দীতে ইংল্যান্ড এর মাঠে-ঘাটে খেলতো ফুটবলের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ নানান ধরনের খেলা। তবে সেসকল খেলাতে নিয়ম-কানুনের কোনো বালাই ছিলো না বললেই হয়। এমনকি সেই সকল খেলাতে পায়ের পাশাপাশি হাতের ব্যবহার করা হতো অহরহ। অনেক সময় এসকল খেলাতে আবার অনেক বেশি মানুষেরা অংশগ্রহণ করতো। যার কারণে সেখানে হাতাহাতি, মারামারি এমনকি অনেকে মৃত্যুবরণ করছে। 

খেলাকে কেন্দ্রবিন্দু করে বাড়িঘর ভাংচুর করা হতো প্রায় সময়। আর এসকল অনিয়মে রাজা বিরক্ত হয়ে দ্বিতীয় অ্যাডওয়ার্ড সকল শহর থেকে এই খেলাকে নিষিদ্ধ করে দেন। পরবর্তী ১৩৪৯ সালের দিকে আবার তার পুত্র তৃতীয় অ্যাডওয়ার্ড পুরো ব্রিটেন থেকেই এই খেলাকে নিষিদ্ধ করে দেন। কিন্তু হ্যাঁ রাজা সপ্তম হেনরির আবার ফুটবলের প্রতি অনুরাগ ছিলো বেশ। তার রাজকীয় জুতার ভান্ডারে ফুটবল খেলার জন্যে ১ জোড়া চামড়ার জুতো এবং ৪৫ জোড়া ভেলভেট দেখলেই সেটা বোঝা যায়। 

তবে হ্যাঁ তার স্থুলতার কারনে এ খেলাতে তিনি তেমন বেশি পারদর্শী ছিলেন না। পরবর্তী সময়ে ১৫৪৮ সালে এই খেলাটি দাঙ্গার সৃষ্টি করে এই কারণ দেখে রাজা সপ্তম হেনরি আবার পুনরায় তৎকালীন ফুটবলকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। 

তৎকালীন সময়ে ফুটবলের এই হিংস্রতার ইতিহাস বারবার ফুঁটে উঠেছে ষোড়শ এবং সপ্তদশ শতাব্দী জুড়ে। এই খেলাটি নিষিদ্ধ হলেও ফুটবলের মতোই আরো নানান ধরনের খেলার প্রচলন ছিলা ইংল্যান্ডের মাঠে ঘাটে। এমনকি লন্ডন শহরে চলতো সেসকল খেলা। সে সময় শুধুমাত্র ইংল্যান্ড না, ফুটবলের মতো খেলাটি বিস্তার লাভ করছিলো স্কটল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড এবং ওয়েলসতে। 

তবে হ্যাঁ সেসকল খেলার হিংস্রতার জন্যে সেগুলো ১৮৩৫ সালে আবার পুনরায় নিষিদ্ধ করা যেতে পারতো। কিন্তু ততোদিনে সাধারণ মানুষের খেলার স্তর থেকে ফুটবল এর উন্নতি হয়েছিকো। সে সময়ে ইংল্যান্ডের পাবলিক স্কুল গুলোর মাঝে ফুটবলের মতো আরো নানান ধরনের খেলার ব্যবস্থা ছিলো। এমন ২টি প্রধান পাবলিক স্কুল ছিলো রাগবি এবং ইটন। রাগবি স্কুলে ফুটবল খেলাতে পায়ের পাশাপাশি ঠিক হাতেরও ব্যবহার প্রচলিত ছিলো। সেখান থেকেই মূলত জন্ম হয়েছে আজকের এই রাগবি খেলার। অন্যদিকে ইটন স্কুলে শুধুমাত্র পায়ের মাধ্যমেই ফুটবল খেলতো। অর্থাৎ এটাকে বলা চলে বর্তমান সময়ের ফুটবলের আদিপিতা।

আরও পড়ুনঃ কম্পিউটারের জন্য প্রয়োজনীয় ৫টি সফটওয়্যার

নিয়মাবলীর জন্ম

তখন ছিলো ১৮৪৮ সাল। কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছায়ার নিচে ইংল্যান্ডের বড় বড় পাবলিক স্কুল গুলোর প্রতিনিধিরা জমা হতো। সে সময়ে কিছু কিছু নিয়মকানুন করা হয়। সেগুলোকে বলা হতো কেমব্রিজ রুলস। তৎকালীন সসময়ে বড় বড় স্কুলগুলি অর্থাৎ রাগবি, ইটন, শ্রুসবেরি ও হ্যারো, উইনচেস্টার এই সকল নিয়ম-কানুন মেনে নেয়। যদিওবা ১৮৫০ এর দশকে ইংল্যান্ডের অনেক স্কুলগুলো তাদের নিজেদের মতো করে নিয়ম-কানুন তৈরি করে এই খেলা চালিয়ে নিয়েছিলো। আবার কিছু কিছু স্কুল শেফার্ড রুলস নামের ভিন্ন কিছু নিয়ম-কানুন অনুসরণ করতো। 

বেনিজার কব মর্লেই হচ্ছে ২২ বছরের এক উজ্জ্বল তরুণ। তিনি ছিলেন তৎকালীন বার্নস ক্লাবের দলনেতা। ২৬ অক্টোবর ১৮৬৩ সালে, লন্ডনের গ্রেট কুইন স্ট্রিটের ফ্রিম্যাসন ট্যাভার্নে এবেনিজার ডাক দেন একটি মিটিং। আর সেই মিটিংয়ের ফলস্বরুপই প্রতিষ্ঠিত হয়ে থাকে দ্যা ফুটবল এসোসিয়েশন। বর্তমান সময়ে যেটা পরিচিত FA নাম দিয়ে। 

পরবর্তী সময়ে আরও ৫ মিটিং করার পরে অবশেষে ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন ফুটবলের বিশেষ কয়েকটি নিয়মকানুন বানাতে সমর্থ হয়। কিন্তু হ্যাঁ শেষ মিটিংয়ের দিনে ব্ল্যাকহিথ ক্লাবটি অ্যাসোসিয়েশন থেকে ত্যাগ করে। কেননা তাদের দাবি ছিলো মূলত ফুটবল খেলাতে হাতের ব্যবহার করতে হবে এবং প্রতিপক্ষকে ধরে রাখার জন্য প্রথা বজায় রাখতে হবে। ব্ল্যাকহিথ ক্লাবকে সাপোর্ট করে আরো কয়েকটি ক্লাব মিলে তারপর গঠন করে রাগবি ফুটবল ইউনিয়ন। যা বর্তমানে রাগবি খেলা নামে পরিচিত। 

আন্তর্জাতিক ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন 

বর্তমান সময়ে ফুটবল খেলার সকল নিয়ম-কানুন পরিচালিত হয়ে থাকে আন্তর্জাতিক ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের দাঁরা। আর হ্যাঁ এই আন্তর্জাতিক ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন এর জন্ম হয়েছিলো ১৮৮৬ সালে যা ম্যানচেস্টার শহরে। দি ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন, দি স্কটিশ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন, দি ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন অব ওয়েলস ও আইরিশ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন মিলে গঠন করা হয় আন্তর্জাতিক ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন। আর সর্বপ্রথম আন্তর্জাতিক ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছিলো ইংল্যান্ড এবং স্কটল্যান্ডের মধ্যে। যা অনুষ্ঠিত হয়েছিলো ৩০ নভেম্বর ১৮৭২ সালে। 

দেশে দেশে ফুটবল

আধুনিক ফুটবল এর জনক হিসেবে পৃথিবীর অনেক দেশের মানুষদেরকে ফুটবল খেলার প্রতি আগ্রহী করা এবং উৎসাহিত করা এই দুটোর দায়ভার মূলত ব্রিটিশদের। দক্ষিণ আমেরিকা, মধ্য আমেরিকা, ইউরোপের দেশগুলোতে ব্রিটিশদের ব্যবসায়িক সম্পর্কের কারনে ফুটবল খেলাটাও অনেক বেশি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। এছাড়া দক্ষিণ আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড এবং ভারতবর্ষের মত দেশগুলো যেগুলোতে ব্রিটিশরা জোরপূর্বক কলোনি বানিয়ে ছিলো সেগুলোতে ফুটবল খেলার তেমন বেশি আগ্রহ তৈরী হয়নি। 

ঐসকল দেশে ক্রিকেট, রাগবির মতো ইত্যাদি খেলা প্রচলিত ছিলো। তাছাড়াও ইংল্যান্ড এবং অন্যান্য অনেক দেশেই ফুটবল খেলোয়াড়দের মাঝে শ্রেণীর পার্থক্য ছিলো চোখে পড়ার মতোই। যেমন ধরুন ইংল্যান্ডের ফুটবল দলের সকল শ্রেণীর খেলোয়াড় কিছু কিছু করে থাকলেও বেশিরভাগ খেলোয়াড়রা ছিলো নিচু শ্রেণী থেকে উঠে আসছিল। 

আবার ডাচদের ক্ষেত্রে ফুটবল খেলোয়াড় হিসাবে উঁচু শ্রেণীর লোকেরাই খেলাতে বেশি অংশগ্রহণ করতে পারতো। ফুটবল খেলায় সেসময়ে জাতীয় দলের খেলার তুলনায় ক্লাবের খেলাগুলো বেশী পরিমাণে গুরুত্ব পেতো। প্রথম দিকে শুধুমাত্র ব্রিটিশ ক্লাব গঠন শুরু করলেও পরবর্তীতে একে একে বিভিন্ন দেশে ফুটবল ক্লাব গঠন করা হয়। যা খুবি দ্রুততার সাথে ফুটবলকে মানুষের কাছে পরিচিত করে তুলে।

আরও পড়ুনঃ ব্লগ সাইট খোলার নিয়ম | ফ্রী ব্লগ সাইট তৈরি করে লাখ টাকা ইনকাম করুন

ড্যনিশ ফুটবল ও ফুটবল ক্লাব

ইংল্যান্ড এবং আয়ারল্যান্ডের পরে ইউরোপের প্রথম ফুটবল ক্লাব গঠন করে ড্যানিশরা ১৮৭৬ সনে। ক্লাবের নাম ছিলো কোপেন হেগেন বোল্ডক্লাব। ইউরোপের প্রথম ফুটবল ক্লাবটিও গঠিন করা হয় এই ডেনমার্কে ১৮৮৯ সালে। এই সকল বিষয় মিলিয়ে ইউরোপীয়রা অন্যান্য অনেক দেশের তুলনায় প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পূর্বে পর্যন্ত ড্যানিশরা অনেক শক্তিশালী ছিল। যার ফলস্বরুপ ১৯০৮ এবং ১৯১২ সালের অলিম্পিকে তারা পর পর দুবার রৌপ্য পদক লাভ করে।

স্প্যানিশ ফুটবল

স্পেনে ফুটবলের প্রচলন তৈরী হয় মূলত স্পেন দেশে কাজ করতে আসা ব্রিটিশ অভিবাসীদের সাহায্যে। উনিশ শতকের শেষ দিকে ধীরে ধীরে ফুটবল খেলা অভিবাসীদের মাধ্যমে স্পেনের সাধারণ মানুষের মাঝে ছড়িয়ে পড়ে। ফুটবল খেলাটিকে স্পেনে জনপ্রিয় করার জন্যে তৎকালীন সময়ের স্পেনের রাজা ত্রিয়োদশতম আলফোনসের ভূমিকা অনেকটাই। তিনি ১৯০২ সালের স্পেনে বাস্ক, ক্যাটালনিয়া এবং মাদ্রিদের অঞ্চল গুলোতে বেশ কিছু দলের মাঝে একটি ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করে থাকেন। কিন্তু এতো কিছুর পরে আঞ্চলিক বিভক্তির কারনে স্প্যানিশ জাতীয় দল গঠন করাটা ছিলো বেশ কঠিন ব্যাপার। একারণেই তারা মূলত ১৯০৪ সালে ফিফার (ফুটবল ফেডারেশন) প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হওয়া সত্ত্বেও প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পূর্বে কোনো জাতীয় টিম তৈরী করতে পারেনি।

ইতালীয় ফুটবল

ইতালিতে ফুটবল খেলার সূচনাটা হয়েছিলো মূলত সুইস, ব্রিটিশ এবং ইতালির উচু শ্রেণীর জনগনের মাধ্যমে। যার কারনে বর্তমানে ইতালির ফুটবলে সেখানকার উচু শ্রেণীর মানুষের প্রভাব দেখা যায়। ইতালির ফুটবল খেলার উত্থান স্পেনের সমসাময়িক। উনিশ শতকের শেষ দিকে ইতালির প্রথম ফুটবল ক্লাব গঠন করা হয়। আর ১৮৯৮ সালে ইতালিতে প্রথমবারের মতো জাতীয় পর্যায়ে ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন হয়।

Read more

বাংলালিংক এসএমএস অফার ২০২১

বাংলালিংক এসএমএস প্যাক ২০২১ — আপনি কি বাংলালিংক এসএমএস অফার প্যাক ২০২১ খুঁজছেন? আমরা আজকের এই আর্টিকেলে বাংলালিংক এসএমএস অফার ২০২১ …

Read more

সিগারেটের নেশা থেকে মুক্তির উপায়

সিগারেটের নেশা থেকে মুক্তির উপায় — ধূমপান আমাদের সকলের স্বাস্থের জন্য অনেক ক্ষতিকর সেটা আমরা সবাই জানি। ধূমপান করার কারণে আমাদের শারীরিক নানা রকমের সমস্যার সৃষ্টি হয়ে থাকে ও আমরা ধীরে ধীরে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। আজকের এই আর্টিকেল থেকে আমরা সিগারেটের নেশা থেকে মুক্তির উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত জানবো।

ধূমপান কেন ক্ষতির কারণ?

ক্যান্সার: ধূমপায়ী মানুষদের ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা অন্যান্য সব মানুষের থেকে অনেক গুণে বেশি। সিগারেটের মধ্যে আছে নানা ধরনের ক্ষতিকারক সকল উপাদান যা মানবদেহে ক্যান্সারের সৃষ্টি করে থাকে। যার ফলে সবথেকে বেশি ক্ষতি হয়ে থাকে আমাদের ফুসফুসের। তাছাড়াও খাদ্যনালীর ক্যান্সার, কিডনি, শ্বাসনালীর ক্যান্সার, লিভার ক্যান্সার, প্যানক্রিয়াস, কোলন ক্যান্সার, মূত্রথলীর ক্যান্সার সহ আরো অনন্যা রোগে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা কয়েক গুণ বেড়ে যায়। ধূমপানের সঙ্গে জরায়ু ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও আছে। মোট কথা ধুমপান আমাদের সম্পূর্ণ শরীরের জন্যই ক্ষতিকর।

মৃত্যু: যে সকল মানুষ ধূমপান করে থাকে তাদের মৃত্যু সম্ভাবনা সাধারণ মানুষের চাইতে কয়েকগুণ বেশি। একটি গবেষণায় জানা গেছে, যারা ধূমপান করে থাকে তারা ৬০-৭০ বছরের আগেই তাদের মৃত্যুবরণ করার সম্ভাবন প্রায় ৩গুণ বেশি। ধূমপান করার কারণে পুরুষের চাইতে নারীর মৃত্যু সম্ভাবনা অনেক বেশি। ধূমপান করার কারণে ধূমপায়ীদের মৃত্যুর খুবই কাছাকাছি নিয়ে যায়।

হৃদরোগ: সিগারেটের মাঝে থাকা বিষাক্ত রাসায়নিক উপাদান যা শরীরের রক্তের স্বাভাবিক চলাচলে বাঁধার সৃষ্টি করে। অনেক ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ধূমপান করার কারণে রক্ত জমাট বাধতে পারে যা হার্ট অ্যাটাকের অন্যতম কারণ। হৃদরোগের ফলে বিশ্বে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু ঘটে।

কিডনি সমস্যা: ধূমপান করার কারণে আমাদের কিডনি ক্যান্সারসহ শরীরে নানা রকমের সমস্যা দেখা দেয়।অধূমপায়ীদের চেয়ে ধূমপায়ীদের কিডনি রোগে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা অনেকগুণ বেশি থাকে।তাছাড়াও ধূমপায়ীরা খুব অল্প বয়সেই ডায়াবেটিস অর্থাৎ বহুমূত্র রোগে আক্রান্ত হয়ে যায়। ধূমপান করার কারণে শারীরিক ক্ষতির মাঝে কিডনি রোগ অনেক বেশি জটিল।

মানসিক চাপ বৃদ্ধি: অনেক দিন ধরেই ধূমপান করলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস পায়। যার কারণে ফুসফুসের সংক্রমণ, টনসিল এবং সাইনানাইটিস রোগের মতো নানা ধরণের রোগ শরীরে দেখা দিতে পারে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস পেলে সাধারণ ঠাণ্ডা জ্বর হলে অনেক দিন ধরে থাকে, যা সহজেই ঠিক হতে চায়না। শরীরের কোথাও কেটে গেলে সহজেই ঘা শুঁকাতে চায়না এছাড়াও শরীরে নানা ধরণের চর্মরোগের দেখা দেয়। মানসিক সমস্যা থেকে পরবর্তীতে হতাশার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

ব্রেইনের ক্ষতি: ধূমপান করার কারণে মানুষের মস্তিষ্কের উপরে বিরূপ প্রভাব ফেলে বা ফেলতে পারে। ধূমপান করার ফলে মানুষের স্মৃতিশক্তি কমে যেতে পারে।

গর্ভবতি মায়ের ক্ষতি: ধূমপানের ফলে আমাদের মধ্যে যারা গর্ভবতী মা হতে চলেছেন তাদের শারীরিক সমস্যা হওয়ার পাশাপাশি জন্মের পরে শিশুর নানা ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। যদি বাবা সিগারেট খায় তবে সন্তানের জন্মের পরে নানা ধরনের শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে, হার্ট ফুটা, শ্বাসকষ্টের সমস্যা সহ আরো নানা ধরনের সমস্যার সৃষ্টি হয়।

ত্বকের ক্ষতি, বয়সের ছাপ: সিগারেট খাওয়ার কারণে আমাদের ত্বকের উজ্জ্বলতা অনেক হ্রাস পায়। কেননা ধূমপান করার কারণে শরীরে ভিটামিন-সি এর অভাব লক্ষ্য করা যায়। ত্বক সতেজ ও উজ্জ্বল রাখতে ভিটামিন-সি এর ভূমিকা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। অনেকদিন ধরে ধূমপান করে থাকলে চেহারায় বয়সের ছাপ পড়ে ও এতে অল্প বয়সেই বয়স্ক দেখা যায়।

সিগারেটের নেশা থেকে মুক্তির উপায়?

সিগারেটকে এখনই না করুন

আমি আর কোনোদিন ধূমপান করবো না। এই আজ কাল করে কাল আর আসেই না, তাই এখনই আমি ধূমপান বাদ দিবো সবার প্রহমে এই প্রতিজ্ঞা করে নিন তা না হলে কখনোই ধূমপান বাদ দেয়া সম্ভব না।

পরীক্ষা করুন

একদিন ধূমপান করা থেকে বিরত থাকুন। তারপর আপনি কি ধরনের পার্থক্য দেখতে পাচ্ছেন তা লক্ষ্য করার চেষ্টা করুন। এবং তারপর ২ দিন, ৩ দিন ধূমপান করা থেকে দূরে থাকুন। এভাবেই ধীরে ধীরে অভ্যাস গড়ে উঠবে।

ধূমপায়ী দের এড়িয়ে চলা

আমাদের বন্ধুবান্ধব সহ আশেপাশের অনেকেই প্রতিদিন সিগারেট খায়, তাদেরকে যত সম্ভব এড়িয়ে চলা আপনার উচিত, চায়ের দোকানে অথবা আড্ডা দেওয়ার সময় অনেক সময় এক সঙ্গে ৪ থেকে ৫ টা করে সিগারেট খেয়ে থাকে তাই আমাদের যথাসম্ভব চেষ্টা করা দরকার সেই সকল মানুষদেরকে এড়িয়ে চলা।

ধূমপায়ীদের স্বাস্থগত পরিবর্তন

কয়েকদিন ধূমপান করা বন্ধ করার পরে লক্ষ্য করবেন যে আমাদের খাওয়ার রুচি বিদ্ধি হয়েছে, রাতে ভালোভাবে ঘুম হবে। যারা দীর্ঘদিন ধরে সিগারেট খেয়ে থাকে দেখা যাবে তারা প্রত্যেকেই কোনো না কোনো শারীরিক সমস্যা নিয়ে জীবনযাপন করছে। তাই সুস্থ সুন্দরভাবে বেঁচে থাকার জন্যে ধূমপান কে পরিহার করুন।

হিসাব করুন

আমরা নিয়মিত সিগারেট খাওয়ার কারণে শরীরের যেমন ক্ষতি করে থাকি ঠিক তেমনি আমাদের আর্থিকক্ষতি লসও হয়ে থাকে। হিসাবে দেখা যায় যে প্রতিমাসে আমরা সিগারেটের পিছনে এতোবেশি টাকা খরচ করি যা একত্রে করে আমরা আমাদের পছন্দমতো জিনিস ক্রয় করতে পারতাম।

মুখ ও হাত ব্যস্ত রাখা

সিগারেট ছাড়ার পরে সবার প্রথমে আমাদের কাজ হচ্ছে হাত এবং মুখ সারাক্ষণ ব্যস্ত রাখা যেমন- সিগারেট খাওয়ার ইচ্ছে করলেই চুইংগাম খাওয়া, স্বাস্থ্যকর সকল খাবার খাওয়া। যার কারণে আমরা সিগারেট খাওয়া থেকে নিজেদেরকে বিরত রাখতে পারবো আর আমাদের শরীরও সুস্থ থাকবে।

অবসর সময় ব্যস্ত রাখা

যখন আমরা অবসরে থাকি তখন দেখা যায় যে ভালো না লাগার কারণে আমরা সিগারেটকে হাতে তুলে নেই। কিন্তু এই সময়ে আমাদের সবাইকে বিভিন্ন বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। গান শুনা, হাঁটাহাঁটি করা কিংবা ব্যায়াম করে আমাদের অবসর সময় কাটানো উচিৎ।

ধূমপানবিরোধী সেমিনার

ধূমপানের কারণে আমাদের শরীরের কি কি ক্ষতি হয়ে থাকে এবং এখান থেকে আমরা কিভাবে পরিহার করতে পারবো সেই বিষয় নানা ধরনের সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে এবং এই বিষয়ে বিভিন্ন বই বের হয়। তাই আমাদের ধূমপান ছাড়ার পরে যত পারা যায় সেই সকল বই পড়া ও সেমিনারে অংশগ্রহণ করা।

ধূমপান কর্ণার থেকে দূরে থাকা

বর্তমান সময়ে একটা বিষয় খুবই দেখা যায় বিভিন্ন রেস্টুরেন্টে স্মোকিং জোন রয়েছে সেখানে যারা ধূমপান করে তাদের জন্যে আলাদা সুবিধে করে দিয়েছে। তাই আপনার উচিত যতটা পারা যায় সেখান থেকে দূরে থাকা। রাস্তাঘাটে বিভিন্ন গলি বা চায়ের দোকানে অনেক ধূমপায়ীদের দেখা যায় তাই আমাদের সকলের উচিত সেই সব জায়গা থেকে নিজেদেরকে দূরে রাখা।

Read more

২০২১ সালের সেরা এন্ড্রয়েড এন্টিভাইরাস

সেরা এন্ড্রয়েড এন্টিভাইরাস — গুগল প্লে স্টোর এর রিপোর্ট অনুযায়ী প্রতিদিন যে হারে এন্ড্রয়েড স্মার্টফোনে ভাইরাসের আক্রমণ বাড়ছে, তা বিবেচনা করেই আমরা আজকের এই আর্টিকেলে কিছু সেরা এন্ড্রয়েড এন্টিভাইরাস অ্যাপ তালিকাভুক্ত করেছি যা আপনার স্মার্টফোনকে রাখবে নিরাপদ ও সুরক্ষিত। 

আমরা ২০২১ সালের জন্য সেরা এন্টিভাইরাস অ্যাপগুলোর লিস্ট হালনাগাদ করেছি এবং অকেজো সব অ্যাপগুলোকে বাদ দিয়েছি। যদি আপনি আপনার স্মার্টফোনকে চুরি অথবা ভাইরাসের হাত থেকে রক্ষা করতে চান, তবে দেখে নিন ২০২১ সালের জন্য বাছাই করা সেরা এন্ড্রয়েড এন্টিভাইরাস অ্যাপ যেগুলো আপনার মোবাইল ফোনকে রাখবে নিরাপদ ও সুরক্ষিত। চলুন জেনে নেই সেরা ১০ টি এন্টিভাইরাসের নাম।

CM Security | সেরা এন্ড্রয়েড এন্টিভাইরাস

CM security (Clean Master) হচ্ছে একটি পুরস্কার প্রাপ্ত সেরা এন্ড্রয়েড সিকিউরিটি অ্যাপ যা আপনাকে ম্যালওয়্যার থেকে প্রদান করবে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা বা সুরক্ষা। এই এন্ড্রয়েড সিকিউরিটি অ্যাপটি ডেভেলপ করছে গবেষণাকারী প্রতিষ্ঠান Cheetah Mobile। এই Clean Master অ্যাপটি খুবি দ্রুততার সাথে এবং আস্থার সঙ্গে কাজ করে। আমি আমার স্মার্টফোনের সুরক্ষার জন্য আমি নিজেই এই এন্ড্রয়েড সিকিউরিটি অ্যাপটি ব্যবহার করেছি।

360 Security | এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার

360 সিকিউরিটি (পূর্বে এই অ্যাপটির নাম ছিলো Qihoo) এটি একটি দীর্ঘকালস্থায়ী ও জনপ্রিয় সেরা এন্ড্রয়েড অ্যান্টিভাইরাস অ্যাপ। এই সেরা এন্ড্রয়েড এন্টিভাইরাস অ্যাপের মাঝে যে সকল ফিচার আছে যেগুলো ব্যবহার করে আপনার স্মার্টফোনকে সুরক্ষিত রাখা সম্ভব। স্বাভাবিকভাবেই, এই অ্যাপ একটি এন্টিভাইরাস ইঞ্জিন, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনার ডিভাইসে থাকা ফাইলগুলোকে স্ক্যান করবে ও নিজের ভাইরাস ডেফিনেশন আপডেট করবে।

প্রতিটি অ্যাপ মোবাইলে ইনস্টল করার সময়, হোক সেটা গুগল প্লে স্টোর থেকে অথবা লোকাল  ভাবে, এটি আপনার স্মার্টফোনে 360 Real Time Protection এর মাধ্যমে চেক করে আপনার ডিভাইসকে রাখবে সুরক্ষিত এবং আপনাকে রাখবে নিশ্চিন্ত। তাছাড়াও এই সেরা এন্টিভাইরাসটি একটি সিস্টেম ক্লিনার যেটা জাঙ্ক ফাইল ক্লিন করে, র‍্যাম স্পেস ফাঁকা রাখে এবং ব্যাটারির চার্জ বেশি সময় ধরে রাখতে সাহায্য করে।

আরও পড়ুনঃ কম্পিউটারের জন্য প্রয়োজনীয় ৫টি সফটওয়্যার

Kaspersky Internet Security | এন্টিভাইরাস অ্যাপ

ক্যাসপারস্কি এন্টিভাইরাস কম্পিউটার সংস্করণ নিয়মিত সুনামের সাথে সেরা অ্যান্টিভাইরাস হিসাবে নির্বাচিত হয়ে থাকে। ফ্রিতে এর মোবাইল ভার্সনটি আপনাকে দিবে প্রয়োজনীয় সব পরিষেবা ও এন্টি থেফট ফিচার। অ্যাপটির প্রিমিয়াম ভার্সনে ১ বছরের জন্য আপনাকে পেমেন্ট কর‍তে হবে $১৪.৯৫ ডলার। এই আপগ্রেড করলে আপনি আরও পেয়ে যাবেন আপনার টেক্সট মেসেজিং সুরক্ষা, এন্টি ফিশিং,  ক্লাউড প্রোটেকশন ও ফোনের প্রাইভেসি সুরক্ষা আপনি যখন ওয়েব সার্ফ করবেন।

Malwarebytes Anti-Malware | মোবাইলের জন্য ভালো এন্টিভাইরাস

Malwarebytes প্রায় বেশিরভাগ লাইটওয়েট কম্পিউটারের সুরক্ষা সরঞ্জাম হিসাবে অনেক বেশি জনপ্রিয়। ফ্রিতে আপনি এই Malwarebytes Anti-Malware ডাউনলোড করতে পারবেন। এতে রয়েছে অনেক ফিচারস যেমন- অ্যান্টিভাইরাস, বাক্তিগত প্রাইভেসি রক্ষা, এন্ড্রয়েড ডিভাইস ম্যানেজার, এন্টি থেফট ইত্যাদি।

AVL | সেরা এন্টিভাইরাস

AVL অ্যান্টিভাইরাসে আছে খুব সুন্দর ইউজার ইন্টারফেস ও একটি নির্ভরযোগ্য এন্ড্রয়েড নিরাপত্তা ব্যবস্থা। যদিওবা এই অ্যাপ্লিকেশানে অ্যান্টি থেফট ফিচারটি নাই যা অন্যান্য অ্যাপগুলোতে রয়েছে। তবুও এই অ্যাপের অ্যান্টিভাইরাস ফিচারসটি খুবি ভালো এবং এটা আপনার স্মার্টফোনের ব্যাটারি চার্জ বেশি খাবেনা অথবা ফোনকে ধীরগতির করবেনা। এই অ্যাপটি খুবই বিশ্বস্ত ও নির্ভরযোগ্য।

আরও পড়ুনঃ ১২০০০ টাকার মধ্যে Realme/Redmi কোন ফোন ভালো হবে?

Read more